Logo
আজঃ বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

শার্শায় সরিষায় আগ্রহ বেড়েছে চাষিদের

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ২৩৭জন দেখেছেন

Image

সরিষার মৌসুমে মাঠে মাঠে হলুদ ফুলের আনাগোনা। পৌষের ঝিরঝির হিমেল বাতাসে সেই ফুল আপন মনে দোল খাচ্ছে। ফুল ও ফুলের সুবাস মানুষকে বিমোহিত করছে। ফুলের মৌ মৌ গন্ধে মাতোয়ারা মৌমাছিও। মৌমাছি দলবেঁধে মাঠের পর মাঠ ছুটে বেড়াচ্ছে। এমন দৃশ্য যশোরের শার্শার প্রতিটি মাঠে লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

সরেজমিনে জানা গেছে, মাঠজুড়ে সরিষার চাষ হয়েছে। চাষিরা সরিষার পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ততার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। পাকা সরিষা সংগ্রহ ও মাড়াই করে ঘরে তোলার জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন। এবারও সরিষার বাম্পার ফলন হওয়ায় তাদের মুখে হাসি ফুটেছে।

উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, শার্শা উপজেলায় ২০২২-২৩ অর্থবছরে উপজেলায় ৬ হাজার ৩৬৬ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছিল। চলতি বছর তা বেড়ে ৭ হাজার ১৫৬ হেক্টর হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সরিষার জাত হচ্ছে বারি ১৪, ১৭, ১৮ এবং বিনা ৪, ৯ ও ১০।

কৃষি বিভাগ বলছে, উপজেলার মাটি সরিষা চাষের উপযোগী। অনুকূল পরিবেশে এখানে কৃষকদের সময়োপযোগী উৎসাহ ও পরামর্শ দেওয়া হয়। এমনকি কৃষকদের মাঝে সময়মতো সরকারি প্রণোদনার বীজ, সার দেওয়ায় সরিষা চাষ বাড়ছে।

কুমরী গ্রামের জসিম উদ্দিন বলেন, ‘গেল বছর ২ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করে ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় এ বছর ৪ বিঘা জমিতে চাষ করেছি।’

কায়বা রুদ্রপুর গ্রামের চাষি নাজিমুদ্দিন জনি বলেন, ‘বরাবরই আমি মৌসুমে সরিষা চাষ করি। প্রতিবার ভালো ফলন ও দাম পেয়ে অনেক লাভবান আমি।’

ডিহি ইউনিয়নের দরিদূর্গাপুর গ্রামের ইমান, শালকোনার রফিকুল ও ইয়াছিনসহ বেশ কয়েকজন জানান, কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী ১৬ অক্টোবর থেকে নভেম্বরের শেষ পর্যন্ত সরিষা চাষ করা যায়। সে অনুযায়ী কৃষকেরা উদ্বুদ্ধ হয়েছেন। সরিষা চাষে সেচ ও রাসায়নিক সার কম দরকার হওয়ায় খরচও কম। এছাড়া সরিষার পাতা জমিতে পড়ে সবুজ সার তৈরি হয়, যা বোরো চাষে জৈব সারের চাহিদা মেটায়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপক কুমার সাহা বলেন, ‘সরিষার আবাদ বৃদ্ধি করতে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী এ বছর উপজেলার ৫ হাজার ৫০০ কৃষকের মধ্যে বিঘাপ্রতি প্রণোদনার ১ কেজি সরিষার বীজ ও ২০ কেজি সার বিতরণ করা হয়েছে। এ বছর বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় জমিতে দ্রুত জো এসেছে। আশা করি চাষিরা গত বছরের তুলনায় বেশি ফলন ও দাম পাবেন।’


আরও খবর



রমজানে দান-সদকার ফজিলত ও গুরুত্ব

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৯৪জন দেখেছেন

Image

ইসলাম ধর্মে দান সদাকা ও অন্যকে সহযোগিতার গুরুত্ব অপরিসীম। আর রমজান মাসে দানের গুরুত্ব ও সওয়াব অনেক বেশি। এ মাসের একটি নফল ইবাদত একটি ফরজ ইবাদতের সমান। আর একটি ফরজ ইবাদত করলে সত্তর গুণ সওয়াব পাওয়া যায়। 

হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ‘মানুষের মধ্যে সে ব্যক্তিই উত্তম, যে মানুষের উপকার করে’ (তাবারানি)। রসুল (সা.) ছিলেন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় দানশীল। আর রমজান মাসে তিনি সবচেয়ে বেশি দান সদাকা করতেন। জিবরাইল (আ.) এ সময়ে তাঁর কাছে আসতেন এবং পরস্পরকে কোরআন শোনাতেন। রসুল (সা.) তখন প্রবাহিত বাতাসের চেয়ে অধিক দান-খয়রাত করতেন (মুসলিম)। 

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা যদি তোমাদের দানকে প্রকাশ করো ভালো কথা, তাতে কোনো দোষ নেই, তবে যদি তোমরা তা গোপন রাখো এবং চুপে চুপে তা অসহায়দের দিয়ে দাও, তবে তা হবে তোমাদের জন্য বেশি উত্তম। এ দানের কারণে আল্লাহ তোমাদের বহুবিধ গুনাহ খাতা মুছে দেবেন, আর তোমরা যাই কর না কেন, আল্লাহ সে সম্পর্কে অবগত আছেন’ (সুরা বাকারা-২৭১)। সুবহানাল্লাহ। সুতরাং বেশি বেশি দান-খয়রাত করা আমাদের উচিত। কখনো প্রকাশ্যে কখনো গোপনে। 

আল্লাহ আরও বলেন, ‘তোমরা যা দান-সদাকা কর তা তোমাদের জন্যই কল্যাণকর, কারণ তোমরা তা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যই খরচ কর। তোমরা আজ যা কিছু দান করবে আগামীকাল তার পুরোপুরি বিনিময় আদায় করে দেওয়া হবে (সুরা বাকারা-২৭২)।’ যারা দিন রাত গোপনে প্রকাশ্যে নিজেদের মাল সম্পদ ব্যয় করে তাদের মালিকের দরবারে তাদের এ দানের প্রতিফল সুরক্ষিত রয়েছে। তাদের ওপর কোনোরকম ভয়ভীতি থাকবে না, তারা সেদিন চিন্তিতও হবে না (সুরা বাকারা-২৭৪)। সাহায্য-সহযোগিতা দান-সদাকা করতে হবে দীন-দরিদ্র, ফকির-মিসকিন, এতিম, অন্ধ, বিধবা, অসহায় ও গরিব আত্মীয়স্বজনকে। রসুল (সা.)-এর কাছে জানতে চাওয়া হলো দান সদাকার উপযুক্ত পাত্র কারা? 

আল্লাহ রব্বুল আলামিন বলেন, ‘তারা তোমার কাছে জানতে চাইবে তারা কি খাতে খরচ করবে? তুমি তাদের বলে দাও, যা কিছুই তোমরা তোমাদের পিতা-মাতা, আত্মীয়স্বজন, এতিম, অসহায়, মিসকিন এবং মুসাফিরের জন্য খরচ করবে, তাই আল্লাহ গ্রহণ করবেন। যা ভালো তোমরা করবে, আল্লাহ তা অবশ্যই জানতে পারবেন’ (সুরা বাকারা-২১৫)। অসহায়দের প্রতি সাহায্যের হাত সম্প্রসারিত করে বিপুল সওয়াব লাভের শ্রেষ্ঠ সময় রমজান। আমাদের সমাজে অনেক গরিব-দুঃখী আছেন যারা দ্রব্যমূল্যের এই ঊর্ধ্বগতির বাজারে সাহরি ও ইফতারের সামান্য খাবার জোগাড় করতে হিমশিম খান। বছরের এই সময়ে তাদের জীবনযাত্রায় দুর্ভোগ বেড়ে যায়। এ ধরনের মানুষের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া আমাদের প্রতিটি মুসলমানের ইমানি দায়িত্ব। 

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘যারা নিজেদের ধনসম্পদ আল্লাহর পথে খরচ করে তাদের উদাহরণ হচ্ছে একটি বীজের মতো, যে বীজটি বপন করার পর তা থেকে সাতটি শিস বেরোলো, এর প্রতিটি শিষে রয়েছে ১০০ করে শস্যদানা, আল্লাহ যাকে চান তার জন্য এটাকে বহুগুণ বৃদ্ধি করে দেন’ (সুরা বাকারা - ২৬১)। এই রমজানে গরিব আত্মীয়স্বজনের খোঁজ নিন, তাদের মধ্যে কেউ আর্থিকভাবে অসচ্ছল হলে তাকে সাহায্য করুন। আপনজনদের ভালোবাসুন। গরিবদের সম্মান করুন। রসুল (সা.) বলেছেন, যে তোমার সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করে তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ো, যে তোমার প্রতি অবিচার করে তাকে ক্ষমা কর’ (মুসলিম)। রহমত ও মাগফিরাতের মাসে দয়া ও ক্ষমার অনুশীলন করুন। এতিম, অসহায়, বিধবাদের খোঁজখবর নিন। তাদের মুক্তহস্তে দান করুন। তাহলে আল্লাহ খুশি হবেন। নাজাত পাওয়ার রাস্তা সহজ হবে। দান-খয়রাত সদাকা প্রাপকের হাতে পৌঁছে দিতে সচেষ্ট হোন।


আরও খবর

অন্তরের মরিচা দূর করতে করণীয়

রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪




কেন পর্তুগালের স্কোয়াডে নেই রোনালদো

প্রকাশিত:বুধবার ২০ মার্চ ২০24 | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৮১জন দেখেছেন

Image

আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাতে সুইডেনের মুখোমুখি হবে পর্তুগাল। প্রীতি এই ম্যাচের জন্য ঘোষিত ২৪ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে পর্তুগাল। তবে স্কোয়াডে নেই অন্যতম বিশ্বসেরা তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এরপর থেকে তিনি বাদ পড়েছেন কিনা সে বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

তবে শুধু রোনালদোই নন, পর্তুগালের স্কোয়াডে নেই আরও বেশ কয়েকজন তারকা ফুটবলার। সেই তালিকায় আছেন– দিয়োগো দালোত, জোয়াও কানসেলো, দানিলো পেরেইরা, ওতাভিও, রুবেন নেভেস, ভিতিনিয়া এবং জোয়াও ফেলিক্স। যদিও এর পেছনে তাদের বিশ্রাম দেওয়ার কথা জানা গেছে।

সংবাদমাধ্যম ইএসপিএন জানিয়েছে, বিশ্রাম দেওয়ার উদ্দেশ্যেই মূলত প্রীতি ম্যাচের স্কোয়াডের বাইরে রাখা হয়েছে রোনালদো, কানসেলো ও ফেলিক্সদের। একই কথা জানিয়েছে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ডায়রিও এএস। তাদের দাবি– ৩৯ বছর বয়সী এই তারকা ফরোয়ার্ডকে ছেটে ফেলা হয়নি, তাকে কেবল আসন্ন প্রীতি ম্যাচ থেকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে এবং আগামী সপ্তাহেই ফের পর্তুগাল দলে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার। এর আগে রোনালদো জাতীয় দলের ৩২ সদস্যের প্রাথমিক দলে ছিলেন।

সুইডেনের বিপক্ষে ম্যাচে বিশ্রাম পাওয়ায়, রোনালদো এখন পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটাচ্ছেন। মঙ্গলবার সমুদ্রসৈকতে সন্তানদের হাত ধরে হাঁটার ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। পরে প্রেমিকা জর্জিনা রদ্রিগেজের সঙ্গেও ছবি দিয়েছেন রোনালদো। ছুটি শেষে তিনি জাতীয় দলের পরের প্রীতি ম্যাচের জন্য যোগ দিতে পারেন। ২৬ মার্চ আরেকটি প্রীতি ম্যাচে স্লোভেনিয়ার বিপক্ষে খেলবে পর্তুগাল। সেই ম্যাচে নিশ্চিতভাবেই বাড়তি নজর থাকবে জাতীয় দলের হয়ে রেকর্ড ১২৮ গোল করা রোনালদোর দিকে।

পর্তুগিজ সুপারস্টার সৌদি ক্লাব আল নাসরের জার্সিতেও দারুণ ছন্দে আছেন। আন্তর্জাতিক বিরতির আগে সর্বশেষ সৌদি প্রো লিগের ম্যাচেও গোল করেছেন তিনি। আল আহলির বিপক্ষে ১–০ ব্যবধানের জয়ে গোলটি এসেছে রোনালদোর কাছ থেকে। সব মিলিয়ে সৌদি প্রো লিগের এবারের মৌসুমে সর্বোচ্চ ২৩ গোল করেছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী তারকা। সৌদি প্রো লিগে রোনালদো পরের ম্যাচ খেলবেন ৩০ মার্চ আল তাইয়ের বিপক্ষে।

রবার্তো মার্টিনেজ পর্তুগালের কোচ হয়ে আসার পর থেকে এখন পর্যন্ত অপরাজিত আছেন রোনালদোরা। তার অধীনে ১০ ম্যাচের সবকটিতেই জিতেছে পর্তুগাল। যেখানে প্রতিপক্ষের জালে ৩৬ গোল দিলেও, নিজেরা হজম করেছে মাত্র দুই গোল। ওই সময়ে পর্তুগিজদের হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১০ গোল এসেছে রোনালদোর পা থেকে।


আরও খবর



ঈদযাত্রা পুরোপুরি স্বস্তিদায়ক হবে: সেতুমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ মার্চ 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৮৩জন দেখেছেন

Image

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমাদের দেশের রাজনীতি এত নির্মম যে জোড়াতালি দিয়ে পদ্মা সেতু করার কথাও আসে। সমালোচনা করার জন্য সামলোচনা করতেই হবে। একটা মেগা প্রজেক্টের কাজ কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। সেটি সংশ্লিষ্ট কোম্পানির নানান সমস্যার জন্য হয়েছে। বিআরটি প্রকল্পের জন্য সেরকম দুর্ভোগ হবে না। তবে এবার ময়মনসিংহে যাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে। গতবারও আমরা একটি রাস্তা চালু করে দিয়েছিলাম। সেজন্য কিছুটা স্বস্তি হয়েছিল। এবার সাতটি ফ্লাইওভার চালু করে দিচ্ছি, তাতে চলাচল আরও সহজ হবে।

ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঈদযাত্রার বিষয়ে আমরা সভা করেছি। ট্রাক-ভারী পরিবহন বন্ধ রাখা আগে ও পরে, সেটির সিদ্ধান্ত হয়েছে। যার যেটি কাজ, সেটি তারা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাতে যানজট দূর করা যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন। গাজীপুর কিছুটা সমস্যার কারণ ছিল। কিন্তু সেটির এবার আরও সমাধান হয়ে গেলো। এবার ঈদযাত্রা পুরোপুরি স্বস্তিদায়ক হবে।

আজ বেলা ১১টায় সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের সওজ অংশের আওতায় নির্মিত সাতটি ফ্লাইওভার যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ঢাকার যানজট নিরসনে সিগন্যাল বাতি চালুর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ। তারা এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে। কবে শেষ হবে সেটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলতে পারবেন। তবে কাজ যেহেতু শুরু হয়েছে, শেষ তো হবেই।

এসময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, সেতু বিভাগের সচিব মো. মনজুর হোসেনসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



জমজমাট ঈদ কেনাকাটা, গরমে আরামে নজর ক্রেতাদের

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৯৬জন দেখেছেন

Image
আর দুই সপ্তাহ পরেই ঈদ। ইতোমধ্যে জমে উঠেছে রাজধানীর ঈদ বাজার। মূলত গতকাল থেকেই শুরু হয়েছে ঈদের কেনাকাটা। ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত বিপণিবিতানগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। রোদ ও গরম উপেক্ষা করে পরিবার-পরিজনদের জন্য নতুন পোশাক কিনতে রাজধানীর বিপণিবিতানগুলোতে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। ক্রেতা-বিক্রেতাদের দরদামে সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্তও চলছে কেনাবেচা। ফুটপাত ও ভ্যানগাড়িতে অস্থায়ীভাবে বসা দোকানেও কেনাকাটা চলছে পুরোদমে। গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। 

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি, মহাখালী এসকেএসসহ বিভিন্ন শপিংমল ছিল লোকে লোকারণ্য। মানুষ নিজেদের সাধ্যমতো প্রিয়জনদের জন্য কেনাকাটায় ব্যস্ত ছিলেন। এসব মার্কেটের ভিতরে ও আশপাশের রাস্তাগুলোতেও হাঁটার মতো অবস্থা ছিল না। সবখানেই ক্রেতাদের ভিড়। বিক্রেতারা বাহারি রঙের সব পোশাক সাজিয়ে রেখেছেন। কেউ পোশাক শরীরে ট্রায়াল দিচ্ছেন। কেউবা বাচ্চাদের পোশাক কেনায় ব্যস্ত। কেউবা শাড়ি, কসমেটিকস, গহনা, জুতার দোকানে ভিড় জমিয়েছেন। ছেলেদের পাঞ্জাবির দোকান গুলোতেও ছিল চোখে পড়ার মতো ভিড়। থেমে নেই কেউ, সবাই ছুটছেন পছন্দের পোশাকের সন্ধানে। ভিড়ের কারণে ক্রেতার সঙ্গে বেশিক্ষণ কথা বলারও সুযোগ পাচ্ছেন না বিক্রেতারা। এর মধ্যেই পছন্দের কাপড় কিনছেন ক্রেতারা। ছেলেরা বেশি কিনছেন শার্ট, প্যান্ট, টি-শার্ট ও পাঞ্জাবি। আর তরুণী ও নারীরা কিনছেন শাড়ি, থ্রি-পিস ও ফ্রক। এ ছাড়া জুতার দোকানেও বিক্রি বেড়েছে অনেক।

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটিতে পাওয়া যাচ্ছে নতুন নতুন কালেকশনের বাহারি কারুকাজ, হাতের নকশা, নানা রঙের কাপড়সহ বিভিন্ন ধরনের নতুন পোশাক। নতুন সাজে সেজেছে ফ্যাশন হাউসগুলো। ক্রেতারা বলেন, বসুন্ধরা সিটিতে এক জায়গাতেই সব ধরনের সামগ্রী একসঙ্গে পাওয়া যায়। এ মার্কেট শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থাকায় কেনাকাটাও আনন্দদায়ক। ফ্যাশন হাউস ইয়োলোর এক বিক্রয় কর্মী জানান, ঈদ এবং গরমকে প্রাধান্য দিয়ে ডিজাইনে আনা হয়েছে নতুনত্ব। গরমকে প্রাধান্য দিয়ে তৈরি করা এসব পোশাকের দাম রাখা হয়েছে ক্রেতার সাধ্যের মধ্যেই। এ ছাড়াও বসুন্ধরা সিটির বিভিন্ন শো-রুম, নিপুণ, সৃষ্টি, সাদাকালো, দেশাল, রঙ বাংলাদেশ, কে-ক্রাফট, অঞ্জন্স, জ্যোতি, জেন্টস পয়েন্টসহ বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসের শো-রুম ঘুরে দেখা গেছে ক্রেতাদের ভিড়। পছন্দ হলেই কিনছেন ক্রেতারা। 

মহাখালী এসকেএস মার্কেটে দেখা যায়, ঈদকে ঘিরে নিত্যনতুন ডিজাইনের পোশাকের পসরা সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। এখানে পাঞ্জাবি, পায়জামা, শাড়ি, থ্রি-পিস, শার্ট, টি-শার্ট, প্যান্ট, কসমেটিকস, জুয়েলারিসহ সব ধরনের আইটেমই রয়েছে। প্রতিটি দোকানেই ক্রেতাদের ভিড়। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ক্রেতা কম থাকলেও বিকালের পর থেকে বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি। আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড জিওর্দানোর বিক্রয়কর্মী নাসিমুল হক হৃদয় বলেন, আমাদের এখানে প্রত্যাশা অনুযায়ী বেচাকেনা চলছে। প্রত্যাশা করছি সামনের দিনগুলোতে আরও বিক্রি বাড়বে। আমাদের এখানে ছেলেদের ইমপোর্ট করা সব ধরনের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। শার্টের জন্য বিখ্যাত আমাদের ব্র্যান্ড।

আরও খবর



ভিয়েতনামে বাংলাদেশ দূতাবাসে গণহত্যা দিবস পালন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৭৬জন দেখেছেন

Image

ভিয়েতনামের হ্যানয়স্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ২৫ মার্চ যথাযোগ্য মর্যাদায় ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে গণহত্যা দিবস পালন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালোরাতে নিহত সকল শহীদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন, মোমবাতি প্রজ্বলন এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। 

পরে দিবসটি উপলক্ষ্যে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয় এবং দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনার পর্বে মূল বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ লুৎফর রহমান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মিশনের কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান নাসিরউদ্দীন। 


আরও খবর