Logo
আজঃ বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪
শিরোনাম

পিরোজপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | ১৯১জন দেখেছেন

Image

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দশম শ্রেণীর দুই শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৯ টার দিকে উপজেলার বড়ইবুনিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন বর‌ইবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী স্বাধীন এবং রহমত। এসময় আরেক শিক্ষার্থী তানভীর গুরুতর আহত হয়। তাকে পার্শ্ববর্তী গোপালগঞ্জ জেলা হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুব্রত কুমার রায় জানান, বিদ্যালয়ে আসার পর একটি মোটর সাইকেলযোগে দশম শ্রেণীর ওই তিন শিক্ষার্থী বড়ইবুনিয়া থেকে মাটিভাংগা যাওয়ার পথে মোল্লা বাড়ি নামক স্থানে দুর্ঘটনা কবলিত হয়ে স্বাধীন এবং রহমান মারা যায়। সেখান থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তানভীরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পার্শ্ববর্তী গোপালগঞ্জ জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

এ বিষয়ে নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহ আলম হাওলাদার জানান, একটি মোটরসাইকেলযোগে তিন শিক্ষার্থী বিদ্যালয় থেকে মাটিভাংগা যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটিতে আঘাত করে। এসময় দুই শিক্ষার্থী মারা যায় এবং আরও একজন গুরুতর আহত হয়।


আরও খবর



রোকেয়া হল থেকে ছাত্রলীগ নেত্রীদের পিটিয়ে বের করে দিলেন আন্দোলনকারীরা

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ | ৩০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলকে ‘ছাত্র রাজনীতিমুক্ত’ ঘোষণা দিয়ে হল থেকে ছাত্রলীগের নেত্রীদের টেনে-হিঁচড়ে বের করে দিয়েছেন আন্দোলনরত  সাধারণ শিক্ষার্থীরা।



 এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেন। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাতে এ ঘটনা ঘটে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ছাত্রলীগের রোকেয়া হল শাখার সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের ১ নম্বর সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকা বিনতে হুসাইনকে ধরে বের করে দেওয়া হচ্ছে।


শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ‘ওই ১০ ছাত্রলীগ নেত্রীর মধ্যে আছেন হল শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি আতিকা বিনতে হোসাইন, ছাত্রলীগ নেত্রী বর্ণালী ঘোষ বর্ণ, সামিহা মাহবুব, সাজিয়া রহমান সিলভী, বিপর্ণা রায় ও সাইফুন্নেসা ইলমি। 


আতিকা ছাড়া বাকি সবাই আসন্ন হল শাখা ছাত্রলীগের শীর্ষ পদপ্রত্যাশী।’


রোকেয়া হলের এক নিরাপত্তা প্রহরী গণমাধ্যমকে জানান, ১০ জন ছাত্রলীগ নেত্রীকে বের করে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। পরে আবাসিক শিক্ষকেরা এসে তাদের নিরাপদে নিয়ে গেছেন।


এদিকে সারাদেশে কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ ও ছাত্রলীগের ন্যক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর ২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল’ করার ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।



আরও খবর



সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিল কোটাবিরোধীরা

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | ৬২জন দেখেছেন

Image



চ্যানেল ২৩ ডেস্ক:


সরকারি চাকরিতে কোটার যৌক্তিক সংস্কারে সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।



 একই সঙ্গে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন তারা।


রোববার (১৪ জুলাই) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি পেশ করে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ মোড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা এসব তথ্য জানান।


তারা বলেন, আমরা বলেছি কোটা বাতিল করে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। আমরা পদযাত্রা সফল করেছি।


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা বলেন, আমরা সরকার থেকে এখনও আশ্বাস পাচ্ছি না। কোটা সংস্কারের এখতিয়ার সরকারের। কিন্ত সরকার এড়িয়ে যাচ্ছে।


এর আগে বেলা আড়াইটার পরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে তাদের দাবি দাওয়া সংবলিত স্মারকলিপিটি পেশ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।


উল্লেখ্য, ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা প্রচলিত ছিল। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা, ১০ শতাংশ নারী কোটা, অনগ্রসর জেলার বাসিন্দাদের জন্য ১০ শতাংশ কোটা, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষদের জন্য ৫ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ আসন সংরক্ষিত ছিল।


ওই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোটা সংস্কারের দাবিতে বড় বিক্ষোভ হয়। কোটাব্যবস্থার সংস্কার করে ৫৬ শতাংশ কোটা থেকে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। পরে সে বছরের ৪ অক্টোবর কোটাপদ্ধতি বাতিলবিষয়ক পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।


এর মাধ্যমে ৪৬ বছর ধরে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে যে কোটাব্যবস্থা ছিল, তা বাতিল হয়ে যায়। পরে ২০২১ সালে সেই পরিপত্রের মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের অংশটিকে চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান উচ্চ আদালতে রিট করেন।



 সেই রিটের রায়ে চলতি বছরের ৫ জুন পরিপত্রের ওই অংশ অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এরপর চাকরিপ্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীরা মাঠে নামেন।


টানা কয়েকদিন আন্দোলনের পর গত ৯ জুলাই কোটা পুনর্বহাল নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী। পরেরদিন হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের ওপর এক মাসের স্থিতাবস্থা জারি করেন আপিল বিভাগ। 



এ আদেশের ফলে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে ২০১৮ সালে সরকারের জারি করা পরিপত্র বহাল থাকছে। তবে শিক্ষার্থীরা আপিল বিভাগের এই আদেশ প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।



আরও খবর



গভীর রাতে জাবি রণক্ষেত্র, দফায় দফায় হামলা, সংঘর্ষ, গোলাগুলি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | ৬৭জন দেখেছেন

Image



সদরুল আইন, চ্যানেল 23 ডেস্ক থেকেঃ



জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা সংস্কার চেয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা হয়েছে।



 ছাত্রলীগের দুই দফা হামলা, অস্ত্রধারী বহিরাগতদের নিয়ে আসা, এবং এক পর্যায়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাল্টা ধাওয়া ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে গোটা ক্যাম্পাস।


সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের হামলার ঘটনা ঘটে। ছাত্রলীগের দেড়শতাধিক নেতাকর্মী বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।



 পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও তা আরও ঘোলাটে আকার ধারণ করে। ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ধাওয়া দিয়ে ছাত্রলীগকে পিছু হটালেও এসময় পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। 



পরে পুলিশের ছোড়া টিয়ারশেল ও গুলিতে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলেও খবর পাওয়া গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাহাঙ্গীরনগরের ভয়াল পরিস্থিতির বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।



জানা যায়, সাংবাদিকদের ওপর পেট্রোল বোমা ছুড়ে মেরেছে বহিরাগতরা। আতঙ্কে তারা পুকুরে বসে থাকেন। হামলাকারীরা সাংবাদিকদেরও ছাড় দেয়নি। কেউ কেউ জঙ্গলের ভেতরে লুকিয়ে পড়েন। অনেকেই আতঙ্কে দিশেহারা। এসময় ফোনে কথা বলার মতো অবস্থায় ছিলেন না কেউ।


প্রায় একইসময়ে জেইউ ইনসাইডার নামের একটি ফেসবুক পেজের পোস্টে বলা হয়, 'এমন ভয়াল কালোরাত জাহাঙ্গীরনগরের জীবনে হয়তো আর আসেনি।' ওই পেজ থেকে ক্যাম্পাসের সংঘর্ষের চিত্র লাইভের মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছিলো।


 পুলিশের উপস্থিতিতেই হামলা করেছিল ছাত্রলীগ, পরে দেড় হাজারের মতো শিক্ষার্থী এসে ছাত্রলীগকে ধাওয়া দিয়ে ক্যাম্পাস ছাড়া করে। অন্যদিকে পুলিশের ছোড়া কাঁদানে গ্যাস ও গুলিতে বণিক বার্তার মেহেদী মামুন, দৈনিক বাংলার আব্দুর রহমান খান সার্জিল ও বাংলাদেশ টুডে'র জোবায়ের আহমেদ আহত হন। 



পরে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা কয়েকজন পুলিশ সদস্যকেও বেধড়ক মারধর করে। এরপর পুলিশ জলকামান নিয়ে আসে। পুলিশ অন্তত অর্ধশত রাউন্ড টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছুড়েছে।  শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।


অনলাইন পোর্টাল রাইজিংবিডির জাবি প্রতিনিধি বোরহান উদ্দিন জানান, আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা করতে ছাত্রলীগ বাইরে থেকে একশ জন শুটার নিয়ে এসেছিল। তাদের পরনে ছিল হেলমেট ও কালো টি-শার্ট। হাতে পিস্তলসহ অন্যান্য অস্ত্র ছিল। এরা সাভার ও আশুলিয়ার লোকাল গ্যাং হতে পারে।



 ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের সামনে রেখে হামলা চালায়। হামলা থেকে বাঁচতে শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বাসভবনের ভেতরে আশ্রয় নেন। এ সময় তাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। প্রথমে আক্রমণের শিকার হলেও পরে শিক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রলীগকে ধাওয়া দেন। হল থেকে হাজারো শিক্ষার্থী বের হয়ে এলে ছাত্রলীগ পিছু হঠে। সেসময় পুলিশের সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ বেঁধে গেলে পুলিশ গুলি চালায়।


এর আগে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী মাহফুজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, 'গতকাল সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হলের সামনে আমাদের মিছিলে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। এতে নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি আক্তারুজ্জামান সোহেল। এর প্রতিবাদে ও বিচার দাবিতে আমরা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান করছিলাম।



 পরে রাত ১২টার দিকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা দ্বিতীয় দফায় লাঠি হাতে আমাদের ওপর হামলা চালায় এবং আমাদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।'


 প্রসঙ্গত সোমবার সন্ধ্যার পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল বের করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকায় তাঁদের ওপর হামলা হয়। এতে অর্ধশতাধিক ছাত্রছাত্রী আহত হন। 



রাত সাড়ে আটটার দিকে এ ঘটনার বিচার চেয়ে ও অবৈধ শিক্ষার্থীদের হল থেকে বিতাড়িত করতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।


রাত সোয়া ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ আসলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপাচার্যের বাসভবনের প্রধান ফটক ছেড়ে রাস্তায় চলে যান। পরে রাত পৌনে দুইটার দিকে ফটক ভেঙে বাসভবনের ভেতরে প্রবেশ করেন তারা। এ সময় বেশ কয়েকটি পেট্রলবোমা ছুড়ে বাসভবনের প্রধান ফটকের লাইটসহ বিভিন্ন লাইট ভাঙচুর করেন তারা। এরপর আন্দোলনকারীদের মারধর করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় উপাচার্য বাসভবনেই ছিলেন বলে জানা গেছে।


সেসময় এক ফেসবুক পোস্টে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মোতাহের হোসেন লিখেছেন, 'ক্যাম্পাসে বহিরাগতরা ঢুকেছে। ছাত্রছাত্রীরা ভয়ে ভিসি মহোদয়ের বাংলোতে আশ্রয় নিয়েছে। প্রশাসনকে নিরাপত্তা বিধানের অনুরোধ করছি। যা কিছুই হোক, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিধান করতে হবে।'


ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) আবদুল্লাহ হিল কাফী বলেন, 'আমরা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি।' 


তবে সার্বিক পরিস্থিতির ব্যাপারে এখনো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কারোর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আরও খবর



নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রিয় কার্যালয়ে ডিবির অভিযান : ১০০ ককটেল উদ্ধার, শ্রাবণসহ গ্রেপ্তার-৭

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ | ৩৫জন দেখেছেন

Image



সদরুল আইনঃ


রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে ককটেল, পেট্রোল, বাঁশের লাঠি ও অস্ত্র উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।



মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।


অভিযান শেষে ব্রিফিংয়ে ডিবিপ্রধান বলেন, অভিযানে ১০০টির বেশি ককটেল, ৫/৬ বোতল পেট্রোল, ৫০০টি বাঁশের লাঠি, সাতটি দেশি-বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।



 এ সময় সাতজনকে আটক করা হয়েছে। আটকদের মধ্যে ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ রয়েছেন।


তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আদেশ অমান্য করে একটি গ্রুপ বিভিন্ন জায়গায় বসে সরকারবিরোধী স্লোগান দিচ্ছে, গাড়িতে আগুন দিচ্ছে, রেলের স্লিপার খুলে ফেলছে, মেট্রোরেল বন্ধ করে দিচ্ছে।



 গোয়েন্দা পুলিশ অবজারভেশনে জানতে পেরেছে যে, কেউ কেউ আন্দোলনকারীদের লাঠি দিয়ে, এমনকি অস্ত্র সরবরাহ করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে। 


তারই ধারাবাহিকতায় এই অভিযান।


আরও খবর



কোটা আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে গায়েবি জানাজার ঘোষণা দিল বিএনপি

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | ৪৪জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদক:



কোটা আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে বুধবার (১৭ জুলাই) বাদ জুমা সারা দেশে গায়েবানা জানাজা কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।


মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাতে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


উল্লেখ্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর গতকাল সোমবার ছাত্রলীগের হামলার জের ধরে দেশজুড়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে।



 আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী, ছাত্রলীগ-যুবলীগ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ত্রিমুখী এই সংঘর্ষে মঙ্গলবার রাত ৮টা পর্যন্ত ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রংপুরে অন্তত ছয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। 



সংঘর্ষ এখনো থামেনি। রাজধানীসহ বিভাগীয় শহরগুলোতে এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে, ঘটছে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা।



আরও খবর