Logo
আজঃ শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

নির্বাচন নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে চক্রান্ত হচ্ছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৭৭জন দেখেছেন

Image

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,‌ এবারের নির্বাচন নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে অনেক চক্রান্ত হচ্ছে। তাই নির্বাচনী পরিবেশটা যাতে সুন্দর থাকে, উৎসব মুখর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয় সেদিকে সবাই খেয়াল রাখবেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে ছয়টি জেলার নির্বাচনী জনসভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ভাষণ প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।

ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর ও শেরপুর জেলা, ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ ও নরসিংদী জেলা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের চাঁদপুর ও বান্দরবান জেলায় আজ নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসব জনসভায় দেওয়া বক্তব্যে শেখ হাসিনা বলেন, একমাত্র আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই কেবল দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে পারবে। এবারের নির্বাচন নিয়ে জাতীয়-আন্তর্জাতিক ভাবে অনেক চক্রান্ত হচ্ছে। তাই নির্বাচনী পরিবেশটা যাতে সুন্দর থাকে, উৎসব মুখর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়, সেই দিকে সবাই খেয়াল রাখবেন। বিএনপি সন্ত্রাসী, জামায়াত যুদ্ধাপরাধীদের দল। এরা নির্বাচনে না এলে সেই ভোট অংশ গ্রহণ মূলক হবে না, এটা আমরা বিশ্বাস করি না।’

তিনি বলেন, ভোটারদের অংশ গ্রহণেই নির্বাচন অংশ গ্রহণ মূলক হয়ে যাবে। ওই সন্ত্রাসীদের দল, ওরা তো নির্বাচনে বিশ্বাসই করে না। তাদের দ্বারা কোনো কল্যাণ হবে না দেশে। সেই জন্য উন্মুক্ত নির্বাচন করতে দিয়েছি। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখবেন। জনগণ যাকে চাইবে, তাকেই মেনে নিবেন সবাই।

এসময় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার সব প্রার্থীকে পড়ে নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন দলের প্রধান। তিনি বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার পড়ে নেবেন এবং সেই অনুযায়ী ভোট চাইবেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ৭৫ এর পর অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধ করার জন্য জনগণের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছিল জিয়াউর রহমান। তখন স্বাধীনতা বিরোধীদের সমন্বয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিপরীত ধারায় চলতে থাকে দেশ।

তিনি বলেন, গ্যাস বিক্রির চক্রান্ত করে ক্ষমতায় এসে মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলে বিএনপি। নির্বাচন বিরোধী কাজ করে চলেছে বিএনপি। মা-শিশুকে এমন ভাবে হত্যা সহ্য করা যায় না। এরা সবসময় নির্বাচন বানচালের তালে থাকে। কিন্তু নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা সম্ভব হয় না, এটাই বাস্তবতা।

মানুষ ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেছিল বলেই দেশের উন্নয়ন করা সম্ভব হচ্ছে বলে জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে, আওয়ামী লীগকে জয়যুক্ত করে উন্নত-সমৃদ্ধ জীবনের ধারা অব্যাহত রাখুন যাতে দেশকে আরও এগিয়ে নেওয়া যায়। দলের নির্বাচনী ইশতেহার সব প্রার্থী পড়ে নেবেন এবং সেই অনুযায়ী ভোট চাইবেন। অনেক চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র আছে এবারের নির্বাচন নিয়ে। বিএনপি-জামায়াতের কাজই হলো মানুষ পোড়ানো আর নির্বাচন ধ্বংস করা।

তিনি বলেন, জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আওয়ামী লীগ আবারও মানুষের সেবা করার সুযোগ পাবে, সেটাই প্রত্যাশা।


আরও খবর



পরিচয় না জেনে আশ্রিতদের ফেরত দেওয়া যাবে না

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৫জন দেখেছেন

Image

মিয়ানমার সীমান্তে বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘাতে টিকতে না পেরে মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) যে ৩২৯ জন সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, তাদের পরিচয় নিশ্চিত হয়েই ফেরত পাঠানোর কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। আশ্রিতদের মধ্যে কয়েক জন গুপ্তচর রয়েছে বলে এমন আলোচনা হচ্ছে। ইতিমধ্যে আশ্রিতদের ফেরত নিতে জাহাজ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে মিয়ানমার সরকার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এরা আসলেই সকলেই মিয়ারমারের বিজিপির সদস্য কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় যে ২৩ জনকে অস্ত্রসহ গ্রামবাসী আটক করে পুলিশে দিয়েছে তাদের মধ্যে ১৭ জনই উখিয়ার একটি ক্যাম্পের বাসিন্দা। তাদের কাছে আইডি কার্ডও পাওয়া গেছে। তারা কীভাবে ক্যাম্প থেকে ওপারে গেল সেগুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক নুরুল হুদা ইত্তেফাককে বলেন, ‘শুধু যুদ্ধ পরিস্থিতি নয়, যে কোনো পরিস্থিতিতে কোনো বিদেশি নাগরিক দেশের মধ্যে ঢুকে পড়লে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া জরুরি। এটা বিশ্বব্যাপী প্র্যাকটিস। আর মিয়ানমারে যেহেতু সংঘাত চলছে, ফলে সেখানে থেকে কারা এসেছে সেটা অবশ্যই নিশ্চিত করে ফেরত পাঠাতে হবে। এরা কী আসলেই বিজিপি সদস্য, নাকি কোনো বিদ্রোহী গ্রুপের সদস্য সেটাও দেখতে হবে। সবকিছু নিশ্চিত হয়েই তাদের ফেরত দিতে হবে। এটা একটা সাধারণ নিয়ম।’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মিয়ানমার তাড়াহুড়ো করলেও আমাদের তাড়াহুড়ো করা যাবে না। তারা কী আদৌ বর্ডার গার্ডের সদস্য কি না, এটা নিশ্চিত হতে হবে। আবার এদের মধ্যে কেউ গুপ্তচরও থাকতে পারে। এগুলো বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এদের মধ্যে এমন কেউ ঢুকে পড়তে পারে, যারা বাংলাদেশে ঢুকে নানা ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য নিয়ে বিদেশে অপপ্রচার করতে পারে। কেউ কোনো সন্ত্রাসী দলের সদস্য হলে সেটা আমাদের নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের প্রশ্ন হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আশ্রিতদের মধ্যে কেউ মানবাধিকার লঙ্ঘন বা যুদ্ধাপরাধের মতো অপরাধের সঙ্গে যুক্ত কি না, সেটাও নিশ্চিত হতে হবে। তা না হলে তিনি ফিরে গিয়ে একই ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়তে পারেন।

২৩ জনের ১৭ জনই ক্যাম্পের বাসিন্দা : এদিকে দুই দিন আগে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় যে ২৩ জনকে অস্ত্রসহ আটকের পর এলাকাবাসী পুলিশে দিয়েছে, তাদের বিষয়ে তদন্ত করে ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এদের ১৭ জন উখিয়ার একটি ক্যাম্পের বাসিন্দা। তাদের কাছে ক্যাম্পের পরিচয়পত্রও (এফসিএন কার্ড) রয়েছে। অন্য ছয় জনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তারা কীভাবে ক্যাম্প থেকে বের হয়ে মিয়ানমারে গেল সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। তারা কী কোনো পক্ষের হয়ে যুদ্ধে গিয়েছিল কি না, কিংবা কী কারণে গেলেন সেটাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও গোয়েন্দারা। 

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার ২৩ জনকে আটকের পর গত শুক্রবার দুপুরে বালুখালি বিওপির নায়ক সুবেদার শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে আটক অস্ত্র ও অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেফতার এই রোহিঙ্গা যুবকদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১২টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৮৬৮ রাউন্ড গুলি, পিস্তলের ২৪টি খালি খোসাসহ রাইফেল গ্রেনেড ফিউজ পাঁচ রাউন্ড, এসএমজির ম্যাগাজিন ছয়টি, এলএমজির ম্যাগাজিন চারটি, জি-৩ রাইফেলের ম্যাগাজিন একটি ও পিস্তলের ম্যাগাজিন দুইটি। এই অস্ত্রগুলো তারা কোথায় পেয়েছে সেটাও অনুসন্ধান চলছে।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শামীম হোসাইন ইত্তেফাকে বলেন, শনিবার ঐ ২৩ জনকে আমরা আদালতে পাঠিয়ে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছি। আদালতে এখনো শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। তাদের রিমান্ড হলে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করব। 

আবারও আলোচনায় নবী হোসেন : মিয়ানমারের নাফ নদীর সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করে বাংলাদেশের শীর্ষ ইয়াবার ব্যবসা করেন নবী হোসেন। নাফ নদীর তীর ঘেঁষে তার শতাধিক চিংড়ি ঘের রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে ইয়াবার কারখানাও। চিংড়ি ঘের ব্যবসার নামে সে বাংলাদেশে ইয়াবার চালান পাঠায় নাফ নদী দিয়ে। অবৈধ অস্ত্রও পাঠায়—এমন অভিযোগও রয়েছে। এগুলো নিয়ন্ত্রণে তার রয়েছে বিশাল সশস্ত্র বাহিনী। রাখাইনে যখন সংঘাত চলছে, তখন নবী হোসেন কোথায়? খোঁজ নিয়ে ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নবী হোসেন এখনো রাখাইনেই আছে। তার যে ক্যাডার বাহিনী ছিল, তারাও রাখাইনেই আছে। কেউ এখনো বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেনি। তবে নবী হোসেন ভোল পালটে এখন সেখানে বহাল তবিয়তেই রয়েছেন। পাশাপাশি ইয়াবার ব্যবসাও চলছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ সীমান্তে সতর্ক পাহাড়া দিলেও এর মধ্য দিয়েও ইয়াবা আসছে। ইয়াবার চালান পাঠাচ্ছেন সেই নবী হোসেন। এমন তথ্য জানিয়েছেন টেকনাফ এলাকার একাধিক বাসিন্দা। এই নবী হোসেন বিরুদ্ধে বাংলাদেশের টেকনাফ ও উখিয়া থানায় হত্যাসহ এক ডজনেরও বেশি মামলা রয়েছে। বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তালিকায় মাদকের গডফাদার হিসেবে নবী হোসেনের নাম রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকের বেশ কিছুসংখ্যক মামলা রয়েছে বলে একজন কর্মকর্তা জানান। তার ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থায় আছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।


আরও খবর



৫ দফা দাবিতে বরিশালে গণসংহতি আন্দোলনের বিক্ষোভ সমাবেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯২জন দেখেছেন

Image

নিত্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির পায়তারা বন্ধ ও ভূমিহীনদের মাঝে খাস জমি বন্দোবস্তসহ ৫ দফা দাবিতে বরিশালে বিক্ষোভ সমাবেশ এবং মিছিল করেছে গণসংহতি আন্দোলন। পরে তারা একই দাবিতে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন। 

৫ দফা দাবিতে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে জেলা গণসংহতি আন্দোলন।

সংগঠনের জেলা সমন্বয়ক দেওয়ান আবদুর রশিদ নিলুর সভাপতিত্বে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা কমিটির নির্বাহী সমন্বয়কারী আরিফুর রহমান মিরাজ, কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য বাচ্চু ভূঁইয়া, ইয়াসমিন সুলতানা ও জেলা ছাত্র ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক রাইদুল ইসলাম সাকিবসহ অন্যান্যরা। সমাবেশে বক্তারা নিত্য পন্যের মূল্য কমানো এবং বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির পায়তারা বন্ধের দাবি জানান। একই সঙ্গে ভূমিহীনদের মাঝে খাস জমি বন্দোবস্ত দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

সমাবেশ শেষে একই দাবিতে সদর রোডসহ বিভিন্ন সড়কে একটি বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা। পরে জেলা প্রশাসকের কাছে দাবি সংবলিত একটি স্মারকলিপি দেন গণসংহতি আন্দোলনের নেতারা।


আরও খবর

মহাসড়ক ফাঁকা, আছে বিজিবির টহল

মঙ্গলবার ৩১ অক্টোবর ২০২৩




শুল্ক কমানোর পরও দাম বেড়েছে রোজার পণ্যের

প্রকাশিত:রবিবার ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪০জন দেখেছেন

Image

রোজার আগে বাজারে পণ্যের দাম সহনীয় রাখতে চাল, চিনি, তেলসহ কিছু পণ্যের শুল্ক-কর কমিয়েছে সরকার। কিন্তু বাজারে এর কোনো প্রভাব তো পড়েইনি, উল্টো গত এক সপ্তাহে রমজানসংশ্লিষ্ট কয়েকটি পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে।

ব্যবসায়ীরা বলেছেন, দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের পদক্ষেপ যথাযথ নয়। ডলার সংকটে সাধারণ ব্যবসায়ীরা এতদিন ভোগ্যপণ্য আমদানির ঋণপত্র খুলতে পারেনি। তখন সরকার নজর দেয়নি। ফলে রমজানের এসব ভোগ্যপণ্য আমদানির সুযোগ নিয়েছেন সীমিত কয়েকজন আমদানিকারক। রমজানের আগ মুহূর্তে আমদানিতে শুল্ক-কর কমানোর অর্থ অনেকটা বড় আমদানিকারকদের বাড়তি সুবিধা দেওয়ার মতো বলে মন্তব্য করেন ব্যবসায়ীরা।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি চালের আমদানি শুল্ক-কর ৬৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়। আর সম্পূরক শুল্ক কমানো হয় ২০ শতাংশ। এ ছাড়া পরিশোধিত-অপরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেলের ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। চিনি আমদানিতে প্রতি টনে আমদানি শুল্ক কমিয়ে ১ হাজার টাকা করা হয়েছে, আগে যা ছিল ১ হাজার ৫০০ টাকা। আর খেজুর আমদানিতে শুল্ক ৫৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। কিন্তু দেশের ভোগ্যপণ্যের বৃহত্তম পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে চিনি ও ভোজ্যতেলের দাম বেড়ে গেছে।

পাইকারি পর্যায়ে প্রতিকেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১৩৪ টাকা দরে, যা এক সপ্তাহ আগে ১৩২ টাকায় বিক্রি হতো। এ ছাড়া গত সপ্তাহে পাইকারিতে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১৬১ টাকা, পাম তেল ১৩১ টাকা ও সুপার পাম তেল ১৩৪ টাকা দরে বিক্রি হলেও এখন সয়াবিন তেল ১৫৫ টাকা, পাম তেল ১৩৪ টাকা ও সুপার পাম তেল ১৩৭ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। ভোগ্যপণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এ জামান এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী নুরুল আলম বলেন, ‘ডলার সংকটের কারণে সাধারণ ব্যবসায়ীরা আমদানির ঋণপত্র খুলতে পারেননি। ব্যাংক মালিক কিংবা কোনো না কোনোভাবে ব্যাংকের সঙ্গে সম্পৃক্ত আমদানিকারকরাই প্রভাব খাটিয়ে পণ্য আমদানির সুযোগ পেয়েছেন। রমজানসংশ্লিষ্ট পণ্যসহ দেশের পুরো ভোগ্যপণ্যের বাজার এখন সর্বোচ্চ ১০-১৫ জন বড় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের হাতে সীমাবদ্ধ। ফলে রমজানের আগমুহূর্তে শুল্ক-কর কমিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ হবে বলে মনে হচ্ছে না। বরং এটা আমদানিকারকদের বাকি পণ্য আমদানিতে শুল্কছাড়ের সুযোগ করা দেওয়া। যার কোনো সুফল ভোক্তারা পাবে না।’

এ ব্যাপারে কনজিউমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এসএম নাজের হোসেন বলেন, ‘সাধারণ ব্যবসায়ীরা ভোগ্যপণ্য আমদানিতে ঋণপত্র খুলতে পারছেন না বিষয়টা গত কয়েক মাস ধরে শুনে আসছি। তা সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সংশ্লিষ্টরা কার্যকর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।’ ‘রমজানের আগমুহূর্তে এখন পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের তোড়জোড় শুরু করেছে সরকার। আমদানি থেকে শুরু করে বাজারজাত পর্যন্ত পূর্ণ প্রতিযোগিতা না থাকলে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।’

শনিবার রাজধানীর কল্যাণপুর ও কারওয়ান বাজার ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুল্ক কমানোর পরও খুচরা পর্যায়ে ওই ভোগ্যপণ্যের দাম কমেনি। কারওয়ান বাজারের ইয়াসিন জেনারেল স্টোরের বিক্রয়কর্মী আলী হোসেন বলেন, খোলা চিনি ১৪০ টাকা এবং প্যাকেটজাত চিনি ১৪৫ টাকা কেজি, ছোলা ১১০ টাকা কেজি, বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৭০ টাকা লিটার বিক্রি করছেন তারা।বেড়েছে ছোলার দামও ভোগ্যপণ্যের পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীরা জানান, গত এক সপ্তাহে অস্বাভাবিক বেড়েছে রমজানের অন্যতম ভোগ্যপণ্য ছোলার দাম।

তারা বলেন, এক সপ্তাহ আগে পাইকারিতে ভালো মানের প্রতিকেজি ছোলা (অস্ট্রেলিয়া) বিক্রি হয়েছে ৮৭ টাকা। দাম ১০ টাকা বেড়ে সপ্তাহ শেষে বৃহস্পতিবার একই ছোলা ৯৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি মানের যেসব ছোলা ৮০ টাকায় বিক্রি হতো, তার দাম এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯১ টাকায়।

একইভাবে স্বাভাবিক সময় ৪৫ টাকায় বিক্রি হওয়া সাদা মটরের দাম ঠেকেছে এখন ৬৬ টাকায়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে খাতুনগঞ্জের একাধিক ব্যবসায়ী অভিযোগ করেন, এবারে রমজানকে ঘিরে ছোলা আমদানি হয়েছে চাহিদার মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। এই সুযোগে আমদানিকারকদের কাছ থেকে বেশিরভাগ ছোলা খাতুনগঞ্জের এক ব্যবসায়ী (পায়েল ট্রেডার্স) কিনে নিয়েছেন। ওই ব্যবসায়ী এখন ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন।

তবে বিষয়টি অস্বীকার করে পায়েল ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী পরিতোষ মহাজন বলেন, ‘বাজারের বেশিরভাগ ছোলা-মটর আমরা মজুদ করেছি, বিষয়টি সত্য নয়। আমরা ১০০-২০০ টন করে পণ্য কিনে বাজারে বিক্রি করি।’ তিনি কয়েকটি বড় কর্পোরেট গ্রুপের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বেশিরভাগ পণ্য রয়েছে।বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের বাজারে একচেটিয়া প্রভাব বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘বাজারে একচেটিয়া প্রভাব রোধে আমরা ব্যবস্থা নেব।’

শুক্রবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি ব্যবসায়ীদের প্রতি রমজানে জনসাধারণকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। চলতি সপ্তাহে আমদানিকারক ও পণ্য উৎপাদনকারীদের সঙ্গে বৈঠক করে তেলের দাম নির্ধারণ করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এ ছাড়া ভারত পেঁয়াজ ও চিনি সরবরাহ করতে রাজি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন। ‘আমরা ভারত ও অন্যান্য প্রতিবেশী দেশ থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে কাজ করব।’ তিনি আরও বলেন, পর্যাপ্ত চাল সরবরাহ রয়েছে, মজুদ রয়েছে ১৭ লাখ টনেরও বেশি। ‘আমরা অসাধু ব্যবসায়ীদের তৈরি কৃত্রিম খাদ্য সংকট বা মূল্যবৃদ্ধি সহ্য করব না,’ বলেন তিনি।


আরও খবর



বানিয়াচং উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে আপনাকে চাই আপামর জনতা

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫২জন দেখেছেন

Image

শাহ সুমন, বানিয়াচং : অবহেলিত ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে আবারো কাজ করতে চান। সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইকবাল হোসেন খাঁন।

সরকারের সিদ্ধান্তে এবার উপজেলা নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রতীক না থাকায় সরকারি দলের একাধিক প্রার্থী নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করবেন বলে গুঞ্জন শোনা যায়। তবে উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও এপ্রিলের প্রথম ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

এদিকে জননেতা মোঃ ইকবাল হোসেন খাঁন, নিজের অবস্থান আরো সুসংহত করতে তিনি নিয়মিত গনসংযোগ,উঠান বৈঠকসহ নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। এমন কি দিনরাত ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করে যাচ্ছেন। উপজেলার প্রত্যেকটি ইউনিয়নে পথসভা ও করতে দেখা গেছে তাকে। 

নিজের প্রার্থীতা জানান দিয়ে তিনি এলাকার সাধারণ মানুষের সমর্থন, দোয়া ও  সার্বিক সহযোগিতার আহ্বান জানান। উপজেলা পরিষদ নির্বাচন চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ ইকবাল হোসেন খাঁন।

দিনব্যাপী উপজলার বিভিন্ন বাজারে, চায়ের দোকানে, বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা ঘাটে প্রচারণাকালে বানিয়াচং উপজেলা পরিষদ নির্বাচন চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ ইকবাল হোসেন খাঁন বলেন, বঙ্গবন্ধুর একজন আদর্শ সৈনিক হিসেবে নিজেকে নিযুক্ত করে দীর্ঘ দিন ধরে উপজেলায় বিভিন্ন সেবা মূলক কার্যক্রম করে যাচ্ছেন। এলাকায় সমাজসেবক হিসেবে তার ব্যাপক সুনাম রয়েছে। এছাড়াও সকল সময়ে তিনি অসহায় দুস্থ্য মানুষের সুখ দুঃখে সর্বদা পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বিশ্বাস করেন আপামর জনতা এবারো আমাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবে।

আরও খবর

হবিগঞ্জে ১ কোটি ২৭ লাখ কেজি চা উৎপাদন

বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বিয়েতে কোন হোটেল বেছে নিলেন রাকুল প্রীত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৩জন দেখেছেন

Image

বিয়ে তারিখ আগেই ঘোষণা করেছিলেন বলিউড অভিনয়শিল্পী রাকুল প্রীত সিং ও জ্যাকি ভাগনানি। বলা চলে বিয়ের প্রস্তুতি এখন শেষে দিকে। তিন দিনব্যাপী চলবে রাকুল-জ্যাকির বিয়ের আয়োজন। ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে হলুদ, মেহেদিসহ নানা আচার–অনুষ্ঠান। ২১ ফেব্রুয়ারি ছাদনাতলায় যাবেন রাকুল-জ্যাকি। ২২ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইতে বিয়ে– পরবর্তী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

গোয়ার বিলাসবহুল হোটেল আইটিসি গ্র্যান্ডে হবে তাঁদের বিয়ের অনুষ্ঠান। ২৪৬ কক্ষের রিসোর্টটিতে ইন্দো-পর্তুগিজ কারুকাজের ছোঁয়া আছে। আর বিয়ের জন্য এই হোটেলকে বেছে নেওয়ার জন্য বেশ সাধুবাদও পাচ্ছেন হবু দম্পতি।

এক প্রতিবেদনে ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, রাকুল-জ্যাকির বিয়েতে নিমন্ত্রিত অতিথির তালিকা সীমিত। বিশেষ অতিথি ছাড়া বিয়ের আসরে উপস্থিত থাকবেন পরিবার পরিজন আর বন্ধুরা।

বিয়েতে থাকছে কিছু নিয়মকানুন। কার্বনের আধিক্য অর্থাৎ ‘কার্বন ফুটপ্রিন্ট’ কমাতে আতশবাজি ফোটানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর আগে ২০২১ সালে রাকুল প্রীতের জন্মদিনে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া পোস্টে প্রেমের বিষয়টি জানান জ্যাকি ভগনানি। এর পর থেকে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে নিয়মিত দেখা গেছে তাঁদের।


আরও খবর

যে কারণে টাকা ফিরিয়ে দিলেন জয়া

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ঈধিকার পর এবার মিমি

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24