Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

খুশির খুব যেতে ইচ্ছে করে তার গ্রামটিতে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ২৪৪জন দেখেছেন

Image

আমার বাড়িতে খুশি নামে একটি মেয়ে কাজ করে। মেয়েটির জন্ম ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন থানার কাচিয়া গ্রামে। খুশি যখন কিশোরী, ভারতের বাবরি মসজিদ ভাঙার খবর পেয়ে কট্টর মুসলমানেরা ভোলার হিন্দু গ্রামগুলো জ্বালিয়ে দিয়েছিল, খুশিদের কাচিয়া গ্রামও রক্ষা পায়নি। তারপরই রাতের অন্ধকারে খুশিরা চাষের জমি আর পোড়া ঘর বাড়ি পেছনে ফেলে চলে এসেছিল সীমান্ত পেরিয়ে, আশ্রয় নিয়েছিল নদীয়ায়। নদীয়াতেই শাড়ি বোনার কাজ করে সংসারের জন্য টাকা রোজগার করতে হতো খুশিকে। 

পনেরো বছর বয়সে খুশির বিয়ে হয়ে যায়। তারপর অভাব এমনভাবে গায়ে চাবুক মারে যে স্বামী সন্তান সঙ্গে নিয়ে দিল্লিতে চলে আসতে বাধ্য হয় খুশি। শহরের পাঁচ বাড়িতে কাজ পেয়েছে। অভাব ঘুচেছে। হাসি-খুশি খুশি একদিন তার কাচিয়া গ্রাম ত্যাগ করার গল্প করলো আমাকে। বললো তার খুব যেতে ইচ্ছে করে তার গ্রামে। গ্রাম নিয়ে তার গর্বের শেষ নেই। সে অনেকের কাছে গল্প করে তার সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা গ্রামের, তার গ্রামের মতো সুন্দর গ্রাম পৃথিবীতে নাকি আর কোথাও নেই। সে খবর পেয়েছে তার গ্রামে গ্যাস পাওয়া গেছে। 

দিল্লির পড়শিদের বড় গলা করে শোনায়,‌‘তোমাদের গ্রামে কি গ্যাস পাওয়া গেছে, আমাদের গ্রামে গ্যাস পাওয়া গেছে।’ খুশিতে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে খুশির চোখমুখ। ইন্টারনেটে আমি যেন তাকে তার গ্রামের ছবি দেখাই, আমাকে আবদার করেছে। ছবি দেখালে ১২ বছর বয়সে গ্রাম ছেড়ে প্রাণ বাঁচাতে চলে আসা চল্লিশোর্ধ্ব খুশির চোখে খুশির জল। বাড়িতে অন্য যে মেয়েরা কাজ করে, তাদের ডেকে ডেকে দেখালো তার গ্রামের ছবি। বললো তার খুব যেতে ইচ্ছে করে তার গ্রামটিতে। একদিন সে যাবেই। গিয়ে কখনও আর ফিরে আসবে না। ও দেশেই, তার বাপ ঠাকুরদার ভিটেতেই রয়ে যাবে। এই দেশে কিচ্ছু নেই, সব  আছে ওই দেশে, তার দেশে। খুশি ভুলে গেছে ওদের কথা যারা তার গ্রামে আগুন ধরিয়েছিল। সে ভাবতে থাকে সে গ্রামের রাস্তায় মাথা উঁচু করে হাঁটছে, আর তার শৈশব কৈশোরের খেলার সাথীরা দৌড়ে এসে তাকে জড়িয়ে ধরছে। সবাই টানাটানি করে তাকে তাদের বাড়িতে নিচ্ছে, সুস্বাদ্য সব মাছ মাংস রান্না করে খাওয়াচ্ছে। খুশির এই স্বপ্নটিকে আমি ভেঙে দিই না। ওর হয়তো আর তেমন কিছু নেই এই স্বপ্ন ছাড়া।


আরও খবর

ওদের অসহায় দেখে গলাটা বুজে আসে

রবিবার ১৯ নভেম্বর ২০২৩




স্বাধীনতা ঘোষণার পাঠক কখনও ঘোষক হতে পারে না: সেতুমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, স্বাধীনতা ঘোষণার পাঠক কখনও ঘোষক হতে পারে না। মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকালে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধের শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আজ আমাদের দেশের স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে বিতর্ক হয়। এত বছর পরও সেই বিতর্ক চলছে। আমাদের বক্তব্য, ঘোষণার পাঠক ঘোষক হতে পারে না। তিনি বলেন, আবুল কাশেম, এম এ হান্নান, অনেকেই ঘোষণা পাঠ করেছেন। সেখানে জিয়াও বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণার পাঠ করেছেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কে ঘোষক? এ বিতর্কের অবসান তখনই হবে যখন আমরা সত্যের অনুসন্ধান করতে যাব। সেটা হচ্ছে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা ঘোষণার ম্যান্ডেট এই অঞ্চলের জনগণের পক্ষ থেকে একমাত্র বঙ্গবন্ধুই পেয়েছিল। আর কারো কোনো বৈধ অধিকার নেই স্বাধীনতার ঘোষক হাওয়ার।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আজকে এতো বছর পর আমাদের ভাবতে হচ্ছে এ দেশেরই মানুষ, এ দেশেরই অগণতান্ত্রিক সাম্প্রদায়িক শক্তিকে নিয়ে। যারা আমাদের বিজয়, আমাদের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অন্তরায় সৃষ্টি করে যাচ্ছে। আজ আমাদের শপথ– বিএনপির নেতৃত্বে যে সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি বিজয়কে সংহতকরণে বাধা বা অন্তরায় হয়ে আছে, এই অপশক্তিকে আমরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরাজিত করব, প্রতিহত করব।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এডিবি'র ভাইস প্রেসিডেন্ট

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ১৮৩জন দেখেছেন

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ভাইস প্রেসিডেন্ট (সেক্টর ও থিমস) ফাতিমা ইয়াসমিন।

আজ সকালে গণভবনে তাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। এসময় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ভাইস প্রেসিডেন্ট (সেক্টর ও থিমস) ফাতিমা ইয়াসমিন প্রধানমন্ত্রীর হাতে এডিবি কর্তৃক প্রকাশিত 'বাংলাদেশ ইকোনমিক করিডোর ডেভলপমেন্ট হাইলাইটস' বইটি তুলে দেন। 

এশীয় উন্নয়ন ব্যাকের (এডিবি) একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিনিধিদল এসময় উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



পরীর টলিউড অধ্যায় শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ২০ মার্চ ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৫৪জন দেখেছেন

Image

ভিন্ন দুই দেশের শহর হলেও ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। ভাষা তো বটেই, সংস্কৃতিগত দিক দিয়েও দুই অঞ্চলের মানুষ একাকার। ফলে পারস্পরিক শিল্পী বিনিময় চলছে যুগ যুগ ধরেই। কলকাতার অভিনয়শিল্পীরা যেমন ঢাকায় কাজ করেছেন, করেন; তেমনি ঢাকার তারকারাও পা গলিয়ে যাচ্ছেন টলিউডের পথে। 

এই ঢাকা টু কলকাতা অধ্যায়ে নতুন নাম পরীমণি। টলিউডের সিনেমায় কাজ করছেন তিনি। খবরটা অবশ্য ক'দিন আগেই দিয়েছেন এ নায়িকা। গত ১৮ মার্চ শুরু হয়েছে তার সেই মিশন। সোশ্যাল হ্যান্ডেল মারফত খবরটা তিনি নিজেই দিয়েছেন। এদিন বিকালে ফেসবুক স্টোরিতে ক্যামেরার ছবি শেয়ার করেন পরী। যেখানে দেখা যাচ্ছে, চিত্রগ্রাহক চিত্র ধারণ করছেন। সঙ্গে পরী বলেছেন, ‘শুটিং চলছে।’ 

এর আগে, গত ১৭ মার্চ রাতে ঢাকা থেকে কলকাতায় গেছেন পরীমণি। বিমান সফরের এক ঝলক অন্তর্জালে শেয়ার করে নায়িকা বলেছেন, ‘যাচ্ছি। কলকাতায় কাল প্রথম শুটিং। দোয়া করবেন।’ অতীতে বাংলাদেশ ও ভারত যৌথ প্রযোজনার ছবিতে কাজ করেছিলেন বটে। তবে এই প্রথম কলকাতার স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের ছবিতে কাজ করছেন পরীমণি। তাই উচ্ছ্বাসের মাত্রাও কিঞ্চিৎ বেশি। ছবির নাম ‘ফেলুবকশি’। এটি পরিচালনা করছেন দেবরাজ সিনহা। ছবিতে পরীর সঙ্গে সোহম চক্রবর্তীকে দেখা যাবে।


আরও খবর



রোজাদারের জন্য জান্নাতের বিশেষ দরজা

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৭৮জন দেখেছেন

Image

প্রত্যেক নেক আমলের নির্ধারিত প্রতিদান আছে। যার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা আমলকারীকে পুরস্কৃত করবেন। কিন্তু রোজার বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ রোজার বিষয়ে আছে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে এক অনন্য ঘোষণা।

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘মানুষের প্রত্যেক আমলের প্রতিদান বৃদ্ধি করা হয়। একটি নেকির সওয়াব ১০ থেকে ২৭ গুণ পর্যন্ত। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘কিন্তু রোজা আলাদা। কেননা তা একমাত্র আমার জন্য এবং আমি নিজেই এর বিনিময় প্রদান করব।  বান্দা একমাত্র আমার জন্য নিজের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং পানাহার পরিত্যাগ করেছে।’

(মুসলিম, হাদিস : ১১৫১) রোজাদারের জন্য জান্নাতে বিশেষ দরজা থাকবে। সাহল (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেন, জান্নাতে রাইয়্যান নামক একটি দরজা আছে। এ দরজা দিয়ে কিয়ামতের দিন সাওম পালনকারীরাই প্রবেশ করবে। তাদের ছাড়া আর কেউ এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে না। ঘোষণা দেওয়া হবে, সাওম পালনকারীরা কোথায়? তখন তারা দাঁড়াবে। তারা ছাড়া আর কেউ এ দরজা দিয়ে প্রবেশ করবে না। তাদের প্রবেশের পরই দরজা বন্ধ করে দেওয়া হবে। যাতে এ দরজা দিয়ে আর কেউ প্রবেশ না করে।

(বুখারি, হাদিস : ১৮৯৬)  বিশেষ ইবাদতের নামে জান্নাতে বিশেষ দরজা থাকবে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে কেউ আল্লাহর পথে জোড়া জোড়া ব্যয় করবে তাকে জান্নাতের দরজা থেকে ডাকা হবে, হে আল্লাহর বান্দা! এটাই উত্তম। অতএব, যে সালাত আদায়কারী, তাকে সালাতের দরজা থেকে ডাকা হবে। যে মুজাহিদ তাকে জিহাদের দরজা থেকে ডাকা হবে, যে সাওম পালনকারী,   রোজাদারের জন্য জান্নাতের বিশেষ দরজাতাকে রাইয়্যান দরজা থেকে ডাকা হবে। যে সদকা দানকারী তাকে সদকা দরজা থেকে ডাকা হবে। এরপর আবু বকর (রা.) বলেন, হে আল্লাহর রাসুল! আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা কুরবান, সব দরজা থেকে কাউকে ডাকার কোনো প্রয়োজন নেই, তবে কি কাউকে সব দরজা থেকে ডাকা হবে? রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, হ্যাঁ। আমি আশা করি তুমি তাদের মধ্যে হবে। (বুখারি, হাদিস : ১৮৯৭) মহান আল্লাহ আমাদের জান্নাতের বিশেষ দরজা দিয়ে প্রবেশ করার তাওফিক দান করুন।


আরও খবর

অন্তরের মরিচা দূর করতে করণীয়

রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪




ঈশ্বরদীতে ৭ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৮৬জন দেখেছেন

Image

পাবনার ঈশ্বরদীতে তেলবাহী ট্রেনের সঙ্গে মালবাহী ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় ৭ ঘণ্টা পর খুলনার সঙ্গে ট্রেন যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। বুধবার (২৭ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে রেলযোগাযোগ স্বাভাবিক হয় বলে জানিয়েছেন পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ব্যবস্থাপক শাহ সূফী নুর মোহাম্মদ। 

তিনি জানান, ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে ঈশ্বরদী হতে খুলনাগামী তেলের খালি ওয়াগন নিয়ে একটি ট্রেন রওনা করলে তা ঈশ্বরদী লেভেল ক্রসিং গেইট অতিক্রম করে বিপরীত দিক থেকে পুশিং এ আসা মালবাহী শানটিং ওয়াগনে আঘাত করে। এতে মালবাহী ২টি ওয়াগনের ৮ চাকা এবং লোকোমোটিভের সবগুলো চাকা লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনায় প্রায় ৭ ঘণ্টা পর সকাল ৭টার দিকে রেলযোগাযোগ স্বাভাবিক হয়েছে। ঈশ্বরদী লোকোমোটিভ কারখানা থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন প্রথমে মালবাহী ট্রেনকে উদ্ধার করে। এর প্রায় এক ঘণ্টা পর তেলবাহী ট্রেনকে উদ্ধার করা হয়। এখন সব রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনা তদন্ত করতে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা প্রতিবেদন জমা দিলেই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে। প্রাথমিকভাবে দুই ট্রেনের দুই চালকসহ তিনজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) রাত পৌনে ১২টার দিকে পাবনার ঈশ্বরদীতে মালবাহী দুই ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে একটি ইঞ্জিন ও দুটি বগির ৮ চাকা লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনায় ঢাকা-খুলনা রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।


আরও খবর