Logo
আজঃ শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

রাশিয়ায় ইউক্রেনের হামলায় নিহত ২০

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৯জন দেখেছেন

Image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : রাশিয়ায় বড় ধরনের বিমান হামলা চালালো ইউক্রেন। সীমান্তবর্তী বেলগোরদে প্রাণ গেছে কমপক্ষে ২০ জনের। এ হামলায় আহত হয়েছে অন্তত শতাধিক। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদ সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেনে মস্কোর অভিযান শুরুর পর রাশিয়ার অভ্যন্তরে সবচেয়ে বড় হামলার ঘটনা এটি। এ হামলায় হতাহতদের মধ্যে তিন শিশুও রয়েছে।

ইউক্রেনের নিরাপত্তা বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে হামলা। ৭০টির বেশি ড্রোন ছোঁড়া হয়েছে রুশ স্থাপনাকে লক্ষ্য করে।

বেলগোরদে ১৩টি মিসাইল ভূপাতিতের দাবি করেছে ক্রেমলিন। এছাড়াও মস্কোসহ আরও কয়েকটি শহরে ধ্বংস করা হয়েছে ৩২টি ড্রোন।

এদিকে ইউক্রেনেও অব্যাহত রয়েছে রুশ বাহিনীর হামলা। খেরসনে আবাসিক ভবনে হামলায় নিহত একজন। খারকিভে মস্কো বাহিনীর ছোঁড়া রকেটে আহত ১৯ জন।

এর আগে, শুক্রবার ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে বড় ধরণের হামলা চালায় রাশিয়া। এতে মৃত্যু হয় ৩৯ জনের।


আরও খবর

ভেনেজুয়েলায় সোনার খনি ধসে নিহত ২৩ জন

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বঙ্গবন্ধু টানেলে দূর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ডেকোর বোর্ড, আহত ৫

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪৬জন দেখেছেন

Image

কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের ভেতর নিয়ন্ত্রণহীন প্রাইভেট কারের ধাক্কা লেগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে টানেলের ডেকোরেশন বোর্ড। এতে দূর্ঘটনা প্রাইভেট কারের ৫ জন যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার রাত ৭টার দিকে প্রাইভেট কারটি চট্টগ্রাম নগরী থেকে আনোয়ারা প্রান্তে যাবার পথে টানেলের ভেতর এ দূর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি প্রাইভেটকার উল্টে টানেলে গায়ে ধাক্কা লাগে। পরে পেছন থেকে আসা আরও দুইটি প্রাইভেটকার দুর্ঘটনার শিকার প্রাইভেটকারে ধাক্কা দেয়। প্রাইভেটকার তিনটি দুমড়েমুচড়ে যা।। ফলে টানেলের ডেকোরেশন বোর্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এছাড়াও প্রাইভেটকারের ৫ যাত্রী গুরুতর আহত হন। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দূর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী তানভীর রিফা জানান, রাতে একটি প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে টানেলের গায়ে ধাক্কা দেয়। পরে ক্ষতিগ্রস্ত প্রাইভেট কারটি সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুইটি প্রাইভেট কারি উল্টে যায়। এতে টানেলের ডেকোরেশন বোর্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে টানেলের নিরাপত্তাকর্মীরা প্রাইভেট কার তিনটি জব্দ করা হয়।

উল্লেখ্য যে গত ১৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার ভোরে টানেলের ভেতর নিয়ন্ত্রণহীন পণ্যবাহী পিকআপ ভ্যানের ধাক্কা লেগে ক্ষতিগ্রস্ত হয় টানেলের ডেকোরেশন বোর্ড ও অগ্নি নির্বাপণ সরঞ্জাম।


আরও খবর



ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের নিরাপত্তায় কাজ করবে ছয় হাজার পুলিশ সদস্য

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৮জন দেখেছেন

Image

শুক্রবার থেকে টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব। আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে এ পর্ব শেষ হবে রবিবার।

ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মাহবুব আলম।

বৃহস্পতিবার সকালে এই পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বের নিরাপত্তায় র‌্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ছয় হাজার পুলিশ সদস্য কাজ করবেন।

তিনি জানান, আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে নিরাপত্তার দায়িত্বে মাঠে নেমেছে পুলিশ। পুরো ইজতেমার মাঠে ছয় হাজার পুলিশ সদস্য কাজ করবে। পাশাপাশি ইজতেমা এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। উন্নত প্রযুক্তির ক্যামেরা ব্যবহার করে বিভিন্ন যানবাহনের গতিবিধি মনিটরিং করা হচ্ছে।

জিএমপি কমিশনার আরও জানিয়েছেন, ‘পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাবের একাধিক ইউনিট ইজতেমা ময়দানে কাজ করছে। বিভিন্ন বিভাগের গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। দ্বিতীয় পর্বেও বিদেশি মেহমান আসতে শুরু করেছেন। অর্থাৎ আজ থেকে পুরো ইজতেমা এলাকা নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে রাখা হয়েছে।’


আরও খবর

হাফেজ বশির আলজেরিয়ার পর ইরানে প্রথম

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




গভীর রাতে কম্বল নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন মন্ত্রী আব্দুর রহমান এমপি

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৪জন দেখেছেন

Image
মো: সজীব মোল্লা : ফরিদপুরের মধুখালীতে যে সময় মানুষ ঘুমায় কম্বল মুড়ি দিয়ে। আর সেই সময় গভীর রাতে কম্বল নিয়ে নির্বাচনী এলাকার ছিন্নমূল মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান এমপি। 

এই শীতে তিনি মধুখালী,বোয়ালমারী ও আলফাডাঙ্গার নেতাকর্মীদের মাধ্যমে বিভিন্ন এতিমখানাসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন শীতবস্ত্র (কম্বল) নিয়ে।

৬ জানুয়ারী মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে মধুখালী উপজেলার মেছড়দিয়াসহ কয়েকটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের (গুচ্ছগ্রাম) শতাধিক অসহায় ছিন্নমুল মানুষকে নিজহাতে কম্বল তুলে দেন মন্ত্রী আব্দুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামনুন আহমেদ অনিক, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা.সুদেব কুমার দাস, মধুখালী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.মিরাজ হোসেন,উপজেলা আওয়াামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল হক বকু প্রমুখ। কম্বল পাওয়া মেছড়দিয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা শাহিদা বেগম জানান, দিনের বেলায় শীতের তীব্রতা কমে গেলেও রাতে বাড়ে শীতের তীব্রতা। শীতের শেষ মুহূর্তে শীতের বেগ রাতে একটু বেশি হয়। এই শীতের রাতে মন্ত্রী সাহেবের দেওয়া কম্বল আমাদের অনেকটাই উপকারে আসবে,ধন্যবাদ তাকে। দীর্ঘায়ু কামনা করি। এক প্রতিক্রিয়ায় মন্ত্রী মোঃ আব্দুর রহমান বলেন, ফরিদপুর-১ আসনে আমার নির্বাচনী জনপদের তিন উপজেলার প্রায় ১০/১২ হাজার অসহায় মানুষকে শীত মৌসুমে শীতবস্ত্র (কম্বল) বিভিন্ন মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।এখনো বিতরণ চলমান রয়েছে।আজকে বোয়ালমারী উপজেলার কাদিরদীতে এসেছিলাম একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে। সেখান থেকে ভাবলাম নিজের হাতে ছিন্নমূল মানুষের হাতে কিছু কম্বল দিয়ে যাই। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এলাকার অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এবং সুখ-দুঃখে পাশে থাকতে চাই।

আরও খবর



শেরপুরের গারো পাহাড়ে বন্যহাতির তান্ডবে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন পাহাড়ি গ্রাম বাসীরা

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৩জন দেখেছেন

Image

হারুন অর রশিদ উপজেলা প্রতিনিধি : শেরপুরের গারো পাহাড়ে বন্য হাতির তান্ডবে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন পাহাড়ি গ্রাম বাসীরা। বর্তমানে ও বন্য হাতির তান্ডব অব্যাহত রয়েছে। উপুর্যপুরি বন্য হাতির তান্ডবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পাহাড়ি গ্রামবাসীরা।

জানা গেছে, সীমান্তেরপ্রায় ৪০ কিলোমিটার এলাকার বনাঞ্চলে অবস্থান করছে বন্য হাতির দল।হাতিকবলিত ৬টি ইউনিয়নের প্রায় ৫০টি পাহাড়ি গ্রাম গুলোতে গারো,হাজং, কোচ,বানাই,হিন্দু মুসলমানসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রায় ৫০ হাজার লোকের বসবাস। ১৯৯৫ সালে এসব পাহাড়ি গ্রাম গুলোতে শুরু হয় বন্যহাতির পদচারণা। হাতির দল দিনে গভীর অরণ্যে আশ্রয় নিচ্ছে। আর সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে খাদ্যের সন্ধানে নেমে আসছে লোকালয়ে।

ঘর-বাড়ী, ক্ষেতের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে চলেছে। ক্ষেতের ফসলরক্ষার্থে পাহাড়ি গ্রাম বাসীরা রাত জেগে পাহাড়া দিচ্ছে। ঢাকঢোল ও পটকা ফুটিয়ে,মশাল জ্বালিয়ে হাতি তাড়ানোর চেষ্টা চলছে। কিন্ত যতই হাতি তাড়ানোর চেষ্টা চলছে ততই হাতির দল তেড়ে আসছে লোকালয়ে। হাতির কবল থেকে রক্ষা পেতে ঘর-বাড়ী ফেলে রেখে অনেকেই চলে আসছেন লোকালয়ে। হাতি চলেযাবার পর বাড়ি ফিরছেন তারা। এতে যেনপাল্লা দিয়েই বাড়ছে মানুষ-হাতির দ্বন্দ্ব। নির্ঘুম রাত কাটছে পাহাড়ি গ্রাম বাসীদের।

হাতিকবলিত এলাকা গুলোতে নেই ন্যাচারাল বন। একসময় ২০ হাজার একর বনের জমিতে শালগজারী বনছিল। ৯০ দশকের পর থেকে এসব বন পরিস্কার করে সৃজন করা হয় সামাজিক বন। শত শত একর জমিতে চাষাবাদ হচ্ছে। গড়ে উঠেছে জনবসতি। এতেগড়ে উঠছে নাহাতির খাদ্য। বনের জমি বেদখল হওয়ায় সংকুচিত হয়ে পরেছে হাতির আবাস্থল। জানা গেছে, বন বিভাগের পক্ষ থেকে গারো পাহাড়ে হাতির ২টি খাদ্য ভান্ডার গড়ে তুলার জন্য সরকারি অর্থ বরাদ্দ হয়। কিন্তু ওই খাদ্য ভান্ডার আর আলোর মুখ দেখেনি।

নাওকুচি গ্রামের ইউপি সদস্য গোলাপ হোসেন সহ গ্রাম বাসীরা জানান,বন্যহাতির তান্ডবে পাহাড়ি এলাকার জমি গুলো চাষাবাদ করা সম্ভব হয় না। অনেকেই জীবিকার তাগিদে হাতির আক্রমনের ভয় উপেক্ষা করে চাষা বাদ করছেন।এছাড়া পাহাড়ি গ্রাম গুলোতে নাই কোন কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা। ফলে অতি কষ্টে দিনাতিপাত করছেন তারা। গজনী গ্রামের অবিওসাংমা বলেন, পেটে খাবার না থাকলে ও প্রতিরাতেই হাতি তাড়াতে মশাল ব্যবহারের জন্য কমপক্ষে ২ লিটার কেরোসিন তেল ঘরে রাখতে হয়। অনেকের পক্ষে তা সম্ভব হয়না। হাতির আক্রমন শুরুর দিকে প্রশাসন বাজন প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে পাহাড়ি গ্রাম বাসীদের মশাল ব্যবহারের জন্য কেরোসিন তেল বিতরন করা হতো। কিন্তু এখন আর তা করা হয় না।

হাতির কবল থেকে পাহাড়ি গ্রাম বাসীদের রক্ষার্থে বন মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে সোলার ফেন্সিং স্থাপন করা হয়। কিন্তু ঠিকাদার নিম্নমানের কাজ করা কোনই কাজে আসছেনা। অকেজো হয়ে পড়ে আছে সোলার ফেন্সিং। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ১৯৯৫ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত হাতির আক্রমণে ৬০ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আহত শতাধিক। আর হাতির মৃত্যু হয়েছে ৩৩টি। ৩টি হাতি হত্যার বিষয়ে মামলা হয়েছে। এসব হাতির বেশির ভাগই মৃত্যু হয়েছে বৈদ্যুতিক ফাঁদে, নয়তো ধারালো অস্ত্রের আঘাতে।

হাতির সাথে যুদ্ধ করে বিপর্যস্থ গ্রাম বাসীদের খাদ্য সহায়তা ও হাতি তাড়াতে কেরোসিন তেল বিতরন ব্যবস্থা চালু রাখার দাবি উঠেছে জন প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে। শ্রীবরদী উপজেলার বালিজুরি রেঞ্জ কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, হাতি কবলিত এলাকায় বসবাস কারিদের সরিয়ে নেয়া ও খাদ্য ভান্ডার গড়ে তোলা হলে মানুষ- হাতি দ্বন্দ্ব কমিয়ে আনা যাবে। ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আ.ন.ম আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, হাতির আক্রমনে নিহতদের পারিবার ও ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের ক্ষতিপূরণ বাবদ ২০২৪ সালপর্যন্ত ১ কোটি টাকা বিতরন করা হয়েছে।

শেরপুরের জেলাপ্রশাসক আব্দুল্লাহ আল খায়রুম বলেন, সীমান্তের গারো পাহাড়ে হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে জনগনকে সচেতনতার লক্ষে বনবিভাগের পক্ষ থেকে রেসপন্স টিম কাজ করছে। এছাড়া সীমান্ত এলাকায় সোলারফ্যানসিং স্থাপনএবং অভয়ারণ্য গড়ে তোলাসহ টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পাহাড়ে হাতিসহ প্রাণ বৈচিত্র্য রক্ষায় চেষ্টা ও করা হচ্ছে।


আরও খবর



ফখরুল-খসরুর জামিন শুনানি ১৪ ফেব্রুয়ারি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৫জন দেখেছেন

Image

প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় করা রমনা মডেল থানার মামলায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর জামিন আবেদন শুনানির জন্য ১৪ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামানের আদালতে জামিনের আবেদন করেন তাদের আইনজীবী সৈয়দ জয়নাল আবেদীন মেজবাহ।

তিনি বলেন, এর আগে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই মামলায় তাদের জামিনের আবেদন নামঞ্জুর হয়। ওই আদেশের বিরুদ্ধে আমরা মহানগর দায়রা জজ আদালতে জামিনের আবেদন করেছি। এই এক মামলায় জামিন পেলে কারামুক্ত হতে পারবেন তারা বলে জানান এই আইনজীবী।

জানা যায়, গত বছরের ২৮ অক্টোবর বিএনপির মহাসমাবেশ শুরুর আগে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে গাছের ডাল ভেঙে ও হাতের লাঠি দিয়ে নামফলক, গেটে হামলা চালানো হয়। অভিযুক্তরা ভেতরে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। এ ঘটনায় মির্জা ফখরুলসহ বিএনপির ৫৯ নেতার বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা করা হয়।

গত ২৯ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গুলশানের বাসা থেকে মির্জা ফখরুলকে আটক করে নিয়ে যায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আর ২ নভেম্বর দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে গুলশানের বাসা থেকে আমীর খসরুকে আটক করে ডিবি পুলিশ। পরদিন ৩ নভেম্বর তার ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ৯ নভেম্বর রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনিও কারাগারে রয়েছেন


আরও খবর