Logo
আজঃ বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪
শিরোনাম

সন্দ্বীপে মাদক বিরোধী পথসভা ও লিফলেট বিতরন।

প্রকাশিত:সোমবার ২৪ জুন 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | ২৭০জন দেখেছেন

Image

সন্দ্বীপ প্রতিনিধি 

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে ২৪ জুন (সোমবার) মাদকের ভয়াবহতা নিয়ে পথসভা ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।  স্বাধীন বাংলা  মাদক বিরোধী কল্যাণ সোসাইটি ও সন্দ্বীপ অধিকার আন্দোলন   যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

 উপজেলা পরিষদের ভিতরে পথসভা শেষে কমপ্লেক্স এলাকায় ব্যবসায়ী ও সর্বস্তরের  জনগণের মাঝে লিফলেট বিতরণ করা হয়।  লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি উদ্ভোধন করেন সন্দ্বীপ উপজেলার সহকারী ভূমি কমিশনার তাসফিক সিপাত উল্যা

পথসভায় বক্তব্য রাখেন সন্দ্বীপ অধিকার আন্দোলন এর সভাপতি  মোঃ হাসানুজ্জামান সন্দ্বীপি, স্বাধীন বাংলা মাদক বিরোধী কল্যাণ সোসাইটির সন্দ্বীপ কমিটির  সভাপতি মোঃ রুবেল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাকিল খান প্রমুখ।

এ সময় সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে উপস্তিত ছিলেন মোঃ জাফর ইসলাম, এমদাদ হোসেন, জয়দেব কাহার,মেহেদী হাসান,আরমান হোসেন তাইমুল হোসেন, আব্দুর রহমান, সাব্বির মাহমুদ, মোঃ রাফি, আব্দুল করিম সহ  স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ , 

বক্তব্যে নেতৃবৃন্দ সন্দ্বীপ উপজেলাকে মাদকমুক্ত করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করে বলেন ,সন্দ্বীপের প্রতিটি  ইউনিয়ন পাড়া মহল্লাও স্কুল -কলেজে  মাদক বিরোধী জন সচেতনতামূলক লিফলেট ও অন্যান্য কর্মসূচি চলমান থাকবে


আরও খবর



আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | ৪১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক :

গতকাল ১৬ জুলাই ২০২৪  তারিখ র‌্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে  দুপুর আনুমানিক ১:২০ মিনিটে রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন ফারুক রোড এলাকা হতে গণহত্যা, মানবতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত দীর্ঘদিন যাবৎ পলাতক আসামী শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল (৭৫)’কে গ্রেফতার  করেছে র‌্যাব-১০।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে, গ্রেফতারকৃত আসামী উল্লেখিত অপরাধের সাথে তার সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা যায় আসামী শেখ রফিকুল ইসলাম বাবুল গ্রেফতারী পরোয়ানা মামলার রায় ঘোষনার পর হতে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করে আত্মগোপন করে ছিল। গ্রেফতারকৃত আসামীকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


আরও খবর



আজ পবিত্র আশুরা

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ | ৫১জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:


‘ত্যাগ চাই, মর্সিয়া ক্রন্দন চাহি না’। ফিরে এলো আজ সেই মোহররম মাহিনা...। আজ মহরমের দশম তারিখ, পবিত্র আশুরা।



 ইসলামের ইতিহাসে আশুরা এক অসামান্য তাৎপর্যে উজ্জ্বল। ইবাদত-বন্দেগির জন্যও এই দিবস অতুলনীয়। সবকিছু ছাপিয়ে কারবালার মর্মন্তুদ সকরুণ শোকগাঁথা এই দিবসকে গভীর কালো রেখায় উৎকীর্ণ করে রেখেছে। 



৬১ হিজরি সালের এই দিনে হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইন (রা.) ও তার পরিবারের সদস্যরা ইয়াজিদের সৈন্যদের হাতে কারবালার ময়দানে শহিদ হন। পবিত্র আশুরা তাই মুসলিম উম্মাহর জন্য এক তাৎপর্যময় ও শোকাবহ দিন।



 দিনটি মুসলমানদের কাছে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠারও দিন। দিনটি আল্লাহ রব্বুল আলামিনের কাছে খুবই প্রিয়। তাই তিনি এই দিনে রোজা পালনের সওয়াব প্রদান করে থাকেন বহুগুণে। মুসলমানদের কাছে বিগত বছরের গোনাহর কাফফারা হিসেবে মহরমের দুটি রোজা রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 



হজরত আবু হুরায়রাহ (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, হজরত মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: মাহে রমজানের পর সর্বোত্তম রোজা হলো আল্লাহর প্রিয় মহরম মাসের রোজা এবং ফরজ নামাজের পর সর্বোত্তম সালাত হলো রাতের (তাহাজ্জুদ) নামাজ (সহিহ মুসলিম)। 



রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মদিনায় আগমন করলেন, তিনি আশুরার দিনে ইহুদিদের রোজা পালন করতে দেখলেন। ‘ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদিনায় এসে দেখলেন যে, ইহুদিরা আশুরার দিনে রোজা পালন করছে। 



তিনি তাদের জিজ্ঞেস করলেন, এটা কোন দিন যে তোমরা রোজা পালন করছ? তারা বলল, এটা এমন এক মহান দিবস, যেদিন আল্লাহ হজরত মুছা (আ.) ও তার সম্প্রদায়কে নাজাত দিয়েছিলেন এবং ফেরআউনকে তার দলবলসহ ডুবিয়ে মেরেছিলেন।



 মুছা (আ.) শুকরিয়া হিসেবে এই দিনে রোজা পালন করেছেন। এ কারণে আমরাও রোজা পালন করে থাকি। এ কথা শুনে রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন :তোমাদের চেয়ে আমরা মুছা (আঃ)-এর অধিকতর ঘনিষ্ঠ ও নিকটবর্তী। অতঃপর রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রোজা পালন করলেন এবং অন্যদের রোজা পালনের নির্দেশ দিলেন।



 (বুখারি ও মুসলিম)। আশুর নিয়ে বহু কথা, অনেক ইতিহাস প্রচলিত থাকলেও সহিহ বুখারি ও মুসলিমের হাদিস অনুযায়ী পবিত্র আশুরার দিনে মুসা (আ.) ও তার সাথিদের মুক্তি পাওয়া ছাড়া আর কোনো ঘটনা প্রমাণিত নয়। 



এই দিনে মহান আল্লাহ তার রসুল মুসা (আ.) ও তার সঙ্গী বনি ইসরাইলকে ফেরাউনের হাত থেকে উদ্ধার করেন এবং ফেরাউন ও তার সঙ্গীদের ডুবিয়ে মারেন। পবিত্র আশুরার দিন মুসলিম জাহানের জন্য এ কারণে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।



মহরম নিয়ে প্রচলিত কুসংস্কার :সাধারণ মানুষের মধ্যে মহরম মাস সম্পর্কে কিছু ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। যেমন—এই মাসে বিয়েশাদি না করা, নতুন ঘরবাড়ি নির্মাণ না করা, কোনো শুভ কাজ বা ভালো কাজের সূচনা না করা, গোশত না খাওয়া ও নিরামিষ আহার করা, পান না খাওয়া, নতুন কাপড় ও সুন্দর পোশাক পরিধান না করা, সাদা কাপড় বা কালো কাপড় তথা শোকের পোশাক পরা, সব ধরনের আনন্দ-উৎসব পরিহার করা—এ সবই কুসংস্কার।


আশুরাবিষয়ক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন কথাবার্তা: ‘উড়িয়া যায়রে জোড়া কবুতর/ফাতেমা কেন্দে কয়, আজ বুঝি কারবালার আগুন লেগেছে মোর কলিজায়/ মা ফাতেমার কান্দন শুনে আরশ থেকে আল্লাহ কয়/যাওগো জিব্রিল বাতাস কর মা ফাতেমার কলিজায়/পুত্রশোকে কলিজা জ্বলে বাতাসে কি ঠাণ্ডা হয়....’ এই সমস্ত নগদ মিথ্যা কথা ও কেচ্ছা-কবিতা গানের আকারে আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে।



 এগুলো যে মিথ্যা তার প্রমাণ হলো, মা ফাতেমা (রা.) মৃত্যুবরণ করেন ১১ হিজরিতে আর হুসাইন (রা.) শহিদ হন ৬১ হিজরিতে। দুই জনের মধ্যে প্রায় ৫০ বছরের ব্যবধান। এ ধরনের অসংখ্য মিথ্যা ও ভিত্তিহীন কথাবার্তা আমাদের সমাজে প্রচলিত আছে আশুরা ও মহররমকে কেন্দ্র করে। আল্লাহর রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে মাতম করতে স্পষ্টভাবে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেন, তাদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই, যারা বুক চাপড়ায়, কাপড় ছেঁড়ে এবং জাহেলি যুগের কথাবার্তা বলে।


পবিত্র আশুরা উপলক্ষ্যে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংগঠন নানা কর্মসূচি পালন করছে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, বেসরকারি টিভি চ্যানেলসমূহ বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করছে। 



সংবাদপত্রসমূহ বিশেষ প্রবন্ধ-নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। পবিত্র আশুরা উপলক্ষে আজ সরকারি ও বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান এবং সংবাদপত্রের অফিসসমূহে ছুটি থাকবে। পবিত্র আশুরা উপলক্ষে মসজিদ, মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। 



আশুরা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিবৃতি দিয়েছেন।



আরও খবর

রাজধানীতে তাজিয়া মিছিল

বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪




জবি শিক্ষার্থীদের গণপদযাত্রা শুরু

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image



নিজস্ব প্রতিবেদক


সরকারি চাকরিতে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের এক দফা দাবিতে গণপদযাত্রা কর্মসূচি শুরু করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। 



রোববার (১৪ জুলাই) বেলা পৌনে ১১টার সময় ক্যাম্পাস থেকে সহস্রাধিক শিক্ষার্থী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে মিছিল নিয়ে বঙ্গভবন অভিমুখে যাত্রা শুরু করে।



কোটা সংস্কার আন্দোলনের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক মেহেরুন্নেসা হিমু বলেন, আমাদের এ আন্দোলন কোনও রাজনৈতিক আন্দোলন নয়। আমাদের দাবি- দেশে অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর কোটা ব্যতীত সব ধরনের অযৌক্তিক কোটা বাতিল করে সংসদে আইন প্রণয়ন মাধ্যমে কোটার বিষয়ে একটি স্থায়ী সমাধান করতে হবে।


এর আগে গতকাল সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন আন্দোলনকারীরা। রাজধানীতে তারা গণপদযাত্রা করে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দেবেন। 


এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সাত কলেজসহ রাজধানীর উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন।


একই সময় আন্দোলনে থাকা সারা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও গণপদযাত্রা করে নিজ নিজ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে তার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দেবেন।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে গতকাল সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। 



এ সময় তিনি জানান, কোটার যৌক্তিক সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দী দিবস আজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ | ৩৫জন দেখেছেন

Image



চ্যানেল 23 ডেস্ক:



বঙ্গবন্ধুকন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারাবন্দী দিবস আজ। ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিভিন্ন মিথ্যা-বানোয়াট, হয়রানি ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সুধাসদনের বাসভবন থেকে গ্রেফতার করা হয়। 



গ্রেফতারের আগে শেখ হাসিনার নামে একাধিক মামলা দেওয়া হয়। গ্রেফতারের পর তাকে পুলিশের একটি জিপে করে ঢাকার সিএমএম আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়লে তৎকালীন ভীতসন্ত্রস্ত পরিস্থিতির মুখেও দলের নিবেদিত কর্মীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। আদালত প্রাঙ্গণে প্রিয় নেত্রীকে একনজর দেখতে সমবেত হন হাজারো নেতাকর্মী-সমর্থক।


ঐ সময় শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ২৫ লাখ গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে জমা দেয়। এসব দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।


গ্রেফতার-পূর্ব মুহূর্তে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দেশবাসীর উদ্দেশে একটি চিঠির মাধ্যমে দেশের জনগণ এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গণতন্ত্র রক্ষায় মনোবল না হারিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। 



আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠন ও গণতন্ত্রপ্রত্যাশী দেশবাসীর ক্রমাগত প্রতিরোধ আন্দোলন, বঙ্গবন্ধুকন্যার আপসহীন ও দৃঢ় মনোভাব এবং দেশবাসীর অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সালের ১১ জুন দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগ ও নানামুখী ষড়যন্ত্রের পর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।


আরও খবর



ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | ৪৫জন দেখেছেন

Image


ডেস্ক রিপোর্ট:


কোটা সংস্কারের দাবিতে উত্তাল সারাদেশ। এরই অংশ হিসেবে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনকারীরা। এসময় তাদের সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।


বুধবার (১৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মোস্তফাপুরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।


এর আগে মাদারীপুর সরকারি কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ব্যানার-ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মোস্তফাপুরে গোলচত্বরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। 



এ সময় তারা সারা দেশে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার ও কোটা সংস্কারের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।


একপর্যায়ে সেখানে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা হাজির হলে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। এতে নারীসহ পাঁচ জন আহত হন।



এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এইচ এম সালাউদ্দিন বলেন, মহাসড়কে কোটা সংস্কারের অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ সকাল থেকেই মহাসড়কে অবস্থান নেয়। শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ করলে প্রথমে তাদের বোঝানো হয়।



 পুলিশের চেষ্টায় অনেক শিক্ষার্থী মহাসড়ক ছেড়ে দিলেও অনেকেই আবার মহাসড়ক অবরোধ করার চেষ্টা করেন। এ সময় কোটার পক্ষের কিছু লোক তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেন।


তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলার কোনো অবনতি ঘটেনি। পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত। যান চলাচলও স্বাভাবিক রয়েছে।


আরও খবর