Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

শীতে কোন কোন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ২৪১জন দেখেছেন

Image

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শীতে শরীরের তাপমাত্রার চেয়ে জলবায়ুর তাপমাত্রা কম থাকায় ঠান্ডা অনুভূত হয়। শীতকালে আবার শৈত্যপ্রবাহের কারণে সূর্যের তাপও কম থাকে।

আর এ কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমতে শুরু করে। ফলে রোগ জীবাণু যেমন- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ফাঙ্গাস ইত্যাদির বংশবিস্তার ঘটে দ্রুত।

নানা ধরনের জীবাণুবাহিত অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি শীতে দ্বিগুণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে এ সময় শারীরিক সমস্যা, চর্মরোগসহ ফুসফুসজনিত নানা সমস্যায় কমবেশি সবাই ভোগেন। সব মিলিয়ে এ সময় সুস্থ থাকাটা বেশ চ্যালেঞ্জের।

শীতে কোন কোন রোগ বাড়ে?

গলা ব্যথা ও কাশি
গলা খুসখুস করা, ঠান্ডায় কাশি হওয়া থেকে শুরু করে রাতে ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে আসার মতো সমস্যা দেখা দেয় শীতে। গরম ভাঁপ নিলে বা গড়গড়া করলে ও ঠান্ডা এড়িয়ে চললে অনেক সময় এর সমাধান মেলে।

অ্যালার্জি
শীতের সময় শুষ্কতার কারণে শরীরের ত্বক ও শুষ্ক হয়ে ওঠে। ফলে অনেক সময় চুলকানি বা ব্যথা অনুভব হতে পারে। অ্যালার্জির কারণে অনেক সময় তীব্র শ্বাসকষ্টও হতে পারে। কোল্ড বা ডাস্ট অ্যালার্জির সমস্যা ছাড়াও শীতের শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বকের আর্দ্রতা কমে গিয়ে ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যায়।

নাক দিয়ে রক্ত ঝরা
শীতকালে বাতাস শুকনো হয়ে যায়, বাচ্চারা বারবার নাকে হাত দেয়, সর্দির বারবার নাক পরিষ্কার করা হলে এমন সমস্যা হয়। নাক দিয়ে রক্ত পড়লে অভিভাবকদের অবশ্যই ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে হবে।

টনসিল
শীতের হিম বাতাসে টনসিল গ্রন্থির ক্ষতি হয়, ফলে প্রদাহ হয়ে ফুলে ওঠে, গলা ব্যথা, ঢোঁক গিলতে অসুবিধা হয়। টনসিল গ্রন্থিতে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ফাঙ্গাস দ্বারা ইনফেকশন হয়, প্রচন্ড ব্যথা হয় আবার এতে পুঁজও হয়। ঠান্ডা খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।

মশাবাহিত রোগ
শীতকালে মশাবাহিত ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া, ডেঙ্গু রোগসহ নানা ভাইরাস জ্বরের রোগের প্রকোপ দেখা যায়। কাঁপুনি দিয়ে উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর আসা, বারবার জ্বর আসা, গিঁটে ব্যথা ইত্যাদির লক্ষণ দেখা গেলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

মলত্যাগে সমস্যা
হঠাৎ করে ঠান্ডার কারণে শিশুদের, অনেক সময় বড়দেরও পাতলা পায়খানা হতে দেখা যায়। বিশেষ করে যখন বেশি ঠান্ডা পড়ে, তখন বয়স্কদেরও পাতলা পায়খানা হতে পারে। এই সমস্যা এড়াতে বাইরের খাবার একেবারে খাওয়া উচিত না।

সাইনোসাইটিস
সাইনোসাইটিসের কারণে সাইনাস গ্রন্থিগুলোতে শ্লেষ্মা জমে বাতাস চলাচলের রাস্তা ব্লক হয়ে যায়। ফলে শ্বাসতন্ত্রের স্বাভাবিক কাজ বাঁধাপ্রাপ্ত হয়।

সাইনোসাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি বন্ধ নাক, মাথাব্যথা, চোখব্যথা, মুখ ফুলে যাওয়া, নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, গলার স্বর পরিবর্তনসহ বিভিন্ন যন্ত্রণা ভোগ করেন।

স্নায়ুরোগ
শীতের সময় হাত-পা ঠান্ডা অবস্থায় রক্ত চলাচল কম হয়। এতে নার্ভ ঝুঁকিতে থাকে। এছাড়া রক্তশূন্যতার রোগী ও বৃদ্ধরাও শীতে নার্ভের জটিলতায় ভুগে থাকেন।

অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগালে নার্ভের পাশাপাশি মাংসপেশি ও হাঁড়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে নার্ভ, হাঁড় ও মাংসপেশির নানান অসুখ হয়।

টিনিটাস
শীতে ঠান্ডা লেগে নাক, কান ও গলার প্রদাহ থেকে টিনিটাস নামক একটি কষ্টকর সমস্যা সৃষ্টি হয় অনেকেরই। এতে আক্রান্ত কানে অনবরত বাঁশির মতো শব্দ হতে থাকে।


আরও খবর



২৭ মার্চ বুধবার থেকে নতুন সময়সূচিতে চলবে মেট্রোরেল

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ৯০জন দেখেছেন

Image

যাত্রী চাহিদার কথা বিবেচনা করে আগামী বুধবার (২৭ মার্চ) থেকে রাত ৯টার পরও মেট্রোরেল চালু রাখার উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আজ সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) কর্তৃপক্ষ।

ডিএমটিসিএল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ১৬তম রোজার দিন মতিঝিল থেকে সর্বশেষ ট্রেন ৯টা ৪০ মিনিটে এবং উত্তরা থেকে সর্বশেষ ট্রেন ৯টা ২০ মিনিটে ছাড়বে।  বর্তমানে পিক আওয়ারে (৭টা থেকে সাড়ে বেলা ১১টা এবং বেলা ২টা থেকে রাত ৮টা) প্রতি ৮ মিনিট পরপর মেট্রোরেল চলাচল করে। আর বেলা ১১টা থেকে ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত অফ পিক আওয়ারে ১২ মিনিট পরপর মেট্রোরেল চলাচল করে।

বুধবার থেকে বাড়তি সময়ে ১২ মিনিট পরপর ট্রেন চলাচল করবে। এতে চলাচলরত ট্রেনের সংখ্যা ১০টি বাড়বে। এখন দিনে ১৮৪ বার ট্রেন চলে। তখন চলবে ১৯৪ বার। পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিন মেট্রোরেল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ডিএমটিসিএল সূত্র জানিয়েছে, মেট্রোরেলে দিনে পাঁচ লাখ যাত্রী চলাচল করার সক্ষমতা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রতি চার মিনিট পরপর ট্রেন চালাতে হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় ২৪ সেট মেট্রোরেল আছেও। আগামী জুনের মধ্যে সর্বোচ্চ সক্ষমতায় মেট্রোরেল চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।  

এ বিষয়ে ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম এ এন সিদ্দিক বলেন, দিনে পাঁচ লাখ যাত্রী পরিবহন করা তাদের লক্ষ্য। এ জন্য চালুর পর থেকেই যাত্রী চলাচলের ধরন নিয়ে তারা বিশ্লেষণ করছেন। প্রয়োজন অনুসারে দুই ট্রেনের সময় কমিয়ে আনছেন। তিনি জানান, তারা নিজেদের আয়ে চলছেন। সরকার থেকে কোনো ভর্তুকি নিচ্ছেন না। মেট্রোরেল পরিচালনা ও বিদ্যুতের খরচ ওঠানো গুরুত্বপূর্ণ। যাত্রী না বাড়িয়ে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ালে লোকসান গুনতে হবে।


আরও খবর



ভিয়েতনামে বাংলাদেশ দূতাবাসে গণহত্যা দিবস পালন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ৭৮জন দেখেছেন

Image

ভিয়েতনামের হ্যানয়স্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ২৫ মার্চ যথাযোগ্য মর্যাদায় ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে গণহত্যা দিবস পালন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালোরাতে নিহত সকল শহীদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন, মোমবাতি প্রজ্বলন এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। 

পরে দিবসটি উপলক্ষ্যে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয় এবং দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনার পর্বে মূল বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ লুৎফর রহমান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মিশনের কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান নাসিরউদ্দীন। 


আরও খবর



খুলনায় সুন্দরবন কলেজের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন, সড়ক অবরোধ

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ১২৬জন দেখেছেন

Image

খুলনায় সরকারি সুন্দরবন আদর্শ কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষক বাসুদেব বিশ্বাসকে বরখাস্তের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার দুপুরে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা কলেজের প্রধান ফটক বন্ধ করে দেয়। একইসঙ্গে কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ ও টায়ারে অগ্নিসংযোগ করে। এতে কলেজে চলমান অনার্স প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে।

ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা জানান, শিক্ষক বাসুদেব বিশ্বাস ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে কটূক্তিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তারা অবিলম্বে বাসুদেব বিশ্বাসের বরখাস্তের দাবি জানান।

এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ মাসুদা সুলতানা জানান, শিক্ষক বাসুদেব বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ভর্তি কার্যক্রম আপাতত বন্ধ রয়েছে। তবে সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করা হচ্ছে।


আরও খবর



আজ থেকে নতুন সময়সূচিতে মেট্রোরেল

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ৮৭জন দেখেছেন

Image

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে মেট্রোরেল চলাচলের সময় এক ঘণ্টা বাড়ছে আজ বুধবার (২৭ মার্চ) থেকে। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত বাড়তি সময়ে মেট্রোরেল সেবা পাবেন যাত্রীরা। মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ এন ছিদ্দিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার ডিএমটিসিএলের এক ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, ১৬ রমজান (বুধবার) থেকে উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে সর্বশেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ৯টায় এবং মতিঝিল স্টেশন থেকে সর্বশেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে।

সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার বন্ধ রেখে মেট্রোরেল দৈনিক সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত চলাচল করে। পিক আওয়ারে (সকাল ৭টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা এবং দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা) প্রতি ৮ মিনিট পরপর মেট্রোরেল চলাচল করে। আর বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত অফ পিক আওয়ারে ১২ মিনিট পরপর ট্রেন চলাচল করে।

এর আগে ডিএমটিসিএল প্রজেক্ট-৬ এর উপপ্রকল্প পরিচালক (গণসংযোগ) উপসচিব তরফদার মাহমুদুর রহমান স্বাক্ষরিত ‘বিশেষ নোটে’ বলা হয়, ২৭ মার্চ থেকে মেট্রো ট্রেন চলাচলের সময়সীমা এক ঘণ্টা বাড়ানো হচ্ছে। মতিঝিল থেকে সর্বশেষ ট্রেন এখন রাত ৮টা ৪০ মিনিটের পরিবর্তে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে ছাড়বে এবং ট্রেনটি প্রত্যেকটি স্টেশনে থেমে উত্তরা উত্তর স্টেশনে পৌঁছাবে রাত ১০টা ১৪ মিনিটে। এই বর্ধিত সময়ে ১২ মিনিট অফ পিক হেডওয়েতে আরও ১০ বার মেট্রো ট্রেন চলাচল করবে। এতে দৈনিক মেট্রো ট্রেন ১৯৪ বার চলাচল করবে এবং চার লাখ ৪৭ হাজার ৭৫২ জন যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন।


আরও খবর



সোমবার ২৫ মার্চ রাতে ১ মিনিট অন্ধকারে থাকবে দেশ

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ এপ্রিল ২০২৪ | ৫৬জন দেখেছেন

Image

অন্যান্য বছরের মতো এবারও যথাযোগ্য মর্যাদায় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালনের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আগামী ২৫ মার্চ রাত ১১টা থেকে ১১টা ১ মিনিট পর্যন্ত সারাদেশে প্রতীকী ‘ব্ল্যাক আউট’ পালন করা হবে। তবে কেপিআই এবং জরুরি স্থাপনাসমূহ এ কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।

আগামী সোমবার ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালনে জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাণী দেবেন। এছাড়া ২৫ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে সকাল সাড়ে ১০টায় গণহত্যা দিবসের ওপর আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়েছে। সারাদেশে গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গীতিনাট্য ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। 

এছাড়া, স্কুল, কলেজ এবং মাদরাসাসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কণ্ঠে ২৫ মার্চ গণহত্যার স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকাসহ সকল সিটি করপোরেশনের মিনিপোলগুলোতে গণহত্যার ওপর দুর্লভ আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রচার করা হবে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এদিন বাদ জোহর বা সুবিধাজনক সময় দেশের সকল মসজিদে বিশেষ মোনাজাত এবং অন্যান্য উপাসনালয়গুলোতে প্রার্থনা করা হবে।

জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এবং বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসেও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে অনুরূপ কর্মসূচি পালন করা হবে।


আরও খবর