Logo
আজঃ বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে দুই মরদেহ হস্তান্তরে আরও সময় লাগবে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ১৪৭জন দেখেছেন

Image

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের মধ্যে দুজনের মরদেহ এখনও মর্গেই রয়ে গেছে। মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করতে আরও বেশ কিছুদিন সময় লাগতে পারে। ডিএনএ প্রতিবেদন তৈরি হওয়ার পর মরদেহ দুটি হস্তান্তর করা হবে বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় করা মামলায় কিছু বিষয় সামনে রেখে তদন্ত শুরু করার প্রস্তুতি নিয়েছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ওই ঘটনায় আহত ছয়জন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মামলা তদন্তের বিষয়ে সিআইডির পুলিশ সুপার আজাদ রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে আগুনের ঘটনায় করা মামলার তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে সিআইডি। তদন্তে বেশ কিছু বিষয় গুরুত্ব পাবে। থানা পুলিশের তদন্তে পাওয়া তথ্যও তাদের কাজে লাগবে।

মর্গে থাকা দুই মরদেহের ডিএনএ প্রতিবেদন ও হাস্তান্তরের বিষয়ে তিনি বলেন, ডিএনএ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ জন্য কিছুটা সময় লাগবে। এ ঘটনায় থানা পুলিশের মামলার তদারক কর্মকর্তা রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উৎপল বড়ুয়া বলেন, সকালে মামলার নথিপত্র সিআইডিকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে সিআইডি মামলার তদন্ত করবে। তিনি বলেন, মামলার প্রাথমিক তদন্তে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। সেসব তথ্যের নথি সিআইডিকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



ভারত থেকে আগামী তিন দিনের মধ্যে রেলযোগে পেঁয়াজ আসবে: আহসানুল ইসলাম টিটু

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ মার্চ 20২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৮২জন দেখেছেন

Image

ভারত পিঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দিলেও বাংলাদেশে এর কোনো প্রভাব পড়বে না বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু। তিনি বলেন, ভারতে যে পিঁয়াজ কেনা হয়েছে, সেগুলো তিন দিনের মধ্যে রেলযোগে বাংলাদেশে এসে পৌঁছাবে। শনিবার বিকেলে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের উদ্যোগে প্রতিমন্ত্রী এবং এমপিদের সংবর্ধনা ও প্রেসক্লাবের কার্যকরী সদস্যদের পরিচিতি সভায় এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাজার তার আপন গতিতেই চলবে। ৫/১০ টাকা বাড়লে সেটা নিয়ে কিছু না করা হলেও কেউ যদি মজুতদারি করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বাভাবিক বাজারে বেচা কেনায় কোনো রকম পুলিশি তৎপরতা বা ম্যাজিস্ট্রেট তৎপরতার প্রয়োজন নেই। তিনি মনে করেন, বাজারে যথেষ্ট পরিমাণ পণ্যের সরবরাহ আছে এবং দামও যৌক্তিক পর্যায়ে আছে। চালের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, চাল খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বিষয়। এ কারণে আরেক মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে কোনো কিছু বলা ঠিক হবে না বলে তিনি মনে করেন।

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ভারত থেকে পিঁয়াজ আজ কিংবা আগামীকাল ট্রেনে উঠবে। আগামী ৩ দিনের মধ্যে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। ভারত থেকে পিঁয়াজ আসা নিয়ে কোনো রকম সমম্যা আছে বলে আমার জানা নেই। ভারত পিঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছে কি না, তা আমার জানা নেই। বাজার তার আপন গতিতে চলবে। বাজার আমাদের মনিটরিংয়ের মধ্যে থাকবে। কোনো রকম যদি কেউ মজুতদারি করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বাভাবিক বাজারে কোনোরকম পুলিশি ও ম্যাজিস্ট্রেট তৎপরতার প্রয়োজন নেই। আমরা মনে করি বাজারে যথেষ্ট পরিমাণে সরবরাহ রয়েছে। দামও যৌক্তিক পর্যায়ে রয়েছে।

অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি, সদর আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম ও পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার।


আরও খবর



রমজানে দান-সদকার ফজিলত ও গুরুত্ব

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৯৪জন দেখেছেন

Image

ইসলাম ধর্মে দান সদাকা ও অন্যকে সহযোগিতার গুরুত্ব অপরিসীম। আর রমজান মাসে দানের গুরুত্ব ও সওয়াব অনেক বেশি। এ মাসের একটি নফল ইবাদত একটি ফরজ ইবাদতের সমান। আর একটি ফরজ ইবাদত করলে সত্তর গুণ সওয়াব পাওয়া যায়। 

হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ‘মানুষের মধ্যে সে ব্যক্তিই উত্তম, যে মানুষের উপকার করে’ (তাবারানি)। রসুল (সা.) ছিলেন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় দানশীল। আর রমজান মাসে তিনি সবচেয়ে বেশি দান সদাকা করতেন। জিবরাইল (আ.) এ সময়ে তাঁর কাছে আসতেন এবং পরস্পরকে কোরআন শোনাতেন। রসুল (সা.) তখন প্রবাহিত বাতাসের চেয়ে অধিক দান-খয়রাত করতেন (মুসলিম)। 

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা যদি তোমাদের দানকে প্রকাশ করো ভালো কথা, তাতে কোনো দোষ নেই, তবে যদি তোমরা তা গোপন রাখো এবং চুপে চুপে তা অসহায়দের দিয়ে দাও, তবে তা হবে তোমাদের জন্য বেশি উত্তম। এ দানের কারণে আল্লাহ তোমাদের বহুবিধ গুনাহ খাতা মুছে দেবেন, আর তোমরা যাই কর না কেন, আল্লাহ সে সম্পর্কে অবগত আছেন’ (সুরা বাকারা-২৭১)। সুবহানাল্লাহ। সুতরাং বেশি বেশি দান-খয়রাত করা আমাদের উচিত। কখনো প্রকাশ্যে কখনো গোপনে। 

আল্লাহ আরও বলেন, ‘তোমরা যা দান-সদাকা কর তা তোমাদের জন্যই কল্যাণকর, কারণ তোমরা তা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যই খরচ কর। তোমরা আজ যা কিছু দান করবে আগামীকাল তার পুরোপুরি বিনিময় আদায় করে দেওয়া হবে (সুরা বাকারা-২৭২)।’ যারা দিন রাত গোপনে প্রকাশ্যে নিজেদের মাল সম্পদ ব্যয় করে তাদের মালিকের দরবারে তাদের এ দানের প্রতিফল সুরক্ষিত রয়েছে। তাদের ওপর কোনোরকম ভয়ভীতি থাকবে না, তারা সেদিন চিন্তিতও হবে না (সুরা বাকারা-২৭৪)। সাহায্য-সহযোগিতা দান-সদাকা করতে হবে দীন-দরিদ্র, ফকির-মিসকিন, এতিম, অন্ধ, বিধবা, অসহায় ও গরিব আত্মীয়স্বজনকে। রসুল (সা.)-এর কাছে জানতে চাওয়া হলো দান সদাকার উপযুক্ত পাত্র কারা? 

আল্লাহ রব্বুল আলামিন বলেন, ‘তারা তোমার কাছে জানতে চাইবে তারা কি খাতে খরচ করবে? তুমি তাদের বলে দাও, যা কিছুই তোমরা তোমাদের পিতা-মাতা, আত্মীয়স্বজন, এতিম, অসহায়, মিসকিন এবং মুসাফিরের জন্য খরচ করবে, তাই আল্লাহ গ্রহণ করবেন। যা ভালো তোমরা করবে, আল্লাহ তা অবশ্যই জানতে পারবেন’ (সুরা বাকারা-২১৫)। অসহায়দের প্রতি সাহায্যের হাত সম্প্রসারিত করে বিপুল সওয়াব লাভের শ্রেষ্ঠ সময় রমজান। আমাদের সমাজে অনেক গরিব-দুঃখী আছেন যারা দ্রব্যমূল্যের এই ঊর্ধ্বগতির বাজারে সাহরি ও ইফতারের সামান্য খাবার জোগাড় করতে হিমশিম খান। বছরের এই সময়ে তাদের জীবনযাত্রায় দুর্ভোগ বেড়ে যায়। এ ধরনের মানুষের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া আমাদের প্রতিটি মুসলমানের ইমানি দায়িত্ব। 

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘যারা নিজেদের ধনসম্পদ আল্লাহর পথে খরচ করে তাদের উদাহরণ হচ্ছে একটি বীজের মতো, যে বীজটি বপন করার পর তা থেকে সাতটি শিস বেরোলো, এর প্রতিটি শিষে রয়েছে ১০০ করে শস্যদানা, আল্লাহ যাকে চান তার জন্য এটাকে বহুগুণ বৃদ্ধি করে দেন’ (সুরা বাকারা - ২৬১)। এই রমজানে গরিব আত্মীয়স্বজনের খোঁজ নিন, তাদের মধ্যে কেউ আর্থিকভাবে অসচ্ছল হলে তাকে সাহায্য করুন। আপনজনদের ভালোবাসুন। গরিবদের সম্মান করুন। রসুল (সা.) বলেছেন, যে তোমার সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করে তার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ো, যে তোমার প্রতি অবিচার করে তাকে ক্ষমা কর’ (মুসলিম)। রহমত ও মাগফিরাতের মাসে দয়া ও ক্ষমার অনুশীলন করুন। এতিম, অসহায়, বিধবাদের খোঁজখবর নিন। তাদের মুক্তহস্তে দান করুন। তাহলে আল্লাহ খুশি হবেন। নাজাত পাওয়ার রাস্তা সহজ হবে। দান-খয়রাত সদাকা প্রাপকের হাতে পৌঁছে দিতে সচেষ্ট হোন।


আরও খবর

অন্তরের মরিচা দূর করতে করণীয়

রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪




নতুন কারিকুলামে ফিরছে প্রতি বিষয়ে ৫ ঘণ্টার পরীক্ষা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৮৯জন দেখেছেন

Image

গত বছর চালু হওয়া নতুন শিক্ষাক্রমে (কারিকুলাম) শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন পদ্ধতি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তবে নানা আলোচনা-সমালোচনার পর মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন (অ্যাসেসমেন্ট) পদ্ধতি নিয়ে একটি খসড়া প্রস্তাব তৈরি করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

এনসিটিবি বলছে, স্কুল সময়ে (সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা) প্রতিদিন একটি বিষয়ে মূল্যায়নের জন্য খসড়া প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। এতে টানা পাঁচ ঘণ্টা বসে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে হবে না। তবে বিষয়ভেদে এক থেকে দেড় ঘণ্টার লিখিত পরীক্ষা হবে। খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতিটি বিষয়ে মিডটার্ম ও বার্ষিক পরীক্ষা হবে পাঁচ ঘণ্টার। পাঁচ ঘণ্টায় হবে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষা। এই দুটি পরীক্ষা হবে অন্য কেন্দ্রে। আর চতুর্থ থেকে নবম শ্রেণির পরীক্ষা হবে নিজ নিজ স্কুলে। সকাল ১০টা থেকে এই মূল্যায়ন চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মাঝখানে এক ঘণ্টার বিরতি থাকবে।

সোমবার এনসিটিবির সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক মো. মশিউজ্জামান সমকালকে বলেন, ‘এগুলো এখনও আলোচনার পর্যায়ে আছে, চূড়ান্ত হয়নি। চূড়ান্ত হলে সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হবে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা গতবার পরীক্ষা নিয়েছি তিন দিনে, নাম ছিল অ্যাসেসমেন্ট উৎসব। শিক্ষার্থীরা প্রথম দিন ইনস্ট্রাকশন পেয়েছে, দ্বিতীয় দিন ডেটা প্রসেস করেছে, তৃতীয় দিনে ফাইনাল রেজাল্ট দিয়েছে। তিনটি ভাগে কাজটি করেছে। প্রতিদিন ক্লাস রুটিন অনুযায়ী সেগুলো হয়। তবে পরে আমরা জানতে পারি, এক দিনে একাধিক বিষয়ের কাজ করা বেশ কঠিন হয়। তাই এখন আমরা বলেছি, এক দিনে একটি বিষয় নিয়ে কাজ হবে। সেদিন আর অন্য বিষয়ে কাজ হবে না।’

নতুন মূল্যায়ন প্রস্তাবনার ব্যাখ্যা দিয়ে এনসিটিবির এ সদস্য বলেন, ‘একটি এক্সপেরিমেন্ট দেওয়া হবে। শিক্ষার্থীরা সকাল ১০টায় সেটি শুরু করবে। শেষ সময়ে এক ঘণ্টা বা বিষয় অনুযায়ী সোয়া ঘণ্টা এর একটি লিখিত অংশ থাকবে। বাদবাকি সময় তাদের কাজের মধ্যে যাবে। বিষয়টি আগের মতো, তিন ঘণ্টার লিখিত পরীক্ষা দেওয়ার মতো নয়।’

অধ্যাপক মশিউজ্জামান জানান, স্কুল যেভাবে মূল্যায়ন করে সেভাবেই করবে। তবে পাবলিক পরীক্ষায় সেন্টারে যেতে হবে। পাবলিক পরীক্ষায় বাইরের মূল্যায়নকারী অর্থাৎ অন্য স্কুলের শিক্ষক থাকবেন। তিনি বলেন, গতবার ফাইনাল পরীক্ষা যেভাবে হয়েছে, আগামীতে সেভাবেই হবে এবং অবজারভেশন-চেকলিস্ট অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। ফাইনালি তারা একটি লিখিত রূপ জমা দেবে। সেটি বোর্ডের খাতায় হবে।’

এনসিটিবির খসড়া প্রস্তাবনা অনুযায়ীু এসএসসি, এইচএসসিতে পাবলিক পরীক্ষা হলেও পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে হবে না। দশম শ্রেণির ভিত্তিতে এসএসসি পরীক্ষা হবে। এরপর একাদশে ও দ্বাদশে একটি করে পরীক্ষা হবে। পুরোনো কারিকুলাম অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের তিন ঘণ্টার লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে হতো। আর পৃথক দিনে ব্যবহারিক পরীক্ষা হতো। নতুন কারিকুলাম অনুযায়ী মূল্যায়ন প্রক্রিয়াও ভিন্ন হচ্ছে। পরীক্ষা ও মূল্যায়ন নিয়ে শিক্ষাবিদদের মতামত নিয়ে এই খসড়া প্রস্তাবনা তৈরি করার কথা জানিয়েছে এনসিটিবি। এটি এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। সেখানে হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, গত বছর ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে নতুন কারিকুলাম চালু হয়েছে। চলতি বছর দ্বিতীয়, তৃতীয়, অষ্টম ও নবমে এবং ২০২৫ সালে চতুর্থ, পঞ্চম ও দশম শ্রেণিতে এটি চালু হবে। নতুন কারিকুলামে এসএসসি পরীক্ষা হবে ২০২৬ সালে।


আরও খবর



চকরিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে কিশোরীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ১০৩জন দেখেছেন

Image

কক্সবাজারের চকরিয়ায় ট্রেন দেখতে গিয়ে কাটা পড়ে জান্নাতুল ফেরদৌসি (১৬) নামে এক কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে।  বুধবার সকাল ৭টার দিকে দোহাজারী-কক্সবাজার রেল সড়কের চকরিয়ার খুটাখালী নলবনিয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত জান্নাতুল ফেরদৌসি খুটাখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ মেধাকচ্ছপিয়া  ৩ নম্বর ওয়ার্ড দূর্বারমাট এলাকার মো. শহীদুল্লাহর মেয়ে।

তার স্বজন স্থানীয় ইউপি সদস্য আবদুল আওয়াল বলেন, সেহেরি খেয়ে মায়ের সাথে নামাজ পড়ে ফেরদৌসি। পরে মা ঘুমিয়ে পড়লে সে ঘর থেকে বের হয়ে রেল দেখতে খুটাখালী নলবনিয়া এলাকায় যায়। এ সময় ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী কক্সবাজার এক্সপ্রেসের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। 

পরে খবর পেয়ে কক্সবাজার রেলওয়ে থানার এসআই জাফর আলম ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদরহাসপাতালে প্রেরণ করেন।


আরও খবর



জমজমাট ঈদ কেনাকাটা, গরমে আরামে নজর ক্রেতাদের

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৯৬জন দেখেছেন

Image
আর দুই সপ্তাহ পরেই ঈদ। ইতোমধ্যে জমে উঠেছে রাজধানীর ঈদ বাজার। মূলত গতকাল থেকেই শুরু হয়েছে ঈদের কেনাকাটা। ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত বিপণিবিতানগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। রোদ ও গরম উপেক্ষা করে পরিবার-পরিজনদের জন্য নতুন পোশাক কিনতে রাজধানীর বিপণিবিতানগুলোতে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। ক্রেতা-বিক্রেতাদের দরদামে সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্তও চলছে কেনাবেচা। ফুটপাত ও ভ্যানগাড়িতে অস্থায়ীভাবে বসা দোকানেও কেনাকাটা চলছে পুরোদমে। গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। 

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি, মহাখালী এসকেএসসহ বিভিন্ন শপিংমল ছিল লোকে লোকারণ্য। মানুষ নিজেদের সাধ্যমতো প্রিয়জনদের জন্য কেনাকাটায় ব্যস্ত ছিলেন। এসব মার্কেটের ভিতরে ও আশপাশের রাস্তাগুলোতেও হাঁটার মতো অবস্থা ছিল না। সবখানেই ক্রেতাদের ভিড়। বিক্রেতারা বাহারি রঙের সব পোশাক সাজিয়ে রেখেছেন। কেউ পোশাক শরীরে ট্রায়াল দিচ্ছেন। কেউবা বাচ্চাদের পোশাক কেনায় ব্যস্ত। কেউবা শাড়ি, কসমেটিকস, গহনা, জুতার দোকানে ভিড় জমিয়েছেন। ছেলেদের পাঞ্জাবির দোকান গুলোতেও ছিল চোখে পড়ার মতো ভিড়। থেমে নেই কেউ, সবাই ছুটছেন পছন্দের পোশাকের সন্ধানে। ভিড়ের কারণে ক্রেতার সঙ্গে বেশিক্ষণ কথা বলারও সুযোগ পাচ্ছেন না বিক্রেতারা। এর মধ্যেই পছন্দের কাপড় কিনছেন ক্রেতারা। ছেলেরা বেশি কিনছেন শার্ট, প্যান্ট, টি-শার্ট ও পাঞ্জাবি। আর তরুণী ও নারীরা কিনছেন শাড়ি, থ্রি-পিস ও ফ্রক। এ ছাড়া জুতার দোকানেও বিক্রি বেড়েছে অনেক।

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটিতে পাওয়া যাচ্ছে নতুন নতুন কালেকশনের বাহারি কারুকাজ, হাতের নকশা, নানা রঙের কাপড়সহ বিভিন্ন ধরনের নতুন পোশাক। নতুন সাজে সেজেছে ফ্যাশন হাউসগুলো। ক্রেতারা বলেন, বসুন্ধরা সিটিতে এক জায়গাতেই সব ধরনের সামগ্রী একসঙ্গে পাওয়া যায়। এ মার্কেট শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থাকায় কেনাকাটাও আনন্দদায়ক। ফ্যাশন হাউস ইয়োলোর এক বিক্রয় কর্মী জানান, ঈদ এবং গরমকে প্রাধান্য দিয়ে ডিজাইনে আনা হয়েছে নতুনত্ব। গরমকে প্রাধান্য দিয়ে তৈরি করা এসব পোশাকের দাম রাখা হয়েছে ক্রেতার সাধ্যের মধ্যেই। এ ছাড়াও বসুন্ধরা সিটির বিভিন্ন শো-রুম, নিপুণ, সৃষ্টি, সাদাকালো, দেশাল, রঙ বাংলাদেশ, কে-ক্রাফট, অঞ্জন্স, জ্যোতি, জেন্টস পয়েন্টসহ বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসের শো-রুম ঘুরে দেখা গেছে ক্রেতাদের ভিড়। পছন্দ হলেই কিনছেন ক্রেতারা। 

মহাখালী এসকেএস মার্কেটে দেখা যায়, ঈদকে ঘিরে নিত্যনতুন ডিজাইনের পোশাকের পসরা সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। এখানে পাঞ্জাবি, পায়জামা, শাড়ি, থ্রি-পিস, শার্ট, টি-শার্ট, প্যান্ট, কসমেটিকস, জুয়েলারিসহ সব ধরনের আইটেমই রয়েছে। প্রতিটি দোকানেই ক্রেতাদের ভিড়। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ক্রেতা কম থাকলেও বিকালের পর থেকে বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি। আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড জিওর্দানোর বিক্রয়কর্মী নাসিমুল হক হৃদয় বলেন, আমাদের এখানে প্রত্যাশা অনুযায়ী বেচাকেনা চলছে। প্রত্যাশা করছি সামনের দিনগুলোতে আরও বিক্রি বাড়বে। আমাদের এখানে ছেলেদের ইমপোর্ট করা সব ধরনের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। শার্টের জন্য বিখ্যাত আমাদের ব্র্যান্ড।

আরও খবর