Logo
আজঃ শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

পালংখালী-হোয়াইক্যং সীমান্ত দিয়ে এলো মিয়ানমারের ৩৭ সীমান্তরক্ষী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৪জন দেখেছেন

Image

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমার বিজিপি বাহিনীর ৩৭ জন সদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। পরে বাংলাদেশের বিজিবির কাছে তারা প্রাণ বাঁচাতে আত্মসমর্পণ করে অস্ত্র জমা দেন। বিজিবি সদস্যরা মিয়ানমার বিজিপি সদস্যদের হেফাজতে নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।

এদের মধ্যে পালংখালী ৯নং ওয়ার্ডের আঞ্জুমানপাড়া সীমান্ত হতে ৩৫ জন এবং টেকনাফের হোয়াইক্যং উত্তরপাড়া সীমান্ত দিয়ে দুইজন বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন। 

খবর পেয়ে পালংখালী সীমান্ত ফাঁড়ির বিজিবি ও হোয়াইক্যং বিজিবির সদস্যরা তাদের হেফাজতে নিয়ে আসেন বলে জানান স্থানীয়রা। এ সময় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দিয়েছেন মিয়ানমার বিজিপি সদস্যরা বলে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে ৩৪ বিজিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। 

অপরদিকে টেকনাফের হোয়াইক্যং উত্তরপাড়া সীমান্ত হতে দুইজন বিজিপি সদস্য অস্ত্রবিহীন নাফ নদী সাঁতরিয়ে প্রবেশ করেন বলে জানান এলাকাবাসী। তবে এদের কাছ থেকে মিয়ানমারের বিপুল পরিমাণ টাকাও জব্দ করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। 

মঙ্গলবার সকালে উখিয়ার পালংখালী আঞ্জুমানপাড়া সীমান্ত ও টেকনাফ হোয়াইক্যং উত্তরপাড়া দিয়ে তারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেন। সীমানার ওপারে এখনো থেমে থেমে মর্টার শেল ও বুলেটের শব্দে আতঙ্কে রয়েছেন এলাকাবাসী। 

পালংখালী ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাবুল মেম্বার জানান, মিয়ানমারে ওপারে গোলাগুলি চলমান অবস্থায় এপারে পালংখালীতে সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর বিজিপির কমান্ডারসহ ৩৫ জন ঢুকে পড়লে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের বিজিবি হেফাজতে নেয়। পরে বিজিবি তাদের গাড়িযোগে পালংখালী ক্যাম্প থেকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে গেছে।


আরও খবর



জনবল সংকট সত্বেও সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় ট্রেনের উৎপাদন কার্যক্রম বৃদ্ধি

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪৭জন দেখেছেন

Image

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি: ব্যাপক জনবল সংকট ও বাজেটের সীমাবদ্ধতা সত্বেও দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম বৃদ্ধি পেয়েছে। দিনে ৩ ইউনিট মেরামত লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও কোচ মেরামতের ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা (টার্গেট) ৪ ইউনিট ছাড়িয়ে গেছে।

নতুন নতুন রেলরুট চালু ও পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ চালু হওয়ায় যেমন কোচের চাহিদা বেড়েছে তেমনি নতুন ট্রেন চালু করতেও অনেক কোচের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। এ কারণে পুরাতন ট্রেন মেরামত ও নতুন ট্রেন সংযোজনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে জোগান দিতে কারখানায় এই কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। 

রেলের সূত্র জানায়, বর্তমান সরকার রেলবান্ধব। ফলে সারাদেশে রেলপথ বাড়ানো হচ্ছে। পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ চালুর পর পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়েতে বেশ কিছু নতুন ট্রেন চালু হয়েছে। দিতে হচ্ছে কোচের জোগান। ফলে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার উপর চাপ বেড়েছে।

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার ক্যারেজ শপের (উপ-কারখানা) ইনচার্জ ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোমিনুল ইসলাম বলেন, এখানে প্রতিদিন ৩ ইউনিট কোচ মেরামতের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। প্রতিদিন দুই ইউনিটে একটি পূর্ণাঙ্গ কোচ বুঝানো হয়। সেক্ষেত্রে আমরা চলতি অর্থ বছরে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ মাসে ৩১৭টি কোচ মেরামত করেছি। অর্থাৎ প্রতিদিন ৪ ইউনিট মেরামত কাজ হয়েছে।

কারখানা সূত্র জানায়, সৈয়দপুর কারখানায় চরম লোকোবল সংকট রয়েছে। এখানে দুই হাজার ৮৫৯ জনের স্থলে লোকোবল রয়েছে মাত্র ৮২০ জন। কারখানার ২৮টি উপ-কারখানায় (শপ) উৎপাদন চলছে সীমিত সংখ্যক লোক নিয়ে। মাত্র ২৮ শতাংশ লোক কর্মরত আছেন ১১০ একর জমির উপর গড়ে ওঠা বিশাল ওই কারখানাটিতে। 

এছাড়াও কারখানায় বাজেট স্বল্পতা রয়েছে। চলতি বছরে মাত্র ২০ কোটি টাকা বাজেট মিলেছে। বাজেটের টাকায় মেরামত কাজে ব্যবহৃত উৎপাদন ও উপকরণ সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। তবে কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতন দেয়া হয় রাজস্ব খাত থেকে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে শূন্যপদে লোক নিয়োগ জরুরি। সেইসাথে বাজেট দ্বিগুন করা না হলে উৎপাদন ব্যহত হতে পারে। 

কারখানা সূত্রে জানা যায়, উপরের চাহিদা অনুযায়ী অবিশ্রান্ত কাজ করছেন কারখানার শ্রমিক-কর্মচারিরা। রেলপথে চলাচলের পর অনুপোযোগী হয়ে পড়া কোচগুলো সৈয়দপুর কারখানায় এনে প্রয়োজনে মেরামত সেরে পূনরায় পাঠিয়ে দেয়া হয় রেলপথে।

সরজমিনে দেখা যায়, ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চলছে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায়। ক্যারেজ শপে চলছিল ভারি মেরামত কাজ। একটি ক্যারেজের বগির ওপর (আন্ডারফ্রেম) ক্রেনের মাধ্যমে স্থাপন করা হচ্ছে সুপার স্ট্রাকচার। পাশেই বগি শপে চলছিল চ্যাচিজ মেরামতের কাজ। এছাড়া ক্যারেজ শপে চলছে রেলকোচে রংয়ের প্রলেপ। ১২ হাজার রকম যন্ত্রাংশ তৈরি হয় মেশিনসহ কয়েকটি শপে। যা রেলকোচ, ওয়াগণ ও ইঞ্জিনে ব্যবহার করা হয়। একটি শপে ট্রেনের ব্রেক তৈরি হচ্ছিল। একটিতে তৈরি হচ্ছিল একটি কোচের সাথে অপর কোচকে জুড়ে দেওয়ার কাপলিং যন্ত্র। এছাড়া ঢাকায় পুড়ে যাওয়া ৩টি কোচও আনা হয়েছে কারখানায়। যেগুলো মেরামত করছিলেন শ্রমিকরা।

এ নিয়ে কথা হয় সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্বাবধায়ক (ডিএস) সাদিকুর রহমানের সাথে। তিনি বলেন, এখন কাজে তৎপরতা অনেক বেশি। দেশের রেলপথ বাড়ছে। তাই আমাদের ওপর চাপও বেড়েছে। কারখানাটিতে লোকবল সংকট নিরসনের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তবে সীমাবদ্ধতার মাঝেও কারখানার গতি নজীরবিহীনভাবে ধরে রাখায় তিনি শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী মুহাম্মদ কুদরত ই খুদা জানিয়েছেন, এখন ম্যানেজমেন্ট লেভেল অনেক ভালো। মূলত ব্যবস্থাপনার কারণেই সৈয়দপুর কারখানায় উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। অবিলম্বে রেলওয়ের সব রকম সীমাবদ্ধতা দুর করতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সজাগ আছে বলে জানান তিনি। 


আরও খবর



ডিএসইতে টানা তিন কার্যদিবস দেড় হাজার কোটি টাকার ওপরে লেনদেন

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮১জন দেখেছেন

Image

দেশের প্রধান শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল মঙ্গলবারও দেড় হাজার কোটি টাকার ওপরে লেনদেন হয়েছে। এ নিয়ে চলতি সপ্তাহের টানা তিন কার্যদিবস ডিএসইতে দেড় হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হলো। লেনদেনের পাশাপাশি এ সময় মূল্যসূচকেরও বড় উত্থান হয়েছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ২৩.৪৬ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৩৪৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এছাড়া ডিএসই শরিয়া সূচক ৮.৫৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৩৮৫ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ১০.৪৬ পয়েন্ট বেড়ে ২১৪৩.৭০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন এই বাজারে মোট ১ হাজার ৬৫১ কোটি ৮২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। 

এর আগের দুই কার্যদিবসে যথাক্রমে ১ হাজার ৬৫৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকা ও ১ হাজার ৫৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছিল। গতকাল ডিএসইতে লেনদেনকৃত মোট ৩৯৬টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৮টির, কমেছে ২১৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টির দর।

দেশের প্রধান এই শেয়ার বাজারে গতকাল টাকার অঙ্কে লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০টি কোম্পানি হলো: সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস, বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম, ফু-ওয়াং ফুড, খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং, অলিম্পিক এক্সেসরিজ, ওরিয়ন ইনফিউশ, ফরচুন সুজ, এনভয় টেক্সটাইল, দেশবন্ধু পলিমার এবং আইএফআইসি ব্যাংক।

অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স ৪১ পয়েন্ট বেড়ে ১০৮৩৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। লেনদেন হয়েছে ২৩ কোটি ৩২ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১৯ কোটি ১৩ লাখ টাকা। গতকাল সিএসইতে লেনদেনকৃত মোট ৩০৫টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৬টির, কমেছে ১৩২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টির দর। 


আরও খবর



বই না ছাপিয়েই সাড়ে ৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৫জন দেখেছেন

Image

প্রতি বছর জাতীয় ফলমেলা উপলক্ষে ‘ফলসম্ভার’ নামে একটি বই প্রকাশ করে কৃষি তথ্য সার্ভিস। মেলায় আগতদের বিভিন্ন ফল সম্পর্কে জানাতেই এই উদ্যোগ। মেলায় আগতদের মধ্যে বিনা মূল্যেই তা বিতরণ করা হয়। কিন্তু গত বছর ফলমেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই বইটিও প্রকাশ হয়নি। কিন্তু সূত্র জানিয়েছে, বই প্রকাশ না হলেও বই প্রকাশের ভুয়া বিল-ভাউচার দিয়ে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। কৃষি তথ্য সার্ভিসে একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। এই সিন্ডিকেট সর্বশেষ প্রকাশিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ডায়েরি মুদ্রণেও লাখ লাখ টাকা লোপাট করেছে।

প্রতি বছর জুনে খামারবাড়ির পাশে খালি জায়গায় জাতীয় ফলমেলা অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৯ সাল পর্যন্ত নিয়মিত এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে অনিয়মিত হয়ে পড়ে মেলা আয়োজন। মাঝে ২০২২ সালে মেলা আয়োজন করা হয়। তবে গত বছর ২০২৩ সালে মেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে মেলা উপলক্ষে ‘ফলসম্ভার’ শীর্ষক বইটিও প্রকাশিত হয়নি। কিন্তু বই প্রকাশের ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

কৃষি তথ্য সার্ভিস সূত্র জানিয়েছে, গত বছরের জুলাই মাসে মোট ৮ লাখ ৩৬ হাজার ২৪৯ টাকার বিল-ভাউচার তৈরি করে তা উত্তোলন করা হয়েছে। বই প্রকাশে তিনটি আলাদা কোটেশনে যথাক্রমে ৮৯০ কপি (২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৭ টাকা), ১০৬০ কপি (২ লাখ ৯২ হাজার ৬৮৭ টাকা) এবং ১০৬০ কপি (২ লাখ ৯৫ হাজার ৪৭৫ টাকা) মুদ্রণ ব্যয় দেখানো হয়েছে। এআইএসের তৎকালীন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আবু জাফর আল মুনছুর এসব বিলে স্বাক্ষর করেছেন। এ প্রসঙ্গে বর্তমানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে মনিটরিং উইংয়ের উপপরিচালকের দায়িত্বে থাকা মো. আবু জাফর আল মুনছুর গতকাল বলেন, এটা তো অনেক দিন আগের কথা। এ ব্যাপারে কৃষি তথ্য সার্ভিসই ভালো বলতে পারবে। জানা গেছে, ‘ফলসম্ভার’ বইটি প্রকাশ না করেই লাখ লাখ টাকা বিল উত্তোলনের বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাওয়ায় এখন বইটির কয়েকটি কপি ছাপানোর তোড়জোড় চলছে, যাতে দেখানো যায়, বইটি প্রকাশ করা হয়েছে।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালক সুরজিত সাহা রায় এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ফলসম্ভার’ বইটি প্রতি বছর ফলমেলা উপলক্ষে ছাপানো হয়। তবে গত বছর ফলমেলা হয়নি। মেলা না হলেও বই প্রকাশের লাখ লাখ টাকা তো ঠিকই উত্তোলন করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মেলা না হলেও পরে বই প্রকাশ করা হয়েছে। এ বইয়ের অনেক ডিমান্ড (চাহিদা)। এ বই এ বছর মেলায় আগতদের দেওয়া হবে। গত বছরের বই এ বছর মেলায় কীভাবে দেওয়া হবে? এছাড়া এ বছরও তো এই বই ছাপানোর বাজেট রয়েছে। এ প্রশ্নের তিনি কোনো উত্তর দেননি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বইয়ের পাশাপাশি সর্বশেষ প্রকাশিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ডাইরির পেছনে আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি খরচ দেখানো হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জন্য প্রতি বছর ১৩ হাজার ১০০টি উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ডায়েরি মুদ্রণ হয় এআইএসের প্রেস থেকে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য প্রকাশিত ডায়েরির পেছনে (২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট) খরচ হয়েছিল ২৫ লাখ টাকার বেশি। কিন্তু, এক বছরের ব্যবধানে সর্বশেষ প্রকাশিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ডায়েরির পেছনে খরচ দেখানো হয়েছে প্রায় ৫৪ লাখ টাকা। এ হিসাবে প্রতিটি ডায়েরি তৈরির খরচ পড়েছে প্রায় ৪১২ টাকা। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে যাচাই করে দেখা গেছে, একই সমমানের ডায়েরি প্রকাশে প্রতিটির খরচ পড়বে ২৪০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২৬০ টাকা। সেই হিসাবে ১৩ হাজার ১০০ ডায়েরি মুদ্রণে খরচ হবে ৩০ লাখ থেকে ৩৪ লাখ টাকা। এ হিসাবে ডায়েরি মুদ্রণে প্রায় ২৫ লাখ টাকা বেশি ধরা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালক সুরজিত সাহা রায় বলেন, ‘এক বছরের ব্যবধানে কাগজের দাম অনেক বেড়েছে। এছাড়া, কাগজ তো টেন্ডারের মাধ্যমে কিনেছি। যিনি সর্বনিম্ন দর দিয়েছেন, তাকেই কাজ দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর



বিয়েতে কোন হোটেল বেছে নিলেন রাকুল প্রীত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৩জন দেখেছেন

Image

বিয়ে তারিখ আগেই ঘোষণা করেছিলেন বলিউড অভিনয়শিল্পী রাকুল প্রীত সিং ও জ্যাকি ভাগনানি। বলা চলে বিয়ের প্রস্তুতি এখন শেষে দিকে। তিন দিনব্যাপী চলবে রাকুল-জ্যাকির বিয়ের আয়োজন। ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে হলুদ, মেহেদিসহ নানা আচার–অনুষ্ঠান। ২১ ফেব্রুয়ারি ছাদনাতলায় যাবেন রাকুল-জ্যাকি। ২২ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইতে বিয়ে– পরবর্তী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

গোয়ার বিলাসবহুল হোটেল আইটিসি গ্র্যান্ডে হবে তাঁদের বিয়ের অনুষ্ঠান। ২৪৬ কক্ষের রিসোর্টটিতে ইন্দো-পর্তুগিজ কারুকাজের ছোঁয়া আছে। আর বিয়ের জন্য এই হোটেলকে বেছে নেওয়ার জন্য বেশ সাধুবাদও পাচ্ছেন হবু দম্পতি।

এক প্রতিবেদনে ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, রাকুল-জ্যাকির বিয়েতে নিমন্ত্রিত অতিথির তালিকা সীমিত। বিশেষ অতিথি ছাড়া বিয়ের আসরে উপস্থিত থাকবেন পরিবার পরিজন আর বন্ধুরা।

বিয়েতে থাকছে কিছু নিয়মকানুন। কার্বনের আধিক্য অর্থাৎ ‘কার্বন ফুটপ্রিন্ট’ কমাতে আতশবাজি ফোটানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর আগে ২০২১ সালে রাকুল প্রীতের জন্মদিনে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া পোস্টে প্রেমের বিষয়টি জানান জ্যাকি ভগনানি। এর পর থেকে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে নিয়মিত দেখা গেছে তাঁদের।


আরও খবর

যে কারণে টাকা ফিরিয়ে দিলেন জয়া

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ঈধিকার পর এবার মিমি

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24




এপ্রিলের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের আভাস

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৪জন দেখেছেন

Image

আগামী এপ্রিলের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া থার্মোমিটারের পারদ ওঠতে পারে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তিন মাসের এক বুলেটিনে সম্প্রতি এমন তথ্য জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান।

এতে বলা হয়েছে, এপ্রিল মাস পর্যন্ত সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে তিনটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ/ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এছাড়া দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা/মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

এদিকে, এই সময়ের মধ্যে দেশের পশ্চিম, উত্তর, উত্তরপশ্চিমাঞ্চল, উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ৪-৮ দিন বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টিসহ হালকা/মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে। মার্চ ও এপ্রিল স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের আভাসও রয়েছে। অন্যদিকে, দেশে তিন থেকে পাঁচটি মৃদু (৩৬-৩৮°সে.) অথবা মাঝারি (৩৮-৪০°সে.) ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।


আরও খবর