Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে ১৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে সৌদি আরব

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ৯০জন দেখেছেন

Image

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে ১৪০ কোটি ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৫ হাজার ৩৪৮ কোটি টাকা) বিনিয়োগ করছে সৌদি আরব। ইতিমধ্যে দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে এ সংক্রান্ত চুক্তিও সই হয়েছে।  সৌদির সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (আইডিবি) বিশেষ প্রকল্প ইসলামিক ট্রেড ফিন্যান্স কর্পোরেশনের (আইটিএফসি) মাধ্যমে প্রদান করা হবে বিনিয়োগের অর্থ। 

সম্প্রতি যে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছে তাতে সৌদি সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে আইটিএফসি এবং বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে দেশের জ্বালানি তেল আমদানি ও বিপনন বিষয়ক কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে, যে চুক্তিটি সই হয়েছে তার অর্থ দীর্ঘমেয়াদি বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করা হবে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত আর কিছু বলা হয়নি।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়- এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যকার মিত্রতা ও দীর্ঘকালীন অংশীদারিত্বের একটি সাক্ষ্য। আশা করা হচ্ছে, দক্ষিণ এশিয়ার দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতি নামে পরিচিত একটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে এই চুক্তির মধ্যে দিয়ে।


আরও খবর



বিএসএমএমইউতে সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ মার্চ 20২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ২৭৭জন দেখেছেন

Image

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শনিবার (২৩ মার্চ) রাতে এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ আদেশ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিএসএমএমইউয়ের প্রক্টর অধ্যাপক হাবিবুর রহমানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে সবধরনের সভা, সমাবেশ ও মিছিল নিষিদ্ধ করা হলো বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

 বিএসএমএমইউয়ের প্রক্টর অধ্যাপক হাবিবুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, মিছিল-মিটিংসহ নানা কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছিল। এছাড়া চারজন চিকিৎসককে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে। এসবের পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞপ্তিটি জারি করা হয়েছে।


আরও খবর



রোজা ফরজ হওয়ার রহস্য ও তাৎপর্য

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ১০৪জন দেখেছেন

Image

মহান প্রভু কোরআনে কারিমে ইরশাদ করেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যেন তোমরা তাকওয়া (খোদাভীতি) অর্জন করতে পার। (সুরা বাকারা-১৮৩)। 

তাকওয়া অর্জন হওয়ার জন্য রোজা ফরজ করা হয়েছে। তাকওয়া আরবি শব্দ। এর ভাবার্থ হলো, খোদাভীতি, আত্মরক্ষা ইত্যাদি। শরিয়তের পরিভাষায় আল্লাহতায়ালার ভয়ভীতি নিয়ে তাঁর নির্দেশসমূহ পালন করা এবং নিষেধাজ্ঞাসমূহ থেকে বেঁচে থাকার নাম হলো, ‘তাকওয়া’। যে ব্যক্তির তাকওয়া যত বেশি আল্লাহর কাছে তার সম্মান ততই বেশি। 

আল্লাহতায়ালা ঘোষণা করেন, ‘নিশ্চয় তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে সর্বাপেক্ষা সম্মানিত ওই ব্যক্তি যে তোমাদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা তাকওয়ার অধিকারী’। (সুরা হুজরাত-১৩)। তাকওয়া এবং খোদাভীতি মানুষকে পরিশুদ্ধ করে, আলোকিত করে, সৎকাজে উৎসাহ জোগায় এবং পাপাচার বর্জন করার প্রেরণা সৃষ্টি করে। তাকওয়া অর্জনের ফলে একটি মানুষ অন্যায়-অনাচার, সুদ-ঘুষ বর্জন করতে পারে। গড়ে উঠতে পারে একটি আদর্শ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা। আর এই মহৎ গুণটি অর্জনের শ্রেষ্ঠ ও সহজ উপায় হলো রোজা রাখা। 

কারণ রোজা হলো নির্দিষ্ট সময়ে কিছু কাজ বর্জন করা। যে ব্যক্তি দিনের বেলায় ওই কাজগুলো বর্জন করবে সে সত্যিকারার্থে আল্লাহর ভয়েই বর্জন করবে। এভাবে তার অন্তরে আল্লাহর প্রতি অকৃত্রিম ভয়ভীতি বৃদ্ধি পাবে। এক পর্যায়ে তার অন্তরে আল্লাহর ভয়ভীতি জাগ্রত হওয়ার ফলে সে সব ধরনের অন্যায় ও পাপাচার বর্জনে অভ্যস্ত হয়ে যাবে। এ লক্ষ্য নিয়ে রমজানের রোজা আদায় করতে সক্ষম হলে সার্থক হবে আমাদের সাধনা। 

সাহাবি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ (সা). ফরমান, যেদিন তোমাদের কেউ রোজা রাখে, তখন রোজা অবস্থায় সে যেন অশ্লীলতা, অনৈতিকতা ও ঝগড়া বিবাদে জড়িয়ে না যায়। যদি কেউ তাকে গালি দেয় অথবা হত্যা করে তখন সে বলবে আমি রোজাদার মানুষ। (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)। 

অপর হাদিসে তিনি বলেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও এ অনুযায়ী কর্মত্যাগ করেনি তার পানাহার বর্জন করা আল্লাহর জন্য কোনো প্রয়োজন নেই। (সহিহ বুখারি)। এই পবিত্র রমজান মাসে যাবতীয় ইবাদত-বন্দেগি যথাযথভাবে পালন করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করতে হবে। নিজেকে বিরত রাখতে হবে সব ধরনের দুর্নীতি, পাপাচার, মিথ্যা এবং অন্যায় অপকর্ম থেকে।

এ মাসের প্রতিটা মুহূর্তই সংযম সাধনায় নিবেদিত করতে হবে। বিশেষ করে কোরআন অবতরণের এই মাসে কোরআনে কারিমের বিশুদ্ধ তিলাওয়াত হলো উত্তম একটি আমল। আর দিনের বেলায় রোজা এবং রাতে তারাবির নামাজ আদায়ে বিশেষভাবে যত্নবান হতে হবে। ফেরেশতাকুল সম্রাট জিবরাইল (আ.) প্রতি বছর রমজানে মহানবী (সা.)-এর কাছে আগমন করতেন, রসুলুল্লাহ (সা.) তাকে কোরআন শুনাতেন। (সহিহ মুসলিম)

মহানবী (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে পুণ্য হিসেবে রমজানের রোজা পালন করবে তার পেছনের সব পাপ ক্ষমা করা হবে। (সহিহ বুখারি সহিহ মুসলিম)। অপর হাদিসে তিনি বলেন, যে ব্যক্তি ইমানের স্বার্থে পুণ্য হিসেবে রমজানের নামাজ (তারাবিহ) আদায় করবে তার পেছনের সব পাপ ক্ষমা করা হবে। (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)।


আরও খবর

অন্তরের মরিচা দূর করতে করণীয়

রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪




মোবাইল-ল্যাপটপ রেখে ছাত্রদের রাজপথে নেমে আসার আহ্বান হাফিজের

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ৭৯জন দেখেছেন

Image

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ মোবাইল-ল্যাপটপ রেখে ছাত্রদের রাজপথে নেমে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার (২৫ মার্চ) নয়াপল্টনে মুক্তিযোদ্ধা দলের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সমাবেশে তিনি এ আহ্বান করেন।

মেজর (অব.) হাফিজ বলেন, গণতন্ত্রের চেতনা আওয়ামী লীগের কখনো ছিলো না। এখনো নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়। এ সরকার বৈধ নয়। আমাদের কর্তব্য বিএনপির নেতৃত্বে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া।

বিএনপি ক্ষমতায় যেতে আন্দোলন করছে না জানিয়ে মেজর (অব.) হাফিজ বলেন, যে কারণে মুক্তিযুদ্ধ করেছি তা ব্যর্থ করেছে আওয়ামী। তাই মোবাইল ল্যাপটপ-রেখে ছাত্রদের রাজপথে নেমে আসতে হবে। প্রস্তুত থাকুন বিজয় আমাদের। 


আরও খবর



ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা ফিলিস্তিনিদের ওপর ফের ইসরাইলের হামলা, নিহত ১৭

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ৭৭জন দেখেছেন

Image

গাজা ভূখণ্ডে ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা ফিলিস্তিনিদের ওপর আবারও নির্বিচারে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এতে ১৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও প্রায় ৩০ জন। রবিবার সকালে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। এর আগে ওই প্রতিবেদনে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের সংখ্যা ১২ বলে জানানো হয়েছিল। পরে তা বেড়ে ১৭ জনে দাঁড়িয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গাজার আল কুয়েত গোলচত্ত্বরে ত্রাণের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা ফিলিস্তিনিদের ভিড়ে গুলিবর্ষণ করে ইসরায়েলি দখলদাররা। সাহায্য চাওয়া ফিলিস্তিনিরা জানুয়ারি থেকেই ওই গোলচত্ত্বরে জড়ো হচ্ছেন এবং ইসরায়েলি হামলার শিকার হচ্ছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, কয়েকটি চলন্ত ট্রাক থেকে খাবার পেতে চেষ্টা করে ফিলিস্তিনিরা। এ সময় ইসরায়েলি সেনারা গুলি চালায় এবং এতে বহু লোক হতাহত হন। হামলার পর কিছু আহত লোক মাটিতেও পড়ে ছিল।  

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এর আগে খাদ্য ও সহায়তা সরঞ্জাম সরবরাহকারী ট্রাকের অপেক্ষায় থাকা ফিলিস্তিনিদের ওপর একাধিক বার বড় পরিসরে হামলা চালিয়েছে এবং এতে বহু সাহায্যপ্রার্থী ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

প্যালেস্টাইন রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, গত শুক্রবারেও কুয়েত গোলচত্ত্বরে হামলা চালায় ইসরায়েলিরা। সেদিন ত্রাণের পণ্য বহনকারী ট্রাকগুলি সেখানে জড়ো হয়েছিল। এটি দেখে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি সেখানে ভিড় জমায়। এরপর সাহায্য বিতরণের সময় ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে ৫ ফিলিস্তিনি নিহত হন।


আরও খবর



পরীর টলিউড অধ্যায় শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ২০ মার্চ ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৫৪জন দেখেছেন

Image

ভিন্ন দুই দেশের শহর হলেও ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। ভাষা তো বটেই, সংস্কৃতিগত দিক দিয়েও দুই অঞ্চলের মানুষ একাকার। ফলে পারস্পরিক শিল্পী বিনিময় চলছে যুগ যুগ ধরেই। কলকাতার অভিনয়শিল্পীরা যেমন ঢাকায় কাজ করেছেন, করেন; তেমনি ঢাকার তারকারাও পা গলিয়ে যাচ্ছেন টলিউডের পথে। 

এই ঢাকা টু কলকাতা অধ্যায়ে নতুন নাম পরীমণি। টলিউডের সিনেমায় কাজ করছেন তিনি। খবরটা অবশ্য ক'দিন আগেই দিয়েছেন এ নায়িকা। গত ১৮ মার্চ শুরু হয়েছে তার সেই মিশন। সোশ্যাল হ্যান্ডেল মারফত খবরটা তিনি নিজেই দিয়েছেন। এদিন বিকালে ফেসবুক স্টোরিতে ক্যামেরার ছবি শেয়ার করেন পরী। যেখানে দেখা যাচ্ছে, চিত্রগ্রাহক চিত্র ধারণ করছেন। সঙ্গে পরী বলেছেন, ‘শুটিং চলছে।’ 

এর আগে, গত ১৭ মার্চ রাতে ঢাকা থেকে কলকাতায় গেছেন পরীমণি। বিমান সফরের এক ঝলক অন্তর্জালে শেয়ার করে নায়িকা বলেছেন, ‘যাচ্ছি। কলকাতায় কাল প্রথম শুটিং। দোয়া করবেন।’ অতীতে বাংলাদেশ ও ভারত যৌথ প্রযোজনার ছবিতে কাজ করেছিলেন বটে। তবে এই প্রথম কলকাতার স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের ছবিতে কাজ করছেন পরীমণি। তাই উচ্ছ্বাসের মাত্রাও কিঞ্চিৎ বেশি। ছবির নাম ‘ফেলুবকশি’। এটি পরিচালনা করছেন দেবরাজ সিনহা। ছবিতে পরীর সঙ্গে সোহম চক্রবর্তীকে দেখা যাবে।


আরও খবর