Logo
আজঃ শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

পরিচয় না জেনে আশ্রিতদের ফেরত দেওয়া যাবে না

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৬জন দেখেছেন

Image

মিয়ানমার সীমান্তে বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘাতে টিকতে না পেরে মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) যে ৩২৯ জন সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, তাদের পরিচয় নিশ্চিত হয়েই ফেরত পাঠানোর কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। আশ্রিতদের মধ্যে কয়েক জন গুপ্তচর রয়েছে বলে এমন আলোচনা হচ্ছে। ইতিমধ্যে আশ্রিতদের ফেরত নিতে জাহাজ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে মিয়ানমার সরকার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এরা আসলেই সকলেই মিয়ারমারের বিজিপির সদস্য কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় যে ২৩ জনকে অস্ত্রসহ গ্রামবাসী আটক করে পুলিশে দিয়েছে তাদের মধ্যে ১৭ জনই উখিয়ার একটি ক্যাম্পের বাসিন্দা। তাদের কাছে আইডি কার্ডও পাওয়া গেছে। তারা কীভাবে ক্যাম্প থেকে ওপারে গেল সেগুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক নুরুল হুদা ইত্তেফাককে বলেন, ‘শুধু যুদ্ধ পরিস্থিতি নয়, যে কোনো পরিস্থিতিতে কোনো বিদেশি নাগরিক দেশের মধ্যে ঢুকে পড়লে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া জরুরি। এটা বিশ্বব্যাপী প্র্যাকটিস। আর মিয়ানমারে যেহেতু সংঘাত চলছে, ফলে সেখানে থেকে কারা এসেছে সেটা অবশ্যই নিশ্চিত করে ফেরত পাঠাতে হবে। এরা কী আসলেই বিজিপি সদস্য, নাকি কোনো বিদ্রোহী গ্রুপের সদস্য সেটাও দেখতে হবে। সবকিছু নিশ্চিত হয়েই তাদের ফেরত দিতে হবে। এটা একটা সাধারণ নিয়ম।’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মিয়ানমার তাড়াহুড়ো করলেও আমাদের তাড়াহুড়ো করা যাবে না। তারা কী আদৌ বর্ডার গার্ডের সদস্য কি না, এটা নিশ্চিত হতে হবে। আবার এদের মধ্যে কেউ গুপ্তচরও থাকতে পারে। এগুলো বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এদের মধ্যে এমন কেউ ঢুকে পড়তে পারে, যারা বাংলাদেশে ঢুকে নানা ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য নিয়ে বিদেশে অপপ্রচার করতে পারে। কেউ কোনো সন্ত্রাসী দলের সদস্য হলে সেটা আমাদের নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের প্রশ্ন হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আশ্রিতদের মধ্যে কেউ মানবাধিকার লঙ্ঘন বা যুদ্ধাপরাধের মতো অপরাধের সঙ্গে যুক্ত কি না, সেটাও নিশ্চিত হতে হবে। তা না হলে তিনি ফিরে গিয়ে একই ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়তে পারেন।

২৩ জনের ১৭ জনই ক্যাম্পের বাসিন্দা : এদিকে দুই দিন আগে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় যে ২৩ জনকে অস্ত্রসহ আটকের পর এলাকাবাসী পুলিশে দিয়েছে, তাদের বিষয়ে তদন্ত করে ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এদের ১৭ জন উখিয়ার একটি ক্যাম্পের বাসিন্দা। তাদের কাছে ক্যাম্পের পরিচয়পত্রও (এফসিএন কার্ড) রয়েছে। অন্য ছয় জনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তারা কীভাবে ক্যাম্প থেকে বের হয়ে মিয়ানমারে গেল সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। তারা কী কোনো পক্ষের হয়ে যুদ্ধে গিয়েছিল কি না, কিংবা কী কারণে গেলেন সেটাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও গোয়েন্দারা। 

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার ২৩ জনকে আটকের পর গত শুক্রবার দুপুরে বালুখালি বিওপির নায়ক সুবেদার শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে আটক অস্ত্র ও অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেফতার এই রোহিঙ্গা যুবকদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১২টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৮৬৮ রাউন্ড গুলি, পিস্তলের ২৪টি খালি খোসাসহ রাইফেল গ্রেনেড ফিউজ পাঁচ রাউন্ড, এসএমজির ম্যাগাজিন ছয়টি, এলএমজির ম্যাগাজিন চারটি, জি-৩ রাইফেলের ম্যাগাজিন একটি ও পিস্তলের ম্যাগাজিন দুইটি। এই অস্ত্রগুলো তারা কোথায় পেয়েছে সেটাও অনুসন্ধান চলছে।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শামীম হোসাইন ইত্তেফাকে বলেন, শনিবার ঐ ২৩ জনকে আমরা আদালতে পাঠিয়ে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছি। আদালতে এখনো শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। তাদের রিমান্ড হলে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করব। 

আবারও আলোচনায় নবী হোসেন : মিয়ানমারের নাফ নদীর সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করে বাংলাদেশের শীর্ষ ইয়াবার ব্যবসা করেন নবী হোসেন। নাফ নদীর তীর ঘেঁষে তার শতাধিক চিংড়ি ঘের রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে ইয়াবার কারখানাও। চিংড়ি ঘের ব্যবসার নামে সে বাংলাদেশে ইয়াবার চালান পাঠায় নাফ নদী দিয়ে। অবৈধ অস্ত্রও পাঠায়—এমন অভিযোগও রয়েছে। এগুলো নিয়ন্ত্রণে তার রয়েছে বিশাল সশস্ত্র বাহিনী। রাখাইনে যখন সংঘাত চলছে, তখন নবী হোসেন কোথায়? খোঁজ নিয়ে ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নবী হোসেন এখনো রাখাইনেই আছে। তার যে ক্যাডার বাহিনী ছিল, তারাও রাখাইনেই আছে। কেউ এখনো বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেনি। তবে নবী হোসেন ভোল পালটে এখন সেখানে বহাল তবিয়তেই রয়েছেন। পাশাপাশি ইয়াবার ব্যবসাও চলছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ সীমান্তে সতর্ক পাহাড়া দিলেও এর মধ্য দিয়েও ইয়াবা আসছে। ইয়াবার চালান পাঠাচ্ছেন সেই নবী হোসেন। এমন তথ্য জানিয়েছেন টেকনাফ এলাকার একাধিক বাসিন্দা। এই নবী হোসেন বিরুদ্ধে বাংলাদেশের টেকনাফ ও উখিয়া থানায় হত্যাসহ এক ডজনেরও বেশি মামলা রয়েছে। বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তালিকায় মাদকের গডফাদার হিসেবে নবী হোসেনের নাম রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকের বেশ কিছুসংখ্যক মামলা রয়েছে বলে একজন কর্মকর্তা জানান। তার ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থায় আছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।


আরও খবর



রহনপুর রাবেয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় 

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৮জন দেখেছেন

Image
চাঁপাই নবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর  রহনপুর  রাবেয়া বালিকা  উচ্চ বিদ্যালয়ের এস এস সি পরিক্ষার্থীদের বিদায় ও ৬ ষষ্ঠ শ্রেনির ছাত্রীদের নবীনবরনও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
 
শনিবার সকাল দশ টায় স্কুলে প্রাঙ্গণে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন রহনপুর  রাবেয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাওসার আলি। প্রধান অতিথি ছিলেন  চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২ আসনের সংসদ সদস্য ও বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মুঃ  জিয়াউর রহমান।  তার অনুপস্থিতিতে উপস্থিত ছিলেন রহনপুর পৌর মেয়র মতিউর রহমান খান।
 
বক্তব্য রাখেন  অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শৈশব আলি,  ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সেরাজুল ইসলাম টাইগার , রহনপুর  শিল্প বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি  আফতাব হোসেন লালন, গোমস্তাপুর সোলেমান মিয়া  ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাকিব,  প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান,  বিদায়ী  শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন  ছাত্রী নাফিসা নুর, ইসরাক জাহান প্রমি ও ইয়াসমিন হোসেন প্রমুখ আলোচনা শেষে  মনোজ্ঞ  সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  এছাড়া রহনপুরে
 
 ভিশন স্কুলের বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শনিবার রহনপুর পুরাতন  বাজারস্থ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক তরিকুল ইসলাম বকুলের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রহনপুর পৌরসভার মেয়র মতিউর রহমান খাঁন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল ফেরদৌস।
 
অন্য অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য দেন রহনপুর শিল্প ও বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি আফতাব উদ্দিন লালান, ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ গোলাম নবী মাসুম, নারী কাউন্সিলর জাহানারা পারভীনসহ অন্যরা। আলোচনা শেষে বার্ষিক ক্রিড়া প্রতিযোগিতার বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আরও খবর



আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক প্রস্তুতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬৯জন দেখেছেন

Image

‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ উপলক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৫টা থেকে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে অনুষ্ঠান হবে। জাতিসংঘের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা এতে অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানে প্রবাসের বিশিষ্টজনেরাও থাকবেন বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। বাঙালির মায়ের ভাষার জন্য অকাতরে রক্তদানের দিন বায়ান্নর ২১ ফেব্রুয়ারিকে গোটাবিশ্বের ভাষা সুরক্ষার দিন হিসেবে জাতিসংঘ স্বীকৃতি প্রদানের পর দিবসটি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে উদযাপিত হচ্ছে। 

মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কন্স্যুলেটেও অনুষ্ঠান হবে। অস্থায়ীভাবে নির্মিত শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করবেন প্রবাসীদের সাথে নিয়ে কন্স্যুলেটের কর্মকর্তারা। সে অনুষ্ঠানেও সকলকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। নিউইয়র্কস্থ মুক্তধারার পক্ষ থেকে এবারও বাংলাদেশের সাথে মিলিয়ে ২০ ফেব্রুয়ারি দুপুরে (বাংলাদেশে একুশের প্রথম প্রহর) জাতিসংঘ সদর দফতরের সামনে দ্যাগ হ্যামারসজোল্ড পার্কে অস্থায়ী শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের কর্মসূচি রয়েছে। 

অপরদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এবারও মহান একুশে উদযাপনের বিস্তারিত কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে উডসাইডে কুইন্স প্যালেসে ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা থেকে একুশের প্রথম প্রহর পর্যন্ত। শতাধিক সংগঠন এতে অংশ নেবে। সাংস্কৃতিক পর্বে থাকবে বিপা, উদীচী, বহ্নিশিখা, বাফা, আড্ডা, শিল্পকলা একাডেমি এবং রবীন্দ্র একাডেমি। এর আগে ১১ ফেব্রুয়ারি জ্যাকসন হাইটস সংলগ্ন পিএস ৬৯এর মিলনায়তনে প্রবাস প্রজন্মের অংশগ্রহণে মহান ভাষা দিবস আলোকে চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃত্তি, লিখন (বাংলা স্বরবর্ণ) প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। প্রবাসে ইতিমধ্যেই সমাদৃত ‘সম্মিলিত মহান একুশ উদযাপন’ কর্মসূচির ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে সাঈদা আকতার লিলি, গাজী সামসউদ্দিন, মোল্লা মনিরুজ্জামান, তাজুল ইসলাম, মহিউদ্দিন দেওয়ান, স্বপন বড়ুয়া, মোহাম্মদ হোসেন খান প্রমুখের সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। 

প্রবাসী বাংলাদেশিদের আমব্রেলা সংগঠন নিউইয়র্কস্থ ‘বাংলাদেশ সোসাইটি’র সম্মিলিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান শহীদ দিবস পালন উপলক্ষে কমিউনিটির সামাজিক-সাংস্কৃতিক, ক্রিড়া, পেশাজীবী ও রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জানানো হয় ইতিমধ্যে প্রায় ৪০টি সংগঠন তাদের নাম নিবন্ধন করেছে। এসময় প্রবাসের সকল সংগঠনের কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আগ্রহী সংগঠনের নাম নিবন্ধন করা যাবে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও নিবন্ধন ফি ১০০ ডলার ধার্য করা হয়েছে। উল্লেখ্য, প্রতি বছরের ন্যায় বাংলাদেশ সোসাইটির আয়োজনে এবারও আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় উডসাইডের তিব্বত কমিউনিটি সেন্টারে যথাযোগ্য মর্যাদায় সম্মিলিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান শহীদ দিবস পালন করা হবে। 

লসএঞ্জেলেস সিটি সংলগ্ন প্যারিস সিটির পাবলিক লাইব্রেরি চত্ত্বরে নির্মিত স্থায়ী শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ এবং আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মাতৃভাষা দিবস উদযাপন কমিটির প্রেসিডেন্ট শহীদ আহমেদ মিঠু এবং প্রতিষ্ঠাতা-প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রহমান রাজু জানিয়েছেন, ভাষা আন্দোলনের সাথে প্রবাস প্রজন্ম এবং সিটির ভিনদেশীদের জানাতে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। এলাকার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাও আসতে পারেন এ অনুষ্ঠানে। 

এদিকে, পেনসিলভেনিয়াস্থ সংবাদদাতা আশরাফুল ইসলাম আরিফ জানান, বৃহত্তর ফিলাডেলফিয়া সিটির ৬টি স্কুলে মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়া হয়েছে। ‘বৈচিত্রে ঐক্য’ (ইউনিটি ইন ডাইভার্সিটি) স্লোগানে আন্তর্জাতিক বোঝাপড়াকে উৎসাহিত ও প্রচার করতে এই সিটির নর্থ ইস্ট উচ্চ বিদ্যালয়, রাউনহার্স্ট প্রাথমিক বিদ্যালয়, পেন আলেক্সান্দার মিডল স্কুল, অ্যালাইন লক স্কুল, হেনরি লিয়া স্কুল এবং আপারডারবি হাই স্কুলে অনুষ্ঠান হবে। এসব অনুষ্ঠানে নিজ নিজ মাতৃভাষা এবং সংস্কৃতির লালনের গুরুত্ব  নিয়ে আলোচনা করবেন বিষয়-বিশেষজ্ঞরা। শিক্ষক, স্কুল প্রশাসন, শিক্ষার্থী ছাড়াও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাও আমন্ত্রণ পাচ্ছেন একুশের এসব অনুষ্ঠানে।  

জানা গেছে, স্কুলসমূহে ভাষা দিবস উদযাপনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে উৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন ফিলাডেলফিয়ায় বসবাসরত মূলধারার রাজনীতিক আবু আমিন রহমান। সাথে রয়েছেন সাংস্কৃতিক সংগঠক পার্থ দেবনাথ এবং কণ্ঠশিল্পী জলি দাস।


আরও খবর

ভাষা শহীদদের প্রতি মালয়েশিয়ায় শ্রদ্ধা

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ঈধিকার পর এবার মিমি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৩জন দেখেছেন

Image

'তুফান’ সিনেমায় চিত্রনায়ক শাকিব খানের নায়িকা কে হচ্ছেন তা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই মিডিয়া পাড়ায় আলোচনা চলছে। একাধিক নায়িকাকে নিয়ে জল্পনা-কল্পনা চললেও এখন অবধি সিনেমাটির নির্মাতা রায়হান রাফি বা শাকিব খান, কেউই মুখ খোলেননি।

তবে এবার জোর আলোচনা চলছে সিনেমাটিতে কলকাতার মিমি চক্রবর্তীকে দেখা যাবে শাকিবের সঙ্গে রোমান্স করতে। ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, ‘তুফান’ সিনেমায় শাকিবের বিপরীতে দেখা যাবে কলকাতার অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে। আগামী মার্চে ভারতের রামুজিতে শুরু হবে সিনেমাটির শুটিং।

তুফান’ সিনেমাটি প্রযোজনা করছে আলফা আই, চরকি এবং পশ্চিমবঙ্গের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসভিএফ। তবে নায়িকা ইস্যুতে এ তিন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের কেউই এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করতে রাজি নন।

উল্লেখ্য, গত বছর ১১ ডিসেম্বর রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ সিনেমার নাম ঘোষণা করা হয়। এ সময় সিনেমাটির নির্মাতা রায়হান রাফী বলেন, ‘সুড়ঙ্গ সিনেমার পর আমার অনেক বড় স্বপ্ন ছিল বড় আয়োজনে সিনেমা বানানোর। সেটা এবার পূরণ হতে যাচ্ছে। দেশের বড় সুপারস্টারের সঙ্গে কাজ করছি।  তাকে নিয়ে দেশের বড় সিনেমাটিই আমি উপহার দেবো।’


আরও খবর

যে কারণে টাকা ফিরিয়ে দিলেন জয়া

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




খেলা চলাকালে বজ্রপাতে ফুটবলারের মৃত্যু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৬জন দেখেছেন

Image

মাঠে গড়াচ্ছিল ফুটবল ম্যাচ। এ সময় হুট করেই আঘাত হানলো বজ্রপাত। আর এতে প্রাণ হারিয়েছেন এক ফুটবলার। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে ইন্দোনেশিয়ায়। এমন ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

মারা যাওয়া ওই ফুটবলারের নাম সেপ্তাইন রাহারজার। তার বয়স ৩৫ বছর। ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভার বান্দুংয়ের সিলিওয়াঙ্গি স্টেডিয়ামে এফসি বান্দুং ও এফবিআই সুবাংয়ের মধ্যকার প্রীতি ম্যাচে এই মর্মান্তিক ঘটনা বলে গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়

বজ্রপাতের ঘটনার একটি সিসি টিভি ফুটেজে দেখা যায়, ম্যাচ চলাকালে হঠাৎ করেই মাঠের একটি অংশে দাঁড়িয়ে থাকা রাহারজারের ওপর বজ্রপাত পড়ে। সঙ্গে সঙ্গে সেখানে উজ্জ্বল আলো জ্বলে ওঠে। এ সময় আগুনও ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়। আর সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন সেপ্তাইন রাহারজার।

তবে বজ্রপাতের আঘাতের পরও শ্বাস চলছিল রাহারজার। তাকে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তিনি মারা যান। এর আগে, গতবছর সোয়েরাতিন অনূর্ধ্ব-১৩ কাপ চলাকালে পশ্চিম জাভার বোজোনেগোরোর এক তরুণ ফুটবলারকে আঘাত করে বজ্রপাত। এর ফলে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের শিকার হন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়। তবে প্রায় ২০ মিনিট পর জ্ঞান ফিরে পান ওই ফুটবলার।


আরও খবর

আইপিএল শুরুর তারিখ নির্ধারণ

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




শেরপুরের গারো পাহাড়ে বন্যহাতির তান্ডবে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন পাহাড়ি গ্রাম বাসীরা

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৩জন দেখেছেন

Image

হারুন অর রশিদ উপজেলা প্রতিনিধি : শেরপুরের গারো পাহাড়ে বন্য হাতির তান্ডবে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন পাহাড়ি গ্রাম বাসীরা। বর্তমানে ও বন্য হাতির তান্ডব অব্যাহত রয়েছে। উপুর্যপুরি বন্য হাতির তান্ডবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পাহাড়ি গ্রামবাসীরা।

জানা গেছে, সীমান্তেরপ্রায় ৪০ কিলোমিটার এলাকার বনাঞ্চলে অবস্থান করছে বন্য হাতির দল।হাতিকবলিত ৬টি ইউনিয়নের প্রায় ৫০টি পাহাড়ি গ্রাম গুলোতে গারো,হাজং, কোচ,বানাই,হিন্দু মুসলমানসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রায় ৫০ হাজার লোকের বসবাস। ১৯৯৫ সালে এসব পাহাড়ি গ্রাম গুলোতে শুরু হয় বন্যহাতির পদচারণা। হাতির দল দিনে গভীর অরণ্যে আশ্রয় নিচ্ছে। আর সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে খাদ্যের সন্ধানে নেমে আসছে লোকালয়ে।

ঘর-বাড়ী, ক্ষেতের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে চলেছে। ক্ষেতের ফসলরক্ষার্থে পাহাড়ি গ্রাম বাসীরা রাত জেগে পাহাড়া দিচ্ছে। ঢাকঢোল ও পটকা ফুটিয়ে,মশাল জ্বালিয়ে হাতি তাড়ানোর চেষ্টা চলছে। কিন্ত যতই হাতি তাড়ানোর চেষ্টা চলছে ততই হাতির দল তেড়ে আসছে লোকালয়ে। হাতির কবল থেকে রক্ষা পেতে ঘর-বাড়ী ফেলে রেখে অনেকেই চলে আসছেন লোকালয়ে। হাতি চলেযাবার পর বাড়ি ফিরছেন তারা। এতে যেনপাল্লা দিয়েই বাড়ছে মানুষ-হাতির দ্বন্দ্ব। নির্ঘুম রাত কাটছে পাহাড়ি গ্রাম বাসীদের।

হাতিকবলিত এলাকা গুলোতে নেই ন্যাচারাল বন। একসময় ২০ হাজার একর বনের জমিতে শালগজারী বনছিল। ৯০ দশকের পর থেকে এসব বন পরিস্কার করে সৃজন করা হয় সামাজিক বন। শত শত একর জমিতে চাষাবাদ হচ্ছে। গড়ে উঠেছে জনবসতি। এতেগড়ে উঠছে নাহাতির খাদ্য। বনের জমি বেদখল হওয়ায় সংকুচিত হয়ে পরেছে হাতির আবাস্থল। জানা গেছে, বন বিভাগের পক্ষ থেকে গারো পাহাড়ে হাতির ২টি খাদ্য ভান্ডার গড়ে তুলার জন্য সরকারি অর্থ বরাদ্দ হয়। কিন্তু ওই খাদ্য ভান্ডার আর আলোর মুখ দেখেনি।

নাওকুচি গ্রামের ইউপি সদস্য গোলাপ হোসেন সহ গ্রাম বাসীরা জানান,বন্যহাতির তান্ডবে পাহাড়ি এলাকার জমি গুলো চাষাবাদ করা সম্ভব হয় না। অনেকেই জীবিকার তাগিদে হাতির আক্রমনের ভয় উপেক্ষা করে চাষা বাদ করছেন।এছাড়া পাহাড়ি গ্রাম গুলোতে নাই কোন কর্ম সংস্থানের ব্যবস্থা। ফলে অতি কষ্টে দিনাতিপাত করছেন তারা। গজনী গ্রামের অবিওসাংমা বলেন, পেটে খাবার না থাকলে ও প্রতিরাতেই হাতি তাড়াতে মশাল ব্যবহারের জন্য কমপক্ষে ২ লিটার কেরোসিন তেল ঘরে রাখতে হয়। অনেকের পক্ষে তা সম্ভব হয়না। হাতির আক্রমন শুরুর দিকে প্রশাসন বাজন প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে পাহাড়ি গ্রাম বাসীদের মশাল ব্যবহারের জন্য কেরোসিন তেল বিতরন করা হতো। কিন্তু এখন আর তা করা হয় না।

হাতির কবল থেকে পাহাড়ি গ্রাম বাসীদের রক্ষার্থে বন মন্ত্রনালয়ের পক্ষ থেকে সোলার ফেন্সিং স্থাপন করা হয়। কিন্তু ঠিকাদার নিম্নমানের কাজ করা কোনই কাজে আসছেনা। অকেজো হয়ে পড়ে আছে সোলার ফেন্সিং। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ১৯৯৫ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত হাতির আক্রমণে ৬০ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আহত শতাধিক। আর হাতির মৃত্যু হয়েছে ৩৩টি। ৩টি হাতি হত্যার বিষয়ে মামলা হয়েছে। এসব হাতির বেশির ভাগই মৃত্যু হয়েছে বৈদ্যুতিক ফাঁদে, নয়তো ধারালো অস্ত্রের আঘাতে।

হাতির সাথে যুদ্ধ করে বিপর্যস্থ গ্রাম বাসীদের খাদ্য সহায়তা ও হাতি তাড়াতে কেরোসিন তেল বিতরন ব্যবস্থা চালু রাখার দাবি উঠেছে জন প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে। শ্রীবরদী উপজেলার বালিজুরি রেঞ্জ কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, হাতি কবলিত এলাকায় বসবাস কারিদের সরিয়ে নেয়া ও খাদ্য ভান্ডার গড়ে তোলা হলে মানুষ- হাতি দ্বন্দ্ব কমিয়ে আনা যাবে। ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আ.ন.ম আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, হাতির আক্রমনে নিহতদের পারিবার ও ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের ক্ষতিপূরণ বাবদ ২০২৪ সালপর্যন্ত ১ কোটি টাকা বিতরন করা হয়েছে।

শেরপুরের জেলাপ্রশাসক আব্দুল্লাহ আল খায়রুম বলেন, সীমান্তের গারো পাহাড়ে হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে জনগনকে সচেতনতার লক্ষে বনবিভাগের পক্ষ থেকে রেসপন্স টিম কাজ করছে। এছাড়া সীমান্ত এলাকায় সোলারফ্যানসিং স্থাপনএবং অভয়ারণ্য গড়ে তোলাসহ টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পাহাড়ে হাতিসহ প্রাণ বৈচিত্র্য রক্ষায় চেষ্টা ও করা হচ্ছে।


আরও খবর