Logo
আজঃ শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ওদের অসহায় দেখে গলাটা বুজে আসে

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ নভেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৪৮জন দেখেছেন

Image

ফিলিস্তিনের ছবি দেখছি অনলাইনে, খবরের কাগজ ও টেলিভিশনের পর্দায়। বোমা ফেলা হচ্ছে নিরীহ মানুষজনের ওপর। আক্রমণ চলছে হাসপাতালেও। একটি ছবিতে দেখেছিলাম পরিবারের সবাই মারা পড়েছেন, আর সবার লাশের সামনে বসে আছেন বেঁচে যাওয়া একজন মাত্র মানুষ। এ পর্যন্ত ১১ হাজার হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছেন। এর মধ্যে শিশু মারা গেছে ৪ হাজারের বেশি।

এসব দেখেশুনে মনটা ভেঙে যায়। আবার মনটাকে সরিয়ে কাজে নেমে পড়ি। নতুন মুক্তি পাওয়া ছবির প্রচারে যাচ্ছি, যোগ দিচ্ছি পুরস্কারের অনুষ্ঠানে, গোয়া চলচ্চিত্র উৎসবে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। এর জন্য মনে অপরাধ–অপরাধও লাগে। আমার বা আমাদের জীবন তো চলছে, কিন্তু ওদের জীবন তো প্রতিটা মুহূর্তে মৃত্যুর মুখোমুখি। তাদের অসহায়তা দেখে গলাটা বুজে আসে।

এই হত্যাকাণ্ড থামুক। শিশুরা খেলা করুক রোদেলা মাঠে, খেজুর গাছের নিচে। নিজের দেশে দেশছাড়া এই মানুষগুলো নিজেদের ঘরে ফিরুক। ওদের বাঁচানোর জন্য পৃথিবীর বড় বড় মানুষেরা কি এক হতে পারেন না? এটা কি খুব বড় প্রত্যাশা?


আরও খবর

খুশির খুব যেতে ইচ্ছে করে তার গ্রামটিতে

মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জর্ডানকে হারিয়ে আবারো এশিয়া চ্যাম্পিয়ন কাতার

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৩জন দেখেছেন

Image

প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপ ফুটবলের ফাইনালে উঠেছিল জর্ডান। কিন্তু তাদের দৌড় সেখান পর্যন্তই। শেষ ধাপটি আর পার হতে পারল না তারা। স্বাগতিক কাতারের কাছে হেরেছে দলটি। জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে এশিয়া কাপের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট ধরে রাখল বিশ্বকাপ আয়োজনকারী দেশটি।

২০২২ বিশ্বকাপে দোহার লুসাইল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স ফাইনাল। সেই মাঠেই ফাইনালে জর্ডানের মুখোমুখি হয় কাতার। এই ম্যাচে কাতারের তিনটি গোলই এসেছে পেনাল্টি থেকে এবং তিনবারই শট নেন আকরাম আফিফ। অর্থাৎ আকরাম আফিফের পেনাল্টি হ্যাটট্রিক হলো এই ম্যাচে।

২০১৯ সালেও এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জিতেছিল কাতার। সেবারের ফাইনালে হারিয়েছিল এশিয়া কাপের সবচেয়ে সফল দেশ জাপানকে। এবার লুসাইল স্টেডিয়ামে কাতার-জর্ডান ফাইনাল দেখার জন্য হাজির হয়েছিল ৮৬ হাজার ৫০০ জন দর্শক। দর্শকদের মধ্যে হাজির ছিলেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এবং ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো।

ম্যাচের ২২তম মিনিটে প্রথমে পেনাল্টি থেকে গোল করে স্বাগতিকদের এগিয়ে নেন আকরাম আফিফ। ১-০ ব্যবধানে প্রথমার্ধ শেষ হয়। এরপর ৬৭ মিনিটে জর্ডানকে গোলটি শোধ করে দেন ইয়াজান আল নাইমাত।

১-১ গোলে সমতায় আসার পর ম্যাচে চরম নাটকীয়টা অপেক্ষা করছিল; কিন্তু আরও দুটি পেনাল্টি পেয়ে যায় কাতার। যে কারণে জর্ডানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। ৭৩ মিনিটে দ্বিতীয়টি এবং ৯০+৫ মিনিটে তৃতীয় পেনাল্টি থেকে গোল করে কাতারকে শিরোপা নিশ্চিত করে দেন আকরাম আফিফ। সেই সঙ্গে নিজের হ্যাটট্রিকও পূরণ করেন তিনি।

মোট ৮ গোল করে টুর্নামেন্টের গোল্ডেন বল জয় করেন কাতারের এই ফুটবলার। শুধু তাই নয়, টুর্নামেন্টের মোস্ট ভ্যালুয়েবল খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বলও উঠেছে তার হাতে।

ম্যাচের পর কোচ মার্কুয়েজ লোপেজ বলেন, আমি অভিনন্দন জানাতে চাই কাতারি জনগণ এবং খেলোয়াড়দের। অসম্ভব কঠিন এক টুর্নামেন্ট এবং কঠিন এক ফাইনাল জিততে পেরে দারুণ খুশি আমরা। খুবই টেনশনে ছিলাম।


আরও খবর

আইপিএল শুরুর তারিখ নির্ধারণ

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




এপ্রিলের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের আভাস

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৪জন দেখেছেন

Image

আগামী এপ্রিলের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া থার্মোমিটারের পারদ ওঠতে পারে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তিন মাসের এক বুলেটিনে সম্প্রতি এমন তথ্য জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. আজিজুর রহমান।

এতে বলা হয়েছে, এপ্রিল মাস পর্যন্ত সামগ্রিকভাবে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। বঙ্গোপসাগরে দুই থেকে তিনটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ/ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। এছাড়া দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকতে পারে। শেষরাত থেকে সকাল পর্যন্ত হালকা/মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

এদিকে, এই সময়ের মধ্যে দেশের পশ্চিম, উত্তর, উত্তরপশ্চিমাঞ্চল, উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ৪-৮ দিন বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টিসহ হালকা/মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে। মার্চ ও এপ্রিল স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের আভাসও রয়েছে। অন্যদিকে, দেশে তিন থেকে পাঁচটি মৃদু (৩৬-৩৮°সে.) অথবা মাঝারি (৩৮-৪০°সে.) ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।


আরও খবর



জয়পুরহাটে হত্যা মামলায় ১৭ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪৭জন দেখেছেন

Image

জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে জয়পুরহাটের পাঁচবিবির সালেহ মোহাম্মদ হত্যা মামলায় ১৭ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়।

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের বিচারক আব্বাস উদ্দীন এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের বাড়ি জেলার পাঁচবিবি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। এদের মধ্যে ২ জন পলাতক রয়েছেন। এছাড়া এ মামলা থেকে ৫ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আদালত ও মামলার বিবরণে জানা গেছে, জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আয়মারসুলপুর চকপাড়া গ্রামের মৃত আলতাফের ছেলে সালেহ মোহাম্মদের সাথে আসামীদের দীর্ঘদিন থেকে জমি-জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ সংক্রান্ত একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন ছিল। এরই জের ধরে ২০০৯ সালের ২ মে সকালে সালেহ মোহাম্মদ তার নিজ শ্যালো মেশিন ঘর থেকে বাড়ি ফেরার পথে আসামি মোহাম্মদ আলীর বাড়ির সামনে ওৎ পেতে থাকা সকল আসামিরা তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে আমগাছের সাথে হাত-পা বেঁধে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে।

এসময় সালেহ মোহাম্মদ পানি খেতে চাইলে আসামিরা পানির বদলে মরিচ গুলানো পানি জোড়পূর্বক পান করালে সে ছটফট করতে করতে নিস্তেজ হয়ে পড়ে। এরপর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যায়। এ ঘটনায় একই তারিখে পাঁচবিবি থানায় ২২ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের ভাই আজিজুল হক। এ মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১৭ আসামিরা হলেন- হাদিউজ্জামান প্রাং, আরিফুল, আবু নাছের প্রাং, শাহজাহান আলী, আশরাফ আলী প্রাং, লাল মোহাম্মদ, মোহাম্মদ আলী প্রাং, জহির প্রাং, শাসছুল আলম প্রাং, সায়েম উদ্দিন প্রাং, ওবাইদুল প্রাং, সইম প্রাং, রহিম প্রাং, আবু সাঈদ প্রাং, আবু বক্কর প্রাং, রানু বেগম ও সাহেরা বেগম।

এছাড়া খালাসপ্রাপ্ত ৫ আসামি হলেন- অমিছা বেগম, শহিদুল ইসলাম, বেলছি বেগম, হাফেজা ফকির ও সবদুল ফকির।


আরও খবর



মোংলা বন্দর ইনার বারে ড্রেজিং প্রকল্পের কাজ পুনরায় চালু

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭১জন দেখেছেন

Image

মোংলা বন্দর চ্যানেলের ইনার বারে ড্রেজিং প্রকল্পের কাজ পুনরায় শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর চারটি কাটার সাকশন ড্রেজারের মাধ্যমে মোংলা বন্দর চ্যানেলের ইনার বারে ডেজিং প্রকল্পের কাজ বন্দরের বেসক্তিক এলাকার সেকশন ২ এবং সেকশন ৪ এ শুরু হয়েছে। প্রকল্পের কাজ ২০২১ সালে শুরু হয়ে প্রায় ৩৫ শতাংশ কাজ সমাপ্ত হওয়ার পর ২০২২ সালে ড্রেজিং মাটি ফেলার জমি সংকটের কারণে ড্রেজিং কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। উক্ত সময়ে সম্পন্নকৃত ড্রেজিং এর ফলে মোংলা বন্দরে ৮.৫ মিটার ড্রাফটের জাহাজ আনা সম্ভব হয়। কিন্তু প্রায় এক বছর যাবৎ ড্রেজিং বন্ধ থাকায় চ্যানেলের কিছু স্থানে পলি জমার কারনে নিয়মিতভাবে ৮.৫ মিটার ড্রাফটের জাহাজ এ কন্দরে আসতে পারছিল না। এখন ড্রেজিং মাটি ফেলার জমির ব্যবস্থা হওয়ায় পুরনায় ড্রেজিং কাজ শুরু হয়েছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি "যে কোন উপায়ে মোংলা বন্দরকে সচল রাখতে হবে"। এর আলোকে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিমার এডমিরাল শাহীন রহমান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। ইনার বারে চলমান ড্রেজিং প্রকল্পটি সমাপ্ত হলে ৯.৫ থেকে ১০ মিটার ড্রাফটের জাহাজ অনায়াসে মোংলা বন্দরে আসতে পারবে।

অধিক ড্রাফটের জাহাজ বন্দরে আগমনের ফলে মোংলা বন্দরের আয় বৃদ্ধির পাশিপাশি সরকারি রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পাবে।


আরও খবর



যে কারণে টাকা ফিরিয়ে দিলেন জয়া

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২২জন দেখেছেন

Image

বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিবঙ্গের বাংলা সিনেমা প্রেমিদের কাছে বেশ জনপ্রিয় জয়া আহসান। আহসান তার প্রাক্ত স্বামীর নাম। বিচ্ছেদের দীর্ঘদিন পরও তিনি তার স্বামীর নামের অংশ নিজের নামের সঙ্গেই জুড়ে রেখেছেন।

এদিকে অভিনেত্রীর পাশাপাশি প্রযোজক হিসেবেও পরিচিত রয়েছে অভিনেত্রী জয়া আহসানের। যেই পরিচয়ের সুবাদেই ২০২০-২১ অর্থবছরে ‘রইদ’ সিনেমার জন্য সরকারি অনুদান পেয়েছিলেন তিনি। এই ছবির প্রযোজনার দায়িত্বে ছিলেন জয়া। পরিচালনায় ছিলেন ‘হাওয়া’খ্যাত নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন। তবে প্রযোজক হিসেবে সিনেমাটি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন এই অভিনেত্রী। শুধু তাই নয়, সরকারের দেওয়া অনুদানের টাকাও ফেরত দিয়েছেন তিনি।

মূলত নির্মাণ কাজ শুরু করতে বিলম্ব হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জয়া। গণমাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করে তিনি বলেন, ‘যে কারণেই হোক নির্মাণ প্রক্রিয়া বিলম্ব হচ্ছে। সুমনকে বারবার তাগাদা দিয়েছি, এদিকে অনুদানের অর্থ নিয়ে ছবি নির্মাণ না করাটা অশোভন মনে হয়েছে আমার তাই ফেরত দিয়েছি।’ তবে প্রযোজক হিসেবে জয়া না থাকলেও সিনেমাটি নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। এমনটাই জানিয়েছেন নির্মাতা সুমন। তিনি জানালেন, সিনেমাটি তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফেসকার্ড থেকে নির্মিত হবে।

এই নির্মাতার ভাষায়, ‘মাস কয়েক আগে জয়ার সঙ্গে আমার বৈঠক হয়েছে। আমরা আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে সরকারি অনুদানটা ফেরত দেব। কারণ নানা কারণে আমাদের কাজটা বিলম্ব হচ্ছে। কিন্তু অনুদানের কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন আছে। সেগুলো ভাঙুক, তা নিয়ে সমালোচনা হোক, এসব আমরা চাই না। যেহেতু ছবিটার শুটিং কবে নাগাদ শুরু করব, সেটা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তাছাড়া অনুদানের টাকায় ছবিটার কাজ সম্ভবও না। তাই এসব অনিশ্চয়তার মধ্যে আমরা অনুদানটা ধরে রাখতে চাইনি।


আরও খবর

ঈধিকার পর এবার মিমি

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24