Logo
আজঃ বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪
শিরোনাম

শীতে গলা ব্যথা হলে সারাবেন যেভাবে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | ৭০৩জন দেখেছেন

Image

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শীতে কমবেশি সবাই সর্দি-কাশি ও গলা ব্যথার সমস্যায় ভোগেন। এক্ষেত্রে খাবার গিলতে এমনকি কথা বলতেও কষ্ট হয়। এ সমস্যায় ওষুধ না খেয়ে বরং ঘরোয়া উপায়ে এর সমাধান করতে পারেন। এজন্য কী করণীয় জেনে নিন-

দুধ-হলুদের মিশ্রণ
হলুদ একটি শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্টের উৎস। গুরুতর সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি আছে এই উপাদানে। গলা ব্যথা সারাতে ঘুমানোর আগে হলুদ দুধ পান করুন। একে সোনার অমৃতও বলা হয়।

স্টিম নিন
গলা ব্যথা সারাতে স্টিম বা গরম ভাঁপ নিতে পারে। স্টিমের আর্দ্র বাতাস অনুনাসিক প্যাসেজ, গলা ও ফুসফুসে আটকে থাকা আঁঠালো শ্লেষ্মা আলগা করে। ফলে মুহূর্তেই স্বস্তি মেলে।

আদা চা
আদা চা গলা ব্যথা সারানোর একটি জনপ্রিয় ও কার্যকর ঘরোয়া প্রতিকার। আদায় থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট গলা ব্যথা সারাতে দারুন কাজ করে।

গরম পানিতে গার্গল
গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে গার্গল করলেও গলার প্রদাহ কমে। দিনে অন্তত দুই থেকে তিনবার এটি অনুসরণ করতে পারেন। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করবেন না।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দী দিবস আজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ২১ জুলাই ২০২৪ | ৩৫জন দেখেছেন

Image



চ্যানেল 23 ডেস্ক:



বঙ্গবন্ধুকন্যা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারাবন্দী দিবস আজ। ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিভিন্ন মিথ্যা-বানোয়াট, হয়রানি ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সুধাসদনের বাসভবন থেকে গ্রেফতার করা হয়। 



গ্রেফতারের আগে শেখ হাসিনার নামে একাধিক মামলা দেওয়া হয়। গ্রেফতারের পর তাকে পুলিশের একটি জিপে করে ঢাকার সিএমএম আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়লে তৎকালীন ভীতসন্ত্রস্ত পরিস্থিতির মুখেও দলের নিবেদিত কর্মীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। আদালত প্রাঙ্গণে প্রিয় নেত্রীকে একনজর দেখতে সমবেত হন হাজারো নেতাকর্মী-সমর্থক।


ঐ সময় শেখ হাসিনার মুক্তির দাবিতে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ২৫ লাখ গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে জমা দেয়। এসব দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।


গ্রেফতার-পূর্ব মুহূর্তে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দেশবাসীর উদ্দেশে একটি চিঠির মাধ্যমে দেশের জনগণ এবং আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের গণতন্ত্র রক্ষায় মনোবল না হারিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। 



আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য সহযোগী সংগঠন ও গণতন্ত্রপ্রত্যাশী দেশবাসীর ক্রমাগত প্রতিরোধ আন্দোলন, বঙ্গবন্ধুকন্যার আপসহীন ও দৃঢ় মনোভাব এবং দেশবাসীর অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সালের ১১ জুন দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগ ও নানামুখী ষড়যন্ত্রের পর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।


আরও খবর



মধ্যরাতে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছিল স্লোগানে উত্তাল, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত:সোমবার ১৫ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | ৪৬জন দেখেছেন

Image

সদরুল আইনঃ

চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। 



রবিবার দিবাগত রাত পৌনে ১১টার দিকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হল ছেড়ে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রাস্তায় নেমে আসেন। হল ছেড়ে বেরিয়ে ছাত্রীরাও 'আমি কে তুমি কে? রাজাকার, রাজাকার', 'চাইলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার' স্লোগানে দিতে থাকেন। 



কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন'-এর ডাকে একে একে দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও এমন বিক্ষোভ শুরু হয় বলে জানা গেছে।


বিক্ষোভে বেশিরভাগ শিক্ষার্থী বলেছেন, অন্যায্য কোটাব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলায় তাদের অপমান ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের অপমান করার অধিকার কারও নেই। তারা এই অবমাননার প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নেমেছেন।



ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

এর আগে রবিবার সন্ধ্যায় গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রসঙ্গে বলেন,  'মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে এত ক্ষোভ কেন? মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-পুতিরা না পেলে, তাহলে কি রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে? আমার প্রশ্ন দেশবাসীর কাছে। রাজাকারের নাতি-পুতিরা চাকরি পাবে, মুক্তিযোদ্ধারা পাবে না? নিজের জীবন বাজি রেখে বিজয় এনে দিয়েছিল বলে সবাই উচ্চপদে আসীন। না হলে পাকিস্তানিদের বুটের লাথি খেয়ে চলতে হতো।'



প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যে কোটাব্যবস্থা সংস্কার চেয়ে যারা আন্দোলন করছেন তাদের অবমাননা করা হয়েছে দাবি করে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছেন। মধ্যরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিক্ষোভ চলাকালেই অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ও উত্তাল হয়ে ওঠে।



জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ইত্তেফাকের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা মাহমুদুর রহমান নাজিদ জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের প্রতিবাদে রবিবার রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। 



মিছিলটি পরে শাখারিবাজার হয়ে তাতিবাজারে যায়। ছাত্রী হলে তালা দিয়ে মেয়েদের আন্দোলনে যেতে নিরুৎসাহিত করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে ছাত্রীরাও গেটের তালা ভেঙে বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।


রোকসানা তৃষ্ণা নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, কোটা সংস্কারের আন্দোলনকারীদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাই। দেশের অভিভাবকের কাছে এমন বক্তব্য কখনোই আশা করা যায় না।


জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ঃ


 ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া 'তুমি কে, আমি কে— রাজাকার, রাজাকার' স্লোগানে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেদের হলে এমন স্লোগান দেয়ার পরিকল্পনা করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা৷ এর প্রেক্ষিতে ৪৯তম ব্যাচের ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের মো. সাঈফ খান মেসেজ দেন। পরে হলের ১২৪ নম্বর কক্ষ থেকে স্লোগান পুরো হলে ছড়িয়ে পড়ে৷ 



এ সময় শিক্ষার্থীরা সমস্বরে স্লোগান দিতে শুরু করলে পলিটিকাল ব্লক থেকে ৪৮তম ব্যাচের সিনিয়ররা এসে তাদের সবাইকে ডেকে হলের ডাইনিংয়ে নিয়ে যান। 


এরপর শিক্ষার্থীদের কাছে 'রাজাকার' স্লোগান দেওয়ার কারণ জিজ্ঞেস করা হয়। এ সময় 'শিবির সন্দেহে' শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন তল্লাশি করা হয়৷ এরই মধ্যে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক নাজমুল হাসান তালুকদারকে ডেকে নিয়ে আসেন ছাত্রলীগ নেতারা৷



 পরে হল প্রাধ্যক্ষের উপস্থিতিতে ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ক্ষমা চাইতে বলা হয়। ক্ষমা চাইলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো ক্যাম্পাস আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।


পরে রাত ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন' ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি সড়ক ঘুরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা।



শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ঃ


 রাত সোয়া ১২টার দিকে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হল থেকে বের হয়ে আসেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা স্লোগান দিতে থাকেন। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বলেন, একটি দেশের প্রধানমন্ত্রী কখনো সে দেশের ছাত্রজনতাকে রাজাকারের বাচ্চা বলতে পারেন না। তার এমন উক্তির প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা এতো রাতেও রাস্তায় নেমেছেন।


অন্যদিকে ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মী বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকেন্ড গেটে জড়ো হতে থাকেন এবং 'বঙ্গবন্ধুর বাংলায় রাজাকারের ঠাই নাই', 'একটা একটা রাজাকার ধর, ধরে ধরে জবাই কর', ধরি ধরি ধরি না, ধরলে মোরা ছাড়ি না' স্লোগান দিতে থাকেন। এসময় তারা লুৎফর হলের ভেতরে ঢুকে স্লোগান দিলে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা 'ভুয়া', 'ভুয়া' বলতে থাকেন।


শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের প্রেক্ষিতে ছাত্র পরামর্শক  অধ্যাপক ড. ফরহাদ হোসেন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে এধরনের বিশৃঙ্খলা হলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ঃ



এদিকে কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা মোস্তাফিজুর রহমান রাকিব জানান, মধ্যরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড়ে সমবেত হয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব ম্যুরালের পাদদেশে এসে মিলিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল এবং পাশ্ববর্তী মেস থেকে শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।


এসময় শিক্ষার্থীরা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন আমাদের অধিকারের জন্য লড়াই করেছেন তখন পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী তাকে ভারতের দালাল আখ্যা দিয়েছে। কিন্তু তিনি সেদিকে কর্ণপাত না করে অধিকার আদায়ের সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। আমরা আজ শান্তিপূর্ণ ভাবে স্মারকলিপি জমা দিয়েছি। 



কিন্তু এই পরিস্থিতিতে সরকার প্রধানের বক্তব্য আমাদের হতাশ করেছে। আমাদের দাবিগুলো আমলে নিয়ে পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করছি।



গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ঃ


, রবিবার রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা দিবস হল থেকে আবাসিক শিক্ষার্থীরা প্রথমে বিক্ষোভ করেন। পরে সাড়ে ১১টার দিকে লিপুস ক্যান্টিন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল ঘুরে, বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। পরে প্রধান ফটকের সামনে জড় হয়ে একই স্লোগান দিতে থাকেন তারা। যা সোয়া ১২টা পর্যন্ত চলে।



কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ঃ



রাত ১১টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল, কাজী নজরুল ইসলাম হল,শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল এবং শেখ হাসিনা হলের  আবাসিক শিক্ষার্থীদের দফায় দফায় স্লোগান দিতে দেখা যায়। পরে সাড়ে ১১টার দিকে  বঙ্গবন্ধু ও নজরুল হল থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে জড়ো হোন।


মিছিলে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য প্রদানকালে মুক্তিযোদ্ধা বাদে সবাইকে রাজাকারের সন্তান ও নাতি বলেছেন। যেটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।


গত ১ জুলাই থেকে টানা আন্দোলনে আছেন কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবি জানানো শিক্ষার্থীরা। ২০১৮ সালের কোটা বাতিলের পরিপত্র পুনর্বহালসহ চার দফা দাবিকে সামনে রেখে আন্দোলন শুরু হয়েছিল। কিন্তু গত ৭ জুলাই থেকে তারা এক দফা দাবির কথা বলছেন। 



দাবিটি হচ্ছে সরকারি চাকরিতে সব গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে সংবিধানে উল্লিখিত অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য কোটাকে ন্যূনতম মাত্রায় এনে সংসদে আইন পাস করা। সব গ্রেডে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ কোটা রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন তাঁরা। 



আজ বঙ্গভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা করে আন্দোলনকারীদের মধ্য থেকে ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে।


আরও খবর



কোটা আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে গায়েবি জানাজার ঘোষণা দিল বিএনপি

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | ৪৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:



কোটা আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে বুধবার (১৭ জুলাই) বাদ জুমা সারা দেশে গায়েবানা জানাজা কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।


মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাতে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর গতকাল সোমবার ছাত্রলীগের হামলার জের ধরে দেশজুড়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে।



 আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী, ছাত্রলীগ-যুবলীগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ত্রিমুখী এই সংঘর্ষে মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রংপুরে অন্তত ছয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। 



সংঘর্ষ এখনো থামেনি। রাজধানীসহ বিভাগীয় শহরগুলোতে এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে, ঘটছে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা।



আরও খবর



ডিসি বদল হচ্ছে ১৫ জেলায়,চলতি মাসেই প্রজ্ঞাপন : জনপ্রশাসনমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | ৮৬জন দেখেছেন

Image



 নিউজ ডেস্ক:



মাঠ প্রশাসনের জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। চলতি মাসেই যে কোনো সময় নতুন ডিসি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। 



কমপক্ষে ১৫ জেলায় ডিসি পরিবর্তন হবে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। ডিসি পরিবর্তনের পরপরই শুরু হবে বিসিএস ২৮ ব্যাচের ডিসি হওয়ার ফিট লিস্টের কার্যক্রম।



এ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ। জানা গেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নিয়মিত বদলির কার্যক্রম হিসেবেই নতুন ডিসি নিয়োগ করতে যাচ্ছে সরকার।



 ইতোমধ্যে গত মাসে পুলিশের উচ্চ পর্যায়ে বড় রদবদল করা হয়েছে। যদিও কয়েক মাস ধরেই ডিসি পদে রদবদলের আলোচনা চলছিল।


তবে উপজেলা নির্বাচন আর জুনের বার্ষিক হিসাব সমাপ্তির জন্য বিষয়টি আটকে ছিল।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মাঠ প্রশাসনের ডিসি পদে বর্তমানে তিনটি ব্যাচের কর্মকর্তারা কাজ করছেন। 



৬৪ জেলার মধ্যে ২৪ ব্যাচের ২৩ জন, ২৫ ব্যাচের ১৯ জন এবং ২৭ ব্যাচের ২২ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। সাধারণত ডিসি পদে দুই বছর মাঠে রাখা হয়।


তবে কারও কাজ সন্তোষজনক না হলে নির্ধারিত সময়ের আগেও পরিবর্তন করা হয়। ইতোমধ্যে ২৪ ব্যাচের বেশির ভাগ কর্মকর্তাকে মাঠ প্রশাসন থেকে সরিয়ে অন্যত্র দায়িত্ব দেওয়ার সময় হয়েছে। তবে একাধিক সূত্র জানিয়েছেন, ২৪ ব্যাচের সবাইকে বদলি করা হবে না। 



২৫ ব্যাচেরও কয়েকজন ডিসিকে বদলি করা হতে পারে বলে জানা গেছে। ডিসি নিয়োগের ক্ষেত্রে খুবই গোপনীয়তা রক্ষা করে সার্বিক কার্যক্রম এগিয়ে রেখেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।



নতুন ডিসি হিসেবে কাদের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে সে তালিকা অনেকটাই প্রস্তুত করেছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একাধিক সূত্র জানান, নতুন তালিকায় ২৭ ব্যাচের কর্মকর্তাদের নাম বেশি রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, সরকার মাঠ প্রশাসনে সৎ, দক্ষ কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে চায়। 



পাশপাশি অনেক কর্মকর্তা নানা কারণে বঞ্চিত হয়েছেন কিংবা জাতীয় নির্বাচনের আগে ইসির নির্দেশনায় মাঠ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এমন কর্মকর্তাদের নামও নতুন তালিকায় রয়েছে।



 ডিসি পরিবর্তন বিষয়ে জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘মাঠে দুই বছর হয়ে গেলে ডিসি পদে আমরা পরিবর্তন করি। সিনিয়রদের পর্যায়ক্রমে বদলি করা হয়। একই সঙ্গে যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে না পারলে, কোনো বড় অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হয়। 



’ তিনি বলেন, এখন ডিসি হিসেবে যারা আছেন তাদের মধ্যে ২৪ ব্যাচের প্রমোশন হবে। চলতি মাসেই কয়েকটি জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।


একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বাংলাদেশ প্রতিদিনকে নিশ্চিত করেছেন, ডিসি পরিবর্তন আসছে ১৫ জেলায়। এখন পর্যন্ত সেভাবেই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। শেষ মুহূর্তে প্রয়োজনে আরও এক বা দুটি জেলা বাড়তেও পারে। 



ডিসি রদবদলের পর ২৮ ব্যাচের ডিসি হওয়ার ফিট লিস্টের কার্যক্রম শুরু করবে মন্ত্রণালয়। সূত্রগুলো জানান, ডিসি নিয়োগের ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় খুবই গোপনীয়তা রক্ষা করে। 



প্রজ্ঞাপন জারির আগ পর্যন্ত এ-সংক্রান্ত নিয়োগ তালিকা সময়ে সময়ে বদলেও যায়। আবার প্রজ্ঞাপন জারির পরও বাদ পড়েন কোনো কোনো কর্মকর্তা।


মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একাধিক সূত্র জানান, নতুন নিয়োগের পাশাপাশি ২৫ ও ২৭ ব্যাচের দায়িত্ব পালন করা ডিসিদের কিছু জেলাও পরিবর্তন আসতে পারে। অনেক কর্মকর্তাকে পরিবর্তন করে গুরুত্বপূর্ণ বা বড় জেলায় দায়িত্ব দিতে পারে সরকার। 



যেসব কর্মকর্তা ইতোমধ্যে দক্ষতা দেখিয়েছেন তাদের আরও উৎসাহিত করতে চায় সরকার। কয়েক দিন ধরেই কর্মকর্তাদের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা রয়েছে। বিশেষ করে ২৭ ও ২৮ ব্যাচের কর্মকর্তারা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে খোঁজখবর রাখার চেষ্টা করছেন।



 ২৭ ব্যাচের কর্মকর্তারা আশায় আছেন কে হচ্ছেন ডিসি আর ২৮ ব্যাচ আশায় আছেন ফিট লিস্টের।



আরও খবর



কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা, দেশের বিভিন্ন মহাসড়ক অবরোধ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ | ৩৬জন দেখেছেন

Image

চ্যানেল 23 ডেস্ক:


কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।



মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকালে বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন আন্দোলনকারীরা। ইত্তেফাকের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে এসব জানা গেছে।



রাজধানী: 


কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় সড়ক অবরোধ করেছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সকালে সাড়ে ১০টার দিকে তারা বাড্ডা এলাকায় তাদের ক্যাম্পাসের সামনের সড়ক অবরোধ করে।



ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বাড্ডা জোনের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার রাজন কুমার সাহা বলেন, শিক্ষার্থীরা সড়কের একপাশ বন্ধ করে বিক্ষোভ করছেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিক থেকে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন।


ময়মনসিংহ:


 সারা দেশে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, বক্তব্য প্রত্যহার ও কোটা প্রথার যৌক্তিক সমাধানের দাবিতে ময়মনসিংহে বিক্ষোভ চলছে। ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল সড়কের প্রবেশ মুখ নগরের টাউনহল মোড় এলাকা অবরোধ করছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।



 এতে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্তত তিন হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় টাউনহল এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হয়। সোমবার (১৫ জুলাই) দিনভর ও রাতে অনলাইন ক্যাম্পেইন শেষে জড়ো হন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।


বেলা ১১টায় নির্ধারিত সময় থাকলেও তার আগেই জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। স্লোগান দিয়ে শিক্ষার্থীরা এসে টাউনহলের কর্মসূচিতে যোগ দেন। আনন্দমোহন কলেজ, নাসিরাবাদ কলেজ, মুমিনুন্নিসা সরকারি মহিলা কলেজ, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়সহ শহরের বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরাও এতে অংশ নেন।



ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল সড়ক অবরোধ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশে নেতৃত্ব দেন ছাত্র ইউনিয়ন ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি গোকুল সুত্রধর মানিক। এ সময় আশপাশে অসংখ্য পুলিশ মোতায়েন ছিল। 



শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে টাউন হল এলাকা থেকে শহরের অভ্যন্তরীণ সড়কেও যানচলাচল বন্ধ থাকে।


ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল সড়কের প্রবেশ মুখ অবরুদ্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।


খুলনা: 



কোটা পদ্ধতি সংস্কার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে খুলনায় সড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর দৌলতপুর নতুন রাস্তা মোড়ে সরকারি বিএল কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেন। 



এ সময় ওই এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা এ সময় কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে স্লোগান দেয়।


অপরদিকে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর শিববাড়ী মোড়ে একই দাবিতে নর্দদার্ন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেন।


বগুড়া: 



সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ এবং হামলার ঘটনায় বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) শিক্ষার্থীরা কলেজের সামনে বিক্ষোভ করে বগুড়া-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করেছেন।



 এক ঘণ্টা ধরে এই অবরোধ চলার একপর্যায়ে পুলিশ তাদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিয়েছে। শজিমেক ফাঁড়ির ইনচার্জ মিলাদুননবী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শজিমেক এর শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করে বগুড়া-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করেন। এরপর তারা বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ এসে তাদের সরিয়ে দেয়।


শজিমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মিলাদুননবী জানান, তারা এক ঘণ্টা অবরোধ করার পর সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।



রাজশাহী:



  রাজশাহী-ঢাকা বাইপাস সড়ক অবরোধ করেছেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে কোটার আন্দোলনের নামে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা শহরের সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু করেছেন। এতে বাইপাস সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।


এর আগে কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সারা দেশের সব ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ সমাবেশ ডেকেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।



 সোমবার (১৫ জুলাই) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচি ঘোষণা দিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদুল ইসলাম।




আরও খবর