Logo
আজঃ সোমবার ১৫ এপ্রিল ২০২৪
শিরোনাম

আবারও দাম বাড়া‌লো সোনার ভরি বেড়ে ১ লাখ ৯২৯২ টাকা

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ এপ্রিল ২০২৪ | ১৮৪জন দেখেছেন

Image

সোনার দাম বাড়া‌নোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ১৬৭ টাকা বাড়া‌নো হয়েছে। এর ফলে এ ক্যাটাগরির সোনার নতুন মূল্য হবে ১ লাখ  ৯ হাজার ২৯২ টাকা (প্রতি ভরি)। আজ সোমবার পর্যন্ত দাম ছিল ১ লাখ ৮ হাজার ১২৫ টাকা।

১৮ ডি‌সেম্বর বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম বেড়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর করা হবে।

নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনা ১ লাখ ৯ হাজার ২৯২ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৪ হাজার ৩৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৮৯ হাজার ৪০৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ৭৪ হাজার ৫৩৩ টাকায় বিক্রি করা হবে।

সোনার দাম বাড়া‌নো হ‌লেও অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে রুপার দাম। ক্যাটাগরি অনুযায়ী বর্তমানে ২২ ক্যারেটের রুপার দাম (ভ‌রি) ১ হাজার ৭১৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১৪০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১০৫০ টাকা।

আজ ১৮ ডিসেম্বর সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনা ১ লাখ ৮ হাজার ১২৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৩ হাজার ২২৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৮৮ হাজার ৪৭১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ৭৩ হাজার ৭১৬ টাকায় বেচাকেনা হয়েছে।


আরও খবর



জমজমাট ঈদ কেনাকাটা, গরমে আরামে নজর ক্রেতাদের

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ এপ্রিল ২০২৪ | ৮৪জন দেখেছেন

Image
আর দুই সপ্তাহ পরেই ঈদ। ইতোমধ্যে জমে উঠেছে রাজধানীর ঈদ বাজার। মূলত গতকাল থেকেই শুরু হয়েছে ঈদের কেনাকাটা। ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত বিপণিবিতানগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। রোদ ও গরম উপেক্ষা করে পরিবার-পরিজনদের জন্য নতুন পোশাক কিনতে রাজধানীর বিপণিবিতানগুলোতে ভিড় করছেন নানা বয়সী মানুষ। ক্রেতা-বিক্রেতাদের দরদামে সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্তও চলছে কেনাবেচা। ফুটপাত ও ভ্যানগাড়িতে অস্থায়ীভাবে বসা দোকানেও কেনাকাটা চলছে পুরোদমে। গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। 

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি, মহাখালী এসকেএসসহ বিভিন্ন শপিংমল ছিল লোকে লোকারণ্য। মানুষ নিজেদের সাধ্যমতো প্রিয়জনদের জন্য কেনাকাটায় ব্যস্ত ছিলেন। এসব মার্কেটের ভিতরে ও আশপাশের রাস্তাগুলোতেও হাঁটার মতো অবস্থা ছিল না। সবখানেই ক্রেতাদের ভিড়। বিক্রেতারা বাহারি রঙের সব পোশাক সাজিয়ে রেখেছেন। কেউ পোশাক শরীরে ট্রায়াল দিচ্ছেন। কেউবা বাচ্চাদের পোশাক কেনায় ব্যস্ত। কেউবা শাড়ি, কসমেটিকস, গহনা, জুতার দোকানে ভিড় জমিয়েছেন। ছেলেদের পাঞ্জাবির দোকান গুলোতেও ছিল চোখে পড়ার মতো ভিড়। থেমে নেই কেউ, সবাই ছুটছেন পছন্দের পোশাকের সন্ধানে। ভিড়ের কারণে ক্রেতার সঙ্গে বেশিক্ষণ কথা বলারও সুযোগ পাচ্ছেন না বিক্রেতারা। এর মধ্যেই পছন্দের কাপড় কিনছেন ক্রেতারা। ছেলেরা বেশি কিনছেন শার্ট, প্যান্ট, টি-শার্ট ও পাঞ্জাবি। আর তরুণী ও নারীরা কিনছেন শাড়ি, থ্রি-পিস ও ফ্রক। এ ছাড়া জুতার দোকানেও বিক্রি বেড়েছে অনেক।

রাজধানীর বসুন্ধরা সিটিতে পাওয়া যাচ্ছে নতুন নতুন কালেকশনের বাহারি কারুকাজ, হাতের নকশা, নানা রঙের কাপড়সহ বিভিন্ন ধরনের নতুন পোশাক। নতুন সাজে সেজেছে ফ্যাশন হাউসগুলো। ক্রেতারা বলেন, বসুন্ধরা সিটিতে এক জায়গাতেই সব ধরনের সামগ্রী একসঙ্গে পাওয়া যায়। এ মার্কেট শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থাকায় কেনাকাটাও আনন্দদায়ক। ফ্যাশন হাউস ইয়োলোর এক বিক্রয় কর্মী জানান, ঈদ এবং গরমকে প্রাধান্য দিয়ে ডিজাইনে আনা হয়েছে নতুনত্ব। গরমকে প্রাধান্য দিয়ে তৈরি করা এসব পোশাকের দাম রাখা হয়েছে ক্রেতার সাধ্যের মধ্যেই। এ ছাড়াও বসুন্ধরা সিটির বিভিন্ন শো-রুম, নিপুণ, সৃষ্টি, সাদাকালো, দেশাল, রঙ বাংলাদেশ, কে-ক্রাফট, অঞ্জন্স, জ্যোতি, জেন্টস পয়েন্টসহ বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসের শো-রুম ঘুরে দেখা গেছে ক্রেতাদের ভিড়। পছন্দ হলেই কিনছেন ক্রেতারা। 

মহাখালী এসকেএস মার্কেটে দেখা যায়, ঈদকে ঘিরে নিত্যনতুন ডিজাইনের পোশাকের পসরা সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। এখানে পাঞ্জাবি, পায়জামা, শাড়ি, থ্রি-পিস, শার্ট, টি-শার্ট, প্যান্ট, কসমেটিকস, জুয়েলারিসহ সব ধরনের আইটেমই রয়েছে। প্রতিটি দোকানেই ক্রেতাদের ভিড়। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ক্রেতা কম থাকলেও বিকালের পর থেকে বাড়তে থাকে মানুষের উপস্থিতি। আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড জিওর্দানোর বিক্রয়কর্মী নাসিমুল হক হৃদয় বলেন, আমাদের এখানে প্রত্যাশা অনুযায়ী বেচাকেনা চলছে। প্রত্যাশা করছি সামনের দিনগুলোতে আরও বিক্রি বাড়বে। আমাদের এখানে ছেলেদের ইমপোর্ট করা সব ধরনের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। শার্টের জন্য বিখ্যাত আমাদের ব্র্যান্ড।

আরও খবর



রমজান পালনের আদর্শ

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ এপ্রিল ২০২৪ | ৭০জন দেখেছেন

Image

রমজানের বিশেষ ফজিলত সম্পর্কে মুসলমানগণ অবহিত আছে। অবহিত আছে এই মাসের বিশেষ করণীয় সম্পর্কে। রসুলুল্লাহ (সা.) এই মাসটি অধিক গুরুত্বের সঙ্গে পালন করতেন। এই মাসে ইবাদত-বন্দেগিতে তিনি সময় বেশি দিতেন। কোরআন তিলাওয়াত ও দান-সদকা সবই অধিক পরিমাণে পালন করতেন। 

ইবনে আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, ‘রসুলুল্লাহ (সা.) ভালো কাজে সব মানুষ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ ছিলেন। রমজানে তিনি আরও অধিক পরিমাণে উদারতা অবলম্বন করতেন।’ (সহিহ বোখারি, হা. ১৯০২)।

রমজান মাসে আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত, মাগফিরাত ও ক্ষমার অভাবনীয় অফার রয়েছে। মহানবী (সা.) এই অফার গ্রহণের জন্য সর্বপ্রকার শক্তি-সামর্থ্য ব্যয় করতেন। যুগে যুগে আল্লাহর প্রিয় বান্দাগণ তাঁর এই আদর্শ অনুসরণ করেছেন। রমজানের বরকত লাভের আশায় তারা সার্বাত্মক সাধনা করেছেন। 

তাদের জীবনীর দিকে তাকালে আমরা রমজান পালনের নিয়ম পদ্ধতি খুঁজে পাই। পাই রমজানের কল্যাণ লাভে ত্যাগ সাধনার সফল উদাহরণ এবং উত্তম আদর্শ। অন্তরে জাগ্রত হয় অফুরন্ত আগ্রহ-অনুপ্রেরণা। রমজানে তারা ইবাদত-বন্দেগির প্রতিযোগিতায় উপনীত হতেন। এই মাসে তাদের আমলে বসন্ত বিরাজ করত। 

কুতুবে আলম রশীদ আহমদ গাঙ্গুহী (রহ.)-এর জিকির, তিলাওয়াত ও ত্যাগ-সাধনা দেখে লোকজন বিস্মিত হতো। রমজানের প্রতিটি মুহূর্ত তিনি অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে অতিবাহিত করতেন। এই মাসে তিনি প্রতিদিন মাগরিবের পর ২০ রাকাত নফল নামাজ আদায় করতেন। এই ২০ রাকাত নামাজে তিনি দুই পারার অধিক তিলাওয়াত করতেন। রুকু, সেজদা হতো অনেক দীর্ঘ। এশার পর তিনি ২০ রাকাত তারাবি আদায় করতেন দীর্ঘ সময়ে এবং অনেক যত্ন সহকারে। প্রথম ১০ রাকাত তিনি নিজেই পড়াতেন। শেষ ১০ রাকাত পড়াতেন সাহেবজাদা হাফেজ মাসউদ আহমদ। 

অতঃপর অল্প সময় বিশ্রাম নিয়ে রাত ১টা বা ২টার সময় তাহজ্জুদের জন্য তিনি জাগ্রত হতেন। সাহরি পর্যন্ত তিনি নামাজ ও জিকিরে অতিবাহিত করতেন। ফজরের পরও তিনি ঘুমাতেন না। বরং ইশরাক আদায় করে মাত্র দুই ঘণ্টা তিনি বিশ্রাম নিতেন। চাশত নামাজ পড়ে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতেন। জোহর নামাজ আদায় করে আসর পর্যন্ত কোরআনুল কারিম তিলাওয়াত করতেন। 

হাজী এমদাদুল্লাহ মুহাজিরে মক্কি (রহ.) সম্পর্কে থানবী (রহ.) বর্ণনা করেন, তিনি যুবক বয়স থেকেই রমজান মাসে রাতে বিছানায় পিঠ লাগাননি। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নামাজ, জিকির ও তিলাওয়াত করা এবং শোনার মাধ্যমে রাত কাটাতেন। শাইখুল হাদিস আল্লামা যাকারিয়া (রহ.) জীবনের শেষ দুই বছর ব্যতীত গোটা জীবন নিজেই তারাবির ইমামতি করেছেন। 

নিয়মিত তিনি মেহমান নিয়ে ইফতার করতেন। তারাবি নামাজে যে পারা পড়া হতো সেই পারাটি তিনি নিয়মিত ওই দিন মাগরিবের নামাজের পর আউয়াবিন নামাজে তিলাওয়াত করতেন। তারাবির পর কিছুক্ষণ তিনি বিশ্রাম নিয়ে গোটা রাত নামাজ, দোয়া, জিকির ও তিলাওয়াতে মগ্ন থাকতেন। হজরত থানবী (রহ.) সারা বছরই অর্ধরাতের পর তাহাজ্জুদের জন্য জেগে যেতেন। 

মহান প্রভু রসুলুল্লাহ (সা.)-কে নির্দেশ করে বলেন, ‘হে বস্ত্রাবৃত! রাত্রিতে দন্ডায়মান হোন, কিছু অংশ ব্যতীত, অর্ধরাত্রী অথবা তৎপেক্ষা কিছু কম।


আরও খবর

অন্তরের মরিচা দূর করতে করণীয়

রবিবার ৩১ মার্চ ২০২৪




ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের গুলি, নিহত ১৯

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ মার্চ 20২৪ | হালনাগাদ:সোমবার ১৫ এপ্রিল ২০২৪ | ৮৮জন দেখেছেন

Image

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ত্রাণের অপেক্ষায় থাকা ফিলিস্তিনের ভিড়ে আবারও নির্বিচার হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। এতে নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৯ জন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২৩ জন।  ইসরায়েল এর আগেও গাজায় ত্রাণপ্রার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। যদিও সাহায্যপ্রার্থীদের ওপর সর্বশেষ এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইসরায়েল।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং ভূখণ্ডটির মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, গাজা শহরের দক্ষিণ-পূর্বে সাহায্যের অপেক্ষায় থাকা বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ১৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গাজার মিডিয়া অফিস শনিবার এক বিবৃতিতে বলেছে, ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী একটি গণহত্যা চালিয়েছে। হাজার হাজার নাগরিক যখন আল-কুয়েত গোলচত্বরের কাছে আটা ও সাহায্যের জন্য অপেক্ষা করছিল তখন সেখানে হামলা চালিয়ে ১৯ জন হত্যা এবং আরও ২৩ জন বেসামরিক নাগরিককে আহত করেছে।

এতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এবং ট্যাংকগুলো মেশিনগান দিয়ে অভুক্ত লোকদের দিকে গুলি চালায় যারা আটা এবং সাহায্যের ব্যাগগুলো নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিল। সেটিও আবার এমন একটি জায়গায় যা ইসরায়েলি বাহিনীর জন্য কোনও বিপদ সৃষ্টি করতে পারত না।

গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেছেন, “বেসামরিক নাগরিকদের ওপর ভারী গুলি চালানো হয়েছে এবং আহতদের নিকটবর্তী আহলি আরব হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু গাজার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়ার কারণে অনেককে বাইরে খোলা আকাশের নিচে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, অনেকে গুরুতর জখম হয়েছেন, তাদের মধ্যে কেউ কেউ ছুরির আঘাতে আহত হয়েছেন। বাস্তবতা দুঃখজনক, কঠিন এবং চ্যালেঞ্জিং।

এদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সাহায্যপ্রার্থী জনতার ওপর গুলি চালানোর কথা অস্বীকার করেছে। এমনকি সাহায্য নিতে আসা এসব মানুষের ওপর গুলি চালানোর খবর ‘ভুল’ বলেও দাবি করেছে ইসরায়েল।


আরও খবর



প্রথমবার সাগর পথে একটি বার্জ থেকে ত্রাণ সামগ্রী নামানো হল গাজা উপকূলে

প্রকাশিত:শনিবার ১৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:রবিবার ১৪ এপ্রিল ২০২৪ | ৬২জন দেখেছেন

Image

প্রথমবারের মতো সাগর পথে যাওয়া একটি বার্জ থেকে ত্রাণ সামগ্রী নামানো হয়েছে গাজা উপকূলে। গাজার বিপন্ন মানুষদের জন্য স্প্যানিশ জাহাজ ওপেন আমস ২০০ টন খাদ্য সহায়তা নিয়ে মঙ্গলবার সাইপ্রাস ছেড়েছিল। জাতিসংঘ ইতোমধ্যেই সতর্ক করে বলেছে গাজা এখন দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে।

অনলাইনে পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বার্জ থেকে ক্রেনে করে খাদ্যবাহী ক্রেটগুলো টেনে লরিতে তোলা হচ্ছে। মূলত সড়কপথে ও বিমানযোগে ত্রাণ দেয়া কঠিন হয়ে পড়ায় সাগর পথে নেওয়াটা কার্যকর হয় কি-না সেটিই দেখা শুরু হলো। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সহযোগিতায় ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেন (ডব্লিউসিকে) চাল, গম, সবজি, প্যাকেটজাত প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার বহনকারী কার্গো নিয়ে এ মিশন পরিচালনা করছে। গাজায় সচল কোনো বন্দর নেই। সে কারণে ডব্লিউসিকে উপকূলে একটি জেটি তৈরি করতে হয়েছে। তবে কীভাবে এসব ত্রাণ বিতরণ করা হবে তা এখনো পরিষ্কার নয়।

ডব্লিউসিকের প্রতিষ্ঠাতা সেলেব্রিটি শেফ হোসে আন্দ্রেজ সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ লিখেছেন বার্জগুলো থেকে সব খাবার ১২টি লরিতে তোলা হয়েছে। আমরা এটা করেছি”-লিখেছেন তিনি। একই সাথে বলেছেন, পরবর্তী শিপমেন্টে আরও সহায়তা আনা যায় কি না এটি ছিল তারই একটি পরীক্ষা-‘সপ্তাহে হাজার হাজার টন’। ওদিকে, ইসরায়েল এক বিবৃতিতে বলেছে, ওপেন আমস নৌযান ও এর কার্গো সাইপ্রাসে পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়েছে এবং উপকূলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইসরায়েলের ডিফেন্স ফোর্স বা আইডিএফ সেনাদের মোতায়েন করা হয়েছে।

দা ওপেন আমস চ্যারিটি জাহাজটি পরিচালনা করছে। তারা শুক্রবার একটি ভিডিও শেয়ার করেছে, যাতে দেখা যাচ্ছে, তাদের টিম রাতভর কাজ করছে ত্রাণসহায়তা স্থলভাগে নেওয়ার জন্য। মঙ্গলবার জাহাজটি লারনাকার বন্দর ছাড়ার পর থেকেই ত্রাণ সরবরাহের বিষয়টি প্রত্যাশা করা হচ্ছিল। সাগর পথের এ অভিযান সফল হলে আন্তর্জাতিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে আরও সহায়তা একইভাবে গাজায় আসার কথা রয়েছে।

এসব জাহাজ ওই অঞ্চলে সরাসরি যাওয়ার জন্য নতুন একটি রুট চালু করা হয়েছে সাগর পথে। এছাড়া সাগর পথে উপকূলে আরও ত্রাণ সহায়তা পৌঁছানোর জন্য আলাদাভাবে যুক্তরাষ্ট্র একটি ভাসমান ডক তৈরির পরিকল্পনা করছে। একটি সামরিক নৌযান ভাসমান ডক বানানোর প্রয়োজনীয় উপকরণ নিয়ে রওয়ানা দিলেও অন্যান্য উপকরণগুলোর বিষয়ে পরিকল্পনা কী হবে তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েই গেছে।

সামরিক অভিযান এবং সামাজিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করার মতো ঘটনা ত্রাণ বিতরণে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছে। অন্যদিকে, গাজার নিজস্ব খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত। বেকারি ও কারখানাগুলো হয় ধ্বংস হয়ে গেছে কিংবা যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। সহজে ও দ্রুত ত্রাণ পৌঁছানোর সবচেয়ে সহজ পথ ছিলো সড়ক পথে। কিন্তু ইসরায়েলি নানা বিধিনিষেধের কারণে ত্রাণ নিয়ে গাজায় যাওয়া নিয়ে সমস্যার কথা জানিয়েছে ত্রাণ সংস্থাগুলো। ওদিকে নিজেদের কনভয়ে গুলি ও লুটপাটের পর ত্রাণ সরবরাহ বন্ধ রেখেছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি।

প্যারাসুট ছিঁড়ে মালামাল পড়ে কয়েকজন নিহত হওয়ার পর বিমান থেকেও খাদ্য ছুঁড়ে দেয়ার কার্যক্রম বিপজ্জনক হয়ে গেছে। দ্রুত সহায়তা না দিলে গাজায় দুর্ভিক্ষ ‘প্রায় অবশ্যম্ভাবী’ বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেফ বোরেল ক্ষুধাকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে মানবিক বিপর্যয় তৈরির জন্য ইসরায়েলকে অভিযুক্ত করেছেন।

ইসরায়েল এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেছে গাজার দক্ষিণের ক্রসিং দিয়ে ত্রাণ পাঠানোর অনুমতি দিচ্ছে তারা। এদিকে, শুক্রবারের আলোচনাতেও হামাসের সবশেষ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব বাতিল হয়ে গেছে। হামাস জানিয়েছে যে তারা মধ্যস্থতাকারীদের হাতে যুদ্ধবিরতির একটি পূর্ণাঙ্গ ভিশন তুলে দিয়েছে। কিন্তু ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু এটি ‘অবাস্তব’ আখ্যায়িত করেছেন।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভূখণ্ডে গিয়ে হামাস যোদ্ধারা হামলা চালালে যুদ্ধের সূচনা হয়। ওই সময় ১২শ’ মানুষ নিহত হওয়া ছাড়াও ২৫৩ ইসরায়েলি হামাসের হাতে জিম্মি হয়। জবাবে ইসরায়েলের অভিযানে এ পর্যন্ত ৩১ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে গাজার হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।


আরও খবর



রাজনীতির মাঠে বলিউড স্টার উর্বশী রাউতেলা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ মার্চ ২০২৪ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ এপ্রিল ২০২৪ | ৫৩জন দেখেছেন

Image

ভারতে নির্বাচনে পিছিয়ে নেই সিনেমার সেরা সব তারকারা। দীর্ঘদিন ধরেই দেখা যাচ্ছে রাজনীতির ময়দানে নেমেছেন অনেকেই। এর সবচেয়ে বড় দৃষ্টান্ত ছিলেন এমজি রামচন্দ্রন, জয়ললিতা, বৈজন্তিমালা, শিবাজি গণেশন, কমল হাসান। আসছে লোকসভা নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, সায়নী ঘোষের মতো অভিনেত্রীরাও। এবার শোনা যাচ্ছে নির্বাচনের প্রার্থী হতে যাচ্ছেন বলিউড অভিনেত্রী উর্বশী রাউতেলাও।

আনন্দবাজারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে উর্বশীকে প্রশ্ন করা হয়, তিনি কি ভোটে দাঁড়ানোর কোনো প্রস্তাব কোনো দলের থেকে পেয়েছেন? অভিনেত্রী সহাস্যে জবাব দেন, হ্যা, টিকিট পেয়েছেন। তবে কোন দল, তা তিনি প্রকাশ করেননি। এ প্রসঙ্গে উর্বশী বলেন, ‘আমি টিকিট পেয়ে গিয়েছি। এবার আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আমি রাজনীতিতে নামব কি না। আমি এতদিন আমার ভক্তদের জন্য সব করেছি। এবারও তারাই বলুন, আমার কী করা উচিত। তবে রাজনীতিতে যোগ দিলে সৎ রাজনীতিক হব।’

উর্বশী প্রায়-ই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তুমুল আলোচনায়-সমালোচনায় থাকেন। কখনো তিন কোটি টাকার সোনার কেক কেটে, কখনো আবার ঋষভ পান্থের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনের কারণে।


আরও খবর