Logo
আজঃ বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪
শিরোনাম

হলুদের সমারোহে পাল্টে গেছে সাতক্ষীরার দৃশ্যপট

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | ৪৯৬জন দেখেছেন

Image

সাতক্ষীরার ফসলের মাঠে এখন যেদিকে চোখ যায়, সেদিকেই শুধু সরিষা ফুলের সমারোহ। সরিষার হলুদ ফুলের গন্ধে মধু সংগ্রহ করতে উড়তে দেখা যাচ্ছে মৌমাছিদের।

কৃষি বিভাগ বলছে, চলতি বছর জেলায় রেকর্ড পরিমাণ জমিতে চাষ করা হয়েছে। ২০২৩-২৪ মৌসুমে সাতক্ষীরা জেলায় ২১ হাজার ৭৬৭ দশমিক ২ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। যেখানে গত ৫ বছর আগে চাষ হতো মাত্র ৮ হাজার ৯৫৫ হেক্টর। কয়েক বছরের ব্যবধানে জেলায় সরিষার আবাদ বেড়েছে প্রায় তিনগুণ। চাষের সময় আর খরচ কম হওয়ায় সরিষা চাষ বাড়ছে। গত কয়েক বছরে নতুন নতুন জাত উদ্ভাবনের ফলে শস্যটির ফলনও আগের চেয়ে বেড়েছে। এ কারণে সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দিন দিন বাড়ছে সরিষার চাষ। মূলত সয়াবিনের উচ্চ মূল্যের কারণে ভোজ্যতেলের চাহিদা পূরণে সরিষার চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) কয়েক বছরে বেশকিছু নতুন জাত উদ্ভাবন করেছে। সংস্থাটির তথ্যমতে, বিনার সরিষা হেক্টরপ্রতি গড় ফলন ১ দশমিক ৮ টন। জীবনকাল মাত্র ৮৭ দিন। বাড়তি ফলন ও কম সময়ের কারণে লাভবান হচ্ছেন কৃষকেরা।

অপরদিকে বাজারে দাম ভালো দাম পাওয়ায় সরিষা চাষে আশার আলো দেখছেন কৃষকেরা। বাজারে সরিষা ফুল ও সরিষা শাকেরও চাহিদা বাড়ছে। ফলে ফুল ও শাক বিক্রি করেও বাড়তি উপার্জন করছেন অনেকে।

তালা উপজেলার নগরঘাটা গ্রামের কৃষক শামছুর রহমান বলেন, ‘চলতি মৌসুমে ৩ বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। আবহাওয়া ভালো থাকলে ১ বিঘা জমিতে প্রায় ৫-৭ মণ করে সরিষার ফলন হবে।প্রতি বিঘায় ৩-৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।’

সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘দেশের বর্তমান ভোজ্যতেলের চাহিদার শতকরা ৯০ ভাগ বিদেশ থেকে আনতে হয়। এতে বছরে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হচ্ছে। এ অবস্থায় দেশে ৫০ ভাগ তেল উৎপাদনের মাধ্যমে আমদানি নির্ভরতা কমাতে ৩ বছর মেয়াদী রোডম্যাপ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। চলতি মৌসুমে ২৮ হাজার ৯৫০ মেট্রিক টন সরিষা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রচলিত দেশি সরিষার চেয়ে বারি ও বিনার উদ্ভাবিত সরিষার জাতগুলোর ফলন বেশি। এ কারণে এতে চাষিরাও আগ্রহী হচ্ছেন। অনেকেই আমন ধান সংগ্রহের পর জমি ফেলে না রেখে সরিষা চাষ করছেন। এরপর আবার বোরো ধান রোপণ করতে পারছেন। এতে একই জমিতে বছরে তিনবার ফসল উৎপাদন হচ্ছে।’


আরও খবর



বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মূল ফটকে তালা

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ | ৫৩জন দেখেছেন

Image



সদরুল আইনঃ


রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার (১৭ জুলাই) সকাল থেকেই কার্যালয়টির মূল ফটকে তালা ঝুলতে  দেখা গেছে।



 তবে কে বা কারা তালা লাগিয়েছে সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। 


পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মূল ফটকে ক্রাইম সিন ফিতা দিয়ে ঘিরে দিয়েছে। এর চারদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পুলিশ সদস্যদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।



 কার্যালয়ে অভিযানের পর থেকে বিএনপির কার্যালয়ে দলটির কোনো নেতাকর্মী বা কর্মচারীরা কেউ আসেননি। 



এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। 


এ প্রসঙ্গে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, মধ্য রাতে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান সরকারের নোংরা নাটক ।


রিজভী বর্তমান দেশবাংলা কে বলেন, ‘কাপুরুষের মতো বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে মধ্যরাতে অভিযান চালানো হয়েছে। তারা একাকী ঢুকে নাটক করেছে যে, বিএনপির কার্যালয়ের ভেতরে বিস্ফোরক আছে, লাঠিসোটা আছে ইত্যাদি। 



আমি সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই ঘৃণ্য চক্রান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি, আমি ঘৃণা জানাচ্ছি।



আরও খবর



রোকেয়া হল থেকে ছাত্রলীগ নেত্রীদের পিটিয়ে বের করে দিলেন আন্দোলনকারীরা

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ জুলাই ২০২৪ | ৩০জন দেখেছেন

Image

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলকে ‘ছাত্র রাজনীতিমুক্ত’ ঘোষণা দিয়ে হল থেকে ছাত্রলীগের নেত্রীদের টেনে-হিঁচড়ে বের করে দিয়েছেন আন্দোলনরত  সাধারণ শিক্ষার্থীরা।



 এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দেন। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) রাতে এ ঘটনা ঘটে।


সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ছাত্রলীগের রোকেয়া হল শাখার সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের ১ নম্বর সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকা বিনতে হুসাইনকে ধরে বের করে দেওয়া হচ্ছে।


শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ‘ওই ১০ ছাত্রলীগ নেত্রীর মধ্যে আছেন হল শাখা ছাত্রলীগ সভাপতি আতিকা বিনতে হোসাইন, ছাত্রলীগ নেত্রী বর্ণালী ঘোষ বর্ণ, সামিহা মাহবুব, সাজিয়া রহমান সিলভী, বিপর্ণা রায় ও সাইফুন্নেসা ইলমি। 


আতিকা ছাড়া বাকি সবাই আসন্ন হল শাখা ছাত্রলীগের শীর্ষ পদপ্রত্যাশী।’


রোকেয়া হলের এক নিরাপত্তা প্রহরী গণমাধ্যমকে জানান, ১০ জন ছাত্রলীগ নেত্রীকে বের করে দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। পরে আবাসিক শিক্ষকেরা এসে তাদের নিরাপদে নিয়ে গেছেন।


এদিকে সারাদেশে কোটা আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ ও ছাত্রলীগের ন্যক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর ২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘গায়েবানা জানাজা ও কফিন মিছিল’ করার ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।



আরও খবর



সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিল কোটাবিরোধীরা

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | ৬২জন দেখেছেন

Image



চ্যানেল ২৩ ডেস্ক:


সরকারি চাকরিতে কোটার যৌক্তিক সংস্কারে সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।



 একই সঙ্গে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন তারা।


রোববার (১৪ জুলাই) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি পেশ করে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ মোড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা এসব তথ্য জানান।


তারা বলেন, আমরা বলেছি কোটা বাতিল করে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। আমরা পদযাত্রা সফল করেছি।


বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা বলেন, আমরা সরকার থেকে এখনও আশ্বাস পাচ্ছি না। কোটা সংস্কারের এখতিয়ার সরকারের। কিন্ত সরকার এড়িয়ে যাচ্ছে।


এর আগে বেলা আড়াইটার পরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে তাদের দাবি দাওয়া সংবলিত স্মারকলিপিটি পেশ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল।


উল্লেখ্য, ২০১৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা প্রচলিত ছিল। এর মধ্যে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা, ১০ শতাংশ নারী কোটা, অনগ্রসর জেলার বাসিন্দাদের জন্য ১০ শতাংশ কোটা, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষদের জন্য ৫ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ আসন সংরক্ষিত ছিল।


ওই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোটা সংস্কারের দাবিতে বড় বিক্ষোভ হয়। কোটাব্যবস্থার সংস্কার করে ৫৬ শতাংশ কোটা থেকে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। পরে সে বছরের ৪ অক্টোবর কোটাপদ্ধতি বাতিলবিষয়ক পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।


এর মাধ্যমে ৪৬ বছর ধরে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে যে কোটাব্যবস্থা ছিল, তা বাতিল হয়ে যায়। পরে ২০২১ সালে সেই পরিপত্রের মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের অংশটিকে চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান উচ্চ আদালতে রিট করেন।



 সেই রিটের রায়ে চলতি বছরের ৫ জুন পরিপত্রের ওই অংশ অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এরপর চাকরিপ্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীরা মাঠে নামেন।


টানা কয়েকদিন আন্দোলনের পর গত ৯ জুলাই কোটা পুনর্বহাল নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী। পরেরদিন হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের ওপর এক মাসের স্থিতাবস্থা জারি করেন আপিল বিভাগ। 



এ আদেশের ফলে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে ২০১৮ সালে সরকারের জারি করা পরিপত্র বহাল থাকছে। তবে শিক্ষার্থীরা আপিল বিভাগের এই আদেশ প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।



আরও খবর



ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | ৪৫জন দেখেছেন

Image


ডেস্ক রিপোর্ট:


কোটা সংস্কারের দাবিতে উত্তাল সারাদেশ। এরই অংশ হিসেবে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনকারীরা। এসময় তাদের সঙ্গে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।


বুধবার (১৭ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মোস্তফাপুরে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।


এর আগে মাদারীপুর সরকারি কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ব্যানার-ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মোস্তফাপুরে গোলচত্বরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। 



এ সময় তারা সারা দেশে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার ও কোটা সংস্কারের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।


একপর্যায়ে সেখানে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা হাজির হলে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। এতে নারীসহ পাঁচ জন আহত হন।



এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এইচ এম সালাউদ্দিন বলেন, মহাসড়কে কোটা সংস্কারের অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ সকাল থেকেই মহাসড়কে অবস্থান নেয়। শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক অবরোধ করলে প্রথমে তাদের বোঝানো হয়।



 পুলিশের চেষ্টায় অনেক শিক্ষার্থী মহাসড়ক ছেড়ে দিলেও অনেকেই আবার মহাসড়ক অবরোধ করার চেষ্টা করেন। এ সময় কোটার পক্ষের কিছু লোক তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেন।


তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলার কোনো অবনতি ঘটেনি। পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত। যান চলাচলও স্বাভাবিক রয়েছে।


আরও খবর



ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের আদেশ আপিল বিভাগে বহাল

প্রকাশিত:রবিবার ১৪ জুলাই ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ জুলাই 20২৪ | ৭৫জন দেখেছেন

Image



সদরুল আইনঃ


রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের স্কুল শাখায় বয়সসীমা লঙ্ঘিত হওয়ায় প্রথম শ্রেণিতে ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিল খারিজ করেছেন আপিল বিভাগ।



 রোববার (১৪ জুলাই) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।



জানা গেছে, ভিকারুননিসায় ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা (নিজেদের নির্ধারিত) অনুসরণ না করে ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে বিধিবহির্ভূতভাবে ভর্তি হওয়া ২০১৫ সালে জন্মগ্রহণকারী ১০ জন এবং ২০১৬ সালে জন্মগ্রহণকারী ১৫৯ জনসহ মোট ১৬৯ জন শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল চেয়ে আবেদন করেন একজন অভিভাবক।



 স্কুল কর্তৃপক্ষ সাড়া না দেয়ায় তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। গত ২৩ জানুয়ারি হাইকোর্ট ১০ দিনের মধ্যে বিষয়টি নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।



এরপর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ভিকারুননিসা স্কুল কর্তৃপক্ষকে এই ১৬৯ জনের ভর্তি বাতিল করতে স্কুল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেয় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। 


এরই পরিপ্রেক্ষিতে ওই ছাত্রীদের ভর্তি বাতিল করে কর্তৃপক্ষ।


আরও খবর