Logo
আজঃ শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

একদিনে ১৯৬ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত, মৃত্যু ২

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১২৫জন দেখেছেন

Image

সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ১৯৬ জন রোগী। আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪০ জন আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫৬ জন। একই সঙ্গে এই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও দুই জনের মৃত্যু হয়েছে।

১৯ ডিসেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট এক হাজার ৩৩৭ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ৪৩৩ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৯০৪ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এখন পর্যন্ত তিন লাখ ১৯ হাজার ৬৭১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় এক লাখ ৯ হাজার ৬১৬ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন দুই লাখ ১০ হাজার ৫৫ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিন লাখ ১৬ হাজার ৬৪৬ জন। ঢাকায় এক লাখ ৮ হাজার ২১১ এবং ঢাকার বাইরে দুই লাখ ৮ হাজার ৪৩৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ১৬৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর

ফুসফুসে মাত্রাতিরিক্ত বাতাস

বৃহস্পতিবার ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩




কারামুক্ত মির্জা ফখরুল-আমীর খসরু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৪জন দেখেছেন

Image

জামিনে কারামুক্ত হলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বৃহস্পতিবার বিকেল পৌনে চারটার দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরানীগঞ্জ) থেকে জামিনে মুক্তি লাভ করেন মির্জা ফখরুল ও আমীর খসরু।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের (কেরানীগঞ্জ) সিনিয়র জেল সুপার সুভাষ কুমার ঘোষ জানান, বিকাল পৌনে চারটার দিকে বিএনপির মহাসচিব ফখরুল ও আমীর খসরু কারাগারের মূল ফটক থেকে বেরিয়ে যান। তারা দু’জনই কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হলেন। উল্লেখ্য, গত ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে বিএনপির মহাসমাবেশ ঘিরে সহিংসতা হলে ২৯ অক্টোবর মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গুলশানের বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

এছাড়া গত ২ নভেম্বর দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকেও গুলশানের বাসা গ্রেফতার করা হয়। প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলাসহ বিভিন্ন অভিযোগে পুলিশের করা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় বিএনপির এই দুই নেতাকে।


আরও খবর



জনবল সংকট সত্বেও সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় ট্রেনের উৎপাদন কার্যক্রম বৃদ্ধি

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪৬জন দেখেছেন

Image

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি: ব্যাপক জনবল সংকট ও বাজেটের সীমাবদ্ধতা সত্বেও দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম বৃদ্ধি পেয়েছে। দিনে ৩ ইউনিট মেরামত লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও কোচ মেরামতের ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা (টার্গেট) ৪ ইউনিট ছাড়িয়ে গেছে।

নতুন নতুন রেলরুট চালু ও পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ চালু হওয়ায় যেমন কোচের চাহিদা বেড়েছে তেমনি নতুন ট্রেন চালু করতেও অনেক কোচের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। এ কারণে পুরাতন ট্রেন মেরামত ও নতুন ট্রেন সংযোজনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে জোগান দিতে কারখানায় এই কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। 

রেলের সূত্র জানায়, বর্তমান সরকার রেলবান্ধব। ফলে সারাদেশে রেলপথ বাড়ানো হচ্ছে। পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ চালুর পর পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়েতে বেশ কিছু নতুন ট্রেন চালু হয়েছে। দিতে হচ্ছে কোচের জোগান। ফলে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার উপর চাপ বেড়েছে।

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার ক্যারেজ শপের (উপ-কারখানা) ইনচার্জ ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোমিনুল ইসলাম বলেন, এখানে প্রতিদিন ৩ ইউনিট কোচ মেরামতের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। প্রতিদিন দুই ইউনিটে একটি পূর্ণাঙ্গ কোচ বুঝানো হয়। সেক্ষেত্রে আমরা চলতি অর্থ বছরে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ মাসে ৩১৭টি কোচ মেরামত করেছি। অর্থাৎ প্রতিদিন ৪ ইউনিট মেরামত কাজ হয়েছে।

কারখানা সূত্র জানায়, সৈয়দপুর কারখানায় চরম লোকোবল সংকট রয়েছে। এখানে দুই হাজার ৮৫৯ জনের স্থলে লোকোবল রয়েছে মাত্র ৮২০ জন। কারখানার ২৮টি উপ-কারখানায় (শপ) উৎপাদন চলছে সীমিত সংখ্যক লোক নিয়ে। মাত্র ২৮ শতাংশ লোক কর্মরত আছেন ১১০ একর জমির উপর গড়ে ওঠা বিশাল ওই কারখানাটিতে। 

এছাড়াও কারখানায় বাজেট স্বল্পতা রয়েছে। চলতি বছরে মাত্র ২০ কোটি টাকা বাজেট মিলেছে। বাজেটের টাকায় মেরামত কাজে ব্যবহৃত উৎপাদন ও উপকরণ সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। তবে কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতন দেয়া হয় রাজস্ব খাত থেকে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে শূন্যপদে লোক নিয়োগ জরুরি। সেইসাথে বাজেট দ্বিগুন করা না হলে উৎপাদন ব্যহত হতে পারে। 

কারখানা সূত্রে জানা যায়, উপরের চাহিদা অনুযায়ী অবিশ্রান্ত কাজ করছেন কারখানার শ্রমিক-কর্মচারিরা। রেলপথে চলাচলের পর অনুপোযোগী হয়ে পড়া কোচগুলো সৈয়দপুর কারখানায় এনে প্রয়োজনে মেরামত সেরে পূনরায় পাঠিয়ে দেয়া হয় রেলপথে।

সরজমিনে দেখা যায়, ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চলছে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায়। ক্যারেজ শপে চলছিল ভারি মেরামত কাজ। একটি ক্যারেজের বগির ওপর (আন্ডারফ্রেম) ক্রেনের মাধ্যমে স্থাপন করা হচ্ছে সুপার স্ট্রাকচার। পাশেই বগি শপে চলছিল চ্যাচিজ মেরামতের কাজ। এছাড়া ক্যারেজ শপে চলছে রেলকোচে রংয়ের প্রলেপ। ১২ হাজার রকম যন্ত্রাংশ তৈরি হয় মেশিনসহ কয়েকটি শপে। যা রেলকোচ, ওয়াগণ ও ইঞ্জিনে ব্যবহার করা হয়। একটি শপে ট্রেনের ব্রেক তৈরি হচ্ছিল। একটিতে তৈরি হচ্ছিল একটি কোচের সাথে অপর কোচকে জুড়ে দেওয়ার কাপলিং যন্ত্র। এছাড়া ঢাকায় পুড়ে যাওয়া ৩টি কোচও আনা হয়েছে কারখানায়। যেগুলো মেরামত করছিলেন শ্রমিকরা।

এ নিয়ে কথা হয় সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্বাবধায়ক (ডিএস) সাদিকুর রহমানের সাথে। তিনি বলেন, এখন কাজে তৎপরতা অনেক বেশি। দেশের রেলপথ বাড়ছে। তাই আমাদের ওপর চাপও বেড়েছে। কারখানাটিতে লোকবল সংকট নিরসনের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তবে সীমাবদ্ধতার মাঝেও কারখানার গতি নজীরবিহীনভাবে ধরে রাখায় তিনি শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী মুহাম্মদ কুদরত ই খুদা জানিয়েছেন, এখন ম্যানেজমেন্ট লেভেল অনেক ভালো। মূলত ব্যবস্থাপনার কারণেই সৈয়দপুর কারখানায় উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। অবিলম্বে রেলওয়ের সব রকম সীমাবদ্ধতা দুর করতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সজাগ আছে বলে জানান তিনি। 


আরও খবর



রিজওয়ানের প্রতি রানের মূল্য প্রায় ২ লাখ!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৯জন দেখেছেন

Image

যেমন পারফরম্যান্স, তেমন ফিলোসফি, তেমন সাজানো-গোছানো জীবনযাপন আর কঠোর পরিশ্রম মোহাম্মদ রিজওয়ানের। ক্রিকেটার হিসেবে তাকে বলা চলে ভক্তদের হার্টথ্রব। সবই ঠিক ছিল, শুধু বিপিএলে এসে হাওয়ায় মিলিয়ে গেল রিজওয়ানের পারফরম্যান্স। 

পাকিস্তানি সুপারস্টারকে এনে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ভুল করল কিনা এমন প্রশ্ন ওঠাও অবান্তর নয়। কারণ এবারের বিপিএল খেলার বিনিময়ে প্রতি রানের জন্য রিজওয়ানকে যে দিতে হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩০০ টাকা করে!  

তাও যদি রিজওয়ানের রান দলের কাজে লাগত, হয়তো অসুবিধা ছিল না। ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে আসরে নিজের প্রথম ম্যাচে আউট হন ১৭ রান করে, মোকাবিলা করেছিলেন ১৪ বল। একশর ওপর স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং সে-ই প্রথম, সে-ই শেষ! সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে ১৪ রান করেন, ১৬ বল খেলে। 

রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ১৭ রান, তবে বল খেলতে হলো ২১। চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে ১৬ রান করে ছিলেন অপরাজিত, তবে ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মোকাবিলা করে ফেলেন ২৪টি ডেলিভারি। সবশেষ খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ২৮ বলে ২১ রান করে শেষ করলেন এবারের বিপিএলে নিজের পথচলা।

সব মিলে ৫ ইনিংসে ৮৫ রান, যেখানে বল মোকাবিলা করেছেন ১০৩টি। একটি ম্যাচে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ার সুবাদে গড় ২১.২৫। তবে স্ট্রাইক রেট মোটেও রিজওয়ানসুলভ নয়; মাত্র ৮২.৫২। পাকিস্তান সুপার লিগের কারণে এই ৫ ম্যাচ খেলেই দেশে ফিরে যেতে হচ্ছে রিজওয়ানকে। এ দফা বাংলাদেশের দর্শকদের বিনোদন দিতে না পারলেও কুমিল্লা তার প্রতি কার্পণ্য করেনি। 

অনানুষ্ঠানিক সূত্রে জানা যায়, রিজওয়ানের প্রতি ম্যাচে পারিশ্রমিক ৩০ হাজার ডলার। ৫ ম্যাচের জন্য তার পেছনে কুমিল্লার খরচ দেড় লাখ ডলার। রান করেছেন ৮৫। অর্থাৎ রিজওয়ানের প্রতি রানের জন্য কুমিল্লাকে গুনতে হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৩০০ টাকা করে!


আরও খবর

আইপিএল শুরুর তারিখ নির্ধারণ

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




চবি ছাত্রলীগে ফের উত্তেজনা

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩২জন দেখেছেন

Image

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে ফের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে দুপক্ষের কর্মীদের মধ্যে বাদানুবাদের খবর পাওয়া গেছে। এ সময় নিজ নিজ হল থেকে প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে উস্কানিমূলক কথাবার্তা বলে তারা।

বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কবির হোসেন বলেন, কিছুটা উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। তবে অন্যান্য দিনের মতো সংঘর্ষের অবস্থা হয়নি। আমাদেরকে কোনো অ্যাকশনে যেতে হয়নি। আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি।

এর আগে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার শাখা ছাত্রলীগের তিন উপগ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৪০ জন আহত হয়। কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয় বেশ কয়েকজনকে। সার্বিক ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রতিবেদন পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রক্টর ড. নূরুল আজিম সিকদার।


আরও খবর



ফের অস্থির পেঁয়াজের বাজার

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪৯জন দেখেছেন

Image

কিছুতেই স্বস্তি ফিরছে না দেশের নিত্যপণ্যের বাজারে। যথারীতি এ সপ্তাহেও বাজারে বাড়তির দিকেই রয়েছে বেশিরভাগ পণ্য। নতুন করে অস্থিরতা বাড়ছে পেঁয়াজের বাজারে। এছাড়াও আগের চড়া দামে অপরিবর্তিত রয়েছে মাছ- মাংস, ডিমসহ অতিপ্রয়োজনীয় পণ্যগুলো।

এদিকে রমজানে দাম সহনীয় রাখতে ৪ পণ্যের আমদানি শুল্ক হ্রাসসহ বাজার ব্যবস্থা মনিটরিং আরও জোরালো করার ঘোষণা দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। শিগগিরই এসব পণ্যের দাম নির্ধারণ করা হবে। যদিও এর আগে চিনি ও চালে শুল্কছাড় দেওয়া হলেও বাজারে তার কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। অন্যদিকে ভোজ্যতেল ব্যতীত গত এক বছরে কোনো পণ্যেরই নির্ধারিত দাম কার্যকর করা যায়নি। তবে ভোজ্যতেল আমদানিকারকরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ না মেনে এখন নিজেরাই দাম নির্ধার করে দিচ্ছে। ফলে চাল, চিনি ও তেলসহ অন্যান্য খাদ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংশয় জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে নতুন করে অস্থিরতা বেড়েছে পেঁয়াজের বাজারে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ৩০ টাকা বেড়ে এদিন প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকার উপরে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন হালি পেঁয়াজ বাজারে না আসা পর্যন্ত দাম বাড়তির দিকেই থাকবে। তাদের হিসেবে মার্চের আগে বাজারে হালি পেঁয়াজের সরবরাহ পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে ফেব্রুয়ারিজুড়েই বাড়তির দিকে থাকতে পারে এই মসলা পণ্যের দাম। যদিও গত ৫ মাস ধরে সংকট চলছে পেঁয়াজের বাজারে। বাজার বিশ্লেষণ করে ৬৫ টাকা দাম নির্ধারণ করা হলেও বাজারে ভোক্তাকে কিনতে হয়েছে ৫ গুণ বেশি দামে। এমনি মুড়িকাটা পেঁয়াজও এবার ৩ গুণ বেশি দামে বিক্রি হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গত দুই সপ্তাহ ধরেই পেঁয়াজের পাইকারি বাজারে সরবরাহ সংকট চলছে ফলে খুচরায় দাম বাড়ছে। শ্যামবাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মাজেদ জানান, ডলারের বাড়তি দামের কারণে অন্য দেশ থেকে আমদানি করলে প্রতি কেজিতে পেঁয়াজের দাম পড়ে যায় ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। এর সঙ্গে অন্যান্য খরচ ও মুনাফা হিসাব করলে ১০০ টাকার কাছাকাছি খরচ পড়ে যায়। মার্চে যেহেতু নতুন হালি পেঁয়াজ আসবে তাই আমদানিকারকদের বড় লোকসানের ভয়ে আমদানি কমেছে। তবে ভারত থেকে আমদানির সুযোগ পেলে ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ আনতে আগ্রহী হবে। কিন্তু মার্চ পর্যন্ত আমদানি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়াও বাড়তিই রয়েছে ডিমের দাম। এদিনও প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হয়েছে দেড়শ’ টাকা দরে। অন্যদিকে এ সপ্তাহে সবজির বাজারে দাম কিছু টাকা কমলেও গত বছরের তুলনায় এখনও দ্বিগুণ। সপ্তাহের ব্যবধানে ফুলকপিসহ কিছু সবজির দাম কমলেও বেশিরভাগ সবজি বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা দরে। কিছুটা কমে বেগুন ৮০, দেশি শিম ৬০, টমেটো জাতভেদে ৬০-৮০, শসা ৬০, করোল্লা ৯০, মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

তবে গত সপ্তাহ থেকে বাজারে আলুর দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে। এদিন প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয়েছে ৩০ টাকা দরে। অর্থাৎ দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কমেছে প্রায় ৩০ টাকা। এদিকে বাজারে এখনও প্রতি কেজি প্যাকেটজাত চিনি বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকা দরে। একইভাবে গত সপ্তাহের চড়া দামে অপরিবর্তিত রয়েছে মসুর ডাল। প্রতি কেজি ছোট দানার মসুর ডাল বিক্রি হয়েছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়, ভালোমানের মুগ ডালের কেজি বিক্রি হয়েছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা দরে।

এছাড়াও গত সপ্তাহের দামে অপরিবর্তিত রয়েছে মাছের বাজারে। এদিন মাঝারি আকারের রুইয়ের কেজি বিক্রি হয়েছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় কাতল ৪শ’ টাকা, বড় পাঙাশ ২৫০ টাকা, চাষের কই (ছোট) ৩৩০ টাকা, তেলাপিয়া আড়াইশ’ টাকা ও শিং মাছ ৬শ’ টাকা, শোল মাছ ৮শ’ টাকা, পাবদা ৫শ’ থেকে ৬শ’ টাকা, টেংরা মাছের কেজি আকারভেদে ৬শ’ থেকে ৭শ’ টাকা, মলা মাছ ৫শ’ টাকা, বাইলা ১ হাজার টাকা, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪শ’ টাকা, মাঝারি আকারে বোয়াল ৫শ’ থেকে ৬শ’ টাকা, গুঁড়ামাছ ৩শ’ টাকা, ছোট চিংড়ি ৫শ’ টাকা, গলদা ৭শ’ এবং বাগদা ৮শ’ থেকে ৯শ’ টাকা ও রূপচাঁদা ৯শ’ টাকা দরে।


আরও খবর