Logo
আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

খৎনা করতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু, দুই চিকিৎসককে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ১২০জন দেখেছেন

Image

রাজধানীর মালিবাগের জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে সুন্নতে খৎনা করাতে গিয়ে আহনাফ তাহমিন আয়হাম (১০) নামে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার পর গ্রেপ্তার দুই চিকিৎসককে দুইদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

গ্রেপ্তাররা হলেন চিকিৎসক এস এম মুক্তাদির ও মাহাবুব মোরশেদ। বুধবার তাদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও হাতিরঝিল থানার উপ-পরিদর্শক রুহুল আমিন তাদের সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন। অপরদিকে রিমান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন করেন আসামিদের আইনজীবী। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী তাদের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে দুইদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন হাতিরঝিল থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার উপ-পরিদর্শক এশারত আলী। তিনি জানান, আসামিদের সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। এ সময় তাদের রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে শুনানি করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী। পরবর্তীতে আদালত অভিযুক্ত দুই চিকিৎসককে জেলগেটে দুই দিনের জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন।

এর আগে, এ ঘটনায় শিশুর বাবা মোহাম্মদ ফখরুল আলম বাদী হয়ে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় মামলা করেন। মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ৩/৪ জনকে আসামি করা হয়। মামলা সূত্রে জানা যায়, আহনাফকে মালিবাগের জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে মঙ্গলবার রাতে সন্তানকে সুন্নতে খৎনা করাতে নিয়ে যান তার বাবা-মা। রাত আটটার দিকে খৎনা করানোর জন্য অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার পর আর জ্ঞান ভাঙেনি আহনাফের। এর ঘণ্টাখানেক পরই হাসপাতালটির পক্ষ থেকে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

আহনাফের স্বজনদের অভিযোগ, লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার কথা থাকলেও তারা ফুল অ্যানেস্থেসিয়া দিয়েছে। যে কারণে আহনাফের আর জ্ঞান ফেরেনি। ১০ বছর বয়সী আহনাফ মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল।

শিশুটির বাবা ফখরুল আলম বলেন, আমরা চিকিৎসককে বলেছিলাম যেন ফুল অ্যানেস্থেসিয়া না দেওয়া হয়। তারপরও আমার ছেলের শরীরে সেটি পুশ করেন ডাক্তার মুক্তাদির। আমি বারবার তাদের পায়ে ধরেছি। আমার ছেলেকে যেন ফুল অ্যানেস্থেসিয়া না দেওয়া হয়। আমার সন্তানকে অ্যানেস্থেসিয়া দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই মৃত্যুর দায় মুক্তাদিরসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সবারই। আমি তাদের কঠোর শাস্তি চাই।

এদিকে, এ ঘটনায় হাসপাতালটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দিয়ে নোটিশ ঝুলিয়ে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বুধবার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগ জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে এসে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. আবু হোসেন মো. মইনুল আহসান। তিনি বলেন, পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত জেএস হাসপাতালের সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। 


আরও খবর



রোনালদোর ৬৪তম হ্যাটট্রিকে বিধ্বস্ত আল তাই

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ৭৫জন দেখেছেন

Image

দারুণ ছন্দে এগিয়ে চলা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো জ্বলে উঠলেন আবার। হ্যাটট্রিক উপহার দিলেন এই পর্তুগিজ তারকা। বড় জয় পেল তার দল আল নাসের। সৌদি প্রো লিগে শনিবার (৩০ মার্চ) রাতে ঘরের মাঠে আল তাইয়ের বিপক্ষে আল নাসেরের জয় ৫-১ গোলে। 

২০তম মিনিটে ওতাভিওর গোলে এগিয়ে যায় আল নাসের। দুই মিনিট পর সমতা টানেন আল তাইয়ের ভার্জিল। ৩৬তম মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এই ডাচ ফরোয়ার্ড। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আব্দুল রাহমানের গোলে আবার এগিয়ে যায় আল নাসের।

৬৪তম মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পান রোনালদো। সাদিও মানের পাসে বক্সের ভেতর থেকে ডান পায়ের শটে গোলটি করেন ৩৯ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। ৬৭তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলে ব্যবধান বাড়ান তিনি। সতীর্থের প্রচেষ্টা পোস্টে লাগার পর কাছ থেকে শটে বল জালে পাঠান পাঁচবারের বর্ষসেরা ফুটবলার। আর ৮৭তম মিনিটে কাছ থেকে হেডে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সাবেক রেয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড। রোনালদোর ক্যারিয়ারের ৬৪তম হ্যাটট্রিক এটি। এর চারটি আল নাসেরের হয়ে, ৫৮ ম্যাচে। ৩০টি হ্যাটট্রিক করেন তিনি বয়স ৩০ হওয়ার আগে। আর বয়স ৩০ হওয়ার পর তার হ্যাটট্রিক হলো ৩৪টি।

চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে আল নাসেরের হয়ে রোনালদোর গোল এখন ৩৩টি। ২৫ ম্যাচে ৫৯ পয়েন্ট নিয়ে লিগের দ্বিতীয় স্থানে আছে আল নাসের। সমান ম্যাচে ৭১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আল হিলাল।


আরও খবর



রোজা ফরজ হওয়ার রহস্য ও তাৎপর্য

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ১০৪জন দেখেছেন

Image

মহান প্রভু কোরআনে কারিমে ইরশাদ করেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর, যেন তোমরা তাকওয়া (খোদাভীতি) অর্জন করতে পার। (সুরা বাকারা-১৮৩)। 

তাকওয়া অর্জন হওয়ার জন্য রোজা ফরজ করা হয়েছে। তাকওয়া আরবি শব্দ। এর ভাবার্থ হলো, খোদাভীতি, আত্মরক্ষা ইত্যাদি। শরিয়তের পরিভাষায় আল্লাহতায়ালার ভয়ভীতি নিয়ে তাঁর নির্দেশসমূহ পালন করা এবং নিষেধাজ্ঞাসমূহ থেকে বেঁচে থাকার নাম হলো, ‘তাকওয়া’। যে ব্যক্তির তাকওয়া যত বেশি আল্লাহর কাছে তার সম্মান ততই বেশি। 

আল্লাহতায়ালা ঘোষণা করেন, ‘নিশ্চয় তোমাদের মধ্যে আল্লাহর কাছে সর্বাপেক্ষা সম্মানিত ওই ব্যক্তি যে তোমাদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা তাকওয়ার অধিকারী’। (সুরা হুজরাত-১৩)। তাকওয়া এবং খোদাভীতি মানুষকে পরিশুদ্ধ করে, আলোকিত করে, সৎকাজে উৎসাহ জোগায় এবং পাপাচার বর্জন করার প্রেরণা সৃষ্টি করে। তাকওয়া অর্জনের ফলে একটি মানুষ অন্যায়-অনাচার, সুদ-ঘুষ বর্জন করতে পারে। গড়ে উঠতে পারে একটি আদর্শ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা। আর এই মহৎ গুণটি অর্জনের শ্রেষ্ঠ ও সহজ উপায় হলো রোজা রাখা। 

কারণ রোজা হলো নির্দিষ্ট সময়ে কিছু কাজ বর্জন করা। যে ব্যক্তি দিনের বেলায় ওই কাজগুলো বর্জন করবে সে সত্যিকারার্থে আল্লাহর ভয়েই বর্জন করবে। এভাবে তার অন্তরে আল্লাহর প্রতি অকৃত্রিম ভয়ভীতি বৃদ্ধি পাবে। এক পর্যায়ে তার অন্তরে আল্লাহর ভয়ভীতি জাগ্রত হওয়ার ফলে সে সব ধরনের অন্যায় ও পাপাচার বর্জনে অভ্যস্ত হয়ে যাবে। এ লক্ষ্য নিয়ে রমজানের রোজা আদায় করতে সক্ষম হলে সার্থক হবে আমাদের সাধনা। 

সাহাবি আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ (সা). ফরমান, যেদিন তোমাদের কেউ রোজা রাখে, তখন রোজা অবস্থায় সে যেন অশ্লীলতা, অনৈতিকতা ও ঝগড়া বিবাদে জড়িয়ে না যায়। যদি কেউ তাকে গালি দেয় অথবা হত্যা করে তখন সে বলবে আমি রোজাদার মানুষ। (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)। 

অপর হাদিসে তিনি বলেন, যে ব্যক্তি মিথ্যা বলা ও এ অনুযায়ী কর্মত্যাগ করেনি তার পানাহার বর্জন করা আল্লাহর জন্য কোনো প্রয়োজন নেই। (সহিহ বুখারি)। এই পবিত্র রমজান মাসে যাবতীয় ইবাদত-বন্দেগি যথাযথভাবে পালন করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করতে হবে। নিজেকে বিরত রাখতে হবে সব ধরনের দুর্নীতি, পাপাচার, মিথ্যা এবং অন্যায় অপকর্ম থেকে।

এ মাসের প্রতিটা মুহূর্তই সংযম সাধনায় নিবেদিত করতে হবে। বিশেষ করে কোরআন অবতরণের এই মাসে কোরআনে কারিমের বিশুদ্ধ তিলাওয়াত হলো উত্তম একটি আমল। আর দিনের বেলায় রোজা এবং রাতে তারাবির নামাজ আদায়ে বিশেষভাবে যত্নবান হতে হবে। ফেরেশতাকুল সম্রাট জিবরাইল (আ.) প্রতি বছর রমজানে মহানবী (সা.)-এর কাছে আগমন করতেন, রসুলুল্লাহ (সা.) তাকে কোরআন শুনাতেন। (সহিহ মুসলিম)

মহানবী (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি ইমানের সঙ্গে পুণ্য হিসেবে রমজানের রোজা পালন করবে তার পেছনের সব পাপ ক্ষমা করা হবে। (সহিহ বুখারি সহিহ মুসলিম)। অপর হাদিসে তিনি বলেন, যে ব্যক্তি ইমানের স্বার্থে পুণ্য হিসেবে রমজানের নামাজ (তারাবিহ) আদায় করবে তার পেছনের সব পাপ ক্ষমা করা হবে। (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম)।


আরও খবর

অন্তরের মরিচা দূর করতে করণীয়

রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪




জমজমাট ঈদ কেনাকাটা, গরমে আরামে নজর ক্রেতাদের

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ৯৮জন দেখেছেন

Image
আর দুই সপ্তাহ পরেই ঈদ। ইতোমধ্যে জমে উঠেছে রাজধানীর ঈদ বাজার। মূলত গতকাল থেকেই শুরু হয়েছে ঈদের কেনাকাটা। ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত বিপণিবিতানগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। রোদ ও গরম উপেক্ষা করে পরিবার-পরিজনদের জন্য নতুন পোশাক কিনতে রাজধানীর বিপণিবিতানগুলোতে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। ক্রেতা-বিক্রেতাদের দরদামে সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্তও চলছে কেনাবেচা। ফুটপাত ও ভ্যানগাড়িতে অস্থায়ীভাবে বসা দোকানেও কেনাকাটা চলছে পুরোদমে। গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। 

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি, মহাখালী এসকেএসসহ বিভিন্ন শপিংমল ছিল লোকে লোকারণ্য। মানুষ নিজেদের সাধ্যমতো প্রিয়জনদের জন্য কেনাকাটায় ব্যস্ত ছিলেন। এসব মার্কেটের ভিতরে ও আশপাশের রাস্তাগুলোতেও হাঁটার মতো অবস্থা ছিল না। সবখানেই ক্রেতাদের ভিড়। বিক্রেতারা বাহারি রঙের সব পোশাক সাজিয়ে রেখেছেন। কেউ পোশাক শরীরে ট্রায়াল দিচ্ছেন। কেউবা বাচ্চাদের পোশাক কেনায় ব্যস্ত। কেউবা শাড়ি, কসমেটিকস, গহনা, জুতার দোকানে ভিড় জমিয়েছেন। ছেলেদের পাঞ্জাবির দোকান গুলোতেও ছিল চোখে পড়ার মতো ভিড়। থেমে নেই কেউ, সবাই ছুটছেন পছন্দের পোশাকের সন্ধানে। ভিড়ের কারণে ক্রেতার সঙ্গে বেশিক্ষণ কথা বলারও সুযোগ পাচ্ছেন না বিক্রেতারা। এর মধ্যেই পছন্দের কাপড় কিনছেন ক্রেতারা। ছেলেরা বেশি কিনছেন শার্ট, প্যান্ট, টি-শার্ট ও পাঞ্জাবি। আর তরুণী ও নারীরা কিনছেন শাড়ি, থ্রি-পিস ও ফ্রক। এ ছাড়া জুতার দোকানেও বিক্রি বেড়েছে অনেক।

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটিতে পাওয়া যাচ্ছে নতুন নতুন কালেকশনের বাহারি কারুকাজ, হাতের নকশা, নানা রঙের কাপড়সহ বিভিন্ন ধরনের নতুন পোশাক। নতুন সাজে সেজেছে ফ্যাশন হাউসগুলো। ক্রেতারা বলেন, বসুন্ধরা সিটিতে এক জায়গাতেই সব ধরনের সামগ্রী একসঙ্গে পাওয়া যায়। এ মার্কেট শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থাকায় কেনাকাটাও আনন্দদায়ক। ফ্যাশন হাউস ইয়োলোর এক বিক্রয় কর্মী জানান, ঈদ এবং গরমকে প্রাধান্য দিয়ে ডিজাইনে আনা হয়েছে নতুনত্ব। গরমকে প্রাধান্য দিয়ে তৈরি করা এসব পোশাকের দাম রাখা হয়েছে ক্রেতার সাধ্যের মধ্যেই। এ ছাড়াও বসুন্ধরা সিটির বিভিন্ন শো-রুম, নিপুণ, সৃষ্টি, সাদাকালো, দেশাল, রঙ বাংলাদেশ, কে-ক্রাফট, অঞ্জন্স, জ্যোতি, জেন্টস পয়েন্টসহ বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসের শো-রুম ঘুরে দেখা গেছে ক্রেতাদের ভিড়। পছন্দ হলেই কিনছেন ক্রেতারা। 

মহাখালী এসকেএস মার্কেটে দেখা যায়, ঈদকে ঘিরে নিত্যনতুন ডিজাইনের পোশাকের পসরা সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। এখানে পাঞ্জাবি, পায়জামা, শাড়ি, থ্রি-পিস, শার্ট, টি-শার্ট, প্যান্ট, কসমেটিকস, জুয়েলারিসহ সব ধরনের আইটেমই রয়েছে। প্রতিটি দোকানেই ক্রেতাদের ভিড়। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ক্রেতা কম থাকলেও বিকালের পর থেকে বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি। আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড জিওর্দানোর বিক্রয়কর্মী নাসিমুল হক হৃদয় বলেন, আমাদের এখানে প্রত্যাশা অনুযায়ী বেচাকেনা চলছে। প্রত্যাশা করছি সামনের দিনগুলোতে আরও বিক্রি বাড়বে। আমাদের এখানে ছেলেদের ইমপোর্ট করা সব ধরনের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। শার্টের জন্য বিখ্যাত আমাদের ব্র্যান্ড।

আরও খবর



প্রাক্তন-বর্তমান স্ত্রীর সঙ্গে আরবাজ, হঠাৎ কেন এক হলেন তারা

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ৬৮জন দেখেছেন

Image

গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ দিকে সুরা খানের সঙ্গে নতুন সংসার পেতেছেন মালাইকা আরোরার সাবেক স্বামী আরবাজ খান। সুরাকে বিয়ে করার পর মালাইকাকে ইনস্টাগ্রামে ‘আনফলো’ করেছেন তিনি। 

আরবাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকেই নিজের নামের পাশ থেকে ‘খান’ পদবি সরিয়েছেন মালাইকা। কিন্তু শুক্রবার রাতে মুম্বাইয়ের এক রেস্তোরাঁয় দেখা গেল একেবারে অন্য এক চিত্র। বর্তমান স্ত্রী সুরার হাত ধরে এলেন আরবাজ। পিছু পিছু এলেন মালাইকা। 

১৯ বছরের দাম্পত্য জীবন। ২০১৬ সালে বিচ্ছেদ হয় আরবাজ-মালাইকার। যদিও সন্তান আরহানের দায়িত্ব ভাগাভাগি করে নিয়েছেন তারা। আর সন্তানের জন্যই ফের কাছাকাছি এলেন এই সাবেক দম্পতি। সম্প্রতি একটি পডকাস্ট শো শুরু করেছেন আরহান। তারই উদযাপনের খাওয়া দওয়া ছিল। ছেলের কথা ভেবেই এদিন এক হলেন আরোরা ও খান পরিবার।

আরবাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ১২ বছরের ছোট অর্জুন কপূরের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান মালাইকা। প্রথম দিকে নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে জনসমক্ষে মুখ না খুললেও এখন আর কোনও লুকোচুরি নেই। তবে আরবাজের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকে নানা ভাবে সামাজিক হেনস্থার মুখে পড়তে হয়েছে মালাইকাকে।

কিন্তু ছেলের বিশেষ দিনে আরহানের মা-বাবা ছাড়াও ছিলেন আরবাজের বাবা সেলিম খান, মালাইকার মা জয়েস, বোন অমৃতাসহ অন্যরা। গত সপ্তাহেই প্রকাশ্যে এসেছে আরহানে পডকাস্ট ‘দম বিরিয়ানি’র টিজার। সেখানে খান পরিবারের সকল সদস্যের দেখা মিলেছে। সালমান খানও উৎসাহ দিয়েছেন ভাতিজাকে।


আরও খবর



প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এডিবি'র ভাইস প্রেসিডেন্ট

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৮ এপ্রিল ২০২৪ | ১৮৫জন দেখেছেন

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ভাইস প্রেসিডেন্ট (সেক্টর ও থিমস) ফাতিমা ইয়াসমিন।

আজ সকালে গণভবনে তাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। এসময় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ভাইস প্রেসিডেন্ট (সেক্টর ও থিমস) ফাতিমা ইয়াসমিন প্রধানমন্ত্রীর হাতে এডিবি কর্তৃক প্রকাশিত 'বাংলাদেশ ইকোনমিক করিডোর ডেভলপমেন্ট হাইলাইটস' বইটি তুলে দেন। 

এশীয় উন্নয়ন ব্যাকের (এডিবি) একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন প্রতিনিধিদল এসময় উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর