Logo
আজঃ শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

স্বর্ণের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে ১ সপ্তাহে সর্বনিম্ন

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৮জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী। মঙ্গলবারও স্বর্ণের দর কমেছে। এখন তা গত ১ সপ্তাহেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্নে অবস্থান করছে। রয়টার্সের বরাত দিয়ে সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

সিএনবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) শিগগিরই সুদের হার না কমানোর আভাস দিয়েছে। এ প্রত্যাশায় দেশটির মুদ্রা ডলার শক্তিশালী হয়েছে। ফলে স্বর্ণের মূল্য নিম্নগামী হয়েছে।

স্পট মার্কেটে আলোচ্য কার্যদিবসে বৈশ্বিক বেঞ্চমার্ক স্বর্ণের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি আউন্সের দর স্থির হয়েছে ২০২৩ ডলার ৯২ সেন্টে। সোমবার যা গত ২৫ জানুয়ারির পর সর্বনিম্নে নেমে গিয়েছিল।

ফিউচার মার্কেটে একই কর্মদিবসে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক স্বর্ণের মূল্য হ্রাস পেয়েছে শূন্য দশমিক ১ শতাংশ। আউন্সপ্রতি দাম নিষ্পত্তি হয়েছে ২০৪০ ডলারে।

বিশ্বখ্যাত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইক্সিনিটি গ্রুপের প্রধান বাজার কৌশলবিদ হ্যান ত্যান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়ে শক্তিশালী রয়েছে। ফলে আগামী মার্চে ফেডের সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা উবে গেছে। তাতে স্বর্ণের দরপতন ঘটেছে।

একই দিনে ইউএস ডলার শূন্য দশমিক ১ শতাংশ ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। গত তিন মাসের মধ্যে তা সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। সেই সঙ্গে ১০ বছর মেয়াদি মার্কিন ট্রেজারি ইল্ড ঊর্ধ্বগামী হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে অন্যান্য মুদ্রা ধারণকারীদের কাছে স্বর্ণ রাখা ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে। ফলে বুলিয়ন বাজারে তেজ কমেছে।


আরও খবর



‘ফ্ল্যাশব্যাক’এর টিজারেই ঝড় তুলেছেন বুবলী

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৩জন দেখেছেন

Image

কলকাতায় ‘ফ্ল্যাশব্যাক’ শিরোনামের সিনেমায় অভিনয় করছেন চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী। রাশেদ রাহা ও খায়রুল বাসার নির্ঝরের গল্পে সিনেমাটিতে তার সঙ্গে আরও অভিনয় করছেন পশ্চিমবঙ্গের পরিচালক-অভিনেতা কৌশিক গাঙ্গুলি ও অভিনেতা সৌরভ দাস।

খায়রুল বাসার নির্ঝরের চিত্রনাট্য ও সংলাপে থ্রিলারধর্মী সিনেমাটির ফার্স্টলুক মুক্তি পায় গত মাসে। এবার প্রকাশ্যে এসেছে সিনেমাটির টিজার। শনিবার বিকালে কলকাতায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সিনেমার টিজার প্রকাশ করা হয়। ৪৪ সেকেন্ড দৈর্ঘ্যের টিজারে সৌরভ-বুবলী ছাড়াও দেখা গেছে অভিনেতা কৌশিক গাঙ্গুলি ও রজতাভ দত্তকে।

এখন সিনেমায় আসলেই মানুষ প্রশংসার চেয়ে সমালোচনা বেশি করে। তা নিয়ে মোটেই বিচলিত নন বুবলী। এই অভিনেত্রী বলেন, ২০২৪ সালে এসে আমরা খুব অস্থির হয়ে গেছি। সত্যিকার অর্থে এটা বলতে কোনো দ্বিধা নেই। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা আছেন সবাই খুব অস্থির। কোনো কিছু না দেখে না জেনে আমরা সেটা বিচার করে বসি। ভালো বিষয়গুলো বাদ নিয়ে খারাপটা নিয়ে আমরা বেশি ব্যস্ত। আমি মনে করি এ জায়গা থেকে আমাদের বের হয়ে আসা উচিত।

ছবিটির শুটিং হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের লাভা, লোলেগাঁও ও সিকিমের বিভিন্ন অঞ্চলে। আগামী মে মাসে ছবিটি ঢাকা, কলকাতাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুক্তি পাওয়ার কথা। ছবিটির চিত্রনাট্য লিখেছেন বাংলাদেশের খায়রুল বাসার নির্ঝর। কণ্ঠ দিয়েছেন ইমন চক্রবর্তী, সিদ্ধার্থ ও অমিত ব্যানার্জি। সংগীত পরিচালনা করেছেন সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায়। প্রযোজনা করেছেন কলকাতার নারায়ণ চ্যাটার্জি ও বাংলাদেশের কাজী জাফরিন।


আরও খবর

যে কারণে টাকা ফিরিয়ে দিলেন জয়া

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ঈধিকার পর এবার মিমি

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24




বই না ছাপিয়েই সাড়ে ৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৫জন দেখেছেন

Image

প্রতি বছর জাতীয় ফলমেলা উপলক্ষে ‘ফলসম্ভার’ নামে একটি বই প্রকাশ করে কৃষি তথ্য সার্ভিস। মেলায় আগতদের বিভিন্ন ফল সম্পর্কে জানাতেই এই উদ্যোগ। মেলায় আগতদের মধ্যে বিনা মূল্যেই তা বিতরণ করা হয়। কিন্তু গত বছর ফলমেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই বইটিও প্রকাশ হয়নি। কিন্তু সূত্র জানিয়েছে, বই প্রকাশ না হলেও বই প্রকাশের ভুয়া বিল-ভাউচার দিয়ে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। কৃষি তথ্য সার্ভিসে একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। এই সিন্ডিকেট সর্বশেষ প্রকাশিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ডায়েরি মুদ্রণেও লাখ লাখ টাকা লোপাট করেছে।

প্রতি বছর জুনে খামারবাড়ির পাশে খালি জায়গায় জাতীয় ফলমেলা অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৯ সাল পর্যন্ত নিয়মিত এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে অনিয়মিত হয়ে পড়ে মেলা আয়োজন। মাঝে ২০২২ সালে মেলা আয়োজন করা হয়। তবে গত বছর ২০২৩ সালে মেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে মেলা উপলক্ষে ‘ফলসম্ভার’ শীর্ষক বইটিও প্রকাশিত হয়নি। কিন্তু বই প্রকাশের ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

কৃষি তথ্য সার্ভিস সূত্র জানিয়েছে, গত বছরের জুলাই মাসে মোট ৮ লাখ ৩৬ হাজার ২৪৯ টাকার বিল-ভাউচার তৈরি করে তা উত্তোলন করা হয়েছে। বই প্রকাশে তিনটি আলাদা কোটেশনে যথাক্রমে ৮৯০ কপি (২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৭ টাকা), ১০৬০ কপি (২ লাখ ৯২ হাজার ৬৮৭ টাকা) এবং ১০৬০ কপি (২ লাখ ৯৫ হাজার ৪৭৫ টাকা) মুদ্রণ ব্যয় দেখানো হয়েছে। এআইএসের তৎকালীন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আবু জাফর আল মুনছুর এসব বিলে স্বাক্ষর করেছেন। এ প্রসঙ্গে বর্তমানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে মনিটরিং উইংয়ের উপপরিচালকের দায়িত্বে থাকা মো. আবু জাফর আল মুনছুর গতকাল বলেন, এটা তো অনেক দিন আগের কথা। এ ব্যাপারে কৃষি তথ্য সার্ভিসই ভালো বলতে পারবে। জানা গেছে, ‘ফলসম্ভার’ বইটি প্রকাশ না করেই লাখ লাখ টাকা বিল উত্তোলনের বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাওয়ায় এখন বইটির কয়েকটি কপি ছাপানোর তোড়জোড় চলছে, যাতে দেখানো যায়, বইটি প্রকাশ করা হয়েছে।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালক সুরজিত সাহা রায় এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ফলসম্ভার’ বইটি প্রতি বছর ফলমেলা উপলক্ষে ছাপানো হয়। তবে গত বছর ফলমেলা হয়নি। মেলা না হলেও বই প্রকাশের লাখ লাখ টাকা তো ঠিকই উত্তোলন করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মেলা না হলেও পরে বই প্রকাশ করা হয়েছে। এ বইয়ের অনেক ডিমান্ড (চাহিদা)। এ বই এ বছর মেলায় আগতদের দেওয়া হবে। গত বছরের বই এ বছর মেলায় কীভাবে দেওয়া হবে? এছাড়া এ বছরও তো এই বই ছাপানোর বাজেট রয়েছে। এ প্রশ্নের তিনি কোনো উত্তর দেননি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বইয়ের পাশাপাশি সর্বশেষ প্রকাশিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ডাইরির পেছনে আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি খরচ দেখানো হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জন্য প্রতি বছর ১৩ হাজার ১০০টি উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ডায়েরি মুদ্রণ হয় এআইএসের প্রেস থেকে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য প্রকাশিত ডায়েরির পেছনে (২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট) খরচ হয়েছিল ২৫ লাখ টাকার বেশি। কিন্তু, এক বছরের ব্যবধানে সর্বশেষ প্রকাশিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ডায়েরির পেছনে খরচ দেখানো হয়েছে প্রায় ৫৪ লাখ টাকা। এ হিসাবে প্রতিটি ডায়েরি তৈরির খরচ পড়েছে প্রায় ৪১২ টাকা। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে যাচাই করে দেখা গেছে, একই সমমানের ডায়েরি প্রকাশে প্রতিটির খরচ পড়বে ২৪০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২৬০ টাকা। সেই হিসাবে ১৩ হাজার ১০০ ডায়েরি মুদ্রণে খরচ হবে ৩০ লাখ থেকে ৩৪ লাখ টাকা। এ হিসাবে ডায়েরি মুদ্রণে প্রায় ২৫ লাখ টাকা বেশি ধরা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালক সুরজিত সাহা রায় বলেন, ‘এক বছরের ব্যবধানে কাগজের দাম অনেক বেড়েছে। এছাড়া, কাগজ তো টেন্ডারের মাধ্যমে কিনেছি। যিনি সর্বনিম্ন দর দিয়েছেন, তাকেই কাজ দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী যারা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫০জন দেখেছেন

Image

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের মহিলা সংরক্ষিত আসনে ৪৮ জন দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। বুধবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সাড়ে ৫টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

এর আগে দুপুর ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে গণভবনে সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই সভায় দলীয় প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করা হয়।

সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগ যাদেরকে মনোনয়ন দিয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন— পঞ্চগড়ে রেজিয়া ইসলাম, ঠাকুরগাঁও দৌপদী দেবী আগরওয়াল, নীলফামারী মোসাম্মৎ আশিকা সুলতানা, জয়পুরহাট ডা. রোকেয়া সুলতানা, নাটোর কোহেলি কুদ্দুস, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেবিন মাহমুদ, খুলনা রুনু রেজা ও বেগম মুন্নুজান সুফিয়ান, বাগেরহাট ফরিদা আক্তার বানু, বরিশাল শাম্মী আহমেদ, বরগুনা মোসাম্মৎ ফারজানা সুমি, ভোলা খালেদা বাহার বিউটি, পটুয়াখালী নাজনীন নাহার, নরসিংদী ফরিদা ইয়াসমিন, ময়মনসিংহ উম্মে ফারজানা সাত্তার, নেত্রকোণা নাদিয়া বিনতে আমিন, ঝিনাইদহ পারভীন জামান কল্পনা, কুমিল্লা অ্যারোমা দত্ত, সাতক্ষীরা লাইলা পারভীন, ঢাকা থেকে শবনম জাহান, পারুল আক্তার, সাবেরা বেগম, নাহিদ ইজহার খান, মুন্সীগঞ্জ ফজিলাতুন্নেছা, ফরিদপুর ঝর্ণা হাসান প্রমুখ।

এর আগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রি করে আওয়ামী লীগ। ৪৮টি আসনের বিপরীতে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন ১৫৪৯জন। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনোনয়ন প্রত্যাশীদের গণভবনে ডাকেন সাক্ষাতের জন্য। বুধবার সকালে সাক্ষাত শেষে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে মনোনয়ন বোর্ড বসে।


আরও খবর



অবশেষে সফল হলো টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের উদ্যোগ

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৪জন দেখেছেন

Image
এস আলম ,টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মোঃ কায়ছারুল ইসলাম এর উদ্যোগ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা সমালোচনা ঝড়ে "টাঙ্গাইল শাড়ি" জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেলো । ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে টাঙ্গাইল শাড়িকে স্বীকৃতি দিল শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি)।
 
বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশিত হবে বলে সাংবাদিকদের জানান শিল্প সচিব। ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় টাঙ্গাইল শাড়িকে নিজস্ব জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার এক সপ্তাহ পর বাংলাদেশের জিআই পণ্য হিসেবে টাঙ্গাইল শাড়িকে স্বীকৃতি দিল শিল্প মন্ত্রণালয়।
 
৬ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেলে ই-মেইলের মাধ্যমে শিল্প মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে আবেদন করেন টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন। আবেদনের একদিন পরেই ৭ ফেব্রুয়ারি জিআই পণ্য হিসেবে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর স্বীকৃতি দিলো পণ্যটিকে। 
 
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক বলেন, টাঙ্গাইল শাড়ি যে কোনো বিচারে বাংলাদেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার দাবিদার। টাঙ্গাইল নামধারি যে কোনো পণ্যই এদেশের পণ্য। গত তিন মাস ধরে টাঙ্গাইল শাড়ির জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতির জন্য ডকুমেন্টেশন কার্যক্রম চলছিলো। শাড়িটির আড়াইশ বছরের ইতিহাসের তথ্যাদি ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট মানুষের জীবন-জীবিকার তথ্য সংগ্রহ করে আবেদন করা হয়েছে। সম্প্রতি টাঙ্গাইল শাড়িকে নিজস্ব জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ভারতের বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়।
 
এরপর ভারতের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী তাঁতের শাড়িকে নিজেদের পণ্য দাবি করা হয়। এরপরই বাংলাদেশে শুরু হয় নানা ধরনের সমালোচনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও  অনেকেই প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। ইতিমধ্যে ভারতের এহেন কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানিয়েছে টাঙ্গাইলের বাসিন্দারা। 
 
টাঙ্গাইলের শাড়ির জিআই পেতে তাঁত সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, সময়মতো বাংলাদেশ ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের আবেদন না করায় এমন ঘটনা ঘটেছে। প্রায় ২৫০ বছরের ঐতিহ্য টাঙ্গাইল শাড়ি বোনা হয় টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ি, দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ও কালিহাতীর বল্লা এলাকায়। এই পেশার সঙ্গে জেলাটির প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষ যুক্ত রয়েছেন।

আরও খবর



গভীর রাতে কম্বল নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন মন্ত্রী আব্দুর রহমান এমপি

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৪জন দেখেছেন

Image
মো: সজীব মোল্লা : ফরিদপুরের মধুখালীতে যে সময় মানুষ ঘুমায় কম্বল মুড়ি দিয়ে। আর সেই সময় গভীর রাতে কম্বল নিয়ে নির্বাচনী এলাকার ছিন্নমূল মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান এমপি। 

এই শীতে তিনি মধুখালী,বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গার নেতাকর্মীদের মাধ্যমে বিভিন্ন এতিমখানাসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন শীতবস্ত্র (কম্বল) নিয়ে।

৬ জানুয়ারী মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মধুখালী উপজেলার মেছড়দিয়াসহ কয়েকটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের (গুচ্ছগ্রাম) শতাধিক অসহায় ছিন্নমুল মানুষকে নিজহাতে কম্বল তুলে দেন মন্ত্রী আব্দুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামনুন আহমেদ অনিক, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা.সুদেব কুমার দাস, মধুখালী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.মিরাজ হোসেন,উপজেলা আওয়াামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল হক বকু প্রমুখ। কম্বল পাওয়া মেছড়দিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা শাহিদা বেগম জানান, দিনের বেলায় শীতের তীব্রতা কমে গেলেও রাতে বাড়ে শীতের তীব্রতা। শীতের শেষ মুহূর্তে শীতের বেগ রাতে একটু বেশি হয়। এই শীতের রাতে মন্ত্রী সাহেবের দেওয়া কম্বল আমাদের অনেকটাই উপকারে আসবে,ধন্যবাদ তাকে। দীর্ঘায়ু কামনা করি। এক প্রতিক্রিয়ায় মন্ত্রী মোঃ আব্দুর রহমান বলেন, ফরিদপুর-১ আসনে আমার নির্বাচনী জনপদের তিন উপজেলার প্রায় ১০/১২ হাজার অসহায় মানুষকে শীত মৌসুমে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিভিন্ন মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।এখনো বিতরণ চলমান রয়েছে।আজকে বোয়ালমারী উপজেলার কাদিরদীতে এসেছিলাম একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে। সেখান থেকে ভাবলাম নিজের হাতে ছিন্নমূল মানুষের হাতে কিছু কম্বল দিয়ে যাই। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এলাকার অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এবং সুখ-দুঃখে পাশে থাকতে চাই।

আরও খবর