Logo
আজঃ বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

ফুসফুসে মাত্রাতিরিক্ত বাতাস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ২৩৫জন দেখেছেন

Image

ফুসফুস হচ্ছে মানবদেহের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাসের নিশ্চয়তা প্রদান করে এ ফুসফুস। মানুষের শরীরে এ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটি আবার নানা রকম রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে থাকে। ফুসফুসের বিভিন্ন ধরনের ব্যাধির মধ্যে একটি জটিল ব্যাধি হচ্ছে এমফাইসিমা। এমফাইসিমার ফলে ফুসফুসে মাত্রাতিরিক্ত বাতাস জমা হয়। এটি প্রধানত একটি শ্বাসকষ্টজনিত রোগ। কারণ যখন ফুসফুসের ভিতরের দিকে প্রয়োজনের অতিরিক্ত বাতাস জমা হয় তখন রোগীর বক্ষ, কাশির সঙ্গে সঙ্গে শ্বাসকষ্ট প্রকোপ আকার দেখা দেয়। এমফাইসিমা একটি কষ্টদায়ক ব্যাধি এ রোগ মানবদেহে একদিনে বাসা বাঁধে না। দীর্ঘ সময় নিয়ে এটি সৃষ্টি হয়। বাড়তি বাতাস জমা হলে ফুসফুস খুব দ্রুত ফুলে উঠে এবং এর অভ্যন্তরের অংশগুলো অকেজো হয়। কেউ যদি হাঁপানি বা অ্যাজমা রোগী হয়ে থাকে, তবে তার এ ব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে বেশি। ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিসে আক্রান্ত রোগীদেরও ফুসফুসে এমফাইসিমা হতে পারে। কোনো কোনো শ্বাসকষ্টজনিত ব্যাধির কারণেও এমফাইসিমা হতে পারে। ধূমপান হচ্ছে ফুসফুসের সবচেয়ে বড় শত্রু। ধূমপায়ী ব্যক্তিদের এ রোগ হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। বিভিন্ন ধরনের জীবাণু সংক্রমণের কারণেও এ রোগ হতে পারে। পরিবেশ দূষণ, কালো ধোঁয়াও ফুসফুসের এমফাইসিমা সৃষ্টির কারণ। আবার উপরের কারণগুলো ছাড়াও যে কোনো ব্যক্তি এ রোগ/ব্যাধিতে আক্রান্ত হতে পারে।

লক্ষণসমূহ : প্রচন্ড শ্বাসকষ্ট। অল্প চলাফেরাতেই শ্বাসটানের উপক্রম হয় এবং দম ফুরিয়ে যায়। শ্বাস নেওয়ার সময় গলার শিরা ভরে যায়। পেটে এবং পায়ে পানি আসে। লিভারের আকার বৃদ্ধি পায়। কখনো কখনো এসব রোগী রক্তশূন্যতায় ভোগে। আবার রোগীর দেহ নীলও হয়ে যেতে পারে। বুকের আকৃতি পরিবর্তন হয়ে যায়। রোগী যখন ধীরে ধীরে জটিল আকার ধারণ করে তখন শ্বাসযন্ত্র ও হার্টের অচলতার কারণে হার্ট অ্যাটাক (ফেইলিওর) হতে পারে। ক্রনিক ব্রঙ্কাইটিসের কারণে যদি এমফাইসিমা হয়ে থাকে প্রাথমিক অবস্থায় শ্বাসকষ্টের তীব্রতা দেখা যায় না। কিন্তু পরে হৃদযন্ত্রের ডান পাশের অংশ কার্যক্ষমতা হারিয়ে এক সময় হার্ট ফেইলিওর হয়।

প্রতিরোধ : এমফাইসিমা সম্পূর্ণ ভালো করার কোনো চিকিৎসা পদ্ধতি এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। তবে ব্যাধিটি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। যেহেতু এটি একটি শ্বাসকষ্টজনিত রোগ তাই ওষুধের দ্বারা শ্বাসকষ্টকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। শ্বাস নেওয়া এবং ছাড়ার সময় সতর্ক থাকতে হবে। ধূমপান পরিহার করতে হবে। মনে রাখতে হবে, এসব ক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসা নিলে অনেকটাই জটিলতা এড়নো সম্ভব।


আরও খবর



ফুটবল খেলার ইচ্ছেটা কমে যাচ্ছে; কেন বললেন ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৭০জন দেখেছেন

Image

এই মুহূর্তে বিশ্বের সেরা লেফট উইঙ্গার বলা হলে ব্রাজিলের ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের নামটাই প্রথমে আসবে। কিন্তু সেই ভিনিসিয়ুস জানালেন, তার ফুটবল খেলার ইচ্ছেটাই দিন দিন কমে যাচ্ছে। আর এজন্য অবশ্য নিজের বা ক্যারিয়ার নিয়ে কোনো অভিযোগ তার নেই। বরং অভিযোগ এনেছেন বর্ণবাদের বিপক্ষে। 

স্পেন ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে এসে বর্ণবাদের বিপক্ষে কথা বলতে গিয়ে কেঁদেই ফেলেছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। নিজেই জানালেন, স্পেনে তাকে যেভাবে একের পর এক বর্ণবাদী আচরণের শিকার হতে হচ্ছে, তাতে ফুটবল খেলার ইচ্ছাটাই ধীরে ধীরে মরে যাচ্ছে। রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস বেশ অনেকটা দিন ধরেই বর্ণবাদী আচরণের মুখে পড়েছেন। এমনকি স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটাও খেলা হচ্ছে বর্ণবাদ বিরোধী সামাজিক বার্তা নিয়ে।

বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটায় নিজ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতেই বর্ণবাদের বিপক্ষে খেলতে নামবেন ভিনি জুনিয়র। তার আগে সংবাদ সম্মেলনে জল ভেজা চোখে বললেন, ‘অনেক দিন ধরেই এটার (বর্ণবাদ) মুখোমুখি হচ্ছি। প্রতিবারই আরও বেশি দুঃখ লাগে। প্রতিবারই খেলার ইচ্ছাটা আরেকটু মরে যায়।’ যদিও এসবের কারণে স্প্যানিশ ফুটবল ছাড়তে তিনি রাজি নন। রিয়াল মাদ্রিদেই থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি, ‘বর্ণবাদীরা যা খুশি করতে পারে। আমি বিশ্বের সেরা ক্লাবেই থাকব, যত বেশি সম্ভব গোল করব, সেটা তারা (বর্ণবাদী) যেন দেখে।’

ভিনিসিয়ুস অবশ্য সবকিছু বাদ দিয়ে লক্ষ্য রাখতে চান ফুটবলের দিকেই ‘ফুটবল খেলাটা গুরুত্বপূর্ণ। তবে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে লড়াই আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমি চাই, কৃষ্ণাঙ্গরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করুক, সেটা নিশ্চিত হলে ক্লাবের হয়ে শুধু খেলাতেই মনোযোগ দিতে পারব।


আরও খবর



নোয়াখালীতে পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৮১জন দেখেছেন

Image
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রামেশ্বপুর গ্রামের ছরআলী মাঝি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া শিশুরা হলেন-বিবি ফাতেমা বেগম (৭) ও তার ছোট ভাই আবিদ হোসেন (৪)। তারা একই গ্রামের ছরআলী মাঝি বাড়ির আব্দুল হাইয়ের সন্তান। এসব তথ্য নিশ্চিত করেন চাপরাশিরহাট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন টিটু।

স্থানীয়রা জানান, দুই ভাই-বোন সকাল ৮টার দিকে ঘরের পাশে পুকুরে দাঁত ব্রাশ করতে যায়। এ সময় হাত-মুখ ধোয়ার সময় একজন পুকুরে পড়ে গেলে অন্যজন তাকে উদ্ধার করতে পানিতে নামে। পরে দু’জনেই পানিতে ডুবে যায়। একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যরা দুইজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুময়ান কবির বলেন, হাত-মুখ ধোয়ার সময় পানিতে পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পরে তাদের মরদেহ পরিবারের লোকজন নিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হবে।

আরও খবর



রমজানে দান-সদকার ফজিলত ও গুরুত্ব

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৯৪জন দেখেছেন

Image

ইসলাম ধর্মে দান সদাকা ও অন্যকে সহযোগিতার গুরুত্ব অপরিসীম। আর রমজান মাসে দানের গুরুত্ব ও সওয়াব অনেক বেশি। এ মাসের একটি নফল ইবাদত একটি ফরজ ইবাদতের সমান। আর একটি ফরজ ইবাদত করলে সত্তর গুণ সওয়াব পাওয়া যায়। 

হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ‘মানুষের মধ্যে সে ব্যক্তিই উত্তম, যে মানুষের উপকার করে’ (তাবারানি)। রসুল (সা.) ছিলেন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় দানশীল। আর রমজান মাসে তিনি সবচেয়ে বেশি দান সদাকা করতেন। জিবরাইল (আ.) এ সময়ে তাঁর কাছে আসতেন এবং পরস্পরকে কোরআন শোনাতেন। রসুল (সা.) তখন প্রবাহিত বাতাসের চেয়ে অধিক দান-খয়রাত করতেন (মুসলিম)। 

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা যদি তোমাদের দানকে প্রকাশ করো ভালো কথা, তাতে কোনো দোষ নেই, তবে যদি তোমরা তা গোপন রাখো এবং চুপে চুপে তা অসহায়দের দিয়ে দাও, তবে তা হবে তোমাদের জন্য বেশি উত্তম। এ দানের কারণে আল্লাহ তোমাদের বহুবিধ গুনাহ খাতা মুছে দেবেন, আর তোমরা যাই কর না কেন, আল্লাহ সে সম্পর্কে অবগত আছেন’ (সুরা বাকারা-২৭১)। সুবহানাল্লাহ। সুতরাং বেশি বেশি দান-খয়রাত করা আমাদের উচিত। কখনো প্রকাশ্যে কখনো গোপনে। 

আল্লাহ আরও বলেন, ‘তোমরা যা দান-সদাকা কর তা তোমাদের জন্যই কল্যাণকর, কারণ তোমরা তা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যই খরচ কর। তোমরা আজ যা কিছু দান করবে আগামীকাল তার পুরোপুরি বিনিময় আদায় করে দেওয়া হবে (সুরা বাকারা-২৭২)।’ যারা দিন রাত গোপনে প্রকাশ্যে নিজেদের মাল সম্পদ ব্যয় করে তাদের মালিকের দরবারে তাদের এ দানের প্রতিফল সুরক্ষিত রয়েছে। তাদের ওপর কোনোরকম ভয়ভীতি থাকবে না, তারা সেদিন চিন্তিতও হবে না (সুরা বাকারা-২৭৪)। সাহায্য-সহযোগিতা দান-সদাকা করতে হবে দীন-দরিদ্র, ফকির-মিসকিন, এতিম, অন্ধ, বিধবা, অসহায় ও গরিব আত্মীয়স্বজনকে। রসুল (সা.)-এর কাছে জানতে চাওয়া হলো দান সদাকার উপযুক্ত পাত্র কারা? 

আল্লাহ রব্বুল আলামিন বলেন, ‘তারা তোমার কাছে জানতে চাইবে তারা কি খাতে খরচ করবে? তুমি তাদের বলে দাও, যা কিছুই তোমরা তোমাদের পিতা-মাতা, আত্মীয়স্বজন, এতিম, অসহায়, মিসকিন এবং মুসাফিরের জন্য খরচ করবে, তাই আল্লাহ গ্রহণ করবেন। যা ভালো তোমরা করবে, আল্লাহ তা অবশ্যই জানতে পারবেন’ (সুরা বাকারা-২১৫)। অসহায়দের প্রতি সাহায্যের হাত সম্প্রসারিত করে বিপুল সওয়াব লাভের শ্রেষ্ঠ সময় রমজান। আমাদের সমাজে অনেক গরিব-দুঃখী আছেন যারা দ্রব্যমূল্যের এই ঊর্ধ্বগতির বাজারে সাহরি ও ইফতারের সামান্য খাবার জোগাড় করতে হিমশিম খান। বছরের এই সময়ে তাদের জীবনযাত্রায় দুর্ভোগ বেড়ে যায়। এ ধরনের মানুষের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া আমাদের প্রতিটি মুসলমানের ইমানি দায়িত্ব। 

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘যারা নিজেদের ধনসম্পদ আল্লাহর পথে খরচ করে তাদের উদাহরণ হচ্ছে একটি বীজের মতো, যে বীজটি বপন করার পর তা থেকে সাতটি শিস বেরোলো, এর প্রতিটি শিষে রয়েছে ১০০ করে শস্যদানা, আল্লাহ যাকে চান তার জন্য এটাকে বহুগুণ বৃদ্ধি করে দেন’ (সুরা বাকারা - ২৬১)। এই রমজানে গরিব আত্মীয়স্বজনের খোঁজ নিন, তাদের মধ্যে কেউ আর্থিকভাবে অসচ্ছল হলে তাকে সাহায্য করুন। আপনজনদের ভালোবাসুন। গরিবদের সম্মান করুন। রসুল (সা.) বলেছেন, যে তোমার সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করে তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ো, যে তোমার প্রতি অবিচার করে তাকে ক্ষমা কর’ (মুসলিম)। রহমত ও মাগফিরাতের মাসে দয়া ও ক্ষমার অনুশীলন করুন। এতিম, অসহায়, বিধবাদের খোঁজখবর নিন। তাদের মুক্তহস্তে দান করুন। তাহলে আল্লাহ খুশি হবেন। নাজাত পাওয়ার রাস্তা সহজ হবে। দান-খয়রাত সদাকা প্রাপকের হাতে পৌঁছে দিতে সচেষ্ট হোন।


আরও খবর

অন্তরের মরিচা দূর করতে করণীয়

রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪




ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ শেষ কবে, জানালেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:বুধবার ২০ মার্চ ২০24 | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৩৮জন দেখেছেন

Image

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কারওয়ান বাজার অংশে নামার র‍্যাম্প খুলে দেয়া হলো। প্রকল্পের ৭২.৫১ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এ বছরে পুরো কাজ শেষ হবে না। আগামী বছরের শুরুর দিকে পুরোটা কাজ শেষ করা হবে। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর উদ্বোধন করবেন।’

বুধবার সকাল ১১টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এফডিসি অংশের র‌্যাম্প উন্মুক্তকরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে যান চলাচলের সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার। এর চেয়ে বেশি গতিতে যানবাহন চলানো যাবে না। এক্সপ্রেসওয়েতে থ্রি-হুইলার, মোটরসাইকেল, বাইসাইকেল এবং পথচারী চলাচল করতে পারবে না। এটা আমরা আগেও বলেছি, এখনও বলছি।’

উল্লেখ্য, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মূল দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। র‍্যাম্পসহ এর দৈর্ঘ্য দাঁড়াবে ৪৬ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার। পুরো কাজ শেষ হলে মোট ৩১টি র‌্যাম্প দিয়ে এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহন ওঠানামার সুযোগ হবে।


আরও খবর



জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮ টায়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৭৭জন দেখেছেন

Image

রাজধানীর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। সোমবার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু বকর সিদ্দীক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৯টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ঈদের প্রধান জামাত আয়োজনের দায়িত্বে রয়েছে। তারা এ বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। 

উল্লেখ্য, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১০ বা ১১ এপ্রিল মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।


আরও খবর

অন্তরের মরিচা দূর করতে করণীয়

রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪