Logo
আজঃ শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

যুক্তরাজ্যের ওয়েলস বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্সের সাউথ ওয়েলস বিজনেস সেমিনার ২০২৩ সম্পন্ন

প্রকাশিত:রবিবার ২৯ অক্টোবর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৪২জন দেখেছেন

Image

যুক্তরাজ্যের ওয়েলস বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্সের  সাউথ ওয়েলস বিজনেস সেমিনার ২০২৩ সম্পন্ন হয়েছে। ওয়েলস বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্সের নেতৃত্বে সাউথ ওয়েলস বিজনেস সেমিনার ও ১ দিনের বিজনেস এক্সপোতে স্থানীয় এবং মূলধারার বিপুল সংখ্যক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। আয়োজিত বিজনেস সেমিনারেও অংশ নেয় ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ ওয়েলস, কর্নারস্টোন ফাইনান্স গ্রুপ, ব্রিটিশ আর্মি, পুলিশ ডিপার্টমেন্ট, মার্চেন্ট প্রতিষ্ঠান পেট্যাপ সহ কমিউনিটির নানা স্তরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। গত মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১১ টা থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজনে উপস্থিত ব্যবসায়ীরা তাদের স্টলে পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেন। নানা অপার নিয়ে আসা স্টলগুলোতে বিভিন্ন  জাতির ক্রেতাদের ভিড় ছিল লক্ষণীয়। গত ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশী সহ মূলধারার ব্যবসায়ীদের সাথে কাজ করে আসছে ওয়েলস বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স ।

বিকাল ২ টায় শুরু হয় সংক্ষিপ্ত আলোচনা।কার্ডিফ সিটি স্টেডিয়ামে ডব্লিউবিসিসির ডাইরেক্টর জেনারেল ইমতিয়াজ হুসাইন জাকির পরিচালনায় এই সেমিনারের উল্লেখযোগ্য বিষয় নিয়ে কথা বলেন চেম্বারের চেয়ার আব্দুল আলিম। তিনি বলেন, ওয়েলস বাংলাদেশী চেম্বার এবং কমার্স শুরু থেকেই ব্যবসায়ীদের জন্য  একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করে আসছে, আড়াই হাজারের বেশী বাংলাদেশী ব্যবসায়ী আছেন ওয়েলসে। ক্যাটারিং সেক্টর ছাড়াও অন্যান্য ক্ষেত্রের ব্যবসায়ীদের একই ছাতার নিচে নিয়ে আসা এবং মূলধারায় পরিচয় করে দিতে কাজ শুরু থেকেই করছে এমনটা জানান চেম্বারের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডিলাবর এ হুসাইন। 

এতে আরো বক্তব্য রাখেন কর্নারস্টোন ফাইনান্সগ্রুপের সিও হেডেন থমাস, ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ ওয়েলসের জোয়ানা স্কেপলহর্ন, ডব্লিউবিসিসির সিও ব্যারিস্টার লুৎফুর রহমান, পে টাপ সিও সাহেদ আহমেদ সহ বিশিষ্টজন। 

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটি সাউথ ওয়েলস রিজিওনাল ডাইরেক্টর রেজাউল করিম, সংগঠনের ভাইস প্রেসিডেন্ট মুক্তার আহমেদ, এক্সেকিউটিভ ডাইরেক্টর শাহ সাফী, রোজিনা আলী, ইয়াহিয়া হাসান, আজিজ চৌধুরীসহ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ। 

ব্রেক্সিট এবং কভিড ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যে আঘাত এনেছে তা কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই ইউক্রেন রাশিয়া যুদ্ধ শুরু হয়েছে। যার কারণে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি, গ্যাস বা ইলেকট্রিকের সীমাবদ্ধতা হাপিয়ে তুলেছে ব্যবসায়ীদের, তাই প্রয়োজন সঠিক নির্দেশনা। এমন পরিস্থিতিতে এ ধরনের ব্যবসায়িক সেমিনার সময়োপযোগী একটি পদক্ষেপ।


আরও খবর

ভাষা শহীদদের প্রতি মালয়েশিয়ায় শ্রদ্ধা

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




সীমানা ছাড়ানো জয়ার জৌলুস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৫জন দেখেছেন

Image

জয়া আহসান, ‘ব্যাচেলর’ সিনেমা দিয়ে প্রথম পা রাখেন বড়পর্দায়। আলোচিত হয় প্রথম সিনেমাটি দিয়েই। দর্শকের নজরে কাড়েন সেই প্রথম সিনেমাই। এরপর তো শুধুই নতুন নতুন গল্প তার। হয়ে গেলেন দুই বাংলার নন্দিত অভিনেত্রী। দুই দেশের অসংখ্য সিনেমায় কাজ করে এমন বেশ কিছু সাফল্য পেয়েছেন জয়া যা তাকে শীর্ষস্থানে নিয়ে গেছে। সেই সূত্রে কাজ করেছেন বলিউডে। পুরুষদের মধ্যে যেমন ফেরদৌস আহমেদ নারীদের মধ্যে তেমন জয়া আহসান। বাংলাদেশ থেকে এ দুজন অভিনয় শিল্পীই একই সঙ্গে দুই বাংলায় দাপটের সঙ্গে অভিনয় করে গেছেন। জয়া চরিত্রাভিনেত্রী হিসেবে প্রতিটি কাজে পরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের ভরসার প্রতিদান দিয়েছেন। তার অভিনয়ে মুগ্ধ হয়ে তাকে নিয়ে নতুন নতুন কাজের পরিকল্পনা করছেন দুই বাংলার নির্মাতারা।

এদিকে ইরানি পরিচালক মুর্তজা অতাশ জমজম পরিচালিত জয়া অভিনীত নতুন সিনেমা ‘ফেরেশতে’ প্রশংসিত হয়েছে। সিনেমাটির কলাকুশলীরা ভারতের গোয়া আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিশেষ অভ্যর্থনায় ঋদ্ধ হয়েছেন। বর্তমানে ইরানের চলচ্চিত্র উৎসবে তার সিনেমা ‘ফেরশতে’ প্রতিযোগিতা করছে। এই সিনেমাটি ঢাকা চলচ্চিত্র উৎসবেও উদ্বোধনী সিনেমা হিসেবে প্রদর্শিত হয়েছিল।

আর এ দিকে, এই ভালোবাসার মাসেই আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে জয়া অভিনীত সিনেমা ‘পেয়ারার সুবাস’। ওই সিনেমার প্রয়োজক শাহরিয়ার শাকিল জানান, সাত বছর পর জটিলতা কাটিয়ে গত বছরের নভেম্বরে সেন্সর সার্টিফিকেট পেয়েছে ‘পেয়ারর সুবাস’।

শোবিজে লম্বা ইনিংস খেলার প্রত্যয়ে মাঠে নামেন জয়া আহসান। বয়স পঞ্চাশের কোঠায় এলেও বর্তমানে দুই বাংলার সবচেয়ে কাক্সিক্ষত ও নন্দিত অভিনেত্রীতে পরিণত এই তারকা। ধারাবাহিক সাফল্য আর নব নব আনন্দে খবরে ভাসছেন। শুধু একের পর এক কাজ করা নয়, প্রতিটি সিনেমায় বক্স অফিসের সাফল্যকে অনেকটাই সুনিশ্চিত করেছেন। ঢাকা থেকে গিয়ে কলকাতার সিনেমায় এমন ঈর্ষণীয় জায়গা করে নেয়া অভিনেত্রী জয়া। যার সাফল্যের ধারা অব্যাহত রয়েছে তো বটে, বরং আরও প্রবল হচ্ছে। দেশের পাশাপাশি টলিউড সিনেমায় বাণিজ্যিক সাফল্য এবং প্রশংসা উভয়ই নিজের ক্যারিয়ারের প্রাপ্তির ঝুলিতে ভরেছেন। বাণিজ্যিক ধারার বাহিরে এসে অভিনয় মেধায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টায় সফল জয়া। অবশ্য বর্তমান সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিও অনেকটাই ডিজাইনার অ্যাক্টর নির্ভর। সেই চাহিদা এবং প্রত্যাশার ক্ষেত্রে জয়াও যে পরিণত মুখ, সঙ্গে গ্লামার আর ট্যালেন্টের প্যাকেজ। নায়িকা চরিত্রের গড়পড়তা ধারা থেকে বেরিয়ে চরিত্রনির্ভর অভিনয়ে সিদ্ধহস্ত জয়া। চরিত্রের খাতিরে তাই বারবার জয়াকেই বেছে নিচ্ছেন পরিচালকরা। জয়া বলেন, আমি চাইলে সুন্দর সেজে গাছের তলায় দাঁড়িয়ে বহু সিনেমা করতে পারতাম। করিনি। তার জন্য টাকার লোভ, খ্যাতির লোভ সংবরণ করেছি। চেয়েছিলাম ‘আনকনভেনশনাল’ কিছু করতে।

দেশ-বিদেশে নানা স্বীকৃতি ছাপিয়ে মাহমুদ দিদারের ‘বিউটি সার্কাস’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য পঞ্চমবারের মতো জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন জয়া। সিনেমায় সার্কাসের বিউটি চরিত্রে তার বাবা হত্যার প্রতিশোধের অদম্য লড়াই চালিয়েছেন। পুরস্কারটি জয়া উৎসর্গ করেছেন, যাত্রাশিল্পীদের প্রতিটি মানুষের প্রতি। নিজ দেশের পাশাপাশি ওপার বাংলাতেও একাধিক সিনেমায় নিজেকে শীর্ষ স্থানে রেখেছেন তিনি। তার সঙ্গে টেক্কা দিয়েও পিছিয়ে ছিল অনেকেই। বিশেষ করে ওপার বাংলার মিমি চক্রবর্তী, নুসরাত জাহান, পাওলী ধাম, শ্রাবন্তী চট্টপ্যাধায়দের পেছনে ফেলে বাংলাদেশের জয়াই ছিলেন সর্বাধিক আলোচনায়। কারণ ওপার বাংলার একাধিক নায়িকার সিনেমা মুক্তি পেলেও একই সময়ে মুক্তি পাওয়া জয়ার সিনেমাই দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। এছাড়া একাধিক সিনেমায় সাফল্যের সূত্রে বলিউডেও কাজ করেছেন তিনি। সেখানেও তিনি তার মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। ফলে শীর্ষ নির্মাতা এবং প্রযোজকরা জয়াকে নিয়ে নতুন নতুন কাজের পরিকল্পনা করছেন।

অভিনেত্রীদের মধ্যে জয়ার শীর্ষস্থান দখলের সাফল্য ২০১৯ সাল থেকে। ওই বছর মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মাহেন্দ্রক্ষণে ১৯ মার্চ মুক্তি পায় জয়া অভিনীত সিনেমা ‘অলাতচক্র’। আহমদ ছফার উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত সিনেমাটি ঘিরে দর্শকের আগ্রহ ছিল লক্ষ্যণীয়। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে আহমদ ছফার উপন্যাস অবলম্বনে হাবিবুর রহমান পরিচালিত ‘অলাতচক্র’ বাংলা ভাষায় প্রথম থ্রিডি চলচ্চিত্র। উপন্যাসে লেখক আহমদ ছফা দানিয়েলের জবানিতে নিজেকেই তুলে ধরেছেন। নিজের প্রেমিকারূপে সৃষ্টি করেছেন তায়েবা চরিত্রটি। যে চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসিত হোন জয়া আহসান। অবশ্য এর আগে টলিউড সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘রবিবার’ সিনেমায় অভিন করেন জয়া। সিনেমাটি দর্শক-সমালোচকদের কাছে বেশ প্রশংসিত হয়। পাশাপাশি ২০১৯ সালে রিলিজ হয় ‘দেবী’, ‘বিজয়া’, ‘কণ্ঠ’ নামে আরও তিনটি সিনেমা। তিনটিই সুপারহিট। এরপর কোভিড মহামারি ধাক্কা সামলে আরও একাধিক কাজের মাধ্যমে নিজের ধারাবাহিকতা ঠিকই বজায় রাখেন জয়া। তবে চলতি বছরটি জয়ার জন্য সুবর্ণ সময়। দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০২২ সালের ১৯ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পায় চারটি নতুন সিনেমা। এর মধ্যে সৃজিত মুখার্জি নির্মিত জয়া অভিনীত ‘দশম অবতার’ ছিল মূল আলোচনায়। এ সিনেমায় প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করেন জয়া। আর এই সিনেমাটিই দর্শক আগ্রহের মূলে ছিল। ব্যবসার দিক দিয়েও ছিল এগিয়ে। এ সিনেমায় দর্শকের সাড়ায় আপ্লুত জয়া আহসান বলেন, ‘দশম অবতার’কে এত ভালোবাসা দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। গত বছরের ২ জুন পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পায় জয়া অভিনীত সিনেমা ‘অর্ধাঙ্গিনী’। কৌশিক গাঙ্গুলি নির্মিত সিনেমাটি কয়েক মাস ধরে প্রেক্ষাগৃহে চলে। এমনকি চলতি বছরের অন্যতম সফল সিনেমা হিসেবে সুপারহিট তকমা পায়। ‘অর্ধাঙ্গিনী’ এবং ‘দশম অবতার’ সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতে ফের সাফল্য হাজির জয়ার দুয়ারে।


আরও খবর

যে কারণে টাকা ফিরিয়ে দিলেন জয়া

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ঈধিকার পর এবার মিমি

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24




রিজওয়ানের প্রতি রানের মূল্য প্রায় ২ লাখ!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৯জন দেখেছেন

Image

যেমন পারফরম্যান্স, তেমন ফিলোসফি, তেমন সাজানো-গোছানো জীবনযাপন আর কঠোর পরিশ্রম মোহাম্মদ রিজওয়ানের। ক্রিকেটার হিসেবে তাকে বলা চলে ভক্তদের হার্টথ্রব। সবই ঠিক ছিল, শুধু বিপিএলে এসে হাওয়ায় মিলিয়ে গেল রিজওয়ানের পারফরম্যান্স। 

পাকিস্তানি সুপারস্টারকে এনে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ভুল করল কিনা এমন প্রশ্ন ওঠাও অবান্তর নয়। কারণ এবারের বিপিএল খেলার বিনিময়ে প্রতি রানের জন্য রিজওয়ানকে যে দিতে হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩০০ টাকা করে!  

তাও যদি রিজওয়ানের রান দলের কাজে লাগত, হয়তো অসুবিধা ছিল না। ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে আসরে নিজের প্রথম ম্যাচে আউট হন ১৭ রান করে, মোকাবিলা করেছিলেন ১৪ বল। একশর ওপর স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং সে-ই প্রথম, সে-ই শেষ! সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে ১৪ রান করেন, ১৬ বল খেলে। 

রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ১৭ রান, তবে বল খেলতে হলো ২১। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে ১৬ রান করে ছিলেন অপরাজিত, তবে ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মোকাবিলা করে ফেলেন ২৪টি ডেলিভারি। সবশেষ খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ২৮ বলে ২১ রান করে শেষ করলেন এবারের বিপিএলে নিজের পথচলা।

সব মিলে ৫ ইনিংসে ৮৫ রান, যেখানে বল মোকাবিলা করেছেন ১০৩টি। একটি ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার সুবাদে গড় ২১.২৫। তবে স্ট্রাইক রেট মোটেও রিজওয়ানসুলভ নয়; মাত্র ৮২.৫২। পাকিস্তান সুপার লিগের কারণে এই ৫ ম্যাচ খেলেই দেশে ফিরে যেতে হচ্ছে রিজওয়ানকে। এ দফা বাংলাদেশের দর্শকদের বিনোদন দিতে না পারলেও কুমিল্লা তার প্রতি কার্পণ্য করেনি। 

অনানুষ্ঠানিক সূত্রে জানা যায়, রিজওয়ানের প্রতি ম্যাচে পারিশ্রমিক ৩০ হাজার ডলার। ৫ ম্যাচের জন্য তার পেছনে কুমিল্লার খরচ দেড় লাখ ডলার। রান করেছেন ৮৫। অর্থাৎ রিজওয়ানের প্রতি রানের জন্য কুমিল্লাকে গুনতে হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩০০ টাকা করে!


আরও খবর

আইপিএল শুরুর তারিখ নির্ধারণ

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




যাত্রীবেশে উঠে সর্বস্ব লুটে নেয় ‘মামা পার্টি’

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২২জন দেখেছেন

Image

‘ওরা ভাড়া করা গাড়ি নিয়ে যাত্রী সেজে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী নির্বাচিত রুটের ১-২ কিলোমিটার পরপর যাত্রী বেশে অবস্থান নিতেন। এরপর নির্জন স্থানে গাড়ি থামিয়ে অস্ত্র ও চেতনানাশক ওষুধ ব্যবহার করে যাত্রীদের অজ্ঞান করে মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নিতেন।’ মঙ্গলবার দুপুরে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাব-১০ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দীন।

তিনি জানান, প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসে যাত্রী সেজে উঠে চেতনানাশক ওষুধ ব্যবহারের মাধ্যমে অজ্ঞান করে ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামা পার্টির মূলহোতাসহ অজ্ঞান পার্টি চক্রের পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গ্রেপ্তাররা হলেন মো. রানা ওরফে মো. শাহীন ওরফে শাহীন রানা (৪৯), মো. মফিজুল ইসলাম ওরফে মো. ইসলাম ওরফে ইসলাম মিয়া (৪৮), মো. সাগর ওরফে হাবিবুর রহমান শেখ ওরফে মো. হাবিব (৫১), মো. ফারুক আহমদ ওরফে মো. ফারুক মিয়া ওরফে মো. ফারুক (৩৪) ও মো. আবুল কালাম (৫৩)।

অতিরিক্ত ডিআইজি বলেন, গত বছরের ২৬ জুন ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা এলাকায় মো. শাহিন রানা ওরফে তজ্জম ও মফিজুল ইসলাম ওরফে ইসলামসহ অন্যান্য আসামিরা যাত্রী সেজে সাদ্দাম শেখ নামের একজন ইজিবাইক চালকের ইজিবাইকটি ভাড়া করেন। তারা ইজিবাইকচালক সাদ্দামকে মারধর করে এবং একপর্যায় চেতনানাশক ওষুধ ব্যবহারের মাধ্যমে অচেতন করে একটি মেহগনি বাগানে ফেলে রেখে ইজিবাইকটি ছিনতাই করে পালিয়ে যান।

পরে ওইদিন আনুমানিক রাত সাড়ে ৮টার দিকে ভুক্তভোগী সাদ্দাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ফরিদপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এছাড়া, আসামিরা নিহতের পরিবারের কাছে ছিনতাই করা ইজিবাইকটি ফেরত দেওয়ার কথা বলে প্রতারণার মাধ্যমে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বিকাশ নম্বরে ৩৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। তিনি বলেন, হত্যার ঘটনা তদন্তকালে মামা পার্টি চক্রটি সম্পর্কে জানা যায়। এই মামা পার্টির মূলহোতা শাহিন রানা ওরফে তজ্জম এবং এ পার্টির সক্রিয় সদস্য ১০ জন।

র‌্যাব-১০ এর অধিনায়ক বলেন, মামা পার্টি খ্যাত একটি ছিনতাইকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর, ফরিদপুর ও মাদারীপুরসহ রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় প্রাইভেটকার/মাইক্রোবাস ভাড়া করে যাত্রী সেজে চেতনানাশক ওষুধ ব্যবহার করে ছিনতাইসহ সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সর্বস্ব লুট করে আসছিল। সোমবার মাঝরাতে র‌্যাব-১০ এর একটি দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন শনিরআখড়া এলাকায় একাধিক অভিযান পরিচালনা করে মামা পার্টি খ্যাত ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি হাইস গাড়ি ও একটি করোলা প্রাইভেটকার, একটি হাতকড়া, চেতনানাশক ওষুধ (চার পাতার মোট ৪০টি), দুটি সুইচ গিয়ার চাকু, দুটি স্টিলের চাকু, একটি ক্ষুর, ছয়টি পুরাতন টাচ মোবাইল ফোন, পাঁচটি পুরাতন বাটন মোবাইল ও নগদ এক হাজার ৬০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, গ্রেপ্তার শাহিন রানা চক্রটির মূল পরিকল্পনাকারী এবং তার নেতৃত্বে চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, শরীয়তপুর, ফরিদপুর, মাদারীপুর ও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস ভাড়া করে যাত্রী সেজে চেতনানাশক ওষুধ ব্যবহার করে ছিনতাই করে আসছিল। তাদের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রথমে তারা ছিনতাইয়ের জন্য উপযুক্ত ও নির্জন রুট সিলেক্ট করতেন। এক্ষেত্রে তারা রাত ৩টা থেকে সকাল ৭টার মধ্যে যেকোনো সময় এ নির্জন রুট বেছে নিতেন।

তারপর কখনো মফিজুলের প্রাইভেটকার ব্যবহার করতেন। আবার কখনো মফিজুলের মাধ্যমে অন্য কোনো প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাস ভাড়া নিতেন। এরপর মফিজুল এসব গাড়ি চালাতেন এবং শাহিন যাত্রী সেজে মফিজুলের পাশে বসে থাকতেন। অন্যরা তাদের পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী নির্বাচিত রুটের ১-২ কিলোমিটার পরপর যাত্রী বেশে অবস্থান করতেন।

পরবর্তী সময়ে সবাই একত্রিত হওয়ার পর যাত্রীদের কখনো দেশীয় অস্ত্রের ভয়ভীতি দেখিয়ে মারধর করে আবার কখনো চেতনানাশক ব্যবহার করে অচেতন করে সবকিছু লুট করে তাদের সুবিধাজনক নির্জন স্থানে ফেলে পালিয়ে যেতেন। গ্রেপ্তার শাহিন রানা ওরফে তজ্জম মামা পার্টি চক্রটির দলনেতা। শাহিন ২০০০ সালে একটি চুরির মামলায় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে পাঁচ বছর কারাভোগ করেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি, ছিনতাই ও ডাকাতিসহ পাঁচটি মামলা রয়েছে বলে জানা যায়।

গ্রেপ্তার মফিজুল ইসলাম ওরফে ইসলাম পেশায় একজন ড্রাইভার। তিনি বিভিন্ন কোম্পানির গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির গাড়ি ভাড়া করে অপরাধ করে আসছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি মলম পার্টি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। এছাড়া, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদক মামলাসহ তিনটি মামলা রয়েছে।৷

গ্রেপ্তার সাগর ওরফে হাবিবুর রহমান শেখ ওরফে হাবিব রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ড্রাইভার হিসেবে কাজ করতেন। পেশার আড়ালে তিনি মামা পার্টির সক্রিয় সদস্য হিসেবে জড়িত ছিলেন। তিনি যাত্রীদের চেতনানাশক ব্যবহার করে ও দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে যাত্রীদের কাছে থাকা বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনতাই করতেন। এছাড়া, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি ও হত্যা চেষ্টাসহ চারটি মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তার ফারুক আহমদ ওরফে ফারুক মিয়া ওরফে ফারুক রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় রেন্ট-এ কারের গাড়ি চালাতেন। পেশার আড়ালে তিনি রাজধানীর সাইনবোর্ড ও কদমতলীসহ বিভিন্ন এলাকায় ভোর রাতে যাত্রীদের গাড়িতে তুলে বিভিন্ন মলম, চেতনানাশক ব্যবহার করে ও দেশীয় অস্ত্রে ভয় দেখিয়ে যাত্রীদের কাছে থাকা বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনতাই করতেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় পুলিশ পরিচয়ে ছিনতাই ও ডাকাতির দুটি মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তার আবুল কালাম পেশায় গাড়িচালক। পেশার আড়ালে তিনি রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় প্রাইভেটকারসহ বিভিন্ন যাত্রীবাহী গাড়িতে উঠে জুস, চিপসসহ বিভিন্ন প্রকার খাদ্যদ্রব্যের সঙ্গে কৌশলে চেতনানাশক ওষুধ মিশিয়ে যাত্রীদের অচেতন করে তাদের কাছে থাকা টাকা ও মোবাইলসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র ছিনতাই করতেন। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর কদমতলী থানায় একটি ছিনতাই মামলা রয়েছে বলেও জানান র‌্যাব-১০ এর অধিনায়ক।


আরও খবর



গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ২৮,৪৭৩

প্রকাশিত:বুধবার ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৬জন দেখেছেন

Image

গাজায় হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার বলেছে, ফিলিস্তিনি যোদ্ধা এবং ইসরাইলি বাহিনীর মধ্যে চার মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধে অবরুদ্ধ এ ভূখন্ডে কমপক্ষে ২৮,৪৭৩ জন নিহত হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় ১৩৩ জন নিহত হওয়ায় এ সংখ্যা বেড়ে মোট ২৮,৪৭৩ জনে দাঁড়ালো।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে আরো বলা হয়, গত ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় মোট ৬৮,১৪৬ জন আহত হয়েছে।


আরও খবর

ভেনেজুয়েলায় সোনার খনি ধসে নিহত ২৩ জন

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




মালয়েশিয়ায় চালু হচ্ছে ই-পাসপোর্ট সেবা

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৫জন দেখেছেন

Image

চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহে অথবা আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়া প্রবাসীদের কাঙ্ক্ষিত ই-পাসপোর্ট সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন হবে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান। 

এসময় হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান জানান, প্রবাসীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ই-পাসপোর্ট সেবার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে হাইকমিশন। ইএসএল নামক একটি আউট সোর্স কোম্পানি এ নিয়ে কাজ করছে। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ অথবা আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় ই-পাসপোর্ট সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন হবে।

হাইকমিশনের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে হাইকমিশনার জানান, বিগত ২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ হাইকমিশন মালয়েশিয়া থেকে প্রবাসীদের মাঝে মোট ২ লাখ ৬০ হাজার ৪২টি পাসপোর্ট ইস্যু করেছে। এর মধ্যে মালয়েশিয়া ডাক বিভাগের মাধ্যমে ১ লাখ ৬৬ হাজার ৮০৭টি এবং সরাসরি ৯৩ হাজার ২১৫টি পাসপোর্ট বিতরণ করা হয়। কলিং ভিসায় মালয়েশিয়ায় এসে কাজ না পাওয়া কর্মীদের অভিযোগের ভিত্তিতে মালয়েশিয়ান প্রতিষ্ঠান জেটিকের মাধ্যমে কোম্পানি পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে কাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে অনেকের এবং এখনো এ প্রক্রিয়া চলমান আছে বলেও উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান হাইকমিশনার।

অনিয়মিত কর্মীদের দেশে ফেরা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে হাইকমিশনার বলেন, ইতিমধ্যেই মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন থেকে জানানো হয়েছে নামমাত্র জরিমানা দিয়ে অনিয়মিত প্রবাসীরা দেশে ফিরতে পারবেন খুব শিগগির। এ নিয়ে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি আমরা এবং এ ব্যাপারে হাইকমিশন সংক্রান্ত প্রবাসীদের যেকোনো সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশন সর্বদা প্রস্তুত আছে। জেলখানায় থাকা প্রবাসীদের বিষয়ে হাইকমিশনের লেবার উইং থেকে নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখা হচ্ছে। সাজা শেষ পর্যায়ে থাকা প্রবাসীদের দেশে ফেরার সময় কারো সাথে নগদ টাকা লেনদেন না করে জেল কর্তৃপক্ষের নিকট শুধুমাত্র এয়ার টিকিট প্রদানের জন্য তাদের পরিবার বা আত্মীয়স্বজনের উদ্দেশে আহ্বান জানান হাইকমিশনার। পাশাপাশি দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সকল প্রবাসীকে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণের জন্যও উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাইকমিশন মালয়েশিয়ার কাউন্সেলর (কন্স্যুলার) জি এম রাসেল রানা, কাউন্সেলর (শ্রম) সৈয়দ শরিফুল ইসলাম, কাউন্সেলর (পাসপোর্ট ও ভিসা) মিয়া মোহাম্মাদ কেয়ামউদ্দিন এবং প্রথম সচিব (প্রেস) সুফি আব্দুল্লাহিল মারুফ আরটিভি প্রতিনিধি মোস্তফা ইমরান রাজু, এনটিভি প্রতিনিধি কায়সার হামিদ হান্নান, বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রতিনিধি জহিরুল ইসলাম হিরণ, বিডিনিউজ প্রতিনিধি রফিক আহম্মদ খান, ডিবিসি নিউজ প্রতিনিধি মোহাম্মদ আলী, দ্যা নিউজ প্রতিনিধি শওকত হোসেন জনি ও খন্দকার মোস্তাক প্রমুখ।


আরও খবর

ভাষা শহীদদের প্রতি মালয়েশিয়ায় শ্রদ্ধা

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪