Logo
আজঃ শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ডিএসইতে টানা তিন কার্যদিবস দেড় হাজার কোটি টাকার ওপরে লেনদেন

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮০জন দেখেছেন

Image

দেশের প্রধান শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল মঙ্গলবারও দেড় হাজার কোটি টাকার ওপরে লেনদেন হয়েছে। এ নিয়ে চলতি সপ্তাহের টানা তিন কার্যদিবস ডিএসইতে দেড় হাজার কোটি টাকার বেশি লেনদেন হলো। লেনদেনের পাশাপাশি এ সময় মূল্যসূচকেরও বড় উত্থান হয়েছে।

বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গতকাল ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ২৩.৪৬ পয়েন্ট বেড়ে ৬ হাজার ৩৪৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এছাড়া ডিএসই শরিয়া সূচক ৮.৫৯ পয়েন্ট বেড়ে ১৩৮৫ পয়েন্টে এবং ডিএস৩০ সূচক ১০.৪৬ পয়েন্ট বেড়ে ২১৪৩.৭০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন এই বাজারে মোট ১ হাজার ৬৫১ কোটি ৮২ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। 

এর আগের দুই কার্যদিবসে যথাক্রমে ১ হাজার ৬৫৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকা ও ১ হাজার ৫৮০ কোটি ৪০ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছিল। গতকাল ডিএসইতে লেনদেনকৃত মোট ৩৯৬টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৮টির, কমেছে ২১৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৪টির দর।

দেশের প্রধান এই শেয়ার বাজারে গতকাল টাকার অঙ্কে লেনদেনের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০টি কোম্পানি হলো: সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস, বিডি থাই অ্যালুমিনিয়াম, ফু-ওয়াং ফুড, খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং, অলিম্পিক এক্সেসরিজ, ওরিয়ন ইনফিউশ, ফরচুন সুজ, এনভয় টেক্সটাইল, দেশবন্ধু পলিমার এবং আইএফআইসি ব্যাংক।

অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সিএসসিএক্স ৪১ পয়েন্ট বেড়ে ১০৮৩৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে। লেনদেন হয়েছে ২৩ কোটি ৩২ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১৯ কোটি ১৩ লাখ টাকা। গতকাল সিএসইতে লেনদেনকৃত মোট ৩০৫টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে দাম বেড়েছে ১৩৬টির, কমেছে ১৩২টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৩৭টির দর। 


আরও খবর



বাড়ি ফেরার পথে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪৫জন দেখেছেন

Image

যশোরের অভয়নগর উপজেলায় যুবলীগের এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার নাম মুরাদ হোসেন। রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার নওয়াপাড়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মুরাদ নওয়াপাড়ার সরদারপাড়ার শাহাবুদ্দিন ছেলে। তিনি নওয়াপাড়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড শাখা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকিকুল ইসলাম।

স্থানীয়রা ও পুলিশ জানিয়েছে, রাতে নওয়াপাড়া বাজার থেকে তরফদার পাড়ার বাড়ির দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন মুরাদ। পথে কবরস্থানের কাছে তার ওপর হামলা হয়। ছুরিকাঘাতে তিনি মারাত্মক জখম হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে তাকে নেওয়া হয় অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। পরে সেখান থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কে বা কারা মুরাদকে হত্যা করেছে তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি আকিকুল ইসলাম।


আরও খবর



চালের বস্তায় দাম-জাতসহ ৬ তথ্য লেখা বাধ্যতামূলক করলো সরকার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৬জন দেখেছেন

Image

চালের দাম সহনশীল ও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে ধানের নামেই চাল বাজারজাত নিশ্চিত করতে আগামী ১৪ এপ্রিল (১ বৈশাখ) থেকে বস্তার ওপর ছয়টি তথ্য লেখা বাধ্যতামূলক করেছে সরকার।

বস্তায় উৎপাদনকারী মিলের নাম, জেলা ও উপজেলার নাম, উৎপাদনের তারিখ, মিল গেট মূল্য এবং ধান বা চালের জাত উল্লেখ করার নির্দেশনা দিয়ে সরকারি বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) পরিপত্র জারি করেছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

রাইস মিল (অটোমেটিক ও হাস্কিং) থেকে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে সরবরাহকৃত চালের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং ‘উৎপাদন ও সরবরাহ’ মূল্য অবহিতকরণ সংক্রান্ত পরিপত্রে স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসমাইল হোসেন। এতে বলা হয়, সম্প্রতি দেশের চাল উৎপাদনকারী কয়েকটি জেলায় পরিদর্শন করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, বাজারে একই জাতের ধান থেকে উৎপাদিত চাল ভিন্ন ভিন্ন নামে ও দামে বিক্রি হচ্ছে। 

চালের দাম অযৌক্তিক পর্যায়ে গেলে বা অকস্মাৎ বৃদ্ধি পেলে মিলার, পাইকারি বিক্রেতা, খুচরা বিক্রেতা একে অপরকে দোষারোপ করছেন। এতে ভোক্তাগণ ন্যায্যমূল্যে পছন্দমত জাতের ধান, চাল কিনতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ অবস্থার উত্তরণের লক্ষ্যে চালের বাজার মূল্য সহনশীল ও যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে, ধানের নামেই যাতে চাল বাজারজাতকরণ করা হয়, তা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এবং এ সংক্রান্ত কার্যক্রম মনিটরিংয়ের সুবিধার্থে ছয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।

১. চালের উৎপাদনকারী মিলাররা গুদাম হতে বাণিজ্যিক কাজে চাল সরবরাহের প্রাক্কালে চালের বস্তার ওপর উৎপাদনকারী মিলের নাম, জেলা ও উপজেলার নাম, উৎপাদনের তারিখ, মিল গেট মূল্য এবং ধান/চালের জাত উল্লেখ করতে হবে। ধানের জাতের নাম, প্রস্তুতকারক, ঠিকানা (উপজেলা ও জেলা), নিট ওজন, উৎপাদনের তারিখ, মিল গেট মূল্যের এই তথ্যগুলো ছক মোতাবেক লেখা থাকবে।

২. বস্তার ওপর উল্লিখিত তথ্যাদি কালিতে হাত দিয়ে লেখা যাবে না।

৩. চাল উৎপাদনকারী সকল মিল মালিক (অটো/হাস্কিং) কর্তৃক সরবরাহকৃত সকল প্রকার চালের বস্তা/প্যাকেটের (৫০/২৫/১০/৫/২/১ কেজি ইত্যাদি) ওপর উল্লিখিত তথ্যাদি মুদ্রিত করতে হবে।

৪. কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই নির্দেশনা প্রতিপালন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে মিল গেট দামের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান চাইলে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য উল্লেখ করতে পারবে।

৫. এ পরিপত্রের আলোকে সকল জেলা প্রশাসক/উপজেলা নির্বাহী অফিসার/আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক/জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক/ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক। খাদ্য পরিদর্শকগণ পরিদর্শনকালে এ বিষয়টি নিশ্চিত করবেন। এর ব্যত্যয় ঘটলে ‘খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুত, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ, বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইন, ২০২৩’ এর ধারা ৬ ও ধারা ৭ মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

৬. আগামী ১৪ এপ্রিল (০১ বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ) তারিখ থেকে এ পরিপত্রের নির্দেশ আবশ্যিকভাবে প্রতিপালন করতে হবে।


আরও খবর



ফের অস্থির পেঁয়াজের বাজার

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | ৪৮জন দেখেছেন

Image

কিছুতেই স্বস্তি ফিরছে না দেশের নিত্যপণ্যের বাজারে। যথারীতি এ সপ্তাহেও বাজারে বাড়তির দিকেই রয়েছে বেশিরভাগ পণ্য। নতুন করে অস্থিরতা বাড়ছে পেঁয়াজের বাজারে। এছাড়াও আগের চড়া দামে অপরিবর্তিত রয়েছে মাছ- মাংস, ডিমসহ অতিপ্রয়োজনীয় পণ্যগুলো।

এদিকে রমজানে দাম সহনীয় রাখতে ৪ পণ্যের আমদানি শুল্ক হ্রাসসহ বাজার ব্যবস্থা মনিটরিং আরও জোরালো করার ঘোষণা দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। শিগগিরই এসব পণ্যের দাম নির্ধারণ করা হবে। যদিও এর আগে চিনি ও চালে শুল্কছাড় দেওয়া হলেও বাজারে তার কোনো প্রভাব দেখা যায়নি। অন্যদিকে ভোজ্যতেল ব্যতীত গত এক বছরে কোনো পণ্যেরই নির্ধারিত দাম কার্যকর করা যায়নি। তবে ভোজ্যতেল আমদানিকারকরা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ না মেনে এখন নিজেরাই দাম নির্ধার করে দিচ্ছে। ফলে চাল, চিনি ও তেলসহ অন্যান্য খাদ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংশয় জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে নতুন করে অস্থিরতা বেড়েছে পেঁয়াজের বাজারে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ৩০ টাকা বেড়ে এদিন প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকার উপরে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন হালি পেঁয়াজ বাজারে না আসা পর্যন্ত দাম বাড়তির দিকেই থাকবে। তাদের হিসেবে মার্চের আগে বাজারে হালি পেঁয়াজের সরবরাহ পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে ফেব্রুয়ারিজুড়েই বাড়তির দিকে থাকতে পারে এই মসলা পণ্যের দাম। যদিও গত ৫ মাস ধরে সংকট চলছে পেঁয়াজের বাজারে। বাজার বিশ্লেষণ করে ৬৫ টাকা দাম নির্ধারণ করা হলেও বাজারে ভোক্তাকে কিনতে হয়েছে ৫ গুণ বেশি দামে। এমনি মুড়িকাটা পেঁয়াজও এবার ৩ গুণ বেশি দামে বিক্রি হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গত দুই সপ্তাহ ধরেই পেঁয়াজের পাইকারি বাজারে সরবরাহ সংকট চলছে ফলে খুচরায় দাম বাড়ছে। শ্যামবাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মাজেদ জানান, ডলারের বাড়তি দামের কারণে অন্য দেশ থেকে আমদানি করলে প্রতি কেজিতে পেঁয়াজের দাম পড়ে যায় ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। এর সঙ্গে অন্যান্য খরচ ও মুনাফা হিসাব করলে ১০০ টাকার কাছাকাছি খরচ পড়ে যায়। মার্চে যেহেতু নতুন হালি পেঁয়াজ আসবে তাই আমদানিকারকদের বড় লোকসানের ভয়ে আমদানি কমেছে। তবে ভারত থেকে আমদানির সুযোগ পেলে ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ আনতে আগ্রহী হবে। কিন্তু মার্চ পর্যন্ত আমদানি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়াও বাড়তিই রয়েছে ডিমের দাম। এদিনও প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হয়েছে দেড়শ’ টাকা দরে। অন্যদিকে এ সপ্তাহে সবজির বাজারে দাম কিছু টাকা কমলেও গত বছরের তুলনায় এখনও দ্বিগুণ। সপ্তাহের ব্যবধানে ফুলকপিসহ কিছু সবজির দাম কমলেও বেশিরভাগ সবজি বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা দরে। কিছুটা কমে বেগুন ৮০, দেশি শিম ৬০, টমেটো জাতভেদে ৬০-৮০, শসা ৬০, করোল্লা ৯০, মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

তবে গত সপ্তাহ থেকে বাজারে আলুর দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে। এদিন প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয়েছে ৩০ টাকা দরে। অর্থাৎ দুই সপ্তাহের ব্যবধানে দাম কমেছে প্রায় ৩০ টাকা। এদিকে বাজারে এখনও প্রতি কেজি প্যাকেটজাত চিনি বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৬০ টাকা দরে। একইভাবে গত সপ্তাহের চড়া দামে অপরিবর্তিত রয়েছে মসুর ডাল। প্রতি কেজি ছোট দানার মসুর ডাল বিক্রি হয়েছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায়, ভালোমানের মুগ ডালের কেজি বিক্রি হয়েছে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা দরে।

এছাড়াও গত সপ্তাহের দামে অপরিবর্তিত রয়েছে মাছের বাজারে। এদিন মাঝারি আকারের রুইয়ের কেজি বিক্রি হয়েছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, বড় কাতল ৪শ’ টাকা, বড় পাঙাশ ২৫০ টাকা, চাষের কই (ছোট) ৩৩০ টাকা, তেলাপিয়া আড়াইশ’ টাকা ও শিং মাছ ৬শ’ টাকা, শোল মাছ ৮শ’ টাকা, পাবদা ৫শ’ থেকে ৬শ’ টাকা, টেংরা মাছের কেজি আকারভেদে ৬শ’ থেকে ৭শ’ টাকা, মলা মাছ ৫শ’ টাকা, বাইলা ১ হাজার টাকা, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪শ’ টাকা, মাঝারি আকারে বোয়াল ৫শ’ থেকে ৬শ’ টাকা, গুঁড়ামাছ ৩শ’ টাকা, ছোট চিংড়ি ৫শ’ টাকা, গলদা ৭শ’ এবং বাগদা ৮শ’ থেকে ৯শ’ টাকা ও রূপচাঁদা ৯শ’ টাকা দরে।


আরও খবর



বুয়েট শিক্ষার্থী সানির মৃত্যু: তদন্ত প্রতিবেদনের সময় পেছাল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৫জন দেখেছেন

Image

দোহারের মৈনট ঘাটে পদ্মার পানিতে ডুবে বুয়েটের শিক্ষার্থী তারিকুজ্জামান সানির মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ পিছিয়ে আগামী ৭ মার্চ করেছেন আদালত। 

মঙ্গলবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুতুবপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এসআই (নিরস্ত্র) জহিরুল ইসলাম প্রতিবেদন দিতে পারেননি। এজন্য ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম সাইফুল ইসলামের আদালত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নতুন এদিন ধার্য করেন। 

দোহার থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক নুরুন্নাহার মনি বিষয়টি জানান। 

এ মামলার আসামিরা হলেন- শরীফুল হোসেন, শাকিল আহম্মেদ, সেজান আহম্মেদ, রুবেল, সজীব, নুরুজ্জামান, নাসির, মারুফ, আশরাফুল আলম, জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন, নোমান, জাহিদ, এটিএম শাহরিয়ার মোমিন, মারুফুল হক ও রোকনুজ্জামান ওরফে জিতু। এ মামলার ১৫ আসামি বর্তমানে কারাগারে আছেন। 

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৪ জুলাই একসঙ্গে ১৫-১৬ যুবক পদ্মা নদীতে ঘুরতে যায়। সন্ধ্যার পর সানি নামে ওই বুয়েট শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়। রাতেই স্থানীয়দের দেওয়া খবরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দোহার থানা পুলিশ। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। 

১৫ জুলাই সকালে সানির লাশ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস ডুবুরি দল। সুরতহাল শেষে ওই বুয়েট শিক্ষার্থীর লাশ তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। 

এ ঘটনায় ওই দিন বিকালে সানির বড় ভাই হাসাদুজ্জামান ১৫ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন।


আরও খবর

চবি ছাত্রলীগে ফের উত্তেজনা

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




বই না ছাপিয়েই সাড়ে ৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ

প্রকাশিত:সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৫জন দেখেছেন

Image

প্রতি বছর জাতীয় ফলমেলা উপলক্ষে ‘ফলসম্ভার’ নামে একটি বই প্রকাশ করে কৃষি তথ্য সার্ভিস। মেলায় আগতদের বিভিন্ন ফল সম্পর্কে জানাতেই এই উদ্যোগ। মেলায় আগতদের মধ্যে বিনা মূল্যেই তা বিতরণ করা হয়। কিন্তু গত বছর ফলমেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। স্বাভাবিকভাবেই বইটিও প্রকাশ হয়নি। কিন্তু সূত্র জানিয়েছে, বই প্রকাশ না হলেও বই প্রকাশের ভুয়া বিল-ভাউচার দিয়ে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে। কৃষি তথ্য সার্ভিসে একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। এই সিন্ডিকেট সর্বশেষ প্রকাশিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ডায়েরি মুদ্রণেও লাখ লাখ টাকা লোপাট করেছে।

প্রতি বছর জুনে খামারবাড়ির পাশে খালি জায়গায় জাতীয় ফলমেলা অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৯ সাল পর্যন্ত নিয়মিত এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে অনিয়মিত হয়ে পড়ে মেলা আয়োজন। মাঝে ২০২২ সালে মেলা আয়োজন করা হয়। তবে গত বছর ২০২৩ সালে মেলা অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে মেলা উপলক্ষে ‘ফলসম্ভার’ শীর্ষক বইটিও প্রকাশিত হয়নি। কিন্তু বই প্রকাশের ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

কৃষি তথ্য সার্ভিস সূত্র জানিয়েছে, গত বছরের জুলাই মাসে মোট ৮ লাখ ৩৬ হাজার ২৪৯ টাকার বিল-ভাউচার তৈরি করে তা উত্তোলন করা হয়েছে। বই প্রকাশে তিনটি আলাদা কোটেশনে যথাক্রমে ৮৯০ কপি (২ লাখ ৪৮ হাজার ৮৭ টাকা), ১০৬০ কপি (২ লাখ ৯২ হাজার ৬৮৭ টাকা) এবং ১০৬০ কপি (২ লাখ ৯৫ হাজার ৪৭৫ টাকা) মুদ্রণ ব্যয় দেখানো হয়েছে। এআইএসের তৎকালীন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আবু জাফর আল মুনছুর এসব বিলে স্বাক্ষর করেছেন। এ প্রসঙ্গে বর্তমানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে মনিটরিং উইংয়ের উপপরিচালকের দায়িত্বে থাকা মো. আবু জাফর আল মুনছুর গতকাল বলেন, এটা তো অনেক দিন আগের কথা। এ ব্যাপারে কৃষি তথ্য সার্ভিসই ভালো বলতে পারবে। জানা গেছে, ‘ফলসম্ভার’ বইটি প্রকাশ না করেই লাখ লাখ টাকা বিল উত্তোলনের বিষয়টি প্রকাশ হয়ে যাওয়ায় এখন বইটির কয়েকটি কপি ছাপানোর তোড়জোড় চলছে, যাতে দেখানো যায়, বইটি প্রকাশ করা হয়েছে।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালক সুরজিত সাহা রায় এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘ফলসম্ভার’ বইটি প্রতি বছর ফলমেলা উপলক্ষে ছাপানো হয়। তবে গত বছর ফলমেলা হয়নি। মেলা না হলেও বই প্রকাশের লাখ লাখ টাকা তো ঠিকই উত্তোলন করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মেলা না হলেও পরে বই প্রকাশ করা হয়েছে। এ বইয়ের অনেক ডিমান্ড (চাহিদা)। এ বই এ বছর মেলায় আগতদের দেওয়া হবে। গত বছরের বই এ বছর মেলায় কীভাবে দেওয়া হবে? এছাড়া এ বছরও তো এই বই ছাপানোর বাজেট রয়েছে। এ প্রশ্নের তিনি কোনো উত্তর দেননি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বইয়ের পাশাপাশি সর্বশেষ প্রকাশিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ডাইরির পেছনে আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণের বেশি খরচ দেখানো হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জন্য প্রতি বছর ১৩ হাজার ১০০টি উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ডায়েরি মুদ্রণ হয় এআইএসের প্রেস থেকে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য প্রকাশিত ডায়েরির পেছনে (২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেট) খরচ হয়েছিল ২৫ লাখ টাকার বেশি। কিন্তু, এক বছরের ব্যবধানে সর্বশেষ প্রকাশিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ডায়েরির পেছনে খরচ দেখানো হয়েছে প্রায় ৫৪ লাখ টাকা। এ হিসাবে প্রতিটি ডায়েরি তৈরির খরচ পড়েছে প্রায় ৪১২ টাকা। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে যাচাই করে দেখা গেছে, একই সমমানের ডায়েরি প্রকাশে প্রতিটির খরচ পড়বে ২৪০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২৬০ টাকা। সেই হিসাবে ১৩ হাজার ১০০ ডায়েরি মুদ্রণে খরচ হবে ৩০ লাখ থেকে ৩৪ লাখ টাকা। এ হিসাবে ডায়েরি মুদ্রণে প্রায় ২৫ লাখ টাকা বেশি ধরা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালক সুরজিত সাহা রায় বলেন, ‘এক বছরের ব্যবধানে কাগজের দাম অনেক বেড়েছে। এছাড়া, কাগজ তো টেন্ডারের মাধ্যমে কিনেছি। যিনি সর্বনিম্ন দর দিয়েছেন, তাকেই কাজ দেওয়া হয়েছে।


আরও খবর