Logo
আজঃ বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪
শিরোনাম

ব্ল্যাক হানি না সাধারণ মধু- কোনটি বেশি উপকারী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | ৫৭৮জন দেখেছেন

Image

লাইফস্টাইল ডেস্ক : বিস্ময়কর এক প্রাকৃতিক উপাদান মধু। যা এক প্রকার মিষ্টি ও ঘন তরল পদার্থ। মধু তৈরির পুরো প্রক্রিয়াটিই সম্পন্ন করে মৌমাছি। বিভিন্ন ফুলের নির্যাস বা রস সংগ্রহ করে রহস্যময় প্রক্রিয়ায় মধু সৃষ্টি করে তারা।

পবিত্র কোরআন থেকে শুরু করে চিকিৎসা বিদ্যা- সবখানেই মধুর নানা উপকারিতার কথা উল্লেখ রয়েছে। অগণিত শারীরিক সমস্যার সমাধান রয়েছে এই প্রাকৃতিক পদার্থটিতে। মধুর কিন্তু বিভিন্ন নাম রয়েছে। রঙ, গঠন কিংবা উৎসের ওপর নির্ভর করে এর নাম করণ করা হয়। মধুর এমনই একটি প্রকার ‘ব্ল্যাক হানি’। বাংলায় যাকে কালো মধু বলতে পারেন।

মধু মাত্রই উপকারি। তবে তুলনার কথা আসলে সাধারণ মধুর চেয়ে কালো মধু কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। স্বাদ, গঠন, রঙ, পুষ্টি উপাদান, স্বাস্থ্য উপকারিতার কারণে প্রতিনিয়ত এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। কালো মধু কেন সাধারণ মধুর চেয়ে বেশি উপকারি, জানুন এই প্রতিবেদনে-

মধুর উৎস ফুলের নির্যাস এ কথা আমাদের সবার জানা। বছরের একেক সময় একেক ফুল ফোটে। সময়ের ওপর এদের ধরনে পরিবর্তন আসে। মূলত ফুলের ধরনের ওপর নির্ভর করে মধুর রঙ কেমন হবে। এই যেমন সরিষা ফুলের মধু হালকা সোনালি রঙের। সেই তুলনায় কালোজিরা ফুলের মধু কালচে হয়ে থাকে।

কালো মধু কী?
যে মধুর রঙ গাঢ় বাদামি বা কালচে হয় তাকে কালো মধু বলা হয়। সাধারণ মধুর তুলনায় এর ঘনত্ব হয় বেশি, রঙও গাঢ়। একারণে এই মধুকে অনেকে ডার্ক হানি বা গাঢ় মধু নামেও চেনেন। প্রশ্ন থাকতে পারে, এই মধুর রঙ কালো বা বাদামী হয় কেন? কারণ যে সব ফুলের পরাগ গাঢ় বা কালচে রঙের, সে সব ফুলের রস সংগ্রহ করেই এই বিশেষ মধু তৈরি হয়।

ব্ল্যাক হানির প্রকারভেদ?
ফুলের ওপর নির্ভর করে কালো মধুর নানা প্রকারভেদ রয়েছে। কিছু জনপ্রিয় কালো মধু হলো- ব্ল্যাকবাট, বাকউইট, মেনুকা, জাররাহ, থাইম, চেস্টনাট, ড্যান্ডেলিয়ন, মেডো ইত্যাদি। প্রতিটি ধরনেরই রয়েছে আলাদা বিশেষত্ব। এই যেমন, মেনুকা হানি। নিউজিল্যান্ডের মেনুকা গাছের ফুলের নির্যাস বা রস সংগ্রহ করে মৌমাছিরা এই মধু তৈরি করে, এছাড়াও আফ্রিকার বিভিন্ন রেইন ফরেস্ট গুলোতে অতি উচ্চ মানের কিছু কালো মধু পাওয়া যায়। এতে সাধারণ মধুর সব পুষ্টি উপাদান তো রয়েছেই, বাড়তি পাওনা হিসেবে আছে ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড। যা অন্য মধুতে নেই।

কালো মধু আর সাধারণ মধুর মধ্যে পার্থক্য কী?
সাধারণ মধু আর কালো মধু তৈরি প্রণালি, সংগ্রহের উপায় সবটাই এক। সব মধুই মৌমাছিরা ফুল থেকে আহরণ করে এবং মৌচাকে জমায়। আর মৌচাক থেকে তা মানুষ সংগ্রহ করে। তাহলে এই দুটোর মধ্যে পার্থক্য কোথায়? কোনটির পুষ্টি গুণই বা বেশি?

সাধারণ মধু আর কালো মধুর বাহ্যিক পার্থক্য রঙে আর ঘনত্বে। কালো মধু তুলনা মূলক কালচে হয়। এতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম হওয়ায় ঘনত্ব আর পুষ্টি দুটোই সাধারণ মধুর থেকে বেশি থাকে। গবেষণা অনুযায়ী, বাকউইট ফুলের মধুতে সাধারণ মধুর তুলনায় ২০ গুণ বেশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। কালো মধুতে প্রচুর ফ্রুক্টোজ থাকে। মিষ্টির তীব্রতা সাধারণ মধুর তুলনায় বেশি হওয়ায় অল্প পরিমাণেই বেশি মিষ্টতা মেলে।

আমরা দোকান থেকে যে মধু কিনি তার বেশির ভাগই মৌচাক থেকে সংগ্রহ করার পর পাস্তুরায়ন করা হয়। খাঁটি মধুতে প্রিবায়োটিক, প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ (পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম) এবং ভিটামিন (বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬ এবং সি) সহ ১৮০টির বেশি পদার্থ রয়েছে। এই উপকারি যৌগ গুলোর বেশির ভাগই পাস্তুরাইজেশনের সময় তাপে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে, নির্দিষ্ট ফুলের মধু থেকে সৃষ্ট কালো মধু সতর্কতার সঙ্গে সংগ্রহ করে সরাসরি গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো হয়। ফলে পুষ্টি উপাদান গুলো অক্ষুণ্ণ থাকে।

কালো মধু রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ফ্রি র‌্যাডিক্যালের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। তারুণ্য ধরে রাখতে এর বিকল্প নেই। এটি দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাই বিভিন্ন রোগের সঙ্গে শরীর সহজে লড়াই করতে পারে।

দুই ধরনের মধুই উপকারি। কোনটি খাবেন সেই সিদ্ধান্ত আপনার। সাধারণ চা বা অন্য পানীয়তে চিনির বদলে মিষ্টি কিছু খেতে চাইলে বেছে নিতে পারেন হালকা বা সাধারণ মধু। আর আপনি যদি সুস্বাস্থ্যের জন্য বেশি পুষ্টিকর কিছু খেতে চান তবে কালো মধু খান। মজবুত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা মিলবে এতে।

ব্ল্যাক হানি বা কালো মধু পাবেন কোথায়?
ভেজালের ভিড়ে খাঁটি মধু খুঁজে পাওয়াটাই কঠিন। সে ক্ষেত্রে কালো মধুর খোঁজ মেলা আরও জটিল বটে। তবে ইন্টারনেটের কল্যাণে বর্তমানে আমাদের দেশে এই মধুর চাহিদা বেড়েছে। গ্রাহকের চাহিদা বিবেচনায় কিছু বিদেশি ব্র্যান্ড দেশের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, সুপার স্টোর, ই-কমার্স এবং এফ-কমার্স সাইট ব্ল্যাক হানি এনেছে। এছাড়া দেশের প্রথম কোম্পানি হিসেবে অর্গানিক নিউট্রিশন লিমিটেড, ‘কারকুমা’ ব্র্যান্ড নামে অর্গানিক ব্ল্যাক হানি বাজার জাত করছে। এটি ইউএসডিএ অর্গানিক সার্টিফাইড। লেভেল ও উৎস দেখে পছন্দ মতো জায়গা থেকে ব্ল্যাক হানি কিনতে পারেন।


আরও খবর



ডিসি বদল হচ্ছে ১৫ জেলায়,চলতি মাসেই প্রজ্ঞাপন : জনপ্রশাসনমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | ৮৯জন দেখেছেন

Image



 নিউজ ডেস্ক:



মাঠ প্রশাসনের জেলা প্রশাসক (ডিসি) পদে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। চলতি মাসেই যে কোনো সময় নতুন ডিসি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। 



কমপক্ষে ১৫ জেলায় ডিসি পরিবর্তন হবে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। ডিসি পরিবর্তনের পরপরই শুরু হবে বিসিএস ২৮ ব্যাচের ডিসি হওয়ার ফিট লিস্টের কার্যক্রম।



এ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ। জানা গেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নিয়মিত বদলির কার্যক্রম হিসেবেই নতুন ডিসি নিয়োগ করতে যাচ্ছে সরকার।



 ইতোমধ্যে গত মাসে পুলিশের উচ্চ পর্যায়ে বড় রদবদল করা হয়েছে। যদিও কয়েক মাস ধরেই ডিসি পদে রদবদলের আলোচনা চলছিল।


তবে উপজেলা নির্বাচন আর জুনের বার্ষিক হিসাব সমাপ্তির জন্য বিষয়টি আটকে ছিল।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, মাঠ প্রশাসনের ডিসি পদে বর্তমানে তিনটি ব্যাচের কর্মকর্তারা কাজ করছেন। 



৬৪ জেলার মধ্যে ২৪ ব্যাচের ২৩ জন, ২৫ ব্যাচের ১৯ জন এবং ২৭ ব্যাচের ২২ জন কর্মকর্তা রয়েছেন। সাধারণত ডিসি পদে দুই বছর মাঠে রাখা হয়।


তবে কারও কাজ সন্তোষজনক না হলে নির্ধারিত সময়ের আগেও পরিবর্তন করা হয়। ইতোমধ্যে ২৪ ব্যাচের বেশির ভাগ কর্মকর্তাকে মাঠ প্রশাসন থেকে সরিয়ে অন্যত্র দায়িত্ব দেওয়ার সময় হয়েছে। তবে একাধিক সূত্র জানিয়েছেন, ২৪ ব্যাচের সবাইকে বদলি করা হবে না। 



২৫ ব্যাচেরও কয়েকজন ডিসিকে বদলি করা হতে পারে বলে জানা গেছে। ডিসি নিয়োগের ক্ষেত্রে খুবই গোপনীয়তা রক্ষা করে সার্বিক কার্যক্রম এগিয়ে রেখেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।



নতুন ডিসি হিসেবে কাদের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে সে তালিকা অনেকটাই প্রস্তুত করেছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একাধিক সূত্র জানান, নতুন তালিকায় ২৭ ব্যাচের কর্মকর্তাদের নাম বেশি রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, সরকার মাঠ প্রশাসনে সৎ, দক্ষ কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে চায়। 



পাশপাশি অনেক কর্মকর্তা নানা কারণে বঞ্চিত হয়েছেন কিংবা জাতীয় নির্বাচনের আগে ইসির নির্দেশনায় মাঠ থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এমন কর্মকর্তাদের নামও নতুন তালিকায় রয়েছে।



 ডিসি পরিবর্তন বিষয়ে জনপ্রশাসনমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘মাঠে দুই বছর হয়ে গেলে ডিসি পদে আমরা পরিবর্তন করি। সিনিয়রদের পর্যায়ক্রমে বদলি করা হয়। একই সঙ্গে যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে না পারলে, কোনো বড় অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হয়। 



’ তিনি বলেন, এখন ডিসি হিসেবে যারা আছেন তাদের মধ্যে ২৪ ব্যাচের প্রমোশন হবে। চলতি মাসেই কয়েকটি জেলায় নতুন ডিসি নিয়োগ দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।


একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বাংলাদেশ প্রতিদিনকে নিশ্চিত করেছেন, ডিসি পরিবর্তন আসছে ১৫ জেলায়। এখন পর্যন্ত সেভাবেই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। শেষ মুহূর্তে প্রয়োজনে আরও এক বা দুটি জেলা বাড়তেও পারে। 



ডিসি রদবদলের পর ২৮ ব্যাচের ডিসি হওয়ার ফিট লিস্টের কার্যক্রম শুরু করবে মন্ত্রণালয়। সূত্রগুলো জানান, ডিসি নিয়োগের ক্ষেত্রে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় খুবই গোপনীয়তা রক্ষা করে। 



প্রজ্ঞাপন জারির আগ পর্যন্ত এ-সংক্রান্ত নিয়োগ তালিকা সময়ে সময়ে বদলেও যায়। আবার প্রজ্ঞাপন জারির পরও বাদ পড়েন কোনো কোনো কর্মকর্তা।


মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একাধিক সূত্র জানান, নতুন নিয়োগের পাশাপাশি ২৫ ও ২৭ ব্যাচের দায়িত্ব পালন করা ডিসিদের কিছু জেলাও পরিবর্তন আসতে পারে। অনেক কর্মকর্তাকে পরিবর্তন করে গুরুত্বপূর্ণ বা বড় জেলায় দায়িত্ব দিতে পারে সরকার। 



যেসব কর্মকর্তা ইতোমধ্যে দক্ষতা দেখিয়েছেন তাদের আরও উৎসাহিত করতে চায় সরকার। কয়েক দিন ধরেই কর্মকর্তাদের মধ্যে এ নিয়ে আলোচনা রয়েছে। বিশেষ করে ২৭ ও ২৮ ব্যাচের কর্মকর্তারা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে খোঁজখবর রাখার চেষ্টা করছেন।



 ২৭ ব্যাচের কর্মকর্তারা আশায় আছেন কে হচ্ছেন ডিসি আর ২৮ ব্যাচ আশায় আছেন ফিট লিস্টের।



আরও খবর



নেত্রীর নির্দেশ, শক্ত হয়ে রুখে দাঁড়ান : ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ | ৪৩জন দেখেছেন

Image

ডেস্ক রিপোর্টঃ

দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘আমাদের অস্তিত্বের ওপর হামলা এসেছে, হুমকি এসেছে। নেত্রী (শেখ হাসিনা) নির্দেশ দিয়েছেন- আপনারা শক্ত হোন, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে প্রস্তুত হয়ে যান।

পুলিশের পাশাপাশি দলের শক্তিকেও কাজে লাগাতে হবে।’

বুধবার (১৭ জুলাই) ঢাকা জেলা ও ঢাকা মহানগর (উত্তর ও দক্ষিণ) আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

দেশবাসীর কাছে প্রশ্ন রেখে কাদের বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কেন রাস্তাঘাট দখল করতে যাবে, সহিংসতায় জড়াবে? এই আন্দোলনের নেতৃত্ব নিঃসন্দেহে অশুভ শক্তির হাতে চলে গেছে। সেই অবস্থায় আমরা নিশ্চুপ থাকতে পারি না। আমাদেরও কিছু করতে হবে। আমরা চুপ করে বসে থাকতে পারি না। আমাদের অস্তিত্বের প্রতি হামলা এসেছে, হুমকি এসেছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা আমাদের করতেই হবে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এখানে শুধু পুলিশের শক্তি নয়, আমাদের দলের শক্তিকে আজ কাজে লাগাতে হবে। আমাদের যার যার দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতে হবে।’

দলের নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশনা দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সারা দেশে আমাদের প্রত্যেক নেতাকর্মীকে নেত্রীর পক্ষ থেকে নির্দেশ দিচ্ছি, সারা দেশে সতর্ক হয়ে শক্ত অবস্থান নিয়ে এই অশুভ অপশক্তিকে প্রতিহত করতে হবে। কোনও অপশক্তির সঙ্গে আপস করা যাবে না।’


আরও খবর



গায়েবানা জানাজা : পুলিশের সঙ্গে বিএনপি-সমমনা দলের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ | ৪৪জন দেখেছেন

Image



সদরুল আইনঃ



কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে গতকাল মঙ্গলবার নিহত ছয়জনের স্মরণে বিএনপি ও সমমনা দল আয়োজিত গায়েবানা জানাজা কর্মসূচির পর পুলিশের সঙ্গে কিছুক্ষণ সংঘর্ষ হয়েছে। 



এ সময় কয়েক রাউন্ড টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ। 


বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে এই ঘটনা ঘটে।


গায়েবানা জানাজা নামাজ শেষে নেতাকর্মীরা বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট দিয়ে বের হয়ে পল্টনের দিকে যাওয়ার সময় পুলিশ তাদেরকে ধাওয়া দেন।



 এ সময় নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পুলিশও কর্মীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় কয়েক রাউন্ড টিয়ারগ্যাসও নিক্ষেপ করে পুলিশ।


নামাজ শেষে মির্জা ফখরুল মসজিদের উত্তর গেট থেকে বের হওয়ার পর সেখানে আগে থেকে উপস্থিত গণতন্ত্র মঞ্চ ও বিএনপির কিছু নেতাকর্মী স্লোগান দেওয়া মাত্রই পুলিশ তাদের ধাওয়া করে। 



এরপর তারা ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন। পুলিশ পাল্টা রাবার বুলেট ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।



এর আগে বিএনপির নেতা-কর্মীরা বায়তুল মোকাররমের আশপাশ এবং পল্টনের বিভিন্ন গলিতে অবস্থান নিয়েছিলেন। পুলিশ গিয়ে তাদের ধাওয়া করে তাড়িয়ে দেয়। গলিগুলোয় পুলিশের অবস্থান দেখা যায়।


দুপুর ১২টার আগে থেকেই বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। ওই সময় পুলিশের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের জানানো হয়, গায়েবানা জানাজা নামাজের অনুমতি নেই।



 পরে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে বায়তুল মোকাররমে সামনে আজাদ প্রডাক্টসের গলিতে কর্মীরা জড়ো হতে শুরু করলে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেন। 



এ সময় মিলন নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এরপরে এডভোকেট সুজন নামে বায়তুল মোকাররমের সামনে থেকে আরও একজনকে আটক করে পুলিশ।




আরও খবর



ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | ৪৫জন দেখেছেন

Image


ডেস্ক রিপোর্ট:


কোটা সংস্কারের দাবিতে উত্তাল সারাদেশ। এরই অংশ হিসেবে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনকারীরা। এসময় তাদের সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।


বুধবার (১৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মোস্তফাপুরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।


এর আগে মাদারীপুর সরকারি কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ব্যানার-ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মোস্তফাপুরে গোলচত্বরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। 



এ সময় তারা সারা দেশে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার ও কোটা সংস্কারের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।


একপর্যায়ে সেখানে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা হাজির হলে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। এতে নারীসহ পাঁচ জন আহত হন।



এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এইচ এম সালাউদ্দিন বলেন, মহাসড়কে কোটা সংস্কারের অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ সকাল থেকেই মহাসড়কে অবস্থান নেয়। শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ করলে প্রথমে তাদের বোঝানো হয়।



 পুলিশের চেষ্টায় অনেক শিক্ষার্থী মহাসড়ক ছেড়ে দিলেও অনেকেই আবার মহাসড়ক অবরোধ করার চেষ্টা করেন। এ সময় কোটার পক্ষের কিছু লোক তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেন।


তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলার কোনো অবনতি ঘটেনি। পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত। যান চলাচলও স্বাভাবিক রয়েছে।


আরও খবর



কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা, দেশের বিভিন্ন মহাসড়ক অবরোধ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ | ৩৬জন দেখেছেন

Image

চ্যানেল 23 ডেস্ক:


কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে।



মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকালে বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন আন্দোলনকারীরা। ইত্তেফাকের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে এসব জানা গেছে।



রাজধানী: 


কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় সড়ক অবরোধ করেছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সকালে সাড়ে ১০টার দিকে তারা বাড্ডা এলাকায় তাদের ক্যাম্পাসের সামনের সড়ক অবরোধ করে।



ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বাড্ডা জোনের অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার রাজন কুমার সাহা বলেন, শিক্ষার্থীরা সড়কের একপাশ বন্ধ করে বিক্ষোভ করছেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিক থেকে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন।


ময়মনসিংহ:


 সারা দেশে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, বক্তব্য প্রত্যহার ও কোটা প্রথার যৌক্তিক সমাধানের দাবিতে ময়মনসিংহে বিক্ষোভ চলছে। ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল সড়কের প্রবেশ মুখ নগরের টাউনহল মোড় এলাকা অবরোধ করছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।



 এতে বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্তত তিন হাজার শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় টাউনহল এলাকায় বিক্ষোভ শুরু হয়। সোমবার (১৫ জুলাই) দিনভর ও রাতে অনলাইন ক্যাম্পেইন শেষে জড়ো হন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।


বেলা ১১টায় নির্ধারিত সময় থাকলেও তার আগেই জড়ো হতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। স্লোগান দিয়ে শিক্ষার্থীরা এসে টাউনহলের কর্মসূচিতে যোগ দেন। আনন্দমোহন কলেজ, নাসিরাবাদ কলেজ, মুমিনুন্নিসা সরকারি মহিলা কলেজ, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়সহ শহরের বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরাও এতে অংশ নেন।



ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল সড়ক অবরোধ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশে নেতৃত্ব দেন ছাত্র ইউনিয়ন ময়মনসিংহ জেলা শাখার সভাপতি গোকুল সুত্রধর মানিক। এ সময় আশপাশে অসংখ্য পুলিশ মোতায়েন ছিল। 



শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে টাউন হল এলাকা থেকে শহরের অভ্যন্তরীণ সড়কেও যানচলাচল বন্ধ থাকে।


ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল সড়কের প্রবেশ মুখ অবরুদ্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।


খুলনা: 



কোটা পদ্ধতি সংস্কার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে খুলনায় সড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর দৌলতপুর নতুন রাস্তা মোড়ে সরকারি বিএল কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেন। 



এ সময় ওই এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা এ সময় কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে স্লোগান দেয়।


অপরদিকে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর শিববাড়ী মোড়ে একই দাবিতে নর্দদার্ন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেন।


বগুড়া: 



সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ এবং হামলার ঘটনায় বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) শিক্ষার্থীরা কলেজের সামনে বিক্ষোভ করে বগুড়া-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করেছেন।



 এক ঘণ্টা ধরে এই অবরোধ চলার একপর্যায়ে পুলিশ তাদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিয়েছে। শজিমেক ফাঁড়ির ইনচার্জ মিলাদুননবী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শজিমেক এর শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করে বগুড়া-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করেন। এরপর তারা বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ এসে তাদের সরিয়ে দেয়।


শজিমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মিলাদুননবী জানান, তারা এক ঘণ্টা অবরোধ করার পর সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।



রাজশাহী:



  রাজশাহী-ঢাকা বাইপাস সড়ক অবরোধ করেছেন বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে কোটার আন্দোলনের নামে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা শহরের সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু করেছেন। এতে বাইপাস সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।


এর আগে কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সারা দেশের সব ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ সমাবেশ ডেকেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।



 সোমবার (১৫ জুলাই) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচি ঘোষণা দিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদুল ইসলাম।




আরও খবর