Logo
আজঃ শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
শিরোনাম

বয়ান ও জিকির আসকারের মধ্যদিয়ে ইজতেমার দ্বিতীয় দিন চলছে

প্রকাশিত:শনিবার ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪৬জন দেখেছেন

Image

টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে দেশ বিদেশী লাখ লাখ মুসল্লিদের পদচারণায় মুখরিত ইজতেমা ময়দান। জিকির আসকার ও ইবাদতের মধ্য দিয়ে  অতিবাহিত হচ্ছে দ্বিতীয় দিন। 

আজ শনিবার বাদ ফজর মুসল্লিদের উদ্দেশে বয়ান করেন ভারতের মাওলানা সাঈদ বিন সাদ সাহেব। বাংলা তরজমা করেন মুফতি ওসামা ইসলাম। 

আগামীকাল রবিবার সকাল সাড়ে দশটায় আখেরী মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হবে বিশ্ব ইজতেমার উভয় পর্ব। কাল আখেরী মোনাজাতে অংশ নিতে মুসল্লির ঢল এখন টঙ্গী মুখী। মুসল্লিরা বাস, ট্রেন ও নৌ-পথে ময়দানে প্রবেশ শুরু করেছেন।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মাহবুব আলম বলেন, মুসল্লিদের নিরাপত্তায় ময়দান ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ছয় হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া র‌্যাবসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহনীর সদস্যরাও কাজ করছেন। ইজতেমা ময়দানের সব প্রবেশ পথে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা ও বিভিন্ন পয়েন্টে পর্যবেক্ষণ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে। ময়দানে আসা মুসল্লিদের সেবায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তায় নিয়োজিত আছে।


আরও খবর

হাফেজ বশির আলজেরিয়ার পর ইরানে প্রথম

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




আগামী রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকবে : বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৫৬জন দেখেছেন

Image

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু জানিয়েছেন, রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, বাজারে নিরবিচ্ছন্ন পণ্য সরবরাহ, বাজার মনিটরিসহ সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আশা করা যায়, সরকারের এই পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নের ফলে আগামী রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

তিনি বলেন, বাজারে নিরবিচ্ছন্ন পণ্য সরবরাহ করা গেলে কেউ আর কারসাজি ও মজুতদারি করে দ্রব্যমূল্য বাড়াতে পারবে না। তখন পণ্যমূল্য একটা যৌক্তিক পর্যায়ে থাকবে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার এ ব্যবস্থাটি নিশ্চিত করতে চাচ্ছে। এ ছাড়া আসন্ন রমজান উপলক্ষে সরকার টিসিবি’র মাধ্যমে এক কোটি প্রান্তিক পরিবারকে চাল, ডাল, তেল, খেজুরসহ ৫ ধরণের পণ্য সরবরাহ করবে। এতেও সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসবে।

সরকারি দলের অপর সদস্য আনোয়ার হোসেন খানের তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভোক্তা-স্বার্থ সংরক্ষণ ও ভোক্তা অধিকার বিরোধী কাজ প্রতিরোধকল্পে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কর্তৃক দেশব্যাপী নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হয়ে থাকে। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৫ হাজার ৩৭৪টি বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের অধীন বিভিন্ন অপরাধে ১১ হাজার ৬৮৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৬ কোটি ৭৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়েছে।


আরও খবর



যাদের জন্য হজের খরচ কমালো সৌদি আরব

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৩৫জন দেখেছেন

Image

নিজ দেশের নাগরিক ও প্রবাসীদের জন্য হজের নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করেছে সৌদি আরব। রবিবার থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার জন্য ইলেকট্রনিক পদ্ধতি ব্যবহার করছে দেশটির হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়। 

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয় হজের নিবন্ধন প্রক্রিয়া নিজেদের ওয়েবসাইট ও নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে চূড়ান্ত করেছে। এর মাধ্যমে খুব সহজেই হজের নিবন্ধন করা যাবে। এছাড়া এবার অভ্যন্তরীণ হাজী— নিজ নাগরিক ও প্রবাসীদের জন্য হজের খরচ কমিয়েছে দেশটি।

এবার স্থানীয় হাজীদের জন্য চারটি প্যাকেজ থাকবে, যার মধ্যে একটি হল- ‘কম খরচের’ প্যাকেজ। এবার এই প্যাকেজটির মূল্য কমিয়ে করা হয়েছে ৩ হাজার ১৪৫ সৌদি রিয়াল, যা বাংলাদেশি অর্থে ৯২ হাজার টাকা। এছাড়া পবিত্র স্থানগুলোতে আল মাসেয়ার ট্রেন সার্ভিসের ভাড়া ৪০০ রিয়াল থেকে ৩০০ রিয়াল করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। তবে এ বিষয়টি এখনও নিশ্চিত করেনি হজ ও উমরাহ মন্ত্রণালয়।

২০১০ সালে হাজীদের পরিবহণের জন্য আল মাসেয়ার ট্রেন সার্ভিস চালু করা হয়। এই সার্ভিসের ট্রেনগুলো মিনা, আরাফাত এবং মুজদালিফাহর নয়টি স্টেশনের মধ্যে চলাচল করে। শাটল ট্রেন সার্ভিসের মাধ্যমে পবিত্র নগরী মক্কার সঙ্গে সৌদি আরবের অন্যান্য অঞ্চলকে সংযুক্ত করা হয়েছে। এই রুটের সর্বশেষ স্টেশনটি মিনার জামারাত ব্রিজের কাছে অবস্থিত। এই স্থানে প্রতীকী শয়তানকে লক্ষ্য করে নুড়ি পাথর নিক্ষেপ করেন হাজীরা।

আগামী জুনে হজের নতুন মৌসুম শুরু হবে। তবে এবার আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করেছে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ। অন্যবার পবিত্র মক্কায় নির্দিষ্ট দেশের জন্য নির্দিষ্ট স্থান বরাদ্দ রাখা হতো। তবে এবার নিয়ম করা হয়েছে, যেসব দেশ আগে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে সেসব দেশ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে স্থান বরাদ্দ পাবে। 


আরও খবর

হাফেজ বশির আলজেরিয়ার পর ইরানে প্রথম

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের মেধা মনন বিকাশের একটি জায়গা: জবি উপাচার্য

প্রকাশিত:বুধবার ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৬১জন দেখেছেন

Image

উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের মেধা মনন বিকাশের একটি জায়গা বলে মন্তব্য করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম। তিনি বলেন, এই যে উদীচীর লক্ষ্য এই লক্ষ্যটা সামনে রেখে ৬৮র পর থেকে ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন ৭১ এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা গিয়েছিল তাদের মধ্যে একটা বিরাট অংশ উদীচী শিল্পগোষ্ঠীর সাথে সম্পৃক্ততা ছিল।

মঙ্গলবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শীতকল্প ১৪৩০ শিরোনামে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী আয়োজনে ভাস্কর্য চত্বরে 'বন্ধু এখানে শুকানো পাতার আগুন জ্বালো' প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

উপাচার্য বলেন, উদীচী শিল্পীরা অনেকে আমাদের স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র গান গেয়েছেন, আবৃত্তি করেছেন, নাটক করেছেন, পর্যালোচনা দিয়েছেন অর্থাৎ এই যে একটা প্লাটফর্ম এই প্লাটফর্মটা আমাদের শিক্ষার্থীদের মেধা মনন বিকাশের একটি জায়গা।

উপাচার্য আরও বলেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ, গণতান্ত্রিক চিন্তা-চেতনা, নারী-পুরুষের মধ্যে সমতা, বৈষম্যহীন সমাজ এবং এই যে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র এ রাষ্ট্রটি কেবলমাত্র একটি জাতিসত্তার ধর্মাবলম্বী মানুষের নয়, বাংলাদেশের  মাটির মধ্যে কিন্তু একটা বহুমাত্রিকতা আছে। সেই বহুমাত্রিকতা হচ্ছে আমাদের এখানে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের পাশাপাশি বিভিন্ন জাতিসত্তার মানুষ বসবাস করে এবং সর্বোপরি নারী বা পুরুষ হিসেবে না দেখে আমরা তাকে মানুষ হিসেবে দেখব। 

অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, আমাদের যে পবিত্র সংবিধান আছে সেই সংবিধানে জাতির পিতা চারটি পিলারের কথা বলে গেছেন। যা হচ্ছে গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ ও সমাজতন্ত্র। তাহলে এখানে ওদের কাজটা কোথায়? উদীচীর কাজটা হচ্ছে এখানে গণতন্ত্র চর্চা এবং ধর্মনিরপেক্ষতা বজায় রেখে এগিয়ে যাওয়া। 

উপাচার্য সাদেকা হালিম বলেন, আজকে যেখানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আছে একসময় এখানে ব্রাহ্মসমাজ তৈরি হয় তারপরে স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়। এখান থেকে বের হলে আমরা দেখতে পাই চার্চ আর একটু গেলে মন্দির। আমাদের যে সংস্কৃতি চারপাশে আছে তা দেখে আমি বিশ্বাস করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মন কখনো সংকীর্ণ হতে পারেনা। পুরান ঢাকায় ২২০০ পুরনো বাড়ি আছে যেটা প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর বলেছে আমাকে। তারা আমাকে বলেছেন, ' যে আপা আপনি প্রত্নতত্ত্ব  বিভাগ খুলেন এখানে' আমি সেটাও চিন্তা করেছি।

উপাচার্য সাদেকা হালিম আরও বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মধ্যে রয়েছে। এজন্য উদীচীকে এগিয়ে যেতে হবে। উদীচী গান করবে তবে ছোট জায়গায় নয়, তারা চার্চে গিয়ে গান করবে, ধুপখোলা মাঠে, ট্রাকের উপরে, খোলা রাস্তায় গান করবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যানারে। আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়কে ব্র্যান্ডিং করতে চাই সে ব্র্যান্ডিংকরবে আমার শিক্ষার্থীরা। আমার প্রিয় শিক্ষার্থীরা একটি অসম্প্রদায়িক সমাজ সংস্কৃতি তৈরি করবে যেখানে নারী পুরুষের সমান অধিকার থাকবে। আমি প্রতিদিন সকালে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে একটি সুসংবাদ শুনতে চাই অন্তত মাসে একবার হলেও হোক সেটা।  

অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, এই উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর যাত্রা অনেক কঠিন। তারা ১৯৯০ সালে বোমা হামলা শিকার হয়। আমরা জানি সেই মামলা আজও নিষ্পত্তি হয়নি। সেখানে প্রায় ১০ জন কর্মী নিহত ও অনেকে আহত হয়েছে। বারবারই উদীচীর উপর আক্রমণ আসে। কারা আক্রমণ করে সে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ তাদের থেকে আমাদেরকে দূরে থাকতে হবে। আমাদেরকে বুঝতে হবে এই বাংলাদেশ কিন্তু পাকিস্তান নয়। সেটা আমরা ৫২ বছর আগে ফয়সালা করেছি। সেই ফয়সালা শক্তি নিয়ে কিন্তু আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

অধ্যাপক সাদেকা হালিম আরও বলেন, 'বাংলাদেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং বিশ্বের মানচিত্রের মধ্যে এটা মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। আমাদের নির্বাচন শেষ হয়ে গেছে তার আগে থেকেই আমাদের অভিভাবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলস ভাবে পরিশ্রম করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন। এই অগ্রযাত্রার হাতিয়ার হতে হবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। প্রজন্মকে তৈরি হতে হবে এমন ভাবে যেন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে আমি গান গাইতে, নাচতে, আবৃতি করতে পারি। পাশাপাশি আমাদের ভালো ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার ও সামাজিক বিজ্ঞানী হতে হবে। চারুকলার একজন শিক্ষার্থী হয়ে আলো ছড়িয়ে দিতে হবে আমি যা কিছু শিখেছি চারপাশে। আমি কিন্তু সেটাই চাই। আমি এই জন্য এখানে এসেছি, তোমাদেরকে নিয়ে যেতে।'

বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম বলেন, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী সারাবছর তাদের সাংস্কৃতিক কার্যক্রম চলমান রাখে। দেশীয় যে ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, গ্রামীন সমাজের ইতিহাস ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা বিকাশে উদীচীর শিল্পীগোষ্ঠীরা কাজ করে। সেই সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ধর্ম, বর্ণ, নির্বিশেষে পারস্পরিক সম্পর্ক সৃষ্টি করে উদীচী সুদৃঢ় মনোভাব জাগ্রত করে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর চৌধুরী, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 


আরও খবর

চবি ছাত্রলীগে ফের উত্তেজনা

সোমবার ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪




জনবল সংকট সত্বেও সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় ট্রেনের উৎপাদন কার্যক্রম বৃদ্ধি

প্রকাশিত:রবিবার ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ৪৮জন দেখেছেন

Image

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি: ব্যাপক জনবল সংকট ও বাজেটের সীমাবদ্ধতা সত্বেও দেশের বৃহত্তম সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম বৃদ্ধি পেয়েছে। দিনে ৩ ইউনিট মেরামত লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও কোচ মেরামতের ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা (টার্গেট) ৪ ইউনিট ছাড়িয়ে গেছে।

নতুন নতুন রেলরুট চালু ও পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ চালু হওয়ায় যেমন কোচের চাহিদা বেড়েছে তেমনি নতুন ট্রেন চালু করতেও অনেক কোচের প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। এ কারণে পুরাতন ট্রেন মেরামত ও নতুন ট্রেন সংযোজনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে জোগান দিতে কারখানায় এই কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। 

রেলের সূত্র জানায়, বর্তমান সরকার রেলবান্ধব। ফলে সারাদেশে রেলপথ বাড়ানো হচ্ছে। পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ চালুর পর পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়েতে বেশ কিছু নতুন ট্রেন চালু হয়েছে। দিতে হচ্ছে কোচের জোগান। ফলে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার উপর চাপ বেড়েছে।

সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার ক্যারেজ শপের (উপ-কারখানা) ইনচার্জ ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোমিনুল ইসলাম বলেন, এখানে প্রতিদিন ৩ ইউনিট কোচ মেরামতের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। প্রতিদিন দুই ইউনিটে একটি পূর্ণাঙ্গ কোচ বুঝানো হয়। সেক্ষেত্রে আমরা চলতি অর্থ বছরে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬ মাসে ৩১৭টি কোচ মেরামত করেছি। অর্থাৎ প্রতিদিন ৪ ইউনিট মেরামত কাজ হয়েছে।

কারখানা সূত্র জানায়, সৈয়দপুর কারখানায় চরম লোকোবল সংকট রয়েছে। এখানে দুই হাজার ৮৫৯ জনের স্থলে লোকোবল রয়েছে মাত্র ৮২০ জন। কারখানার ২৮টি উপ-কারখানায় (শপ) উৎপাদন চলছে সীমিত সংখ্যক লোক নিয়ে। মাত্র ২৮ শতাংশ লোক কর্মরত আছেন ১১০ একর জমির উপর গড়ে ওঠা বিশাল ওই কারখানাটিতে। 

এছাড়াও কারখানায় বাজেট স্বল্পতা রয়েছে। চলতি বছরে মাত্র ২০ কোটি টাকা বাজেট মিলেছে। বাজেটের টাকায় মেরামত কাজে ব্যবহৃত উৎপাদন ও উপকরণ সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। তবে কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতন দেয়া হয় রাজস্ব খাত থেকে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে শূন্যপদে লোক নিয়োগ জরুরি। সেইসাথে বাজেট দ্বিগুন করা না হলে উৎপাদন ব্যহত হতে পারে। 

কারখানা সূত্রে জানা যায়, উপরের চাহিদা অনুযায়ী অবিশ্রান্ত কাজ করছেন কারখানার শ্রমিক-কর্মচারিরা। রেলপথে চলাচলের পর অনুপোযোগী হয়ে পড়া কোচগুলো সৈয়দপুর কারখানায় এনে প্রয়োজনে মেরামত সেরে পূনরায় পাঠিয়ে দেয়া হয় রেলপথে।

সরজমিনে দেখা যায়, ব্যাপক কর্মযজ্ঞ চলছে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায়। ক্যারেজ শপে চলছিল ভারি মেরামত কাজ। একটি ক্যারেজের বগির ওপর (আন্ডারফ্রেম) ক্রেনের মাধ্যমে স্থাপন করা হচ্ছে সুপার স্ট্রাকচার। পাশেই বগি শপে চলছিল চ্যাচিজ মেরামতের কাজ। এছাড়া ক্যারেজ শপে চলছে রেলকোচে রংয়ের প্রলেপ। ১২ হাজার রকম যন্ত্রাংশ তৈরি হয় মেশিনসহ কয়েকটি শপে। যা রেলকোচ, ওয়াগণ ও ইঞ্জিনে ব্যবহার করা হয়। একটি শপে ট্রেনের ব্রেক তৈরি হচ্ছিল। একটিতে তৈরি হচ্ছিল একটি কোচের সাথে অপর কোচকে জুড়ে দেওয়ার কাপলিং যন্ত্র। এছাড়া ঢাকায় পুড়ে যাওয়া ৩টি কোচও আনা হয়েছে কারখানায়। যেগুলো মেরামত করছিলেন শ্রমিকরা।

এ নিয়ে কথা হয় সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার বিভাগীয় তত্বাবধায়ক (ডিএস) সাদিকুর রহমানের সাথে। তিনি বলেন, এখন কাজে তৎপরতা অনেক বেশি। দেশের রেলপথ বাড়ছে। তাই আমাদের ওপর চাপও বেড়েছে। কারখানাটিতে লোকবল সংকট নিরসনের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। তবে সীমাবদ্ধতার মাঝেও কারখানার গতি নজীরবিহীনভাবে ধরে রাখায় তিনি শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান যন্ত্র প্রকৌশলী মুহাম্মদ কুদরত ই খুদা জানিয়েছেন, এখন ম্যানেজমেন্ট লেভেল অনেক ভালো। মূলত ব্যবস্থাপনার কারণেই সৈয়দপুর কারখানায় উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। অবিলম্বে রেলওয়ের সব রকম সীমাবদ্ধতা দুর করতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সজাগ আছে বলে জানান তিনি। 


আরও খবর



বিয়েতে কোন হোটেল বেছে নিলেন রাকুল প্রীত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ | ২৩জন দেখেছেন

Image

বিয়ে তারিখ আগেই ঘোষণা করেছিলেন বলিউড অভিনয়শিল্পী রাকুল প্রীত সিং ও জ্যাকি ভাগনানি। বলা চলে বিয়ের প্রস্তুতি এখন শেষে দিকে। তিন দিনব্যাপী চলবে রাকুল-জ্যাকির বিয়ের আয়োজন। ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে হলুদ, মেহেদিসহ নানা আচার–অনুষ্ঠান। ২১ ফেব্রুয়ারি ছাদনাতলায় যাবেন রাকুল-জ্যাকি। ২২ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইতে বিয়ে– পরবর্তী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

গোয়ার বিলাসবহুল হোটেল আইটিসি গ্র্যান্ডে হবে তাঁদের বিয়ের অনুষ্ঠান। ২৪৬ কক্ষের রিসোর্টটিতে ইন্দো-পর্তুগিজ কারুকাজের ছোঁয়া আছে। আর বিয়ের জন্য এই হোটেলকে বেছে নেওয়ার জন্য বেশ সাধুবাদও পাচ্ছেন হবু দম্পতি।

এক প্রতিবেদনে ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, রাকুল-জ্যাকির বিয়েতে নিমন্ত্রিত অতিথির তালিকা সীমিত। বিশেষ অতিথি ছাড়া বিয়ের আসরে উপস্থিত থাকবেন পরিবার পরিজন আর বন্ধুরা।

বিয়েতে থাকছে কিছু নিয়মকানুন। কার্বনের আধিক্য অর্থাৎ ‘কার্বন ফুটপ্রিন্ট’ কমাতে আতশবাজি ফোটানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এর আগে ২০২১ সালে রাকুল প্রীতের জন্মদিনে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া পোস্টে প্রেমের বিষয়টি জানান জ্যাকি ভগনানি। এর পর থেকে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে নিয়মিত দেখা গেছে তাঁদের।


আরও খবর

যে কারণে টাকা ফিরিয়ে দিলেন জয়া

বৃহস্পতিবার ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ঈধিকার পর এবার মিমি

মঙ্গলবার ২০ ফেব্রুয়ারী ২০24