Logo
আজঃ শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

ডেঙ্গুতে আরও ৪ মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২০৭

প্রকাশিত:বুধবার ২০ ডিসেম্বর ২০23 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৪৮জন দেখেছেন

Image

মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত (একদিনে) সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ২০৭ জন রোগী।

আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৭ জন আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫০ জন। একইসঙ্গে এই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

২০ ডিসেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ১ হাজার ২৯৭ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। ঢাকার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে ৪১৭ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ৮৮০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ১৯ হাজার ৮৭৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ১ লাখ ৯ হাজার ৬৭৩ জন এবং ঢাকার বাইরে চিকিৎসা নিয়েছেন ২ লাখ ১০ হাজার ২০৫ জন।

আক্রান্তদের মধ্যে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩ লাখ ১৬ হাজার ৮৮৯ জন। ঢাকায় ১ লাখ ৮ হাজার ২৮১ এবং ঢাকার বাইরে ২ লাখ ৮ হাজার ৬০৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত ১৬৯২ জনের মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর

ফুসফুসে মাত্রাতিরিক্ত বাতাস

বৃহস্পতিবার ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩




বুয়েট শিক্ষার্থী সানির মৃত্যু: তদন্ত প্রতিবেদনের সময় পেছাল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৮৫জন দেখেছেন

Image

দোহারের মৈনট ঘাটে পদ্মার পানিতে ডুবে বুয়েটের শিক্ষার্থী তারিকুজ্জামান সানির মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ পিছিয়ে আগামী ৭ মার্চ করেছেন আদালত। 

মঙ্গলবার মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কুতুবপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এসআই (নিরস্ত্র) জহিরুল ইসলাম প্রতিবেদন দিতে পারেননি। এজন্য ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম সাইফুল ইসলামের আদালত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নতুন এদিন ধার্য করেন। 

দোহার থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক নুরুন্নাহার মনি বিষয়টি জানান। 

এ মামলার আসামিরা হলেন- শরীফুল হোসেন, শাকিল আহম্মেদ, সেজান আহম্মেদ, রুবেল, সজীব, নুরুজ্জামান, নাসির, মারুফ, আশরাফুল আলম, জাহাঙ্গীর হোসেন লিটন, নোমান, জাহিদ, এটিএম শাহরিয়ার মোমিন, মারুফুল হক ও রোকনুজ্জামান ওরফে জিতু। এ মামলার ১৫ আসামি বর্তমানে কারাগারে আছেন। 

মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৪ জুলাই একসঙ্গে ১৫-১৬ যুবক পদ্মা নদীতে ঘুরতে যায়। সন্ধ্যার পর সানি নামে ওই বুয়েট শিক্ষার্থী নিখোঁজ হয়। রাতেই স্থানীয়দের দেওয়া খবরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দোহার থানা পুলিশ। এরপর ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। 

১৫ জুলাই সকালে সানির লাশ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস ডুবুরি দল। সুরতহাল শেষে ওই বুয়েট শিক্ষার্থীর লাশ তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। 

এ ঘটনায় ওই দিন বিকালে সানির বড় ভাই হাসাদুজ্জামান ১৫ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন।


আরও খবর

চবি ছাত্রলীগে ফের উত্তেজনা

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




পরিচয় না জেনে আশ্রিতদের ফেরত দেওয়া যাবে না

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৫জন দেখেছেন

Image

মিয়ানমার সীমান্তে বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘাতে টিকতে না পেরে মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) যে ৩২৯ জন সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে, তাদের পরিচয় নিশ্চিত হয়েই ফেরত পাঠানোর কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। আশ্রিতদের মধ্যে কয়েক জন গুপ্তচর রয়েছে বলে এমন আলোচনা হচ্ছে। ইতিমধ্যে আশ্রিতদের ফেরত নিতে জাহাজ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে মিয়ানমার সরকার।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এরা আসলেই সকলেই মিয়ারমারের বিজিপির সদস্য কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় যে ২৩ জনকে অস্ত্রসহ গ্রামবাসী আটক করে পুলিশে দিয়েছে তাদের মধ্যে ১৭ জনই উখিয়ার একটি ক্যাম্পের বাসিন্দা। তাদের কাছে আইডি কার্ডও পাওয়া গেছে। তারা কীভাবে ক্যাম্প থেকে ওপারে গেল সেগুলোও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক নুরুল হুদা ইত্তেফাককে বলেন, ‘শুধু যুদ্ধ পরিস্থিতি নয়, যে কোনো পরিস্থিতিতে কোনো বিদেশি নাগরিক দেশের মধ্যে ঢুকে পড়লে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া জরুরি। এটা বিশ্বব্যাপী প্র্যাকটিস। আর মিয়ানমারে যেহেতু সংঘাত চলছে, ফলে সেখানে থেকে কারা এসেছে সেটা অবশ্যই নিশ্চিত করে ফেরত পাঠাতে হবে। এরা কী আসলেই বিজিপি সদস্য, নাকি কোনো বিদ্রোহী গ্রুপের সদস্য সেটাও দেখতে হবে। সবকিছু নিশ্চিত হয়েই তাদের ফেরত দিতে হবে। এটা একটা সাধারণ নিয়ম।’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মিয়ানমার তাড়াহুড়ো করলেও আমাদের তাড়াহুড়ো করা যাবে না। তারা কী আদৌ বর্ডার গার্ডের সদস্য কি না, এটা নিশ্চিত হতে হবে। আবার এদের মধ্যে কেউ গুপ্তচরও থাকতে পারে। এগুলো বাংলাদেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এদের মধ্যে এমন কেউ ঢুকে পড়তে পারে, যারা বাংলাদেশে ঢুকে নানা ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য নিয়ে বিদেশে অপপ্রচার করতে পারে। কেউ কোনো সন্ত্রাসী দলের সদস্য হলে সেটা আমাদের নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের প্রশ্ন হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আশ্রিতদের মধ্যে কেউ মানবাধিকার লঙ্ঘন বা যুদ্ধাপরাধের মতো অপরাধের সঙ্গে যুক্ত কি না, সেটাও নিশ্চিত হতে হবে। তা না হলে তিনি ফিরে গিয়ে একই ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়তে পারেন।

২৩ জনের ১৭ জনই ক্যাম্পের বাসিন্দা : এদিকে দুই দিন আগে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় যে ২৩ জনকে অস্ত্রসহ আটকের পর এলাকাবাসী পুলিশে দিয়েছে, তাদের বিষয়ে তদন্ত করে ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এদের ১৭ জন উখিয়ার একটি ক্যাম্পের বাসিন্দা। তাদের কাছে ক্যাম্পের পরিচয়পত্রও (এফসিএন কার্ড) রয়েছে। অন্য ছয় জনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তারা কীভাবে ক্যাম্প থেকে বের হয়ে মিয়ানমারে গেল সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। তারা কী কোনো পক্ষের হয়ে যুদ্ধে গিয়েছিল কি না, কিংবা কী কারণে গেলেন সেটাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও গোয়েন্দারা। 

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার ২৩ জনকে আটকের পর গত শুক্রবার দুপুরে বালুখালি বিওপির নায়ক সুবেদার শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে আটক অস্ত্র ও অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেফতার এই রোহিঙ্গা যুবকদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১২টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৮৬৮ রাউন্ড গুলি, পিস্তলের ২৪টি খালি খোসাসহ রাইফেল গ্রেনেড ফিউজ পাঁচ রাউন্ড, এসএমজির ম্যাগাজিন ছয়টি, এলএমজির ম্যাগাজিন চারটি, জি-৩ রাইফেলের ম্যাগাজিন একটি ও পিস্তলের ম্যাগাজিন দুইটি। এই অস্ত্রগুলো তারা কোথায় পেয়েছে সেটাও অনুসন্ধান চলছে।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শামীম হোসাইন ইত্তেফাকে বলেন, শনিবার ঐ ২৩ জনকে আমরা আদালতে পাঠিয়ে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছি। আদালতে এখনো শুনানি অনুষ্ঠিত হয়নি। তবে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে। তাদের রিমান্ড হলে আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করব। 

আবারও আলোচনায় নবী হোসেন : মিয়ানমারের নাফ নদীর সংলগ্ন এলাকায় বসবাস করে বাংলাদেশের শীর্ষ ইয়াবার ব্যবসা করেন নবী হোসেন। নাফ নদীর তীর ঘেঁষে তার শতাধিক চিংড়ি ঘের রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে ইয়াবার কারখানাও। চিংড়ি ঘের ব্যবসার নামে সে বাংলাদেশে ইয়াবার চালান পাঠায় নাফ নদী দিয়ে। অবৈধ অস্ত্রও পাঠায়—এমন অভিযোগও রয়েছে। এগুলো নিয়ন্ত্রণে তার রয়েছে বিশাল সশস্ত্র বাহিনী। রাখাইনে যখন সংঘাত চলছে, তখন নবী হোসেন কোথায়? খোঁজ নিয়ে ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নবী হোসেন এখনো রাখাইনেই আছে। তার যে ক্যাডার বাহিনী ছিল, তারাও রাখাইনেই আছে। কেউ এখনো বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেনি। তবে নবী হোসেন ভোল পালটে এখন সেখানে বহাল তবিয়তেই রয়েছেন। পাশাপাশি ইয়াবার ব্যবসাও চলছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ সীমান্তে সতর্ক পাহাড়া দিলেও এর মধ্য দিয়েও ইয়াবা আসছে। ইয়াবার চালান পাঠাচ্ছেন সেই নবী হোসেন। এমন তথ্য জানিয়েছেন টেকনাফ এলাকার একাধিক বাসিন্দা। এই নবী হোসেন বিরুদ্ধে বাংলাদেশের টেকনাফ ও উখিয়া থানায় হত্যাসহ এক ডজনেরও বেশি মামলা রয়েছে। বাংলাদেশের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তালিকায় মাদকের গডফাদার হিসেবে নবী হোসেনের নাম রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকের বেশ কিছুসংখ্যক মামলা রয়েছে বলে একজন কর্মকর্তা জানান। তার ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থায় আছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শত্রুতা করে রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্ব চায় না বাংলাদেশ: সেতুমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫১জন দেখেছেন

Image

সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শত্রুতা করে বা সম্পর্ক নষ্ট করে রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চায় না বাংলাদেশ। ভিন্ন কৌশলে রূপপুরের জন্য বেশ কিছু জিনিস আনা হয়েছে, যাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শত্রুতা না হয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, কথা বেশি না বলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে রাতারাতি বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। বিশ্ব পরিস্থিতির ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে। সেতুমন্ত্রী বলেন, পরিস্থিতি কখন কি হয় বলা যায় না। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে কী হবে সেটি বোঝা যাচ্ছে না। সবকিছু মিলে ২০২৪ সালে কী রেজাল্ট হচ্ছে তা বলা যাচ্ছে না।

মেট্রোরেলের চাহিদা ও ভিড় বেড়েছে— এ বিষয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, মেট্রো তো বাংলাদেশ রেলওয়ে না যে যখন-তখন বগি বাড়াবে। এটা তো একটা প্রযুক্তিগত বিষয়। পৃথিবীর কোথাও ৫ থেকে ৬টির বেশি বগি মেট্রোরেলে নেই। তবে চাহিদা যেহেতু বেড়েছে ১০ মিনিট থেকে ৮ মিনিট পর পর মেট্রো দেওয়া যায় কিনা পরিকল্পনা চলছে।

বিএনপির ১৩ নেতা জেলে মারা গেছে, এমন প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, সেটি জানা নেই। কে কখন মারা গেছে, সেই তথ্য কোথাও তার প্রমাণ দাবি করেন।  বিএনপিকে পাত্তা দিচ্ছি না এমন না। কার অবস্থা কখন কি হয় বলা যায় না।


আরও খবর



খৎনা করতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু, দুই চিকিৎসককে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ১৮জন দেখেছেন

Image

রাজধানীর মালিবাগের জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে সুন্নতে খৎনা করাতে গিয়ে আহনাফ তাহমিন আয়হাম (১০) নামে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার পর গ্রেপ্তার দুই চিকিৎসককে দুইদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

গ্রেপ্তাররা হলেন চিকিৎসক এস এম মুক্তাদির ও মাহাবুব মোরশেদ। বুধবার তাদের আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও হাতিরঝিল থানার উপ-পরিদর্শক রুহুল আমিন তাদের সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন। অপরদিকে রিমান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন করেন আসামিদের আইনজীবী। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী তাদের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে দুইদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন হাতিরঝিল থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার উপ-পরিদর্শক এশারত আলী। তিনি জানান, আসামিদের সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। এ সময় তাদের রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে শুনানি করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী। পরবর্তীতে আদালত অভিযুক্ত দুই চিকিৎসককে জেলগেটে দুই দিনের জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন।

এর আগে, এ ঘটনায় শিশুর বাবা মোহাম্মদ ফখরুল আলম বাদী হয়ে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় মামলা করেন। মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় ৩/৪ জনকে আসামি করা হয়। মামলা সূত্রে জানা যায়, আহনাফকে মালিবাগের জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে মঙ্গলবার রাতে সন্তানকে সুন্নতে খৎনা করাতে নিয়ে যান তার বাবা-মা। রাত আটটার দিকে খৎনা করানোর জন্য অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার পর আর জ্ঞান ভাঙেনি আহনাফের। এর ঘণ্টাখানেক পরই হাসপাতালটির পক্ষ থেকে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

আহনাফের স্বজনদের অভিযোগ, লোকাল অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার কথা থাকলেও তারা ফুল অ্যানেস্থেসিয়া দিয়েছে। যে কারণে আহনাফের আর জ্ঞান ফেরেনি। ১০ বছর বয়সী আহনাফ মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল।

শিশুটির বাবা ফখরুল আলম বলেন, আমরা চিকিৎসককে বলেছিলাম যেন ফুল অ্যানেস্থেসিয়া না দেওয়া হয়। তারপরও আমার ছেলের শরীরে সেটি পুশ করেন ডাক্তার মুক্তাদির। আমি বারবার তাদের পায়ে ধরেছি। আমার ছেলেকে যেন ফুল অ্যানেস্থেসিয়া না দেওয়া হয়। আমার সন্তানকে অ্যানেস্থেসিয়া দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই মৃত্যুর দায় মুক্তাদিরসহ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সবারই। আমি তাদের কঠোর শাস্তি চাই।

এদিকে, এ ঘটনায় হাসপাতালটির সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করার নির্দেশ দিয়ে নোটিশ ঝুলিয়ে দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বুধবার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগ জেএস ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিকেল চেকআপ সেন্টারে এসে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. আবু হোসেন মো. মইনুল আহসান। তিনি বলেন, পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত জেএস হাসপাতালের সব কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। 


আরও খবর

অমর ২১শে ফেব্রুয়ারির ইতিহাস

বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




ইসরাইলি সেনারা ফিলিস্তিনি নারীদের ধর্ষণ করছে : জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২০জন দেখেছেন

Image

গাজা উপত্যকা এবং পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি নারী ও মেয়েদের বিরুদ্ধে 'জঘন্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ' প্রশ্নে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসঙ্ঘ বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, ফিলিস্তিনি নারীদের নির্বিচারে হত্যা, আটক, ধর্ষণ বা যৌন সহিংসতার হুমকি দেয়া হচ্ছে। তারা আরো বলেন, 'এসব অভিযোগ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও মানবিক আইরে মারাত্মক লঙ্ঘন' এবং আন্তর্জাতিক ফৌজদারি আইনের আওতায জঘন্য অপরাধ-তুল্য' বিবেচিত হতে পারে, যা রোম চুক্তির অধীনে বিচারযোগ্য।

বিশেষজ্ঞরা অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনার জন্য এবং ঘটনার শিকার পরিবারগুলোর 'পূর্ণ প্রতিকার ও ন্যায়বিচার' পাওয়া নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।বিশেষজ্ঞরা গাজায় ফিলিস্তিনি নারী ও মেয়েদের নির্বিচারে হত্যার উদাহরণ উল্লেখ করে বলেন, অনেক সময় তাদের সন্তানসহ পরিবার সদস্যদের সাথে হত্যা করা হয়ে থাকে।

তারা বলেন, 'ফিলিস্তিনি নারী ও শিশুরা যখন আশ্রয় গ্রহণ করতে চায় কিংবা পালাতে থাকে, তখনো তাদেরকে টার্গেট করা বিচার-বহির্ভূতভাবে হত্যা করার খবরে আমরা শোকাভিভূত।' তিনি বলেন, 'কয়েকটি ক্ষেত্রে দেখা গেছে যে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর বা সহযোগী বাহিনী যখন তাদেরকে হত্যা করে, তখন তাদের হাতে সাদা কাপড়ের টুকরা ছিল।'

নিরপেক্ষ বিশেষজ্ঞদের মধ্যে রয়েছেন রিম আলসালেম। তিনি নারী ও মেয়েদের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপ নারী ও মেয়েদের বিরুদ্ধে সহিংসতাবিষয়ক স্পেশাল র‌্যাপোটিয়ার। এছাড়া আছেন ফ্রানসেসকা আলবানিস। তিনি ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে মানবাধিকার পরিস্থিতিবিষয়ক স্পেশাল র‌্যাপোটিয়ার। তারা ৭ অক্টোবর থেকে গাজা ও পশ্চিম তীরে মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক, মানবিক সহায়তাকর্মীসহ শত শত ফিলিস্তিনি নারী ও মেয়েকে নির্বিচারে আটকেও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাদের সাথে 'অমানবিক ও অমর্যাদাপূর্ণ আচরণ করা হয়, মেনস্ট্রয়েশন প্যাড, খাবার ও ওষুধ দেয়া হয় না, ভয়াবহভাবে প্রহার করা হয়।' তারা একটি উদাহরণ উল্লেখ করে বলেন যে নারী বন্দীদের খাঁচায় আটকে রেখে বৃষ্টি ও ঠান্ডার মধ্যে খাবারবিহীন ফেলে রাখা হয়েছিল।

জাতিসঙ্ঘ বিশেষজ্ঞরা নগ্ন করে প্রহার করা, পুরুষ ইসরাইলি সৈন্য দিয়ে দেহ তল্লাসী চালানোসহ ফিলিস্তিনি নারী বন্দীদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের যৌন আক্রমণের খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, 'অন্তত দুই নারী ফিলিস্তিনি বন্দীকে ধর্ষণ করার খবর পাওয়া গেছে এবং অন্যদেরকে ধর্ষণ ও যৌন সহিংসতার হুমকি দেয়া হয়েছে।' তারা বলেন, ইসরাইলি সৈন্যরা 'অমর্যাদাজনক পরিস্থিতিতে' নারী বন্দীদের ছবি তুলে তা অনলাইনে আপলোড করে।

তারা আরো উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন যে গাজায় ইসরাইলি সেনাবাহিনীর সংস্পর্শে আশার পর 'অজ্ঞাত সংখ্যক ফিলিস্তিনি নারী ও শিশু ও মেয়ে' নিখোঁজ হয়ে গেছে। তারা বলেন, 'এমন উদ্বেগজনক খবরও আছে যে অন্তত একটি ক্ষেত্রে এক সদ্যজাত মেয়ে শিশুকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী ইসরাইলে সরিয়ে নিয়েছিল, এবং শিশুদেরকে তাদের মা-বাবার কাছ থেকে সরিয়ে নেয়ার পর তাদের অবস্থান এখনো অজ্ঞাত রয়ে গেছে।'

বিশেষজ্ঞরা বলেন, 'ফিলিস্তিন নারী ও মেয়েদের জীবন, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও মর্যাদা সমুন্নত রাখা এবং যৌন নির্যাতনসহ সহিংসতা, নির্যাতন, অসদাচরণ বা অমর্যাদাজনক আচরণের শিকার যাতে কেউ না হয় সে ব্যাপারে ইসরাইলি সরকারের বাধ্যবাধকতার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি।' বিশেষজ্ঞরা এসব অভিযোগের ব্যাপারে স্বতন্ত্র, নিরপেক্ষ, তাৎক্ষণিক, পূর্ণাঙ্গ ও কার্যকর তদন্ত করার এবং ইসরাইলকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।


আরও খবর

ভেনেজুয়েলায় সোনার খনি ধসে নিহত ২৩ জন

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪