Logo
আজঃ বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

বাংলাদেশে রমজানের চাঁদ কবে উঠবে, যা বলছে হিসাব-নিকাশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ১২৫জন দেখেছেন

Image

পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকী। চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে রমজানের রোজা কবে থেকে রাখা হবে তা নির্ধারণ করা হয়। মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হবার একদিন পর থেকে রোজা পালন শুরু করে বাংলাদেশ।

এদিকে আরব আমিরাতভিত্তিক আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ১০ মার্চ মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের কোথাও খালি চোখে বা টেলিস্কোপ দিয়ে চাঁদ দেখা সম্ভব নয়। তবে পরের দিন ১১ মার্চ আকাশ পরিস্কার থাকলে খালি চোখেই সৌদিসহ অন্যান্য আরব দেশে স্পষ্টভাবে পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা যেতে পারে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও ১১ মার্চ বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতেও খালি চোখে চাঁদ দেখা সম্ভব বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংস্থা ‘ক্রিসেন্ট মুন ওয়াচ’। তার মানে, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবে চলতি বছর একই দিনে রোজার চাঁদ দেখা যেতে পারে।

চাঁদ দেখতে পাওয়ার কিছু নির্ণায়ক রয়েছে। প্রথমটি হলো- সূর্য অবশ্যই দিগন্তের নিচে থাকতে হবে। এর কারণ, নতুন জন্ম হওয়া অস্পষ্ট অর্ধচন্দ্র দেখতে হলে পর্যাপ্ত অন্ধকার প্রয়োজন। দ্বিতীয় হলো- চাঁদকে অবশ্যই দিগন্তের ওপর থাকতে হবে। তৃতীয়টি হলো- আকাশে চাঁদ এবং সূর্যের মধ্যে পর্যাপ্ত ব্যবধান থাকতে হবে। এই ব্যবধানটিকে ‘ডানজন লিমিটি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়। যেটি নির্দেশ করে চাঁদ এবং সূর্য ৫-৭ ডিগ্রি আলাদা রয়েছে। যেটি হিসাব করা হয় হাতের তিনটি আঙ্গুল রাখলে যতটুকু প্রশস্ত হবে ততটুকু দিয়ে।

তাহলে বাংলাদেশে চাঁদ দেখার সম্ভাবনা কতটুকু? সময় বিষয়ক সংস্থা ‘টাইম অ্যান্ড ডেটের’ তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১১ মার্চ বাংলাদেশে চাঁদ ওঠবে সকাল ৬টা ৪৭ মিনিটে। আর চাঁদ অস্ত যাবে সন্ধ্যা ৭টা ১৪ মিনিটে। অপরদিকে সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিটে। সূর্য অস্ত যাওয়ার পর ৭টা ১৪ মিনিটে রাত নেমে আসবে না। তবে ওই সময় অন্ধকার নেমে আসবে এবং সূর্য দিগন্তের নিচে থাকবে। ওই সময় চাঁদ দিগন্তের ওপরে থাকবে। তবে ওইদিন সূর্যাস্তের পর চাঁদ খালি চোখে দেখা যাবে কি না সে বিষয়টি নিশ্চিত নয়। সেটি ওইদিনই বোঝা যাবে।


আরও খবর

অন্তরের মরিচা দূর করতে করণীয়

রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪




এ দেশে বঙ্গবন্ধু পরিবারই সবচেয়ে বড় আদর্শের জায়গা: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৯৫জন দেখেছেন

Image

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, এ দেশে বঙ্গবন্ধু পরিবারই সবচেয়ে বড় আদর্শের জায়গা। সততা, সাহস দেখতে চান তাহলে শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা, সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের দিকে তাকান।

সোমবার তেজগাঁওয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গেলো ১৫ বছরে এই পরিবারের কেউ ক্ষমতার বিকল্প কেন্দ্র হয়ে ওঠেননি। গায়ের জোরে নয়, লুটপাট করে নয়, এই পরিবারের সবাই সততার আদর্শে উজ্জীবিত।  তিনি আরও বলেন, সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশে নীরবে এসে, নিঃশব্দে চলে যান। কেউ টেরও পায় না। তার জন্যই ডিজিটাল বিপ্লব হচ্ছে দেশে। অথচ কোনো সাড়াশব্দ নেই।


আরও খবর



আর্জেন্টিনায় ফুটবলার ডি মারিয়া ও তার পরিবারকে হত্যার হুমকি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৮৬জন দেখেছেন

Image

নিজের জন্মশহর রোজারিওতে হত্যার হুমকি পেলেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী তারকা ডি মারিয়া। বার্তা সংস্থা রয়টার্স আর্জেন্টিনার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ডি মারিয়া রোজারিওতে ফিরলে তার পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকি দিয়েছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা।

এখন পর্তুগিজ ক্লাব বেনফিকায় খেলা ডি মারিয়া গত সপ্তাহে জানিয়েছিলেন, ছেলেবেলার ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রালে খেলেই ফুটবল ক্যারিয়ারের ইতি টানতে চান। ওই ঘোষণার পরই হুমকি পেলেন ডি মারিয়া। সোমবার ভোরে ডি মারিয়ার বাড়িতে হুমকিসংবলিত কাগজ ছুড়ে ফেলে যায় অচেনা কিছু মানুষ। একটি ধূসর গাড়ি থেকে ছুড়ে ফেলা সেই কাগজে ডি মারিয়ার পরিবারের উদ্দেশে লেখা ছিল, আর্জেন্টাইন তারকা যদি শহরে ফেরেন, তাহলে প্রাদেশিক গভর্নর ম্যাক্সিমিলিয়ানো পুয়ারোও ডি মারিয়াদের নিরাপদে রাখার নিশ্চয়তা দিতে পারবেন না।

ঠিক কী হুমকি দিয়েছে দুর্বৃত্তরা, সেই বার্তা পুলিশের বরাত দিয়ে আর্জেন্টিনার নিউজ পোর্টাল ইনফোবে তাদের ওয়েবসাইটে তুলে ধরেছে, ‘তোমাদের ছেলে আনহেলকে বলো রোজারিওতে না ফিরতে। সে যদি ফেরে, তোমাদের পরিবারের যেকোনো একজন সদস্যকে আমরা খুন করব। পুয়ারোও তোমাদের বাঁচাতে পারবে না। আমরা শুধু কাগুজে বার্তাই ফেলে যাই না, আমরা বুলেট আর লাশও ফেলে যাই।


আরও খবর



রমজান পালনের আদর্শ

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৭৫জন দেখেছেন

Image

রমজানের বিশেষ ফজিলত সম্পর্কে মুসলমানগণ অবহিত আছে। অবহিত আছে এই মাসের বিশেষ করণীয় সম্পর্কে। রসুলুল্লাহ (সা.) এই মাসটি অধিক গুরুত্বের সঙ্গে পালন করতেন। এই মাসে ইবাদত-বন্দেগিতে তিনি সময় বেশি দিতেন। কোরআন তিলাওয়াত ও দান-সদকা সবই অধিক পরিমাণে পালন করতেন। 

ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, ‘রসুলুল্লাহ (সা.) ভালো কাজে সব মানুষ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ ছিলেন। রমজানে তিনি আরও অধিক পরিমাণে উদারতা অবলম্বন করতেন।’ (সহিহ বোখারি, হা. ১৯০২)।

রমজান মাসে আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত, মাগফিরাত ও ক্ষমার অভাবনীয় অফার রয়েছে। মহানবী (সা.) এই অফার গ্রহণের জন্য সর্বপ্রকার শক্তি-সামর্থ্য ব্যয় করতেন। যুগে যুগে আল্লাহর প্রিয় বান্দাগণ তাঁর এই আদর্শ অনুসরণ করেছেন। রমজানের বরকত লাভের আশায় তারা সার্বাত্মক সাধনা করেছেন। 

তাদের জীবনীর দিকে তাকালে আমরা রমজান পালনের নিয়ম পদ্ধতি খুঁজে পাই। পাই রমজানের কল্যাণ লাভে ত্যাগ সাধনার সফল উদাহরণ এবং উত্তম আদর্শ। অন্তরে জাগ্রত হয় অফুরন্ত আগ্রহ-অনুপ্রেরণা। রমজানে তারা ইবাদত-বন্দেগির প্রতিযোগিতায় উপনীত হতেন। এই মাসে তাদের আমলে বসন্ত বিরাজ করত। 

কুতুবে আলম রশীদ আহমদ গাঙ্গুহী (রহ.)-এর জিকির, তিলাওয়াত ও ত্যাগ-সাধনা দেখে লোকজন বিস্মিত হতো। রমজানের প্রতিটি মুহূর্ত তিনি অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে অতিবাহিত করতেন। এই মাসে তিনি প্রতিদিন মাগরিবের পর ২০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করতেন। এই ২০ রাকাত নামাজে তিনি দুই পারার অধিক তিলাওয়াত করতেন। রুকু, সেজদা হতো অনেক দীর্ঘ। এশার পর তিনি ২০ রাকাত তারাবি আদায় করতেন দীর্ঘ সময়ে এবং অনেক যত্ন সহকারে। প্রথম ১০ রাকাত তিনি নিজেই পড়াতেন। শেষ ১০ রাকাত পড়াতেন সাহেবজাদা হাফেজ মাসউদ আহমদ। 

অতঃপর অল্প সময় বিশ্রাম নিয়ে রাত ১টা বা ২টার সময় তাহজ্জুদের জন্য তিনি জাগ্রত হতেন। সাহরি পর্যন্ত তিনি নামাজ ও জিকিরে অতিবাহিত করতেন। ফজরের পরও তিনি ঘুমাতেন না। বরং ইশরাক আদায় করে মাত্র দুই ঘণ্টা তিনি বিশ্রাম নিতেন। চাশত নামাজ পড়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতেন। জোহর নামাজ আদায় করে আসর পর্যন্ত কোরআনুল কারিম তিলাওয়াত করতেন। 

হাজী এমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কি (রহ.) সম্পর্কে থানবী (রহ.) বর্ণনা করেন, তিনি যুবক বয়স থেকেই রমজান মাসে রাতে বিছানায় পিঠ লাগাননি। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নামাজ, জিকির ও তিলাওয়াত করা এবং শোনার মাধ্যমে রাত কাটাতেন। শাইখুল হাদিস আল্লামা যাকারিয়া (রহ.) জীবনের শেষ দুই বছর ব্যতীত গোটা জীবন নিজেই তারাবির ইমামতি করেছেন। 

নিয়মিত তিনি মেহমান নিয়ে ইফতার করতেন। তারাবি নামাজে যে পারা পড়া হতো সেই পারাটি তিনি নিয়মিত ওই দিন মাগরিবের নামাজের পর আউয়াবিন নামাজে তিলাওয়াত করতেন। তারাবির পর কিছুক্ষণ তিনি বিশ্রাম নিয়ে গোটা রাত নামাজ, দোয়া, জিকির ও তিলাওয়াতে মগ্ন থাকতেন। হজরত থানবী (রহ.) সারা বছরই অর্ধরাতের পর তাহাজ্জুদের জন্য জেগে যেতেন। 

মহান প্রভু রসুলুল্লাহ (সা.)-কে নির্দেশ করে বলেন, ‘হে বস্ত্রাবৃত! রাত্রিতে দন্ডায়মান হোন, কিছু অংশ ব্যতীত, অর্ধরাত্রী অথবা তৎপেক্ষা কিছু কম।


আরও খবর

অন্তরের মরিচা দূর করতে করণীয়

রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪




পরীর টলিউড অধ্যায় শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ২০ মার্চ ২০24 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ এপ্রিল ২০২৪ | ৫৪জন দেখেছেন

Image

ভিন্ন দুই দেশের শহর হলেও ঢাকা ও কলকাতার মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। ভাষা তো বটেই, সংস্কৃতিগত দিক দিয়েও দুই অঞ্চলের মানুষ একাকার। ফলে পারস্পরিক শিল্পী বিনিময় চলছে যুগ যুগ ধরেই। কলকাতার অভিনয়শিল্পীরা যেমন ঢাকায় কাজ করেছেন, করেন; তেমনি ঢাকার তারকারাও পা গলিয়ে যাচ্ছেন টলিউডের পথে। 

এই ঢাকা টু কলকাতা অধ্যায়ে নতুন নাম পরীমণি। টলিউডের সিনেমায় কাজ করছেন তিনি। খবরটা অবশ্য ক'দিন আগেই দিয়েছেন এ নায়িকা। গত ১৮ মার্চ শুরু হয়েছে তার সেই মিশন। সোশ্যাল হ্যান্ডেল মারফত খবরটা তিনি নিজেই দিয়েছেন। এদিন বিকালে ফেসবুক স্টোরিতে ক্যামেরার ছবি শেয়ার করেন পরী। যেখানে দেখা যাচ্ছে, চিত্রগ্রাহক চিত্র ধারণ করছেন। সঙ্গে পরী বলেছেন, ‘শুটিং চলছে।’ 

এর আগে, গত ১৭ মার্চ রাতে ঢাকা থেকে কলকাতায় গেছেন পরীমণি। বিমান সফরের এক ঝলক অন্তর্জালে শেয়ার করে নায়িকা বলেছেন, ‘যাচ্ছি। কলকাতায় কাল প্রথম শুটিং। দোয়া করবেন।’ অতীতে বাংলাদেশ ও ভারত যৌথ প্রযোজনার ছবিতে কাজ করেছিলেন বটে। তবে এই প্রথম কলকাতার স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের ছবিতে কাজ করছেন পরীমণি। তাই উচ্ছ্বাসের মাত্রাও কিঞ্চিৎ বেশি। ছবির নাম ‘ফেলুবকশি’। এটি পরিচালনা করছেন দেবরাজ সিনহা। ছবিতে পরীর সঙ্গে সোহম চক্রবর্তীকে দেখা যাবে।


আরও খবর



মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ এপ্রিল ২০২৪ | ৭৯জন দেখেছেন

Image

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সকাল সাতটা নাগাদ ধানমন্ডিতে সরকার প্রধান হিসেবে প্রথমে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী। এরপর দলীয় প্রধান হিসেবে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে শ্রদ্ধা জানান শেখ হাসিনা। এর আগে, ভোর ৫টা ৫৬ মিনিটে দিনের প্রথম প্রহরে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

স্মৃতিসৌধে প্রথমে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপতির পরপরই জাতির সূর্য সন্তানদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর সেখানে এক মিনিট নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তারা। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি দল রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায় এবং বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর।


আরও খবর