Logo
আজঃ শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

শীতে কোন কোন রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১১১জন দেখেছেন

Image

লাইফস্টাইল ডেস্ক : শীতে শরীরের তাপমাত্রার চেয়ে জলবায়ুর তাপমাত্রা কম থাকায় ঠান্ডা অনুভূত হয়। শীতকালে আবার শৈত্যপ্রবাহের কারণে সূর্যের তাপও কম থাকে।

আর এ কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমতে শুরু করে। ফলে রোগ জীবাণু যেমন- ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ফাঙ্গাস ইত্যাদির বংশবিস্তার ঘটে দ্রুত।

নানা ধরনের জীবাণুবাহিত অসুখে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি শীতে দ্বিগুণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে এ সময় শারীরিক সমস্যা, চর্মরোগসহ ফুসফুসজনিত নানা সমস্যায় কমবেশি সবাই ভোগেন। সব মিলিয়ে এ সময় সুস্থ থাকাটা বেশ চ্যালেঞ্জের।

শীতে কোন কোন রোগ বাড়ে?

গলা ব্যথা ও কাশি
গলা খুসখুস করা, ঠান্ডায় কাশি হওয়া থেকে শুরু করে রাতে ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে আসার মতো সমস্যা দেখা দেয় শীতে। গরম ভাঁপ নিলে বা গড়গড়া করলে ও ঠান্ডা এড়িয়ে চললে অনেক সময় এর সমাধান মেলে।

অ্যালার্জি
শীতের সময় শুষ্কতার কারণে শরীরের ত্বক ও শুষ্ক হয়ে ওঠে। ফলে অনেক সময় চুলকানি বা ব্যথা অনুভব হতে পারে। অ্যালার্জির কারণে অনেক সময় তীব্র শ্বাসকষ্টও হতে পারে। কোল্ড বা ডাস্ট অ্যালার্জির সমস্যা ছাড়াও শীতের শুষ্ক আবহাওয়ায় ত্বকের আর্দ্রতা কমে গিয়ে ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে যায়।

নাক দিয়ে রক্ত ঝরা
শীতকালে বাতাস শুকনো হয়ে যায়, বাচ্চারা বারবার নাকে হাত দেয়, সর্দির বারবার নাক পরিষ্কার করা হলে এমন সমস্যা হয়। নাক দিয়ে রক্ত পড়লে অভিভাবকদের অবশ্যই ডাক্তারের শরনাপন্ন হতে হবে।

টনসিল
শীতের হিম বাতাসে টনসিল গ্রন্থির ক্ষতি হয়, ফলে প্রদাহ হয়ে ফুলে ওঠে, গলা ব্যথা, ঢোঁক গিলতে অসুবিধা হয়। টনসিল গ্রন্থিতে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ফাঙ্গাস দ্বারা ইনফেকশন হয়, প্রচন্ড ব্যথা হয় আবার এতে পুঁজও হয়। ঠান্ডা খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।

মশাবাহিত রোগ
শীতকালে মশাবাহিত ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া, ডেঙ্গু রোগসহ নানা ভাইরাস জ্বরের রোগের প্রকোপ দেখা যায়। কাঁপুনি দিয়ে উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর আসা, বারবার জ্বর আসা, গিঁটে ব্যথা ইত্যাদির লক্ষণ দেখা গেলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

মলত্যাগে সমস্যা
হঠাৎ করে ঠান্ডার কারণে শিশুদের, অনেক সময় বড়দেরও পাতলা পায়খানা হতে দেখা যায়। বিশেষ করে যখন বেশি ঠান্ডা পড়ে, তখন বয়স্কদেরও পাতলা পায়খানা হতে পারে। এই সমস্যা এড়াতে বাইরের খাবার একেবারে খাওয়া উচিত না।

সাইনোসাইটিস
সাইনোসাইটিসের কারণে সাইনাস গ্রন্থিগুলোতে শ্লেষ্মা জমে বাতাস চলাচলের রাস্তা ব্লক হয়ে যায়। ফলে শ্বাসতন্ত্রের স্বাভাবিক কাজ বাঁধাপ্রাপ্ত হয়।

সাইনোসাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তি বন্ধ নাক, মাথাব্যথা, চোখব্যথা, মুখ ফুলে যাওয়া, নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, গলার স্বর পরিবর্তনসহ বিভিন্ন যন্ত্রণা ভোগ করেন।

স্নায়ুরোগ
শীতের সময় হাত-পা ঠান্ডা অবস্থায় রক্ত চলাচল কম হয়। এতে নার্ভ ঝুঁকিতে থাকে। এছাড়া রক্তশূন্যতার রোগী ও বৃদ্ধরাও শীতে নার্ভের জটিলতায় ভুগে থাকেন।

অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগালে নার্ভের পাশাপাশি মাংসপেশি ও হাঁড়ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে নার্ভ, হাঁড় ও মাংসপেশির নানান অসুখ হয়।

টিনিটাস
শীতে ঠান্ডা লেগে নাক, কান ও গলার প্রদাহ থেকে টিনিটাস নামক একটি কষ্টকর সমস্যা সৃষ্টি হয় অনেকেরই। এতে আক্রান্ত কানে অনবরত বাঁশির মতো শব্দ হতে থাকে।


আরও খবর

সঙ্গীকে বলা ঠিক নয় যেসব কথা

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল : উভয় সংকটে নুসরাত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৬জন দেখেছেন

Image

প্রায়ই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন নুসরাত জাহান। টলিউডের অভিনেত্রী। তার মাও অভিনেত্রী ছিলেন। একইসঙ্গে বিতর্কিত ও দর্শকপ্রিয়। অনেকটা কঙ্গোনা রানাউতের মতো। যারা নানা সময় প্রচারে থাকতে বিতর্ককেই উসকে দেন। এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয় নেটদুনিয়ায়।

সম্প্রতি একটি ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে বসিরহাটের এই সংসদ সদস্য নুসরাতকে তুলোধোনা করেছেন নেটিজেনরা। কী এমন করেছেন নুসরাত, যে তার ভিডিও নিয়ে হচ্ছে এত হইচই! যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে নুসরাতের এক লিপলকের অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। অনেকেরই প্রশ্ন, ব্যক্তিগত ভিডিও কেন সামাজিক মাধ্যমে। অনেকেই আবার টেনে এনেছেন নায়িকার রাজনৈতিক পরিচয়ও।

নুসরাত বসিরহাটের সংসদ সদস্য, একজন জনপ্রতিনিধি। তার অন্তরঙ্গ ভিডিও যে অনেকেই ভালোভাবে নেবেন না, সে কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন কেউ কেউ। তবে প্রশ্ন হলো, নুসরাতের ভিডিও ভাইরাল কারা করেছেন।

কোথা থেকেই বা সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ল। জানা গেছে, নুসরাত ও যশের একটি পার্টির ভিডিও ছিল সেটি। গেল বছরকে বিদায় জানাতে এক পার্টিতে মেতে উঠেছিলেন তারা। ভালোবেসে হঠাৎই নুসরাতকে চুমু খেয়ে বসেন যশ। নুসরাতও দেন সাড়া। এই ছবি শেয়ার করা হয়েছে এক ফ্যান ক্লাবের পক্ষ থেকে। যা আবার শেয়ার করেছেন নুসরাত নিজেই। কটাক্ষকে পাত্তা দিতে নারাজ নুসরাত। সাহসী ছবিই হোক বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা রটনা ট্রলিং যে তার জীবনে খুব একটা প্রভাব ফেলে না সে কথা স্পষ্টভাবে আগেও জানিয়েছেন তিনি।

এমন কাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। ব্যক্তিজীবন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার না করার অনুরোধ জানিয়েছেন অনেকেই। নুসরাতের প্রথম অভিনীত চলচ্চিত্র রাজ চক্রবর্তীর পরিচালনায় ‘শত্রু।’ এই চলচ্চিত্রে তিনি জিতের বিপরীতে অভিনয় করেন। অভিষেক সেই সিনেমার মতোই এরপর তার ব্যক্তিগত জীবন, চলচ্চিত্র এবং রাজনৈতিক জীবন প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই ‘শত্রু’-‘শত্রু’ খেলায় কেটে যাচ্ছে একের পর এক। ইতোমধ্যে চলচ্চিত্রের ক্যারিয়ারও তার পেরিয়ে গেছে এক যুগেরও বেশি। অতঃপর প্রেম আর রাজনীতি এই নিয়েই রসাতলে গেল তার চলচ্চিত্রের ক্যারিয়ার। ফ্ল্যাট বিক্রির নামে প্রতারণায়ও জড়িয়ে পড়ে নিজের তারকা ইমেজকে আরও বেশি রসাতলে নামিয়ে আনেন এই পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য।

তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ হয়েও যে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য খুব ভালো ইমেজ তৈরি করতে পেরেছেন এমনও নয়। বরং তিনি একের পর এক যেসব বিতর্কিত কাজ করে চলেছেন তাতে করে বরং মমতা ব্যানার্জীর দলটিই ইমেজের সংকটে পতিত এখন।

এরই মধ্যে গেল বছরের ১২ সেপ্টেম্বর ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিলেন। সেদিন কলকাতার ইডি দপ্তরে হাজিরও হন নুসরাত। ইডির গোয়েন্দারা তাকে একটানা ৬ ঘণ্টা জেরা করেন। সে সময় নুসরাত জাহান ফ্ল্যাট বেচাকেনার দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে যেসব নথি ইডির হাতে তুলে দেন, তাতে সন্তুষ্ট হতে পারেননি গোয়েন্দারা। তাই অভিনেত্রীর কাছে আরও নথি চেয়েছেন ইডি। তখন ইডি বলেছে, কীভাবে তিনি তার নিজের সংস্থার পরিচালকের পদে থেকে ঋণ পেয়েছিলেন, সে সংক্রান্ত নথি ইডিকে দেখাতে হবে।

তারই ধারাবাহিকতায় এবার অনেক জল ঘোলা করে অবশেষে শনিবার কলকাতার চাঞ্চল্যকর ফ্ল্যাট প্রতারণাকাণ্ডে আলিপুর আদালতে হাজির হলেন অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য নুসরাত জাহান।

এজন্য বিজেপি নেতা শাঙ্কুদেব পাণ্ডার নেতৃত্বে তারা সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়ে ইডি দপ্তরে তারকা সাংসদের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ জানান। এর মধ্যে নুসরাত পাম অ্যাভিনিউয়ে একটি ফ্ল্যাট কেনেন। ব্যাংককর্মীরা গড়িয়াহাট থানায় নুসরাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, আদালত কক্ষে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদকে। ফ্ল্যাট প্রতারণা মামলায় অবশেষে প্রকাশ্যে তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান। আলিপুর জাজেস কোর্টে চারদিনের মধ্যে হাজিরা দেন তিনি। যদিও ওইদিন তার হাজিরার দিন ছিল না। কিন্তু ওইদিনই তিনি চলে এসেছিলেন আদালতে।

বিজেপি এ ঘটনার পর দাবি তুলেছে, অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে তাকে গ্রেপ্তার করা হোক। তার সংসদ সদস্য পদও বাতিল চেয়েছে বিজেপি। তারা মনে করেন, এমন প্রতারক চরিত্রের কোনো সংসদ সদস্য রাজনীতিতে না থাকাই বরং ভালো। তারা বলেন, চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির বাজে দৃষ্টান্তগুলো এ সাংসদ সংসদের মতো পবিত্র জায়গাকে দূষিত করতেই বেশি ভূমিকা রাখছেন।

ফলে রাজনীতির পথ যে তার জন্য কাঁটা বিছানো এটা বুঝে গেছেন ইতোমধ্যেই নুসরাত। তাই ভোটের সময় যত ঘনিয়ে আসছে ততই উত্তেজনার পারদ চড়ছে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশী নেতাদের মনে। কিন্তু নুসরাতই যেন ব্যতিক্রম। এবারের লোকসভা নির্বাচনের আগেই সংসদের শেষ দিনে তাকে একটি বিশেষ পোস্ট করতে দেখা যায়। পোস্ট করা এই ভিডিওতে তাকে বাংলার মানুষের হয়ে কথা বলতে শোনা যায়। তিনি এদিন ১০০ দিনের মনরোগা স্কিমের আওতায় কাজ করা কর্মীদের বকেয়া টাকা নিয়েও কথা বলেন। সেই মুহূর্তের ক্লিপ পোস্ট করে একটি আবেগঘন বার্তা লেখেন নুসরাত।

নুসরাত লেখেন, সংসদে আমার শেষ দিন। ঈশ্বর এবং আমাদের সম্মানীয় দিদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আমি কৃতজ্ঞ বাংলার মানুষের জন্য, তাদের হয়ে কথা বলতে সুযোগ পাওয়ার জন্য। বিশেষ করে বসিরহাট নির্বাচনী এলাকার মানুষের হয়ে কথা বলতে পারার জন্য। সবাইকে ধন্যবাদ ভালোবাসা ও সমর্থন দেওয়ার জন্য। আর তার এমন পোস্টেই ফুটে ওঠে তিনি রাজনীতি থেকে বিদায় নিচ্ছেন। এখন কি তবে নুসরাত পুরোপুরি মনোযোগ দিতে চান টলিউডেই।


আরও খবর

যে কারণে টাকা ফিরিয়ে দিলেন জয়া

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ঈধিকার পর এবার মিমি

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24




নোয়াখালীতে বাস চাপায় নারী-শিশু নিহত, চালকসহ গ্রেফতার ৩

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩১জন দেখেছেন

Image

নোয়াখালীর সদর উপজেলা সোনাপুরে এক ভবঘুরে ভিক্ষুক নারীকে রাস্তা পার করে দিতে গিয়ে বাস চাপায় এক শিশুসহ দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ঘাতক বাসচালক ও তার দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। একই সাথে বাসটি জব্দ করা হয়।    

গ্রেফতারকৃতরা হলে- সিলেটের বালাগঞ্জ থানার হামছাপুর গ্রামের মৃত মজমিল আলীর ছেলে মিজানুর রহমান (৩১), সিলেটের সিরাজ উদ্দিনের ছেলে আবু তাহের (২৬) ও সুনামগঞ্জের জসিম উদ্দিনের ছেলে তারেক আহমদ (১৮)। 

 শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতের দিকে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এর আগে, একই দিন সন্ধ্যার দিকে নোয়াখালী পৌরসভার সোনাপুর পুরান বাসস্ট্যান্ড বাইপাস সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত জান্নাতুল ফেরদাউস (৮) সদর উপজেলার চর করম উল্যা গ্রামের জাকের হোসেনের মেয়ে ও অজ্ঞাত নারী (৬০) ভিক্ষুক ভবঘুরে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ ভবঘুরে নারীর পরিচয় জানাতে পারেনি। র‍্যাব-১১ সিপিসি-৩ ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক মো.গোলাম মোর্শেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ঘটনার পর পরই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১১ ও র‍্যাব-১ যৌথ অভিযান চালিয়ে চালকসহ তার দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করে। পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।    

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভবঘুরে ভিক্ষুক বৃদ্ধ নারী সোনাপুর এলাকায় থাকত মাঝে মাঝে ভিক্ষা করত। শুক্রবার বিকালে  তাকে জান্নাতুলের পরিবার বাসায় খাবার খাওয়াতে নিয়ে যায়। ওই নারী চোখে কম দেখত। এজন্য সন্ধ্যার দিকে জান্নাতুল তাকে রাস্তাপার করে দিতে বাসা থেকে নিয়ে আসে। একপর্যায়ে নোয়াখালী পৌরসভার সোনাপুর পুরান বাসস্ট্যান্ড বাইপাস সড়কের সোনাপুর ক্লোড স্টোরেজের সামনে তাদের বেপরোয়া গতির মাইজদীগামী একটি বাস তাদের চাপা দিলে তারা গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসত তাদের মৃত ঘোষণা করেন।  


আরও খবর



স্বর্ণের দাম আন্তর্জাতিক বাজারে ১ সপ্তাহে সর্বনিম্ন

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৮জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী। মঙ্গলবারও স্বর্ণের দর কমেছে। এখন তা গত ১ সপ্তাহেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্নে অবস্থান করছে। রয়টার্সের বরাত দিয়ে সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

সিএনবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড) শিগগিরই সুদের হার না কমানোর আভাস দিয়েছে। এ প্রত্যাশায় দেশটির মুদ্রা ডলার শক্তিশালী হয়েছে। ফলে স্বর্ণের মূল্য নিম্নগামী হয়েছে।

স্পট মার্কেটে আলোচ্য কার্যদিবসে বৈশ্বিক বেঞ্চমার্ক স্বর্ণের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। প্রতি আউন্সের দর স্থির হয়েছে ২০২৩ ডলার ৯২ সেন্টে। সোমবার যা গত ২৫ জানুয়ারির পর সর্বনিম্নে নেমে গিয়েছিল।

ফিউচার মার্কেটে একই কর্মদিবসে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক স্বর্ণের মূল্য হ্রাস পেয়েছে শূন্য দশমিক ১ শতাংশ। আউন্সপ্রতি দাম নিষ্পত্তি হয়েছে ২০৪০ ডলারে।

বিশ্বখ্যাত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইক্সিনিটি গ্রুপের প্রধান বাজার কৌশলবিদ হ্যান ত্যান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি প্রত্যাশার চেয়ে শক্তিশালী রয়েছে। ফলে আগামী মার্চে ফেডের সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা উবে গেছে। তাতে স্বর্ণের দরপতন ঘটেছে।

একই দিনে ইউএস ডলার শূন্য দশমিক ১ শতাংশ ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। গত তিন মাসের মধ্যে তা সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। সেই সঙ্গে ১০ বছর মেয়াদি মার্কিন ট্রেজারি ইল্ড ঊর্ধ্বগামী হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে অন্যান্য মুদ্রা ধারণকারীদের কাছে স্বর্ণ রাখা ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে। ফলে বুলিয়ন বাজারে তেজ কমেছে।


আরও খবর



জন্মদিনে স্বামীকে যে বার্তা দিলেন ঐশ্বরিয়া

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৭জন দেখেছেন

Image

কয়েক মাস ধরেই শোনা যাচ্ছিল ভাঙন ধরেছে অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়ার সংসারে। ইতিমধ্যে মেয়েকে নিয়ে নাকি স্বামীর বাড়ি ছেড়েছেন ঐশ্বরিয়া। মেয়ে আরাধ্যা বচ্চন ও মা বৃন্দা রাইকে নিয়ে অন্যত্র থাকেন তিনি। এমন খবরও চাউর হয়, শ্বশুর অমিতাভ বচ্চনও তাঁর ছেলের বউয়ের ইনস্টাগ্রাম আইডি আনফলো করে দিয়েছেন।

তবে বিচ্ছেদের জল্পনা অব্যাহত থাকলেও এখনো পর্যন্ত এ প্রসঙ্গে কোনো মন্তব্য করেননি পরিবারের কেউই। চুপ রয়েছেন ঐশ্বরিয়াও। তবে গতকাল ছিলো অভিষেক বচ্চনের জন্মদিন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অভিনেতাকে।

কিন্তু সারাদিন নীরব ছিলেন ঐশ্বরিয়া। এতে আরো জোরালো হয় তাদের সংসার ভাঙার গুঞ্জন। তবে এদিন সন্ধ্যায় স্বামীর জন্য ‘শান্তি’ কামনা করেন এই অভিনেত্রী। ঐশ্বরিয়া তার ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেন।

তাতে মেয়ে আরাধ্য ও অভিষেকের সঙ্গে ফ্রেমবন্দি হয়েছেন ঐশ্বরিয়া। এ ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘তোমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। সৃষ্টিকর্তা তোমাকে সুখ, ভালোবাসা, শান্তি ও সুস্বাস্থ্য দান করুক। উজ্জ্বল হও। এ পোস্টের কমেন্ট বক্সে একটি মন্তব্য করেন ঐশ্বরিয়া।

তাতে এ অভিনেত্রী লেখেন, ‘আমি আনন্দিত যে, আরাধ্য দেখতে তার বাবা কিংবা মায়ের মতো নয়। কিন্তু বাবা-মায়ের মিশ্রণ। তার নিজস্ব ইমেজ রয়েছে।’ দিন শেষে অভিষেককে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখছেন না নেটিজেনরা। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘তিনি তার স্বামীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কিন্তু পোস্টে প্রিয় স্বামী বা অন্য কিছু লেখেননি।’ আরেকজন লেখেন, ‘মনে হয় তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন সত্যি।’ এমন অসংখ্য মন্তব্য ভেসে বেড়াচ্ছে কেমেন্ট বক্সে।

ঐশ্বরিয়া-অভিষেক অনেক পুরোনো বন্ধু। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে একসঙ্গে সিনেমায় কাজ করেছেন তারা। ‘ঢাই আকসার প্রেম কা’ সিনেমায় প্রথম একসঙ্গে কাজ করেন তারা। এখান থেকেই তাদের বন্ধুত্বের সূচনা। যা পরবর্তীতে প্রেমে রূপ নেয়। ২০০৭ সালের ২০ এপ্রিল বিয়ে করে সংসার জীবন শুরু করেন অভিষেক-ঐশ্বরিয়া। ২০১১ সালের ১৬ নভেম্বর এই দম্পতির ঘর আলো করে জন্ম নেয় কন্যা আরাধ্য।


আরও খবর

যে কারণে টাকা ফিরিয়ে দিলেন জয়া

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ঈধিকার পর এবার মিমি

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24




জনবল সংকট সত্বেও সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় ট্রেনের উৎপাদন কার্যক্রম বৃদ্ধি

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪৭জন দেখেছেন

Image

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি: ব্যাপক জনবল সংকট ও বাজেটের সীমাবদ্ধতা সত্বেও দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম বৃদ্ধি পেয়েছে। দিনে ৩ ইউনিট মেরামত লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও কোচ মেরামতের ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা (টার্গেট) ৪ ইউনিট ছাড়িয়ে গেছে।

নতুন নতুন রেলরুট চালু ও পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ চালু হওয়ায় যেমন কোচের চাহিদা বেড়েছে তেমনি নতুন ট্রেন চালু করতেও অনেক কোচের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। এ কারণে পুরাতন ট্রেন মেরামত ও নতুন ট্রেন সংযোজনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে জোগান দিতে কারখানায় এই কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। 

রেলের সূত্র জানায়, বর্তমান সরকার রেলবান্ধব। ফলে সারাদেশে রেলপথ বাড়ানো হচ্ছে। পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ চালুর পর পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়েতে বেশ কিছু নতুন ট্রেন চালু হয়েছে। দিতে হচ্ছে কোচের জোগান। ফলে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার উপর চাপ বেড়েছে।

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার ক্যারেজ শপের (উপ-কারখানা) ইনচার্জ ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোমিনুল ইসলাম বলেন, এখানে প্রতিদিন ৩ ইউনিট কোচ মেরামতের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। প্রতিদিন দুই ইউনিটে একটি পূর্ণাঙ্গ কোচ বুঝানো হয়। সেক্ষেত্রে আমরা চলতি অর্থ বছরে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ মাসে ৩১৭টি কোচ মেরামত করেছি। অর্থাৎ প্রতিদিন ৪ ইউনিট মেরামত কাজ হয়েছে।

কারখানা সূত্র জানায়, সৈয়দপুর কারখানায় চরম লোকোবল সংকট রয়েছে। এখানে দুই হাজার ৮৫৯ জনের স্থলে লোকোবল রয়েছে মাত্র ৮২০ জন। কারখানার ২৮টি উপ-কারখানায় (শপ) উৎপাদন চলছে সীমিত সংখ্যক লোক নিয়ে। মাত্র ২৮ শতাংশ লোক কর্মরত আছেন ১১০ একর জমির উপর গড়ে ওঠা বিশাল ওই কারখানাটিতে। 

এছাড়াও কারখানায় বাজেট স্বল্পতা রয়েছে। চলতি বছরে মাত্র ২০ কোটি টাকা বাজেট মিলেছে। বাজেটের টাকায় মেরামত কাজে ব্যবহৃত উৎপাদন ও উপকরণ সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। তবে কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতন দেয়া হয় রাজস্ব খাত থেকে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে শূন্যপদে লোক নিয়োগ জরুরি। সেইসাথে বাজেট দ্বিগুন করা না হলে উৎপাদন ব্যহত হতে পারে। 

কারখানা সূত্রে জানা যায়, উপরের চাহিদা অনুযায়ী অবিশ্রান্ত কাজ করছেন কারখানার শ্রমিক-কর্মচারিরা। রেলপথে চলাচলের পর অনুপোযোগী হয়ে পড়া কোচগুলো সৈয়দপুর কারখানায় এনে প্রয়োজনে মেরামত সেরে পূনরায় পাঠিয়ে দেয়া হয় রেলপথে।

সরজমিনে দেখা যায়, ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চলছে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায়। ক্যারেজ শপে চলছিল ভারি মেরামত কাজ। একটি ক্যারেজের বগির ওপর (আন্ডারফ্রেম) ক্রেনের মাধ্যমে স্থাপন করা হচ্ছে সুপার স্ট্রাকচার। পাশেই বগি শপে চলছিল চ্যাচিজ মেরামতের কাজ। এছাড়া ক্যারেজ শপে চলছে রেলকোচে রংয়ের প্রলেপ। ১২ হাজার রকম যন্ত্রাংশ তৈরি হয় মেশিনসহ কয়েকটি শপে। যা রেলকোচ, ওয়াগণ ও ইঞ্জিনে ব্যবহার করা হয়। একটি শপে ট্রেনের ব্রেক তৈরি হচ্ছিল। একটিতে তৈরি হচ্ছিল একটি কোচের সাথে অপর কোচকে জুড়ে দেওয়ার কাপলিং যন্ত্র। এছাড়া ঢাকায় পুড়ে যাওয়া ৩টি কোচও আনা হয়েছে কারখানায়। যেগুলো মেরামত করছিলেন শ্রমিকরা।

এ নিয়ে কথা হয় সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্বাবধায়ক (ডিএস) সাদিকুর রহমানের সাথে। তিনি বলেন, এখন কাজে তৎপরতা অনেক বেশি। দেশের রেলপথ বাড়ছে। তাই আমাদের ওপর চাপও বেড়েছে। কারখানাটিতে লোকবল সংকট নিরসনের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তবে সীমাবদ্ধতার মাঝেও কারখানার গতি নজীরবিহীনভাবে ধরে রাখায় তিনি শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী মুহাম্মদ কুদরত ই খুদা জানিয়েছেন, এখন ম্যানেজমেন্ট লেভেল অনেক ভালো। মূলত ব্যবস্থাপনার কারণেই সৈয়দপুর কারখানায় উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। অবিলম্বে রেলওয়ের সব রকম সীমাবদ্ধতা দুর করতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সজাগ আছে বলে জানান তিনি। 


আরও খবর