Logo
আজঃ শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

দীর্ঘদিন পর পর্দায় ফেরা নিয়ে যা বললেন শাবনূর

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৭জন দেখেছেন

Image

দীর্ঘদিনের বিরতির পর ফের নতুন সিনেমা শুরু করতে যাচ্ছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূর। নির্মাতা আরাফাত হোসাইনের ‘রঙ্গনা’ সিনেমার মাধ্যমে পর্দায় হাজির হতে যাচ্ছেন নন্দিত এই তারকা। শনিবার সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠিত হয় রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে। সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে পর্দায় ফেরা ও কাজ নিয়ে কথা বলেন তিনি।

দীর্ঘদিনের বিরতি কাটিয়ে নিজ ভুবনে ফেরা প্রসঙ্গে শাবনূর জানান, আসলে শিল্পীদের কামব্যাক বলতে কোনো কিছু নেই। এরপরই কাজে ফেরার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘রঙ্গনা’ সিনেমার জন্যই আমার দেশে আসা। এই সিনেমার গল্প ও গান খুব টেনে এনেছে আমাকে। এতে দর্শকরা ভিন্ন ঘরানার একটি চরিত্রে দেখতে পাবেন আমাকে। আপাতত গল্প বা এর বেশি বলা যাবে না। তবে সময় উপযোগী একটি গল্প।

অভিনেত্রী বলেন, ১০ বছর আগে আমাদের সিনেমার যে ধরনের দর্শক ছিলেন, এখন কিন্তু তা নেই। এখন আরেক ধরনের দর্শক। সবকিছু বিবেচনা করে বর্তমান প্রেক্ষাপট মাথায় রেখে তৈরি হয়েছে ‘রঙ্গনা’র গল্পটি। এসময়ের দর্শকরা এ ধরনের গল্পই পছন্দ করেন। ক্যামেরার সামনে আসতে খুব বেশিদিন লাগবে না। এখন এর জন্যই প্রস্তুতি নিচ্ছি।

সামনে নতুন নতুন আরও সিনেমা নিয়ে কাজ করে যেতে চান জানিয়ে শাবনূর বলেন, এখানেই থেমে থাকব না। পরপর কাজ করব আমি। চেষ্টা করব একটির পর আরেকটি কাজ করার। একটি কথা বলতে চাই, কামব্যাক বলতে কিছু নেই। শিল্পীদের কখনো মরণ হয় না। শিল্পীরা আজীবন কাজের মাধ্যমে বেঁচে থাকে। এজন্য আমি আমার এই ফেরাকে কামব্যাক বলতে চাই না।


আরও খবর

যে কারণে টাকা ফিরিয়ে দিলেন জয়া

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ঈধিকার পর এবার মিমি

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24




তিনটির বেশি উৎসাহ বোনাস পাবেন না সরকারি ব্যাংকাররা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৫জন দেখেছেন

Image

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংক কর্মীদের ‘উৎসাহ বোনাস’ দেওয়ার ক্ষেত্রে বিভিন্ন শর্ত জুড়ে দিয়েছে সরকার। ফলে এখন সরকারি ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদ চাইলেও তিনটির বেশি বোনাস দিতে পারবে না। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভা ‘উৎসাহ বোনাস’ নামে গাইডলাইন প্রকাশ করেছে। 

এতে বলা হয়েছে, ‘উৎসাহ বোনাস’ কোনো অধিকার নয়, এটি আর্থিক সুবিধা যা পর্ষদের বিশেষ বিবেচনায় দেওয়া হয়। এ বোনাস দেওয়ার ফলে সরাসরি নগদ অর্থের ওপর চাপ পড়ে এবং হ্রাস পায়। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকের আর্থিক সুবিধা দিতে ২০১৪ সালে খসড়া গাইডলাইন করা হয়। ওয়ার্কিং ফান্ডের ওপর নিট মুনাফার হারের ভিত্তিতে বোনাস দেওয়া সুপারিশ ছিল কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকের বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রভিশন সংরক্ষণের সুবিধা নিয়ে পরবর্তী প্রদর্শন করছে। ফলে প্রকৃতপক্ষে ব্যাংকগুলোর প্রভিশন ঘাটতি সমন্বয় করলে নিট মুনাফার পরিবর্তে লোকসান হতো বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। 

মন্ত্রণালয় জানায়, রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলো সরকারের বিভিন্ন খাতের স্বল্প সুদের ঋণ দেয়, বিনা মূল্যে সরকারের বিভিন্ন সেবা প্রদান করে এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা দেয়। ফলে তারা কাঙ্ক্ষিত মুনাফা অর্জন করতে পারে না। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাংকগুলোর সার্বিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন কর্মকর্তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের লক্ষ্যে উৎসাহ বোনাস বিষয়ে গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় ব্যাংকগুলোর বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) বাস্তবায়ন হারের ওপর ২০ শতাংশ এবং পরিচালন মুনাফা হারের ওপর ৮০ শতাংশ স্কোর নির্ধারণ করা হয়েছে। এই স্কোরের ভিত্তিতে পরিচালন মুনাফা থেকে উৎসাহ বোনাস বণ্টন হবে। ফলে এখন থেকে কোনো ব্যাংক ৫০-এর নিচে স্কোর পেলে বোনাস দিতে পারবে না। আর ৫০ থেকে ৬০ স্কোর পেলে এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ উৎসাহ বোনাস পাবে, ৬১ থেকে ৭০ হলে দেড় মাস, ৭১ থেকে ৮০ হলে দুই মাস, ৮১ থেকে ৯০ হলে আড়াই মাস এবং ৯০-এর বেশি স্কোর হলে তিন মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ উৎসব বোনাস পাবেন সরকারি ব্যাংকাররা।

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, এতদিন নিট মুনাফা বিবেচনা করে নিজ নিজ ব্যাংকের পর্ষদ সিদ্ধান্ত নিত উৎসাহ বোনাস কত হবে। এতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীরা বছরে তিন থেকে চারটি করে বোনাস পেত। নতুন নির্দেশনার ফলে তিনটির বেশি বোনাস দিতে পারবে না সরকারি ব্যাংকগুলো। এ গাইডলাইন বাস্তবায়ন ও স্কোর নির্ধারণের জন্য বেশ কয়েকটি শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে যদি কেউ এ গাইডলাইনের বাইরে উৎসাহ বোনাস দিতে চায় তাহলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সম্মতি নিতে হবে। ব্যাংকের মোট পরিচালন আয় থেকে মোট পরিচালন ব্যয় বাদ দিয়ে পরিচালন মুনাফা হিসাব করতে বলা হয়েছে গাইডলাইনে।


আরও খবর



চরিত্রটি বোঝার চেষ্টা করেছি : দীঘি

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৯১জন দেখেছেন

Image

‘শ্রাবণ জ্যোত্স্নায়’ সিনেমায় আমি মৌ চরিত্রে অভিনয় করেছি। চরিত্রটি ঠিকঠাক ধারণ করতে উপন্যাসটি পড়েছি, চরিত্রটি বোঝার চেষ্টা করেছি। আশা করি কাজটি দর্শকদের ভালো লাগবে।’—নিজের নতুন সিনেমা এবং চরিত্র প্রসঙ্গে কথাগুলো বলেন চিত্রনায়িকা দীঘি।

আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। এ উপলক্ষে গত ৫ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়েছে সিনেমাটির ট্রেলার। যা এরই মধ্যে বেশ নজর কেড়েছে দর্শকদের। জানা গেছে, কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলনের ‘শ্রাবণ জ্যোত্স্নায়’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন আবদুস সামাদ খোকন।

ইমদাদুল হক মিলন তার উপন্যাসটিতে যুক্তরাষ্ট্রে বড় হয়ে ওঠা প্রভাবশালী বাঙালি ছেলে নাবিল আর গ্রামের অতি সরল নিরীহ ও পরোপকারী পুরুষ শুভর মাঝখানে দাঁড় করিয়েছেন সুন্দরী মেয়ে মৌকে। এই গল্পটিই এবার সিনেপর্দায় দেখতে যাচ্ছেন দর্শকরা। সরকারি অনুদানের এই সিনেমাটিতে দীঘির বিপরীতে অভিনয় করেছেন গাজী আবদুন নূর।

এছাড়া আরো অভিনয় করেছেন বাপ্পা সান্তনু, মুনমুন আহমেদ, সুব্রত বড়ুয়া, মাসুম বাশার, মিলি বাশারসহ অনেকে। নির্মাতা জানান, ২০২১ সালে শুটিং শুরু হওয়া সিনেমাটি ২০২৩ সালে কলকাতার ‘পঞ্চম বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উত্সব’-এ দেখানো হয়। তখন পরিপূর্ণ ছিল প্রেক্ষাগৃহ। এক কথায় অসাধারণ মনোগ্রাহী একটি চলচ্চিত্র শ্রাবণ জ্যোত্স্নায়! বিশেষ করে আপামর বাঙালি পরিবারের নির্ভেজাল পারিবারিক মনোরঞ্জনের সিনেমা হবে এটি!

 উল্লেখ্য, শিশুশিল্পী হিসেবে দারুণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেন দীঘি। তবে শিশুশিল্পীর তকমা পেছনে ফেলে ২০২১ সালে ‘তুমি আছো তুমি নেই’ সিনেমার মাধ্যমে নায়িকা হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষিক্ত হন তিনি। এরপর ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’ ও ‘মুজিব:একটি জাতির রূপকার’ সিনেমাগুলোতে অভিনয় করেন দীঘি।


আরও খবর

যে কারণে টাকা ফিরিয়ে দিলেন জয়া

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ঈধিকার পর এবার মিমি

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24




আগামী রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকবে : বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৬জন দেখেছেন

Image

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু জানিয়েছেন, রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, বাজারে নিরবিচ্ছন্ন পণ্য সরবরাহ, বাজার মনিটরিসহ সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আশা করা যায়, সরকারের এই পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নের ফলে আগামী রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

তিনি বলেন, বাজারে নিরবিচ্ছন্ন পণ্য সরবরাহ করা গেলে কেউ আর কারসাজি ও মজুতদারি করে দ্রব্যমূল্য বাড়াতে পারবে না। তখন পণ্যমূল্য একটা যৌক্তিক পর্যায়ে থাকবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার এ ব্যবস্থাটি নিশ্চিত করতে চাচ্ছে। এ ছাড়া আসন্ন রমজান উপলক্ষে সরকার টিসিবি’র মাধ্যমে এক কোটি প্রান্তিক পরিবারকে চাল, ডাল, তেল, খেজুরসহ ৫ ধরণের পণ্য সরবরাহ করবে। এতেও সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসবে।

সরকারি দলের অপর সদস্য আনোয়ার হোসেন খানের তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভোক্তা-স্বার্থ সংরক্ষণ ও ভোক্তা অধিকার বিরোধী কাজ প্রতিরোধকল্পে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কর্তৃক দেশব্যাপী নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হয়ে থাকে। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৫ হাজার ৩৭৪টি বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের অধীন বিভিন্ন অপরাধে ১১ হাজার ৬৮৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৬ কোটি ৭৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়েছে।


আরও খবর



উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের মেধা মনন বিকাশের একটি জায়গা: জবি উপাচার্য

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬২জন দেখেছেন

Image

উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের মেধা মনন বিকাশের একটি জায়গা বলে মন্তব্য করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম। তিনি বলেন, এই যে উদীচীর লক্ষ্য এই লক্ষ্যটা সামনে রেখে ৬৮র পর থেকে ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন ৭১ এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা গিয়েছিল তাদের মধ্যে একটা বিরাট অংশ উদীচী শিল্পগোষ্ঠীর সাথে সম্পৃক্ততা ছিল।

মঙ্গলবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শীতকল্প ১৪৩০ শিরোনামে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী আয়োজনে ভাস্কর্য চত্বরে 'বন্ধু এখানে শুকানো পাতার আগুন জ্বালো' প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

উপাচার্য বলেন, উদীচী শিল্পীরা অনেকে আমাদের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র গান গেয়েছেন, আবৃত্তি করেছেন, নাটক করেছেন, পর্যালোচনা দিয়েছেন অর্থাৎ এই যে একটা প্লাটফর্ম এই প্লাটফর্মটা আমাদের শিক্ষার্থীদের মেধা মনন বিকাশের একটি জায়গা।

উপাচার্য আরও বলেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ, গণতান্ত্রিক চিন্তা-চেতনা, নারী-পুরুষের মধ্যে সমতা, বৈষম্যহীন সমাজ এবং এই যে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র এ রাষ্ট্রটি কেবলমাত্র একটি জাতিসত্তার ধর্মাবলম্বী মানুষের নয়, বাংলাদেশের  মাটির মধ্যে কিন্তু একটা বহুমাত্রিকতা আছে। সেই বহুমাত্রিকতা হচ্ছে আমাদের এখানে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের পাশাপাশি বিভিন্ন জাতিসত্তার মানুষ বসবাস করে এবং সর্বোপরি নারী বা পুরুষ হিসেবে না দেখে আমরা তাকে মানুষ হিসেবে দেখব। 

অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, আমাদের যে পবিত্র সংবিধান আছে সেই সংবিধানে জাতির পিতা চারটি পিলারের কথা বলে গেছেন। যা হচ্ছে গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ ও সমাজতন্ত্র। তাহলে এখানে ওদের কাজটা কোথায়? উদীচীর কাজটা হচ্ছে এখানে গণতন্ত্র চর্চা এবং ধর্মনিরপেক্ষতা বজায় রেখে এগিয়ে যাওয়া। 

উপাচার্য সাদেকা হালিম বলেন, আজকে যেখানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আছে একসময় এখানে ব্রাহ্মসমাজ তৈরি হয় তারপরে স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়। এখান থেকে বের হলে আমরা দেখতে পাই চার্চ আর একটু গেলে মন্দির। আমাদের যে সংস্কৃতি চারপাশে আছে তা দেখে আমি বিশ্বাস করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মন কখনো সংকীর্ণ হতে পারেনা। পুরান ঢাকায় ২২০০ পুরনো বাড়ি আছে যেটা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর বলেছে আমাকে। তারা আমাকে বলেছেন, ' যে আপা আপনি প্রত্নতত্ত্ব  বিভাগ খুলেন এখানে' আমি সেটাও চিন্তা করেছি।

উপাচার্য সাদেকা হালিম আরও বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মধ্যে রয়েছে। এজন্য উদীচীকে এগিয়ে যেতে হবে। উদীচী গান করবে তবে ছোট জায়গায় নয়, তারা চার্চে গিয়ে গান করবে, ধুপখোলা মাঠে, ট্রাকের উপরে, খোলা রাস্তায় গান করবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যানারে। আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়কে ব্র্যান্ডিং করতে চাই সে ব্র্যান্ডিংকরবে আমার শিক্ষার্থীরা। আমার প্রিয় শিক্ষার্থীরা একটি অসম্প্রদায়িক সমাজ সংস্কৃতি তৈরি করবে যেখানে নারী পুরুষের সমান অধিকার থাকবে। আমি প্রতিদিন সকালে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে একটি সুসংবাদ শুনতে চাই অন্তত মাসে একবার হলেও হোক সেটা।  

অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, এই উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর যাত্রা অনেক কঠিন। তারা ১৯৯০ সালে বোমা হামলা শিকার হয়। আমরা জানি সেই মামলা আজও নিষ্পত্তি হয়নি। সেখানে প্রায় ১০ জন কর্মী নিহত ও অনেকে আহত হয়েছে। বারবারই উদীচীর উপর আক্রমণ আসে। কারা আক্রমণ করে সে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ তাদের থেকে আমাদেরকে দূরে থাকতে হবে। আমাদেরকে বুঝতে হবে এই বাংলাদেশ কিন্তু পাকিস্তান নয়। সেটা আমরা ৫২ বছর আগে ফয়সালা করেছি। সেই ফয়সালা শক্তি নিয়ে কিন্তু আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

অধ্যাপক সাদেকা হালিম আরও বলেন, 'বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং বিশ্বের মানচিত্রের মধ্যে এটা মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। আমাদের নির্বাচন শেষ হয়ে গেছে তার আগে থেকেই আমাদের অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলস ভাবে পরিশ্রম করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন। এই অগ্রযাত্রার হাতিয়ার হতে হবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। প্রজন্মকে তৈরি হতে হবে এমন ভাবে যেন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে আমি গান গাইতে, নাচতে, আবৃতি করতে পারি। পাশাপাশি আমাদের ভালো ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার ও সামাজিক বিজ্ঞানী হতে হবে। চারুকলার একজন শিক্ষার্থী হয়ে আলো ছড়িয়ে দিতে হবে আমি যা কিছু শিখেছি চারপাশে। আমি কিন্তু সেটাই চাই। আমি এই জন্য এখানে এসেছি, তোমাদেরকে নিয়ে যেতে।'

বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম বলেন, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী সারাবছর তাদের সাংস্কৃতিক কার্যক্রম চলমান রাখে। দেশীয় যে ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, গ্রামীন সমাজের ইতিহাস ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিকাশে উদীচীর শিল্পীগোষ্ঠীরা কাজ করে। সেই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে পারস্পরিক সম্পর্ক সৃষ্টি করে উদীচী সুদৃঢ় মনোভাব জাগ্রত করে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর চৌধুরী, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 


আরও খবর

চবি ছাত্রলীগে ফের উত্তেজনা

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল : উভয় সংকটে নুসরাত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৭জন দেখেছেন

Image

প্রায়ই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন নুসরাত জাহান। টলিউডের অভিনেত্রী। তার মাও অভিনেত্রী ছিলেন। একইসঙ্গে বিতর্কিত ও দর্শকপ্রিয়। অনেকটা কঙ্গোনা রানাউতের মতো। যারা নানা সময় প্রচারে থাকতে বিতর্ককেই উসকে দেন। এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয় নেটদুনিয়ায়।

সম্প্রতি একটি ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে বসিরহাটের এই সংসদ সদস্য নুসরাতকে তুলোধোনা করেছেন নেটিজেনরা। কী এমন করেছেন নুসরাত, যে তার ভিডিও নিয়ে হচ্ছে এত হইচই! যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে নুসরাতের এক লিপলকের অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। অনেকেরই প্রশ্ন, ব্যক্তিগত ভিডিও কেন সামাজিক মাধ্যমে। অনেকেই আবার টেনে এনেছেন নায়িকার রাজনৈতিক পরিচয়ও।

নুসরাত বসিরহাটের সংসদ সদস্য, একজন জনপ্রতিনিধি। তার অন্তরঙ্গ ভিডিও যে অনেকেই ভালোভাবে নেবেন না, সে কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন কেউ কেউ। তবে প্রশ্ন হলো, নুসরাতের ভিডিও ভাইরাল কারা করেছেন।

কোথা থেকেই বা সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ল। জানা গেছে, নুসরাত ও যশের একটি পার্টির ভিডিও ছিল সেটি। গেল বছরকে বিদায় জানাতে এক পার্টিতে মেতে উঠেছিলেন তারা। ভালোবেসে হঠাৎই নুসরাতকে চুমু খেয়ে বসেন যশ। নুসরাতও দেন সাড়া। এই ছবি শেয়ার করা হয়েছে এক ফ্যান ক্লাবের পক্ষ থেকে। যা আবার শেয়ার করেছেন নুসরাত নিজেই। কটাক্ষকে পাত্তা দিতে নারাজ নুসরাত। সাহসী ছবিই হোক বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা রটনা ট্রলিং যে তার জীবনে খুব একটা প্রভাব ফেলে না সে কথা স্পষ্টভাবে আগেও জানিয়েছেন তিনি।

এমন কাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। ব্যক্তিজীবন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার না করার অনুরোধ জানিয়েছেন অনেকেই। নুসরাতের প্রথম অভিনীত চলচ্চিত্র রাজ চক্রবর্তীর পরিচালনায় ‘শত্রু।’ এই চলচ্চিত্রে তিনি জিতের বিপরীতে অভিনয় করেন। অভিষেক সেই সিনেমার মতোই এরপর তার ব্যক্তিগত জীবন, চলচ্চিত্র এবং রাজনৈতিক জীবন প্রতিটি ক্ষেত্রেই এই ‘শত্রু’-‘শত্রু’ খেলায় কেটে যাচ্ছে একের পর এক। ইতোমধ্যে চলচ্চিত্রের ক্যারিয়ারও তার পেরিয়ে গেছে এক যুগেরও বেশি। অতঃপর প্রেম আর রাজনীতি এই নিয়েই রসাতলে গেল তার চলচ্চিত্রের ক্যারিয়ার। ফ্ল্যাট বিক্রির নামে প্রতারণায়ও জড়িয়ে পড়ে নিজের তারকা ইমেজকে আরও বেশি রসাতলে নামিয়ে আনেন এই পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য।

তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ হয়েও যে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য খুব ভালো ইমেজ তৈরি করতে পেরেছেন এমনও নয়। বরং তিনি একের পর এক যেসব বিতর্কিত কাজ করে চলেছেন তাতে করে বরং মমতা ব্যানার্জীর দলটিই ইমেজের সংকটে পতিত এখন।

এরই মধ্যে গেল বছরের ১২ সেপ্টেম্বর ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিলেন। সেদিন কলকাতার ইডি দপ্তরে হাজিরও হন নুসরাত। ইডির গোয়েন্দারা তাকে একটানা ৬ ঘণ্টা জেরা করেন। সে সময় নুসরাত জাহান ফ্ল্যাট বেচাকেনার দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে যেসব নথি ইডির হাতে তুলে দেন, তাতে সন্তুষ্ট হতে পারেননি গোয়েন্দারা। তাই অভিনেত্রীর কাছে আরও নথি চেয়েছেন ইডি। তখন ইডি বলেছে, কীভাবে তিনি তার নিজের সংস্থার পরিচালকের পদে থেকে ঋণ পেয়েছিলেন, সে সংক্রান্ত নথি ইডিকে দেখাতে হবে।

তারই ধারাবাহিকতায় এবার অনেক জল ঘোলা করে অবশেষে শনিবার কলকাতার চাঞ্চল্যকর ফ্ল্যাট প্রতারণাকাণ্ডে আলিপুর আদালতে হাজির হলেন অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য নুসরাত জাহান।

এজন্য বিজেপি নেতা শাঙ্কুদেব পাণ্ডার নেতৃত্বে তারা সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়ে ইডি দপ্তরে তারকা সাংসদের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ জানান। এর মধ্যে নুসরাত পাম অ্যাভিনিউয়ে একটি ফ্ল্যাট কেনেন। ব্যাংককর্মীরা গড়িয়াহাট থানায় নুসরাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, আদালত কক্ষে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদকে। ফ্ল্যাট প্রতারণা মামলায় অবশেষে প্রকাশ্যে তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান। আলিপুর জাজেস কোর্টে চারদিনের মধ্যে হাজিরা দেন তিনি। যদিও ওইদিন তার হাজিরার দিন ছিল না। কিন্তু ওইদিনই তিনি চলে এসেছিলেন আদালতে।

বিজেপি এ ঘটনার পর দাবি তুলেছে, অবিলম্বে তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে তাকে গ্রেপ্তার করা হোক। তার সংসদ সদস্য পদও বাতিল চেয়েছে বিজেপি। তারা মনে করেন, এমন প্রতারক চরিত্রের কোনো সংসদ সদস্য রাজনীতিতে না থাকাই বরং ভালো। তারা বলেন, চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির বাজে দৃষ্টান্তগুলো এ সাংসদ সংসদের মতো পবিত্র জায়গাকে দূষিত করতেই বেশি ভূমিকা রাখছেন।

ফলে রাজনীতির পথ যে তার জন্য কাঁটা বিছানো এটা বুঝে গেছেন ইতোমধ্যেই নুসরাত। তাই ভোটের সময় যত ঘনিয়ে আসছে ততই উত্তেজনার পারদ চড়ছে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশী নেতাদের মনে। কিন্তু নুসরাতই যেন ব্যতিক্রম। এবারের লোকসভা নির্বাচনের আগেই সংসদের শেষ দিনে তাকে একটি বিশেষ পোস্ট করতে দেখা যায়। পোস্ট করা এই ভিডিওতে তাকে বাংলার মানুষের হয়ে কথা বলতে শোনা যায়। তিনি এদিন ১০০ দিনের মনরোগা স্কিমের আওতায় কাজ করা কর্মীদের বকেয়া টাকা নিয়েও কথা বলেন। সেই মুহূর্তের ক্লিপ পোস্ট করে একটি আবেগঘন বার্তা লেখেন নুসরাত।

নুসরাত লেখেন, সংসদে আমার শেষ দিন। ঈশ্বর এবং আমাদের সম্মানীয় দিদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আমি কৃতজ্ঞ বাংলার মানুষের জন্য, তাদের হয়ে কথা বলতে সুযোগ পাওয়ার জন্য। বিশেষ করে বসিরহাট নির্বাচনী এলাকার মানুষের হয়ে কথা বলতে পারার জন্য। সবাইকে ধন্যবাদ ভালোবাসা ও সমর্থন দেওয়ার জন্য। আর তার এমন পোস্টেই ফুটে ওঠে তিনি রাজনীতি থেকে বিদায় নিচ্ছেন। এখন কি তবে নুসরাত পুরোপুরি মনোযোগ দিতে চান টলিউডেই।


আরও খবর

যে কারণে টাকা ফিরিয়ে দিলেন জয়া

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ঈধিকার পর এবার মিমি

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24