Logo
আজঃ শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

তেজগাঁওয়ে ট্রেনে আগুন, চারজনের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৭৯জন দেখেছেন

Image

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস নামে একটি ট্রেনে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ট্রেনের একটি বগি থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

মঙ্গলবার ফায়ার সার্ভিস সদর দফতর থেকে মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা শাহজাহান শিকদার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ভোর চারটা চার মিনিটের দিকে ট্রেনে আগুনের সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে তেজগাঁও ফায়ার স্টেশন থেকে তিনটি ইউনিট পাঠানো হয়। এই ঘটনায় একটি বগি থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আগুন নির্বাপণ করা হয় সকাল পৌনে ৭টার দিকে।


আরও খবর



খেলা চলাকালে বজ্রপাতে ফুটবলারের মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৭জন দেখেছেন

Image

মাঠে গড়াচ্ছিল ফুটবল ম্যাচ। এ সময় হুট করেই আঘাত হানলো বজ্রপাত। আর এতে প্রাণ হারিয়েছেন এক ফুটবলার। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ায়। এমন ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

মারা যাওয়া ওই ফুটবলারের নাম সেপ্তাইন রাহারজার। তার বয়স ৩৫ বছর। ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভার বান্দুংয়ের সিলিওয়াঙ্গি স্টেডিয়ামে এফসি বান্দুং ও এফবিআই সুবাংয়ের মধ্যকার প্রীতি ম্যাচে এই মর্মান্তিক ঘটনা বলে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়

বজ্রপাতের ঘটনার একটি সিসি টিভি ফুটেজে দেখা যায়, ম্যাচ চলাকালে হঠাৎ করেই মাঠের একটি অংশে দাঁড়িয়ে থাকা রাহারজারের ওপর বজ্রপাত পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে সেখানে উজ্জ্বল আলো জ্বলে ওঠে। এ সময় আগুনও ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। আর সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সেপ্তাইন রাহারজার।

তবে বজ্রপাতের আঘাতের পরও শ্বাস চলছিল রাহারজার। তাকে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তিনি মারা যান। এর আগে, গতবছর সোয়েরাতিন অনূর্ধ্ব-১৩ কাপ চলাকালে পশ্চিম জাভার বোজোনেগোরোর এক তরুণ ফুটবলারকে আঘাত করে বজ্রপাত। এর ফলে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের শিকার হন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়। তবে প্রায় ২০ মিনিট পর জ্ঞান ফিরে পান ওই ফুটবলার।


আরও খবর

আইপিএল শুরুর তারিখ নির্ধারণ

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জমজমাট ফুলের বাজার : শত কোটি টাকা বিক্রির লক্ষ্য

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৫জন দেখেছেন

Image

পহেলা ফাল্গুন, বিশ্ব ভালোবাসা ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসসহ আগামী দিনের অন্যান্য দিবসগুলোর বাজার ধরতে প্রস্তুত যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালির ফুল চাষিরা। বিশেষ করে বসন্ত উৎসব ও বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের বাকি মাত্র এক দিন। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের বাকি আছে মাত্র আর কয়েকটা দিন। তাই ফুল নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটছে চাষিদের।

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার পুরো গদখালি পানিসারা অঞ্চল সেজেছে ফুলের সাজে। চাষিদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও নিষ্ঠায় মাঠে মাঠে শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন জাতের ফুল। সামনে আসন্ন বসন্ত উৎসব, ভালোবাসা দিবস ও মাতৃভাষা দিবসসহ অন্যান্য দিবসের বাজার ধরতেই এই প্রস্তুতি চাষিদের। ফুলের রাজধানী যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী, পানিসারা ও এর আশপাশের এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হয় গোলাপ, জারবেরা, গ্লাডিওলাস, রজনীগন্ধা, গাঁদা, রড স্টিক, লিলিয়াম, জিপসি, চন্দ্রমল্লিকাসহ ১১ ধরনের ফুল।

চলতি মৌসুমে বিরূপ আবহাওয়ার কারণে ফুলের উৎপাদন কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে বসন্ত উৎসব, বিশ্ব ভালোবাসা ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষাসহ অন্যান্য দিবসগুলোর বাজার সামনে রেখে তা পুষিয়ে নেয়ার আশা করছেন চাষিরা। উৎসব পর্যন্ত ফুল ধরে রাখতে, পোকার আক্রমণ ও পচন রোধে নিচ্ছেন পরিচর্যা। চাষিদের দাবি, চাহিদা থাকায় উৎসব এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ফুলের দাম বাড়বে এবং তারা লাভবান হবেন।

ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী ইউনিয়নের সৈয়দপাড়ার ফুল চাষি পারভেজ বলেন, ‘আমি ৫ বিঘা গাঁদা ও ২ বিঘায় রজনিগন্ধা চাষ করেছি। ভালোবাসা দিবসে রজনীগন্ধা ও ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষা দিবসে গাদা ফুল বিক্রি করব। এজন্য এখন ফুলের পরিচর্যা করছি। বিশেষ করে ফুল ধরে রাখতে এবং পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা করতে ভিটামিন ও কীটনাশক ব্যবহার করছি। আশা করছি ভালো দামে ফুল বিক্রি করতে পারব।’

পানিসারা গ্রামের ফুল চাষি কুরবান আলী বলেন, ‘আমার ২ বিঘা ৪ কাটায় গোলাপ বাগান রয়েছে। আমার বাগানের গোলাপগুলো লংস্টিক এবং লাল, সাদা, হলুদ, কমলা ও গোলাপি রঙের। এ ধরনের ফুলের ভালোবাসা দিবসে বেশ চাহিদা থাকে।’ তিনি জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় উৎপাদন কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গাছে এখন নতুন কুঁড়ি রয়েছে। এগুলো যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য ভিটামিন স্প্রে করা হচ্ছে। ভালোবাসা দিবসের আগেই ফুলের দাম বাড়বে।

কুরবান বলেন, ‘আশা করছি, এক একটি গোলাপের পাইকারি দাম ২৫ থেকে ৩০ টাকা করে পাব।’ পানিসারা গ্রামের আব্দুর রহমান বলেন, ‘আমরা যারা ফুলের চাষ করি, তারা উৎসবকে ঘিরেই চাষ করি। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় উৎসব বসন্ত, ভালোবাসা দিবস ও ২১ ফেব্রুয়ারি। এ কারণে আমরা পর্যাপ্ত ফুল মজুত করেছি। এখন প্রতিটি জারবেরা পাইকারি ৮/১০ টাকা দরে, গোলাপ ১৫/১৬ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু সামনে এসব ফুলের দাম তিনগুন হয়ে যাবে। কারণ এ বছর ভাইরাসের কারণে ফুল নষ্ট হয়েছে। এজন্য চাহিদার তুলনায় ফুলের যোগান কিছুটা কম।’

একই এলাকার ফুল চাষি ইসমাইল হোসেন বলেন, আসন্ন তিনটি দিবস সামনে রেখে বাকি অন্যান্য যে কয়টি দিবস আছে সেটাকে ঘিরে আমাদের প্রস্তুতি বেশ ভালো। গোলাপগুলো ক্যাপ পরিয়ে রাখা হয়েছে। এছাড়া নানা ধরনের ওষুধ স্প্রে করা হচ্ছে যাতে ফুল নষ্ট না হয়। এ বছর ফুলের ভালো দাম পাব, এমনটাই আশা করছি।

তিনি জানান, বর্তমানে গোলাপ প্রতি পিস ১৫-১৬ টাকা, জারবেরা প্রতি পিস ১০-১২ টাকা, গ্লাডিওলাস প্রতি পিস ১৫-১৭ টাকা, রজনীগন্ধা প্রতি পিস ১২টাকা, গাঁদা (প্রতি হাজার) ২০০-২৫০ টাকা, জিপসি প্রতি পিস ১০ টাকা, চন্দ্রমল্লিকা (১০০ পিস) ৫০০ টাকা, চায়না গোলাপ (প্রতি পিস) ২৫-২৬ টাকা, ভুট্টা (প্রতি পিস) ১২ টাকা দরে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে ফুল চাষিদের নেতা যশোর ফুল উৎপাদন ও বিপণন সমবায় সমিতির সভাপতি মো. আব্দুর রহিম বলেন, ‘আমরা সারা বছর ফুল বিক্রি করলেও আমাদের মূল ব্যবসা হয় বেশকিছু উৎসব ঘিরে। ফুল সারা বছরই বিকিনিকি হয়। তবে উৎসবকে ঘিরে ফুলের চাহিদা বেশি থাকে এবং কৃষকরা সেই অনুযায়ী ফুল উৎপাদন ও পরিচর্যায় ব্যস্ত দিন পার করে থাকে। এ বছর বৈরি আবহাওয়ার কারণে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে না।’

তবে গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর থেকে সামনের দিবসগুলোতে পানিসারা ও গদখালী অঞ্চল থেকে অন্তত শত কোটি টাকার ফুল বিক্রি হবে বলে আশাবাদী তিনি। আসন্ন সামনের তিনটি দিবসে প্রায় ৭০ কোটি টাকার ফুল বিক্রি হবে বলে তিনি মনে করেন। এছাড়াও বছরে প্রায় সাড়ে ৫০০ কোটি টাকার ফুল এ অঞ্চল থেকে বিক্রি হয় বলে তিনি জানান।

ঝিকরগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশ জানান, এ বছর উপজেলার ৬৩০ হেক্টর জামিতে ফুলের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে গোলাপের চাষ হয়েছে বেশি। ১৫০ থেকে ২০০ হেক্টর জমিতে নানা রঙের গোলাপের চাষ হয়েছে। এ ব্যবসার সঙ্গে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে লক্ষাধিক লোক জড়িত। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, যশোরে প্রায় ৬০০ হেক্টর জমিতে ফুলের চাষ হয়।

সারা বছর কমবেশি ফুল বিক্রি হলেও সাধারণত ১৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু করে ১ বৈশাখ ও ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ফুল বিক্রি হয় সবচেয়ে বেশি। এ ছাড়াও রয়েছে ইংরেজি নববর্ষ, মহান শহীদ দিবস, বসন্ত ও বিশ্ব ভালোবাসা, মহান স্বাধীনতা দিবস ও বঙ্গবন্ধু শতবার্ষিকী। এই দিবসগুলোতে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও শুভেচ্ছা জানাতে অন্যতম অনুষঙ্গ তাজা ফুল। তাই শীত থেকে শুরু করে গ্রীষ্ম আসার আগ পর্যন্ত সময়টা ফুলের মৌসুম হিসেবে পরিচিত।

দেশের প্রথম বাণিজ্যিক ফুলের চাষের স্থান হিসেবে সুখ্যাতি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী ও পানিসারা ইউনিয়নের। ১৯৮২ সালে শের আলী নামে একজন ফুল চাষি সর্বপ্রথম এ অঞ্চলে ফুলের চাষ শুরু করেন ।


আরও খবর



রিজওয়ানের প্রতি রানের মূল্য প্রায় ২ লাখ!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৯জন দেখেছেন

Image

যেমন পারফরম্যান্স, তেমন ফিলোসফি, তেমন সাজানো-গোছানো জীবনযাপন আর কঠোর পরিশ্রম মোহাম্মদ রিজওয়ানের। ক্রিকেটার হিসেবে তাকে বলা চলে ভক্তদের হার্টথ্রব। সবই ঠিক ছিল, শুধু বিপিএলে এসে হাওয়ায় মিলিয়ে গেল রিজওয়ানের পারফরম্যান্স। 

পাকিস্তানি সুপারস্টারকে এনে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ভুল করল কিনা এমন প্রশ্ন ওঠাও অবান্তর নয়। কারণ এবারের বিপিএল খেলার বিনিময়ে প্রতি রানের জন্য রিজওয়ানকে যে দিতে হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩০০ টাকা করে!  

তাও যদি রিজওয়ানের রান দলের কাজে লাগত, হয়তো অসুবিধা ছিল না। ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে আসরে নিজের প্রথম ম্যাচে আউট হন ১৭ রান করে, মোকাবিলা করেছিলেন ১৪ বল। একশর ওপর স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং সে-ই প্রথম, সে-ই শেষ! সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে ১৪ রান করেন, ১৬ বল খেলে। 

রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ১৭ রান, তবে বল খেলতে হলো ২১। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে ১৬ রান করে ছিলেন অপরাজিত, তবে ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মোকাবিলা করে ফেলেন ২৪টি ডেলিভারি। সবশেষ খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ২৮ বলে ২১ রান করে শেষ করলেন এবারের বিপিএলে নিজের পথচলা।

সব মিলে ৫ ইনিংসে ৮৫ রান, যেখানে বল মোকাবিলা করেছেন ১০৩টি। একটি ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার সুবাদে গড় ২১.২৫। তবে স্ট্রাইক রেট মোটেও রিজওয়ানসুলভ নয়; মাত্র ৮২.৫২। পাকিস্তান সুপার লিগের কারণে এই ৫ ম্যাচ খেলেই দেশে ফিরে যেতে হচ্ছে রিজওয়ানকে। এ দফা বাংলাদেশের দর্শকদের বিনোদন দিতে না পারলেও কুমিল্লা তার প্রতি কার্পণ্য করেনি। 

অনানুষ্ঠানিক সূত্রে জানা যায়, রিজওয়ানের প্রতি ম্যাচে পারিশ্রমিক ৩০ হাজার ডলার। ৫ ম্যাচের জন্য তার পেছনে কুমিল্লার খরচ দেড় লাখ ডলার। রান করেছেন ৮৫। অর্থাৎ রিজওয়ানের প্রতি রানের জন্য কুমিল্লাকে গুনতে হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩০০ টাকা করে!


আরও খবর

আইপিএল শুরুর তারিখ নির্ধারণ

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পিডিআই কানাডার সম্মেলনে প্রবাসীদের দেশের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪৮জন দেখেছেন

Image

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের দাবিতে টরন্টোতে অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক উদ্যোগ (পিডিআই) কানাডার প্রথম সম্মেলন।

আজফার সাঈদ ফেরদৌসকে সভাপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা মনির জামান রাজুকে সাধারণ সম্পাদক এবং নাট্যকর্মী রোমান চৌধুরীকে কোষাধ্যক্ষ করে ২৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি নির্বাচিত করা হয়েছে।

সম্মেলনের শুরুতে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন সোলায়মান তালুত রবিন। সম্মেলনের প্রথম পর্বে ছিল কাউন্সিল অধিবেশন ও দ্বিতীয় পর্বে উন্মুক্ত অধিবেশন। কাউন্সিল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন আজিজুল মালিক এবং পরিচালনায় ছিলেন মনির জামান রাজু। উন্মুক্ত অধিবেশন পর্বে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যুৎরঞ্জন দে এবং পরিচালনায় ছিলেন মাহবুব আলম।

সম্মেলনে বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মাশুক মিয়া, ডাকসুর সাবেক এজিএস নাসির উদ দুজা, সাবেক ছাত্রনেতা সৌমেন সাহা, উদীচী কানাডা সংসদের সাধারণ সম্পাদক মিনারা বেগম, লেখিকা ও অনুবাদক ফারহানা আজিম শিউলী, টরন্টো বাঙালি কমিউনিটির সক্রিয় কর্মী শিবু চৌধুরী, টরন্টো ফিল্ম ফোরাম সভাপতি এনায়েত করিম বাবুল, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সফিউদ্দিন আহমেদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হোসেন মনা।

সম্মেলন শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সূচনা সংগীত হিসেবে গান পরিবেশন করেন বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী শাহজাহান কামাল। বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কানাডা গণসংগীত পরিবেশন করে। কবিতা আবৃত্তি করেন আবৃত্তিশিল্পী শেখর গোমেজ, রেজা অনিরুদ্ধ ও রওশন জাহান উর্মি।


আরও খবর

ভাষা শহীদদের প্রতি মালয়েশিয়ায় শ্রদ্ধা

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪০জন দেখেছেন

Image

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে।  আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টা থেকে এ পরীক্ষা শুরু হয়ে চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত।  একযোগে ৩ হাজার ৭০০ কেন্দ্রে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। 

আজ বাংলা প্রথম পত্র, দাখিলে কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ পরীক্ষা চলছে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১২ মার্চ। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৩-২০ মার্চের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এবার এ পরীক্ষায় সারা দেশের ২৯ হাজার ৭৩৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ ছাত্রছাত্রী অংশ নিয়েছে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৯২ হাজার ৮৭৮ এবং ছাত্রী ১০ লাখ ৩১ হাজার ৩১৪ জন। এবারও সংশোধিত ও পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাসে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিচ্ছে। তবে তাদের ১০০ নম্বরেই প্রশ্ন করা হয়েছে। আর পরীক্ষার সময়ও থাকছে পূর্ণ তিন ঘণ্টা। এ বছর সব বিষয়েই পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।

জানা যায়, ১১ বোর্ডে ২০ লাখ ২৪ হাজার ১৯২ ছাত্রছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। বোর্ডভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি ৪ লাখ ৪ হাজার ৬৩৭ পরীক্ষার্থী ঢাকা বোর্ডে। এ ছাড়া রাজশাহীতে ২ লাখ ২৪৫, কুমিল্লায় ১ লাখ ৮০ হাজার ৫২৭, যশোরে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩৭১, চট্টগ্রামে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫৯০, বরিশালে ৮৮ হাজার ৫৮৬, সিলেটে ১ লাখ ৯ হাজার ৪১২, দিনাজপুরে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৩৬ এবং ময়মনসিংহে ১ লাখ ১৯ হাজার ৭৫ জন।

এ ছাড়া মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ২ লাখ ৯০ হাজার ৯৪০ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৯৪ হাজর ৮৪১ এবং ছাত্রী ৩১ হাজার ৫৩২ জন। আর কারিগরি বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ২৬ হাজার ৩৭৩ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৯৪ হাজার ৮৪১ এবং ছাত্রী ৩১ হাজার ৫৩২ জন। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড এসএসসি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড দাখিল ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষা আয়োজনের দায়িত্ব পালন করছে।


আরও খবর

চবি ছাত্রলীগে ফের উত্তেজনা

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪